eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৫৩৬

শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোথা হতে উদ্ধার করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে
ব্যাখ্যা:
<p>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি উদ্ধার করার পেছনের ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার এক গ্রাম থেকে এই অমূল্য পুঁথিটি খুঁজে পান।</p>

<ul>
<li>সঠিক উত্তর হলো: <strong>বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে</strong>।</li>
<li>ঘটনাটি ছিল অনেকটা রূপকথার মতো; তিনি যখন এই গ্রামে যান, তখন এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের চালার নিচে খড়ের গাদার ভেতর থেকে অবহেলিত অবস্থায় পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এই আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক, কারণ এর মাধ্যমেই আমরা চণ্ডীদাসের পদাবলির প্রকৃত রূপ সম্পর্কে জানতে পারি।</li>
</ul>
২৫৩৭

বড়ু চন্ডীদাসের জন্মস্থান কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বীরভূম জেলার নানুর গ্রামে
ব্যাখ্যা:
<p>বড়ু চন্ডীদাসের জন্মস্থান নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে বীরভূম জেলার <strong>নানুর গ্রামের</strong> বাসিন্দা হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> বড়ু চন্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা।</li>
<li><strong>ভৌগোলিক অবস্থান:</strong> ঐতিহাসিকভাবে এই কবি বীরভূম জেলার নানুর গ্রামের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।</li>
<li><strong>স্মারক:</strong> নানুর গ্রামেই তার স্মৃতিবিজড়িত স্থান রয়েছে, যা তাকে এই অঞ্চলের সাথে ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার জন্য বীরভূম জেলার নানুর গ্রামই হলো সঠিক উত্তর।</p>
২৫৩৮

ঋজু শব্দের বিপরীত শব্দ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বক্র
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বক্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের দিক থেকে 'ঋজু' মানে হলো যা একদম সোজা বা সরল।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঋজু</strong> শব্দের অর্থ হলো সোজা বা সরল রেখা।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে আমরা <strong>বক্র</strong> শব্দটি ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো আঁকাবাঁকা বা যা সোজা নয়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'ঋজু' দেখলেই চোখ বন্ধ করে এর বিপরীত হিসেবে <strong>বক্র</strong> বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
২৫৩৯

‘বহ্ন্যুৎসব শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ করলে পাই-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহ্নি + উৎসব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহ্নি + উৎসব</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, নিচে দেখে নাও:</p>

<ul>
<li>এখানে <strong>বহ্ন্যুৎসব</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>বহ্নি + উৎসব</strong>।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার (ি) এর পরে যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ (যেমন: উ) থাকে, তবে ই-কারটি <strong>য-ফলা</strong> (্য) হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>বহ্নি</strong> শব্দের শেষ বর্ণ 'ই' এবং <strong>উৎসব</strong> শব্দের শুরুর বর্ণ 'উ' মিলে এখানে <strong>য-ফলা + উ-কার</strong> (্যু) তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $ই + উ = ্যু$। এই নিয়মেই বহ্নি ও উৎসব মিলে বহ্ন্যুৎসব হয়েছে।</li>
</ul>
২৫৪০

'বহ্ন্যুৎসব' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহ্ন্য + উৎসব
ব্যাখ্যা:
<p>‘বহ্ন্যুৎসব’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বহ্নি + উৎসব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই/ঈ স্থলে <strong>য-ফলা</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘বহ্নি’ শব্দের শেষে থাকা <strong>ই</strong> এবং ‘উৎসব’ শব্দের শুরুতে থাকা <strong>উ</strong> মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ই + উ = য + উ = ্যু$।</li>
<li>অর্থাৎ, $বহ্নি + উৎসব = বহ্ন্যুৎসব$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ই-কার এবং উ-কার মিলে এখানে ‘্যু’ তৈরি করেছে, যা শব্দটিকে ‘বহ্ন্যুৎসব’ রূপ দিয়েছে।</p>
২৫৪১

'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শশী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শশী</strong>। চাঁদকে আমরা বিভিন্ন নামে ডেকে থাকি, যার মধ্যে 'শশী' অন্যতম।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>শশী</li>
<li>চন্দ্র</li>
<li>সুধাংশু</li>
<li>নিশাকর</li>
<li>বিধু</li>
</ul>

<p>এই শব্দগুলো বারবার পড়লে খুব সহজেই মনে থাকবে। চাঁদ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে এই শব্দগুলো প্রায়ই ঘুরেফিরে আসে!</p>
২৫৪২

প্রত্যেক পদের অর্থ প্রাধান্য পায় কোন সমাসে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাসে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব সমাসে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য পদ পাশাপাশি বসে এবং উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ থাকে।</li>
<li>যেমন: 'মা ও বাবা' = 'মা-বাবা'। এখানে 'মা' এবং 'বাবা'—উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান।</li>
<li>সহজ কথায়, যে সমাসে ব্যাসবাক্যে 'ও', 'আর', 'এবং' অব্যয়গুলো থাকে এবং সমস্ত পদে উভয় পদের অর্থই বজায় থাকে, সেটাই দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>
২৫৪৩

যা কাঁচা তাই পাকা = কাঁচাপাকা - কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় নিচের ধাপগুলো খেয়াল করলে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলনে একটি নতুন অর্থ তৈরি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'কাঁচাপাকা' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় 'যা কাঁচা তাই পাকা'।</li>
<li>যেহেতু এখানে একই বস্তুর দুটি বিপরীত গুণ বা অবস্থা বোঝানো হচ্ছে এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু একই সাথে দুটি ভিন্ন গুণ বা অবস্থা ধারণ করে, তখন সেটি নির্দ্বিধায় <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</p>
২৫৪৪

‘তপোবন’ কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাদি সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>‘তপোবন’ শব্দটির সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>

<ul>
<li>প্রথমে শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>তপসের নিমিত্ত বন</strong> বা <strong>তপসের জন্য বন</strong>।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্যে ‘নিমিত্ত’ বা ‘জন্য’ বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত থাকে, তখন সেটি <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘তপস’ (তপস্যা) এর জন্য বা নিমিত্তেই বনটি তৈরি, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষের নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই কোনো কিছুর ‘উদ্দেশ্যে’ বা ‘নিমিত্তে’ কিছু বোঝাবে, চোখ বন্ধ করে সেটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস দাগিয়ে দেবেন!</p>
২৫৪৫

কূলের সমীপে = উপকুল -এটা কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে নতুন কোনো অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'উপ' একটি অব্যয় বা উপসর্গ, যা 'কূল' শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে 'উপকূল' (কূলের সমীপে) শব্দটি গঠন করেছে।</li>
<li>সহজ ট্রিক: শব্দের শুরুতে যদি <strong>উপ, আ, প্রতি, অনু, নি, যথা</strong>—এই ধরনের উপসর্গ বা অব্যয় দেখেন, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি অব্যয়ীভাব সমাস দাগিয়ে দেবেন।</li>
</ul>
২৫৪৬

'পকেট মার' কোন সমাসের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা সমাসবদ্ধ পদটির অর্থ বিশ্লেষণ করি।</p>

<ul>
<li>'পকেট মার' বলতে এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, যে পকেট মারে।</li>
<li>এখানে 'পকেট' বা 'মার'—কোনোটিই প্রধান নয়, বরং পুরো শব্দটি দিয়ে একজন ব্যক্তিকে (পকেটমার) বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তখনই তাকে আমরা বহুব্রীহি সমাস বলি।</p>
২৫৪৭

' উপভাষা ' কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'উপভাষা' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়— <strong>ভাষার সদৃশ</strong> বা <strong>উপভাষা</strong>।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে <strong>'উপ'</strong> উপসর্গ যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্রতা, সাদৃশ্য বা নিকটবর্তী হওয়া বোঝায়, তখন সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'উপ' একটি অব্যয় হিসেবে কাজ করছে, যা মূল শব্দ 'ভাষা'-এর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। তাই এটি চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস।</li>
</ul>
২৫৪৮

পুষ্পসৌরভ’ কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>প্রথমে শব্দটিকে ভেঙে নিন: <strong>পুষ্পের সৌরভ = পুষ্পসৌরভ</strong>।</li>
<li>এখানে 'পুষ্পের' শব্দটির সাথে 'এর' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা ষষ্ঠী বিভক্তি।</li>
<li>সমাস করার সময় যখন পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তখন তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে ষষ্ঠী বিভক্তি (এর) লোপ পেয়েছে, তাই এটি <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দের মাঝখানে বিভক্তি লুকিয়ে আছে এবং সেটি ভেঙে দেখালে বিভক্তি স্পষ্ট হয়, চোখ বন্ধ করে তাকে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
২৫৪৯

‘জজ সাহেব’ কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে, যেখানে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।</li>
<li>‘জজ সাহেব’ শব্দটিতে ‘জজ’ হলো বিশেষ্য এবং ‘সাহেব’ হলো বিশেষ্য বা উপাধি। এখানে যিনি জজ, তিনিই সাহেব—অর্থাৎ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যখন কোনো বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলনে একই ব্যক্তিকে বোঝায়, তখন তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ বা উপাধি প্রকাশ পায়, তখন চোখ বন্ধ করে একে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
২৫৫০

‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। যখন কোনো সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সেটি পরপদের সাথে যুক্ত হয়ে কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তখনই তাকে দ্বিগু সমাস বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সংখ্যা + বিশেষ্য = দ্বিগু সমাস।</strong></li>
<li>যেমন: 'তিন কালের সমাহার' = ত্রিকাল, 'পঞ্চ বটের সমাহার' = পঞ্চবটী।</li>
<li>এখানে পূর্বপদের সংখ্যাবাচক শব্দটি পরপদের বিশেষ্য পদের সাথে মিলে একটি সমষ্টি তৈরি করছে, তাই এটি দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।