বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে
ব্যাখ্যা:
<p>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি উদ্ধার করার পেছনের ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার এক গ্রাম থেকে এই অমূল্য পুঁথিটি খুঁজে পান।</p>
<ul>
<li>সঠিক উত্তর হলো: <strong>বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে</strong>।</li>
<li>ঘটনাটি ছিল অনেকটা রূপকথার মতো; তিনি যখন এই গ্রামে যান, তখন এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের চালার নিচে খড়ের গাদার ভেতর থেকে অবহেলিত অবস্থায় পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এই আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক, কারণ এর মাধ্যমেই আমরা চণ্ডীদাসের পদাবলির প্রকৃত রূপ সম্পর্কে জানতে পারি।</li>
</ul>
<p>বড়ু চন্ডীদাসের জন্মস্থান নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে বীরভূম জেলার <strong>নানুর গ্রামের</strong> বাসিন্দা হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> বড়ু চন্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা।</li>
<li><strong>ভৌগোলিক অবস্থান:</strong> ঐতিহাসিকভাবে এই কবি বীরভূম জেলার নানুর গ্রামের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।</li>
<li><strong>স্মারক:</strong> নানুর গ্রামেই তার স্মৃতিবিজড়িত স্থান রয়েছে, যা তাকে এই অঞ্চলের সাথে ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য বীরভূম জেলার নানুর গ্রামই হলো সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বক্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের দিক থেকে 'ঋজু' মানে হলো যা একদম সোজা বা সরল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঋজু</strong> শব্দের অর্থ হলো সোজা বা সরল রেখা।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে আমরা <strong>বক্র</strong> শব্দটি ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো আঁকাবাঁকা বা যা সোজা নয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'ঋজু' দেখলেই চোখ বন্ধ করে এর বিপরীত হিসেবে <strong>বক্র</strong> বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহ্নি + উৎসব</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, নিচে দেখে নাও:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>বহ্ন্যুৎসব</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>বহ্নি + উৎসব</strong>।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার (ি) এর পরে যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ (যেমন: উ) থাকে, তবে ই-কারটি <strong>য-ফলা</strong> (্য) হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>বহ্নি</strong> শব্দের শেষ বর্ণ 'ই' এবং <strong>উৎসব</strong> শব্দের শুরুর বর্ণ 'উ' মিলে এখানে <strong>য-ফলা + উ-কার</strong> (্যু) তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $ই + উ = ্যু$। এই নিয়মেই বহ্নি ও উৎসব মিলে বহ্ন্যুৎসব হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘বহ্ন্যুৎসব’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বহ্নি + উৎসব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই/ঈ স্থলে <strong>য-ফলা</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘বহ্নি’ শব্দের শেষে থাকা <strong>ই</strong> এবং ‘উৎসব’ শব্দের শুরুতে থাকা <strong>উ</strong> মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ই + উ = য + উ = ্যু$।</li>
<li>অর্থাৎ, $বহ্নি + উৎসব = বহ্ন্যুৎসব$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ই-কার এবং উ-কার মিলে এখানে ‘্যু’ তৈরি করেছে, যা শব্দটিকে ‘বহ্ন্যুৎসব’ রূপ দিয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শশী</strong>। চাঁদকে আমরা বিভিন্ন নামে ডেকে থাকি, যার মধ্যে 'শশী' অন্যতম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>শশী</li>
<li>চন্দ্র</li>
<li>সুধাংশু</li>
<li>নিশাকর</li>
<li>বিধু</li>
</ul>
<p>এই শব্দগুলো বারবার পড়লে খুব সহজেই মনে থাকবে। চাঁদ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে এই শব্দগুলো প্রায়ই ঘুরেফিরে আসে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব সমাসে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য পদ পাশাপাশি বসে এবং উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ থাকে।</li>
<li>যেমন: 'মা ও বাবা' = 'মা-বাবা'। এখানে 'মা' এবং 'বাবা'—উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান।</li>
<li>সহজ কথায়, যে সমাসে ব্যাসবাক্যে 'ও', 'আর', 'এবং' অব্যয়গুলো থাকে এবং সমস্ত পদে উভয় পদের অর্থই বজায় থাকে, সেটাই দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় নিচের ধাপগুলো খেয়াল করলে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলনে একটি নতুন অর্থ তৈরি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'কাঁচাপাকা' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় 'যা কাঁচা তাই পাকা'।</li>
<li>যেহেতু এখানে একই বস্তুর দুটি বিপরীত গুণ বা অবস্থা বোঝানো হচ্ছে এবং বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু একই সাথে দুটি ভিন্ন গুণ বা অবস্থা ধারণ করে, তখন সেটি নির্দ্বিধায় <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>‘তপোবন’ শব্দটির সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>প্রথমে শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>তপসের নিমিত্ত বন</strong> বা <strong>তপসের জন্য বন</strong>।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্যে ‘নিমিত্ত’ বা ‘জন্য’ বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত থাকে, তখন সেটি <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘তপস’ (তপস্যা) এর জন্য বা নিমিত্তেই বনটি তৈরি, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষের নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই কোনো কিছুর ‘উদ্দেশ্যে’ বা ‘নিমিত্তে’ কিছু বোঝাবে, চোখ বন্ধ করে সেটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে নতুন কোনো অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'উপ' একটি অব্যয় বা উপসর্গ, যা 'কূল' শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে 'উপকূল' (কূলের সমীপে) শব্দটি গঠন করেছে।</li>
<li>সহজ ট্রিক: শব্দের শুরুতে যদি <strong>উপ, আ, প্রতি, অনু, নি, যথা</strong>—এই ধরনের উপসর্গ বা অব্যয় দেখেন, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি অব্যয়ীভাব সমাস দাগিয়ে দেবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা সমাসবদ্ধ পদটির অর্থ বিশ্লেষণ করি।</p>
<ul>
<li>'পকেট মার' বলতে এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, যে পকেট মারে।</li>
<li>এখানে 'পকেট' বা 'মার'—কোনোটিই প্রধান নয়, বরং পুরো শব্দটি দিয়ে একজন ব্যক্তিকে (পকেটমার) বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তখনই তাকে আমরা বহুব্রীহি সমাস বলি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'উপভাষা' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়— <strong>ভাষার সদৃশ</strong> বা <strong>উপভাষা</strong>।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে <strong>'উপ'</strong> উপসর্গ যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্রতা, সাদৃশ্য বা নিকটবর্তী হওয়া বোঝায়, তখন সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'উপ' একটি অব্যয় হিসেবে কাজ করছে, যা মূল শব্দ 'ভাষা'-এর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। তাই এটি চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>প্রথমে শব্দটিকে ভেঙে নিন: <strong>পুষ্পের সৌরভ = পুষ্পসৌরভ</strong>।</li>
<li>এখানে 'পুষ্পের' শব্দটির সাথে 'এর' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা ষষ্ঠী বিভক্তি।</li>
<li>সমাস করার সময় যখন পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তখন তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে ষষ্ঠী বিভক্তি (এর) লোপ পেয়েছে, তাই এটি <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দের মাঝখানে বিভক্তি লুকিয়ে আছে এবং সেটি ভেঙে দেখালে বিভক্তি স্পষ্ট হয়, চোখ বন্ধ করে তাকে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে, যেখানে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।</li>
<li>‘জজ সাহেব’ শব্দটিতে ‘জজ’ হলো বিশেষ্য এবং ‘সাহেব’ হলো বিশেষ্য বা উপাধি। এখানে যিনি জজ, তিনিই সাহেব—অর্থাৎ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যখন কোনো বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলনে একই ব্যক্তিকে বোঝায়, তখন তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ বা উপাধি প্রকাশ পায়, তখন চোখ বন্ধ করে একে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
২৫৫০
‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। যখন কোনো সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সেটি পরপদের সাথে যুক্ত হয়ে কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তখনই তাকে দ্বিগু সমাস বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সংখ্যা + বিশেষ্য = দ্বিগু সমাস।</strong></li>
<li>যেমন: 'তিন কালের সমাহার' = ত্রিকাল, 'পঞ্চ বটের সমাহার' = পঞ্চবটী।</li>
<li>এখানে পূর্বপদের সংখ্যাবাচক শব্দটি পরপদের বিশেষ্য পদের সাথে মিলে একটি সমষ্টি তৈরি করছে, তাই এটি দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।