<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরাসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ফরাসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>ফিরিঙ্গি:</strong> মূলত ইউরোপীয় বা বিদেশি বোঝাতে এই শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li><strong>বুর্জোয়া:</strong> সমাজ বা অর্থনীতির আলোচনায় ব্যবহৃত এই গুরুত্বপূর্ণ শব্দটি ফরাসি শব্দ <em>Bourgeois</em> থেকে এসেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঐতিহাসিক ও ভাষাগত বিবর্তনের ধারায় এই বিশেষ শব্দ দুটি ফরাসি ভাষা থেকে আমাদের শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে। তাই পরীক্ষার জন্য এই দুটি শব্দকে ফরাসি শব্দের তালিকায় মনে রাখলেই চলবে।</p>
২৭৩২
মুৎসুদ্দি, নকল, দালাল, মুনাফা, লোকসান, এলাকা কোন ধরনের শব্দ--
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। এই শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এত বেশি ব্যবহৃত হয় যে, এগুলোকে আলাদা করে চেনা খুব সহজ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাণিজ্যিক লেনদেন বা হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত শব্দগুলো সাধারণত আরবি থেকে এসেছে।</li>
<li>মুৎসুদ্দি, নকল, দালাল, মুনাফা, লোকসান এবং এলাকা—এই প্রতিটি শব্দই ব্যবসায়িক বা প্রশাসনিক কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এই বিশেষ শব্দগুচ্ছের মূল উৎস হলো আরবি ভাষা, যা আমাদের শব্দভাণ্ডারকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপানি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>'রিক্সা' শব্দটি মূলত জাপানি শব্দ <strong>'Jin-riki-sha'</strong> (人力車) থেকে এসেছে।</li>
<li>জাপানি ভাষায় 'Jin' মানে মানুষ, 'riki' মানে শক্তি এবং 'sha' মানে গাড়ি। অর্থাৎ, মানুষের শক্তিতে চালিত গাড়িই হলো রিক্সা।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এই শব্দটি সরাসরি জাপানি ভাষা থেকেই গৃহীত হয়েছে, তাই এটি একটি খাঁটি জাপানি শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>'আসমান' শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ফারসি ভাষা থেকে আসা আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: চশমা, দোকান, কারখানা, এবং তারিখ।</li>
<li>ভাষার উৎস মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দগুলোর ব্যবহারিক প্রয়োগ খেয়াল করা, যা আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জার্মান</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'কিন্ডারগার্টেন' শব্দটি এসেছে জার্মান শব্দ <em>Kindergarten</em> থেকে।</p>
<ul>
<li>জার্মান ভাষায় <em>Kinder</em> মানে হলো <strong>শিশু</strong>।</li>
<li><em>Garten</em> মানে হলো <strong>বাগান</strong>।</li>
<li>অর্থাৎ, আক্ষরিক অর্থে এটি হলো শিশুদের জন্য একটি বাগান বা শিক্ষাঙ্গন।</li>
</ul>
<p>জার্মান শিক্ষাবিদ ফ্রেডরিখ ফ্রোয়েবেল ১৮৪০ সালে প্রথম এই পদ্ধতির স্কুল চালু করেন, তাই শব্দটি সরাসরি জার্মান ভাষা থেকেই আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>
<p>আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ‘প্রথম বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে নতুন আঙ্গিক ও আধুনিক চেতনার প্রবর্তন করেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong>-এ তিনি প্রচলিত পৌরাণিক ধারণাকে ভেঙে রাবণকে একজন বীর ও মানবিক চরিত্রে উপস্থাপন করেছেন, যা তৎকালীন সময়ে ছিল এক বিশাল বিদ্রোহ।</li>
<li>তিনি বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের মতো নতুন শৈলী যুক্ত করে বাংলা সাহিত্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান, যা ছিল তৎকালীন রক্ষণশীল সাহিত্যের বিরুদ্ধে এক ধরনের শৈল্পিক বিপ্লব।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের চিরাচরিত নিয়ম ভেঙে নতুন ধারার সূচনা করার কারণেই তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত গানটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। গানটি মূলত তাঁর <strong>'ভাঙার গান'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>গানটির শিরোনাম হলো <strong>'চল্ চল্ চল্'</strong>, যা আমাদের জাতীয় রণসংগীত হিসেবেও পরিচিত।</li>
<li>কবি নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীর মাধ্যমে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে এই গানটি লিখেছিলেন।</li>
<li>গানটির উদ্দীপনামূলক সুর এবং কথা আজও যেকোনো কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার সাহস জোগায়।</li>
</ul>
<p>‘কাসেম বধ কাব্য’ এর রচয়িতা হলেন <strong>হামিদ আলী</strong>। সাহিত্যিক হামিদ আলী মূলত মুসলিম ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>হামিদ আলী</strong> ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার।</li>
<li>তার সাহিত্যকর্মে প্রায়ই ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় আখ্যানের প্রতিফলন দেখা যায়।</li>
<li>‘কাসেম বধ কাব্য’ তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>‘বাংলাদেশ’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>অমিয় চক্রবর্তী</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ কবিতা। কবি অমিয় চক্রবর্তী তাঁর লেখনীতে দেশপ্রেম ও প্রকৃতির যে অনন্য রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন, তা এই কবিতায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল উপজীব্য হলো বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কবির গভীর দেশপ্রেম।</li>
<li>অমিয় চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাই তাঁর এই সৃষ্টিটি পাঠ্যবই ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘বাংলাদেশ’ কবিতার নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>অমিয় চক্রবর্তী</strong>-কে মনে রাখবেন। এটিই সঠিক উত্তর।</p>
২৭৪০
'মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে' -এই চরণটি কার লেখা?
<p>'মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে'—এই বিখ্যাত চরণটি বিশ্বকবি <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> লেখা। এটি তাঁর 'প্রাণ' নামক কবিতার একটি অত্যন্ত পরিচিত লাইন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>প্রাণ</strong>।</li>
<li>মূলভাব: কবি এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আকুলতা প্রকাশ করেছেন।</li>
<li>রচয়িতা: <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</li>
</ul>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতিপ্রেম এবং জীবনবোধের গভীরতা এই লাইনটিতে দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। তাই যখনই এই লাইনটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে করতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খ্রিস্টাব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় যখন দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে একটি নতুন শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে মিশ্র শব্দ বলে।</li>
<li>এখানে <strong>খ্রিস্টাব্দ</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে ইংরেজি <strong>খ্রিস্ট</strong> (Christ) এবং আরবি <strong>অব্দ</strong> (বছর) শব্দ দুটির মিলনে।</li>
<li>যেহেতু দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে এটি তৈরি হয়েছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি মিশ্র শব্দ।</li>
</ul>
২৭৪২
‘কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্হ-নরক, মানষেতে সুরাসুর।’ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>ফজলুল করিম</strong>। তাঁর লেখা 'স্বর্গ-নরক' কবিতা থেকে এই লাইনগুলো নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>স্বর্গ-নরক</strong>।</li>
<li>কবি: <strong>ফজলুল করিম</strong>।</li>
<li>মূলভাব: মানুষ তার কর্মের মাধ্যমেই পৃথিবীতে স্বর্গ বা নরক তৈরি করে, তাই এটি খুঁজতে কোথাও দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।</li>
</ul>
<p>সাহিত্যিক এই লাইনগুলো বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে। তাই কবির নামটা একবার ভালো করে মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>‘রসূল বিজয়’ কাব্যের রচিয়তা হলেন <strong>সাবিরিদ খান</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ধারায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সাবিরিদ খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন।</li>
<li>তার রচিত ‘রসূল বিজয়’ কাব্যটি মূলত ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অলৌকিক বিজয়গাঁথা নিয়ে লেখা।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ‘রসূল বিজয়’ নামে একাধিক কবির কাব্য থাকলেও, পাঠ্যবই ও পরীক্ষার প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে <strong>সাবিরিদ খান</strong>-ই এর সঠিক রচিয়তা হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে সরাসরি সাবিরিদ খানের নাম মনে রাখলেই চলবে, কারণ এটি একটি তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবদুল হাকিম</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আবদুল হাকিম তাঁর কাব্যগুলোতে চমৎকার সব নাম ব্যবহার করেছেন, যা খুব সহজেই মনে রাখা যায়।</p>
<p>মনে রাখার সহজ কৌশলটি হলো:</p>
<ul>
<li>কবি আবদুল হাকিমের কাব্যগুলোর নামের শেষে সাধারণত <strong>‘নামা’</strong> শব্দটি যুক্ত থাকে।</li>
<li>যেমন: নূর<strong>নামা</strong>, নসীয়ত<strong>নামা</strong>, শহর<strong>নামা</strong>।</li>
</ul>
<p>এই ‘নামা’ যুক্ত কাব্যগুলো দেখলেই আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে এগুলো মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের লেখা। এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি দাগানো সম্ভব।</p>
<p>বাংলা টপ্পা গানের জনক হিসেবে পরিচিত হলেন <strong>রামনিধি গুপ্ত</strong>, যিনি মূলত 'নিধুবাবু' নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>নিধুবাবু</strong> বাংলা টপ্পা গানের ধারার প্রবর্তক এবং এই ঘরানার শ্রেষ্ঠ শিল্পী।</li>
<li>তিনি মূলত হিন্দুস্থানি টপ্পা গানের আদলে বাংলা ভাষায় এই নতুন ধারার গান তৈরি করেছিলেন।</li>
<li>তাঁর রচিত গানগুলো তৎকালীন সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল এবং তিনি বাংলা গানে এক নতুন রুচি ও শৈলী নিয়ে এসেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা টপ্পা গান বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে <strong>রামনিধি গুপ্ত</strong> বা নিধুবাবুর নামটাই আসা উচিত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।