<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'নিম' একটি অত্যন্ত পরিচিত উপসর্গ, যার অর্থ হলো 'অর্ধেক'। এটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মনে রাখার জন্য কিছু সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>'নিম' উপসর্গটি সাধারণত ফারসি শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর মতো আরও কিছু ফারসি উপসর্গ হলো: <strong>বে-, বদ-, দর-, কার-</strong> ইত্যাদি।</li>
<li>'নিমরাজি' শব্দটির অর্থ হলো 'অর্ধেক রাজি' বা 'পুরোপুরি রাজি নয় এমন', যেখানে 'নিম' অংশটি ফারসি উৎস থেকে আগত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'নিম' উপসর্গ দেখলেই চোখ বন্ধ করে ফারসি দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>‘বরখেলাপ’ শব্দে ‘বর’ হলো একটি <strong>ফারসি</strong> উপসর্গ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘বর’ উপসর্গটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>এর অর্থ হলো ‘বিপরীত’ বা ‘বিরুদ্ধে’।</li>
<li>যখন আমরা ‘খেলাপ’ শব্দের আগে ‘বর’ যুক্ত করি, তখন এটি ‘নিয়মের বিপরীত’ বা ‘নিয়ম ভঙ্গ করা’ বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, যেসব শব্দে ‘বর’ উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো সাধারণত ফারসি উৎস থেকেই আগত।</p>
<p>‘চোখ পাকানো’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>ক্রোধ দেখানো</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন খুব রেগে যাই বা কাউকে ধমক দিতে চাই, তখন স্বাভাবিকভাবেই চোখ বড় বড় করে বা রাগান্বিত দৃষ্টিতে তাকাই।</li>
<li>এই ভঙ্গিটিই মূলত রাগ বা ক্রোধ প্রকাশের একটি মাধ্যম।</li>
<li>তাই বাংলা ভাষায় রাগের বহিঃপ্রকাশ বোঝাতে ‘চোখ পাকানো’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফলা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে বসে, তখন তার সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় <strong>ফলা</strong>।</li>
<li>যেমন: 'ক' বর্ণটি যখন অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তা 'ক-ফলা' (যেমন: পক্ক) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপই হলো ফলা, যা শব্দের গঠনকে আরও সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পুষ্প</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘প্রসূন’ শব্দটি মূলত ফুল বা পুষ্পের একটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ।</p>
<ul>
<li>‘প্রসূন’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যা প্রসূত বা উৎপন্ন হয়েছে।</li>
<li>গাছে ফুল ফোটে বা উৎপন্ন হয় বলেই একে প্রসূন বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, প্রসূন = পুষ্প = ফুল।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক হলো, ‘প্রসূন’ এবং ‘পুষ্প’—উভয়ই ‘প’ দিয়ে শুরু হয়, যা শব্দটিকে মনে রাখতে সাহায্য করবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুষ্প</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'প্রসূন' শব্দটি মূলত ফুল বা পুষ্পের একটি চমৎকার সংস্কৃত প্রতিশব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'প্রসূন' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যা প্রসূত বা উৎপন্ন হয়েছে।</li>
<li>গাছে ফুল ফোটা বা উৎপন্ন হওয়া থেকেই এই নামের উৎপত্তি।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় ফুল বোঝাতে আমরা অনায়াসেই <strong>পুষ্প</strong> বা <strong>প্রসূন</strong> ব্যবহার করতে পারি।</li>
</ul>
<p>বাউল মতের প্রতি শিক্ষিত সমাজকে আগ্রহী করে তোলার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ নিজে বাউল দর্শনের গভীর ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর অনেক গানে বাউল সুর ও আধ্যাত্মিকতার প্রভাব স্পষ্ট।</li>
<li>তিনি বাউল সম্রাট লালন ফকিরের গানগুলোকে সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেন।</li>
<li>তাঁর লেখনী ও বক্তৃতার মাধ্যমে বাউলদের সহজ-সরল জীবনদর্শন ও মানবতাবাদী চিন্তা শিক্ষিত মহলের কাছে নতুন করে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের উদ্যোগেই বাউল গান কেবল গ্রামের মেঠো পথ পেরিয়ে অভিজাত ও শিক্ষিত সমাজের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। ‘মহাকুমা’ শব্দটি মূলত আরবি শব্দ ‘মাকাম’ (Maqam) থেকে এসেছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>আরবি শব্দ <strong>মাকাম</strong>-এর অর্থ হলো অবস্থান বা কোনো নির্দিষ্ট স্থান।</li>
<li>প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে যখন কোনো বড় অঞ্চলকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়, তখন সেই নির্দিষ্ট প্রশাসনিক এলাকাকে বোঝাতে ‘মহাকুমা’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষায় অনেক প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দই আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘মহাকুমা’ একটি অন্যতম উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>‘কলম’ শব্দটি এসেছে <strong>আরবি</strong> ভাষা থেকে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>আরবি শব্দ <strong>'Qalam' (قلم)</strong> থেকেই মূলত বাংলা ‘কলম’ শব্দটির উৎপত্তি।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, এই শব্দটি আরবি থেকে ফারসি হয়ে আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে, তবে এর মূল উৎস হলো আরবি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় উত্তর দেওয়ার সময় চোখ বন্ধ করে <strong>আরবি</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই আমরা প্রতিদিনের কথোপকথনে ব্যবহার করি, যার উৎস সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই। ‘বাবা’ শব্দটি মূলত একটি তুর্কি শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ আছে: <strong>‘বাবা’</strong>, <strong>‘বেগম’</strong>, <strong>‘চাকু’</strong> আর <strong>‘কুলি’</strong>—এই শব্দগুলো সবই তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই ছোট তালিকাটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চীনা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিভিন্ন ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>'সাম্পান' মূলত একটি চীনা শব্দ, যা মূলত এক ধরনের ছোট নৌকা বা ডিঙিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষায় আগত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে চীনা শব্দ খুবই কম, তাই এই নির্দিষ্ট শব্দটি মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দার্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই 'সাম্পান' শব্দটি চীনা উৎস থেকে এসেছে—এই তথ্যটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
২৭২৮
আনারস, আলকাতরা, কেরানী, আলমারী, চাবি এই শব্দগুলি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এই শব্দগুলো মূলত পর্তুগিজ নাবিক ও বণিকদের হাত ধরেই বাংলায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>আনারস ও আলমারী:</strong> পর্তুগিজরা যখন প্রথম বাংলায় আসে, তখন তারা এই নতুন ফল ও আসবাবপত্রের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয়।</li>
<li><strong>চাবি ও আলকাতরা:</strong> তাদের ব্যবহৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় সরঞ্জামের নামগুলোই কালক্রমে বাংলা ভাষার অংশ হয়ে গেছে।</li>
<li><strong>কেরানী:</strong> পর্তুগিজ আমলে দাপ্তরিক কাজে এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো, যা আজও আমাদের ভাষায় টিকে আছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দগুলো দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>পর্তুগিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>‘জঙ্গল’ শব্দটি মূলত <strong>তুর্কি</strong> ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী, তুর্কি শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন ভাষায় বেশ গভীরভাবে মিশে আছে।</li>
<li>‘জঙ্গল’ শব্দটি তুর্কি শব্দ <strong>'Jangal'</strong> থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ মূলত বন বা ঝোপঝাড়।</li>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই তুর্কি থেকে সরাসরি এসেছে, যেমন— চাকর, বাবুর্চি, কাঁচি ইত্যাদি। এই তালিকার অন্যতম একটি শব্দ হলো জঙ্গল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, জঙ্গল শব্দটি তুর্কি ভাষার অবদান।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।