<p>আরাকান রাজসভার কবিদের মধ্যে অন্যতম হলেন <strong>আবদুল করীম খন্দকার</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার অবদান ছিল অপরিসীম, যেখানে অনেক কবি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের সাহিত্যকর্ম রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>আরাকান রাজসভা ছিল বাংলা সাহিত্যের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।</li>
<li>এই রাজসভার কবিরা মূলত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও কাব্য রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li>আবদুল করীম খন্দকার এই ধারার একজন বিশিষ্ট কবি হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কারণ মধ্যযুগের সাহিত্য থেকে প্রায়ই আরাকান রাজসভার কবিদের নাম জানতে চাওয়া হয়। তাই কবির নাম ও রাজসভার নাম একসাথে মনে রাখলে উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রতিটি বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণগুলো হলো <strong>অল্পপ্রাণ</strong> ধ্বনি।</li>
<li>চ-বর্গের প্রথম বর্ণটি হলো <strong>চ</strong>, তাই এটি একটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের পরিমাণ কম থাকে, সেগুলোই অল্পপ্রাণ। <strong>চ</strong> উচ্চারণ করতে আমাদের ফুসফুস থেকে খুব সামান্য বাতাস বের হয়, তাই এটি অল্পপ্রাণ।</li>
</ul>
<p>‘যা লাফিয়ে চলে’ এক কথায় তাকে বলা হয় <strong>প্লবগ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘প্লব’ শব্দের অর্থ হলো লাফ বা ঝাপ।</li>
<li>‘গ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘প্লবগ’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো যে লাফিয়ে চলে।</li>
<li>সাধারণত ব্যাঙ বা এই জাতীয় প্রাণীদের ক্ষেত্রে এই শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি <strong>প্লবগ</strong> দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটিই শুদ্ধ বাংলা শব্দ।</p>
২৭৪৯
‘যে নারী পূর্বে অপরের বাগদত্তা ছিল’ - তাকে এক কথায় কী বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যপূর্বা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অন্য’ মানে হলো অন্য কেউ বা অন্য পুরুষ।</li>
<li>‘পূর্বা’ মানে হলো আগে বা পূর্বে।</li>
<li>অর্থাৎ, যে নারী আগে অন্য কোনো পুরুষের বাগদত্তা (যার সাথে বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়েছিল) ছিলেন, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>অন্যপূর্বা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাগদত্তা হওয়ার বিষয়টি অন্য কারো সাথে ছিল বলেই একে ‘অন্যপূর্বা’ বলা হয়। এই শব্দটি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাপকের এলাকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ পোস্টাল কোড বা জিপ কোড মূলত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানাকে চিহ্নিত করে।</p>
<ul>
<li>চিঠি বা পার্সেল পাঠানোর সময় পোস্টাল কোড ব্যবহার করা হয় যাতে ডাকবিভাগ সহজেই বুঝতে পারে চিঠিটি কোন নির্দিষ্ট এলাকায় পৌঁছাতে হবে।</li>
<li>এটি মূলত <strong>প্রাপকের ঠিকানার</strong> একটি অংশ, যা ডাকঘরকে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে গন্তব্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে।</li>
<li>সহজ কথায়, পোস্টাল কোড হলো কোনো এলাকার ডিজিটাল পরিচয়, যা প্রাপকের অবস্থান নিশ্চিত করে।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ড. সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক ও ইতিহাসবিদ। তিনি মধ্যযুগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম সম্পাদনা ও প্রকাশের সাথে যুক্ত ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায়:</p>
<ul>
<li><strong>ভুবনমঙ্গল</strong> কাব্যটি ড. সুকুমার সেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>এটি মূলত মধ্যযুগীয় সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন, যা তিনি পাঠকদের কাছে সহজলভ্য করার জন্য প্রকাশনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই তথ্যটি সরাসরি মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব।</p>
<p>‘জঙ্গনামা’ শব্দটির উৎপত্তি মূলত ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো যুদ্ধ। তাই এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো <strong>যুদ্ধ-বিগ্রহ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>জঙ্গ</strong> = যুদ্ধ।</li>
<li><strong>নামা</strong> = কাহিনী বা আখ্যান।</li>
<li>অর্থাৎ, যে কাব্যে বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী বর্ণিত হয়, তাকেই জঙ্গনামা বলা হয়।</li>
</ul>
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কারবালার প্রান্তরে সংঘটিত ঐতিহাসিক যুদ্ধ ও বীরত্বের কাহিনী নিয়ে রচিত কাব্যগুলোই মূলত জঙ্গনামা নামে পরিচিত। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যুদ্ধ-বিগ্রহ</strong>।</p>
<p>‘জঙ্গনামা’ শব্দটির উৎপত্তি মূলত ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো যুদ্ধ। তাই নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এই কাব্যের মূল উপজীব্য বিষয় হলো যুদ্ধ বিগ্রহ।</p>
<ul>
<li><strong>জঙ্গনামা</strong> মূলত ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক যুদ্ধের কাহিনী নিয়ে রচিত কাব্য।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বিশেষ করে কারবালার যুদ্ধের কাহিনী বা বীরত্বগাথা বর্ণনায় এই জাতীয় কাব্যধারা বেশ জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই বীরত্বপূর্ণ লড়াই বা যুদ্ধের বর্ণনা থাকে, তাকেই আমরা জঙ্গনামা হিসেবে চিনি।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>যুদ্ধ বিগ্রহ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতীচী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'প্রাচী' শব্দের অর্থ হলো পূর্ব দিক বা পূর্ব দিকস্থিত।</li>
<li>এর বিপরীত দিক হলো পশ্চিম দিক, আর বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পশ্চিম দিককে বোঝাতে <strong>প্রতীচী</strong> শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, 'প্রতীচী' শব্দটিতে 'ত'-এর সাথে দীর্ঘ-ঈকার ($ঈ$) এবং 'চ'-এর সাথেও দীর্ঘ-ঈকার ($ঈ$) বসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পূর্বের বিপরীত পশ্চিম, আর তাই প্রাচীর বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রতীচীই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রীতি</strong>। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ 'ঈর্ষা' বলতে আমরা সাধারণত অন্যের প্রতি বিদ্বেষ বা হিংসা বোঝাই। অন্যদিকে, 'প্রীতি' শব্দের অর্থ হলো ভালোবাসা, স্নেহ বা অনুরাগ।</p>
<ul>
<li><strong>ঈর্ষা:</strong> অন্যের ভালো দেখে মনে যে জ্বালা বা বিদ্বেষ তৈরি হয়।</li>
<li><strong>প্রীতি:</strong> মনের গভীর থেকে আসা ভালোবাসা বা আন্তরিক টান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঈর্ষা যেখানে নেতিবাচক আবেগ প্রকাশ করে, প্রীতি সেখানে ইতিবাচক আবেগ প্রকাশ করে। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রীতিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রায় + চিত্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি <strong>চ</strong> বা <strong>ছ</strong> থাকে, তবে বিসর্গটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>শ</strong> বা <strong>স</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে 'প্রায়' শব্দের শেষে একটি বিসর্গ আছে, যার সাথে 'চিত্ত' যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গটি <strong>শ</strong>-এ রূপান্তরিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>প্রায় + চিত্ত = প্রায়শ্চিত্ত</strong>।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে আপনি খুব সহজেই এমন আরও সন্ধি বিচ্ছেদ সমাধান করতে পারবেন।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি গোবিন্দ দাসের পদ সংখ্যা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, সাধারণভাবে তাঁর রচিত পদের সংখ্যা <strong>প্রায় সাতশত</strong> বলে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গোবিন্দ দাসের পদাবলি মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও ভক্তিরসে ভরপুর।</li>
<li>বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি ও সংকলন বিশ্লেষণ করে সাহিত্যিকরা তাঁর ভণিতাযুক্ত পদের সংখ্যা <strong>৭০০</strong>-এর কাছাকাছি নির্ধারণ করেছেন।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ আলোচনায় এই সংখ্যাটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>‘ঊনকোটি চৌষট্টি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>প্রায় সম্পূর্ণ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘ঊন’ শব্দের অর্থ হলো কম বা এক কম।</li>
<li>যখন কোনো কিছু পূর্ণ হতে সামান্য বাকি থাকে, তখন তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, কোনো কাজ বা সংখ্যা যখন পূর্ণতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তখন আমরা একে <strong>প্রায় সম্পূর্ণ</strong> হিসেবে গণ্য করি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহিনকুল</strong>। দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় 'ও', 'এবং' বা 'আর' অব্যয় ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অহিনকুল</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>অহি ও নকুল</strong>।</li>
<li>এখানে 'অহি' (সাপ) এবং 'নকুল' (বেজি) — উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পেয়েছে।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানে 'ও' অব্যয়টি যুক্ত হয়েছে এবং উভয় পদের অর্থ বজায় আছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি বিপরীত বা সমজাতীয় পদের মিলন ঘটে এবং মাঝখানে 'ও' বা 'এবং' লুকিয়ে থাকে, তখনই সেটি দ্বন্দ্ব সমাস হয়।</p>
<p>‘সুশীল’ শব্দটির সঠিক সমাস হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>প্রথমে শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>সু (সুন্দর) শীল (স্বভাব) যার</strong>।</li>
<li>এখানে ‘সু’ বা ‘শীল’ কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই শব্দ দিয়ে এমন একজনকে বোঝানো হচ্ছে যার স্বভাব সুন্দর।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে, তাই এটি <strong>সমানাধিকরণ বহুব্রীহি</strong> সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদ পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখন সেটিই বহুব্রীহি সমাস। এখানে ‘সুশীল’ বলতে সুন্দর স্বভাবের মানুষকেই বোঝানো হচ্ছে, তাই এটি বহুব্রীহি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।