<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাদি সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রাদি সমাস চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হলো এর গঠন।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসের পূর্বপদে <strong>প্র, পরা, অপ, অনু, অতি</strong> ইত্যাদি উপসর্গ যুক্ত থাকে এবং পরপদটি কৃদন্ত পদ হয়, তখনই তাকে প্রাদি সমাস বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে উপসর্গ দেখে যদি দেখেন সেটি কোনো বিশেষ অর্থ তৈরি করছে, তবে চোখ বন্ধ করে প্রাদি সমাস দাগিয়ে দেবেন।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, <strong>প্র</strong> + বচন = প্রবচন, এখানে 'প্র' উপসর্গটি পূর্বপদে বসেছে।</li>
</ul>
২৭৬২
প্রত্যয়ান্ত শব্দ থেকে প্রত্যয় বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>একটি শব্দের মূল অংশ বা যে অংশটিকে আর ভাঙা যায় না, তাকেই বলা হয় <strong>প্রকৃতি</strong>।</li>
<li>শব্দের শেষে যখন কোনো প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সেটি একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, প্রত্যয়ান্ত শব্দ থেকে প্রত্যয়টিকে সরিয়ে নিলে যে মূল অংশটি অবশিষ্ট থাকে, সেটিই হলো শব্দের আদি বা মৌলিক রূপ, যাকে আমরা ব্যাকরণের ভাষায় <strong>প্রকৃতি</strong> বলি।</li>
</ul>
<p>উদাহরণস্বরূপ, 'চলন্ত' শব্দ থেকে 'অন্ত' প্রত্যয় বাদ দিলে থাকে 'চল', যা এখানে প্রকৃতি হিসেবে কাজ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের আগে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন কোনো অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে গঠনগতভাবে উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' উপসর্গ যোগ করলে হয় 'প্রহার', যা একটি <strong>উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দের শুরুতে উপসর্গ যুক্ত থাকে, তাকেই এই নামে ডাকা হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে <strong>গুণ ও বৃদ্ধি</strong> মূলত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li><strong>গুণ:</strong> শব্দের আদি স্বর 'অ' থাকলে তা 'ও' হয়, 'ই' বা 'ঈ' থাকলে 'এ' হয় এবং 'উ' বা 'ঊ' থাকলে 'ও' হয়। যেমন: $জি + অ = জেয়$।</li>
<li><strong>বৃদ্ধি:</strong> শব্দের আদি স্বর 'অ' থাকলে তা 'আ' হয়, 'ই' বা 'ঈ' থাকলে 'ঐ' হয় এবং 'উ' বা 'ঊ' থাকলে 'ঔ' হয়। যেমন: $বিদ্ + অ = বৈদ্য$।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, কৃৎ-প্রকৃতির শুরুতে থাকা স্বরবর্ণের এই নির্দিষ্ট পরিবর্তনগুলোই ব্যাকরণে গুণ ও বৃদ্ধি নামে পরিচিত। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে</strong>।</p>
<p>‘প্রাতরাশ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রাতঃ + আশ</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এখানে বিসর্গ (ঃ) এর সাথে ‘আ’ স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় লোপ পায় বা পরিবর্তিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রাতঃ</strong> শব্দের বিসর্গটি পরবর্তী শব্দের <strong>আশ</strong>-এর ‘আ’-এর সাথে যুক্ত হয়ে শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সকালে যে খাবার খাওয়া হয়, তাকেই আমরা বলি প্রাতরাশ। তাই সন্ধি করার সময় মূল শব্দ দুটি অর্থাৎ <strong>প্রাতঃ</strong> এবং <strong>আশ</strong> আলাদা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাতঃ + আশ</strong>। এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) সাথে অ-বর্ণের মিলন হলে বিসর্গটি লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রাতঃ</strong> শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ এবং <strong>আশ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' মিলে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, সকালের খাবার বা প্রাতঃকালের আশ (আহার) থেকেই শব্দটি এসেছে <strong>প্রাতরাশ</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মনে রাখবেন, বিসর্গ চিহ্নটি অবশ্যই রাখতে হবে, যা সঠিক রূপটি হলো <strong>প্রাতঃ + আশ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গাম্ভীর্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিশেষ্য পদ বলতে কোনো কিছুর নাম, গুণ বা অবস্থাকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li><strong>গাম্ভীর্য</strong> শব্দটি 'গম্ভীর' বিশেষণ থেকে তৈরি একটি ভাববাচক বিশেষ্য।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের শেষে 'য', 'তা', 'ত্ব' বা 'পনা' যুক্ত হয়ে কোনো গুণের নাম বোঝায়, তখন সেটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়।</li>
<li>যেমন: গম্ভীর (বিশেষণ) + য = গাম্ভীর্য (বিশেষ্য)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ বা অবস্থার নাম প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি বিশেষ্য পদ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোনার তরী</strong>। অলুক তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বিভক্তির দিকে নজর দেওয়া।</p>
<ul>
<li>অলুক তৎপুরুষ সমাসে সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: -এ, -য়, -তে, -এর) লোভ পায় না বা মুছে যায় না।</li>
<li>এখানে 'সোনার তরী' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'সোনার তরী'। লক্ষ্য করলে দেখবেন, এখানে 'সোনার' পদের শেষে 'র' বিভক্তিটি সমাস হওয়ার পরেও অপরিবর্তিত আছে।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তিটি এখানে থেকেই যাচ্ছে, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাচীন লোকগীতি, মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>হারামণি</strong> মূলত লোকসাহিত্যের এক অমূল্য ভাণ্ডার, যেখানে গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া বা লোকমুখে প্রচলিত গান ও ছড়াগুলো সংকলিত হয়েছে।</li>
<li>এই বিশাল কর্মযজ্ঞের নেপথ্যে ছিলেন লোকসংস্কৃতি গবেষক <strong>মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন</strong>। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার আনাচে-কানাচে ঘুরে এই লোকগীতিগুলো সংগ্রহ করে আমাদের উপহার দিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লোকগীতি মানেই মনসুর উদ্দীনের শ্রম আর তার অমর সৃষ্টি হলো 'হারামণি'।</p>
<p>‘ব্যাঙ্গের আধুলি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>সামান্য অর্থ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্যাঙের মতো ছোট প্রাণীর কাছে ‘আধুলি’ বা ৫০ পয়সা অনেক বড় মনে হলেও, বাস্তবে এর মূল্য খুবই নগণ্য।</li>
<li>ঠিক সেভাবেই, যখন কোনো কিছুর মূল্য বা গুরুত্ব খুব কম বোঝাতে হয়, তখন আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো তুচ্ছ বা সামান্য পরিমাণ টাকা-পয়সা বোঝাতেই এই মজার বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>লোকসাহিত্য বলতে মূলত সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সৃষ্টিকে বোঝায়, যা বংশপরম্পরায় চলে আসছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদপ্রবচন</strong>, কারণ এগুলোই লোকসাহিত্যের মূল ভিত্তি।</p>
<ul>
<li><strong>ছড়া ও গান:</strong> এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের আনন্দ-বেদনার সহজ প্রকাশ।</li>
<li><strong>ধাঁধা:</strong> বুদ্ধির চর্চা ও বিনোদনের জন্য গ্রামবাংলার মানুষের অন্যতম প্রিয় মাধ্যম।</li>
<li><strong>প্রবাদপ্রবচন:</strong> অভিজ্ঞতার নির্যাস যা ছোট ছোট বাক্যে গভীর অর্থ বহন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে সাহিত্য কোনো নির্দিষ্ট লেখকের নাম বহন করে না, বরং পুরো সমাজের সম্পদ হিসেবে টিকে থাকে, তাকেই আমরা লোকসাহিত্য বলি।</p>
২৭৭২
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে বলে ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইক্ষু</strong>। শব্দতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে 'পুণ্ড্র' শব্দটি মূলত আখ বা ইক্ষু জাতীয় উদ্ভিদকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের আখ বা ইক্ষু উৎপাদিত হতো।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ভাষাগত বিচারে এই অঞ্চলের নাম এবং এর প্রধান ফসলের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, যার ফলে পুণ্ড্র বলতে সরাসরি ইক্ষু বা আখকে নির্দেশ করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুণ্ড্র শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ইক্ষু বা আখ, যা প্রাচীন বাংলার কৃষি ঐতিহ্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাচীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অর্বাচীন' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো নতুন বা আধুনিক। তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা এমন একটি শব্দ খুঁজব যা অনেক পুরনো বা আগের সময়কে বোঝায়।</p>
<ul>
<li><strong>অর্বাচীন</strong> মানে হলো যা বর্তমান বা নতুন সময়ের।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে <strong>প্রাচীন</strong>, যার অর্থ হলো অনেক পুরনো বা আদিম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সময়ের ব্যবধানে নতুন বা আধুনিকের বিপরীত সবসময়ই পুরনো বা প্রাচীন হয়। তাই পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে সরাসরি 'প্রাচীন' দাগিয়ে দেবেন।</p>
২৭৭৫
যে শব্দ সংস্কৃত ভাষা হতে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে তাকে কি বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তদ্ভব শব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এর নামের মধ্যেই এর পরিচয় লুকিয়ে আছে।</p>
<ul>
<li><strong>তৎ</strong> মানে 'তার' (অর্থাৎ সংস্কৃত) এবং <strong>ভব</strong> মানে 'উৎপন্ন'।</li>
<li>যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের হাত ধরে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাদেরই আমরা তদ্ভব শব্দ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, সংস্কৃত শব্দ যখন সময়ের সাথে সাথে রূপ বদলে সহজ হয়ে বাংলায় জায়গা করে নেয়, সেটাই তদ্ভব। যেমন: সংস্কৃত 'চর্মকার' থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে 'চামার'।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।