eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৭৬১

পূর্বপদে উপসর্গ বসে কোন সমাসে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাদি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাদি সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রাদি সমাস চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হলো এর গঠন।</p>

<ul>
<li>যখন কোনো সমাসের পূর্বপদে <strong>প্র, পরা, অপ, অনু, অতি</strong> ইত্যাদি উপসর্গ যুক্ত থাকে এবং পরপদটি কৃদন্ত পদ হয়, তখনই তাকে প্রাদি সমাস বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে উপসর্গ দেখে যদি দেখেন সেটি কোনো বিশেষ অর্থ তৈরি করছে, তবে চোখ বন্ধ করে প্রাদি সমাস দাগিয়ে দেবেন।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, <strong>প্র</strong> + বচন = প্রবচন, এখানে 'প্র' উপসর্গটি পূর্বপদে বসেছে।</li>
</ul>
২৭৬২

প্রত্যয়ান্ত শব্দ থেকে প্রত্যয় বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>একটি শব্দের মূল অংশ বা যে অংশটিকে আর ভাঙা যায় না, তাকেই বলা হয় <strong>প্রকৃতি</strong>।</li>
<li>শব্দের শেষে যখন কোনো প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সেটি একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, প্রত্যয়ান্ত শব্দ থেকে প্রত্যয়টিকে সরিয়ে নিলে যে মূল অংশটি অবশিষ্ট থাকে, সেটিই হলো শব্দের আদি বা মৌলিক রূপ, যাকে আমরা ব্যাকরণের ভাষায় <strong>প্রকৃতি</strong> বলি।</li>
</ul>

<p>উদাহরণস্বরূপ, 'চলন্ত' শব্দ থেকে 'অন্ত' প্রত্যয় বাদ দিলে থাকে 'চল', যা এখানে প্রকৃতি হিসেবে কাজ করছে।</p>
২৭৬৩

উপসর্গ দ্বারা নিষ্পন্ন শব্দকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের আগে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন কোনো অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে গঠনগতভাবে উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ বলা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' উপসর্গ যোগ করলে হয় 'প্রহার', যা একটি <strong>উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দের শুরুতে উপসর্গ যুক্ত থাকে, তাকেই এই নামে ডাকা হয়।</li>
</ul>
২৭৬৪

গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণে <strong>গুণ ও বৃদ্ধি</strong> মূলত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>

<ul>
<li><strong>গুণ:</strong> শব্দের আদি স্বর 'অ' থাকলে তা 'ও' হয়, 'ই' বা 'ঈ' থাকলে 'এ' হয় এবং 'উ' বা 'ঊ' থাকলে 'ও' হয়। যেমন: $জি + অ = জেয়$।</li>
<li><strong>বৃদ্ধি:</strong> শব্দের আদি স্বর 'অ' থাকলে তা 'আ' হয়, 'ই' বা 'ঈ' থাকলে 'ঐ' হয় এবং 'উ' বা 'ঊ' থাকলে 'ঔ' হয়। যেমন: $বিদ্ + অ = বৈদ্য$।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, কৃৎ-প্রকৃতির শুরুতে থাকা স্বরবর্ণের এই নির্দিষ্ট পরিবর্তনগুলোই ব্যাকরণে গুণ ও বৃদ্ধি নামে পরিচিত। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে</strong>।</p>
২৭৬৫

‘প্রাতরাশ’ -এর সন্ধি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
ব্যাখ্যা:
<p>‘প্রাতরাশ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রাতঃ + আশ</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>এখানে বিসর্গ (ঃ) এর সাথে ‘আ’ স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় লোপ পায় বা পরিবর্তিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রাতঃ</strong> শব্দের বিসর্গটি পরবর্তী শব্দের <strong>আশ</strong>-এর ‘আ’-এর সাথে যুক্ত হয়ে শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সকালে যে খাবার খাওয়া হয়, তাকেই আমরা বলি প্রাতরাশ। তাই সন্ধি করার সময় মূল শব্দ দুটি অর্থাৎ <strong>প্রাতঃ</strong> এবং <strong>আশ</strong> আলাদা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
২৭৬৬

'প্রাতরাশ' - এর সন্ধি বিচ্ছেদ---

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাতঃ + আশ</strong>। এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) সাথে অ-বর্ণের মিলন হলে বিসর্গটি লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রাতঃ</strong> শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ এবং <strong>আশ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' মিলে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, সকালের খাবার বা প্রাতঃকালের আশ (আহার) থেকেই শব্দটি এসেছে <strong>প্রাতরাশ</strong>।</li>
</ul>

<p>তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মনে রাখবেন, বিসর্গ চিহ্নটি অবশ্যই রাখতে হবে, যা সঠিক রূপটি হলো <strong>প্রাতঃ + আশ</strong>।</p>
২৭৬৭

নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গাম্ভীর্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গাম্ভীর্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিশেষ্য পদ বলতে কোনো কিছুর নাম, গুণ বা অবস্থাকে বোঝায়।</p>

<ul>
<li><strong>গাম্ভীর্য</strong> শব্দটি 'গম্ভীর' বিশেষণ থেকে তৈরি একটি ভাববাচক বিশেষ্য।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের শেষে 'য', 'তা', 'ত্ব' বা 'পনা' যুক্ত হয়ে কোনো গুণের নাম বোঝায়, তখন সেটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়।</li>
<li>যেমন: গম্ভীর (বিশেষণ) + য = গাম্ভীর্য (বিশেষ্য)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ বা অবস্থার নাম প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি বিশেষ্য পদ।</p>
২৭৬৮

নিচের কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সোনার তরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোনার তরী</strong>। অলুক তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বিভক্তির দিকে নজর দেওয়া।</p>

<ul>
<li>অলুক তৎপুরুষ সমাসে সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: -এ, -য়, -তে, -এর) লোভ পায় না বা মুছে যায় না।</li>
<li>এখানে 'সোনার তরী' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'সোনার তরী'। লক্ষ্য করলে দেখবেন, এখানে 'সোনার' পদের শেষে 'র' বিভক্তিটি সমাস হওয়ার পরেও অপরিবর্তিত আছে।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তিটি এখানে থেকেই যাচ্ছে, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
২৭৬৯

হারামণি কি? সংকলক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন লোকগীতি, মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাচীন লোকগীতি, মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>হারামণি</strong> মূলত লোকসাহিত্যের এক অমূল্য ভাণ্ডার, যেখানে গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া বা লোকমুখে প্রচলিত গান ও ছড়াগুলো সংকলিত হয়েছে।</li>
<li>এই বিশাল কর্মযজ্ঞের নেপথ্যে ছিলেন লোকসংস্কৃতি গবেষক <strong>মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন</strong>। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার আনাচে-কানাচে ঘুরে এই লোকগীতিগুলো সংগ্রহ করে আমাদের উপহার দিয়েছেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, লোকগীতি মানেই মনসুর উদ্দীনের শ্রম আর তার অমর সৃষ্টি হলো 'হারামণি'।</p>
২৭৭০

‘ব্যাঙ্গের আধুলি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সামান্য অর্থ
ব্যাখ্যা:
<p>‘ব্যাঙ্গের আধুলি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>সামান্য অর্থ</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্যাঙের মতো ছোট প্রাণীর কাছে ‘আধুলি’ বা ৫০ পয়সা অনেক বড় মনে হলেও, বাস্তবে এর মূল্য খুবই নগণ্য।</li>
<li>ঠিক সেভাবেই, যখন কোনো কিছুর মূল্য বা গুরুত্ব খুব কম বোঝাতে হয়, তখন আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো তুচ্ছ বা সামান্য পরিমাণ টাকা-পয়সা বোঝাতেই এই মজার বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।</p>
২৭৭১

লোকসাহিত্য বলতে কি বুঝায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদপ্রবচন
ব্যাখ্যা:
<p>লোকসাহিত্য বলতে মূলত সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সৃষ্টিকে বোঝায়, যা বংশপরম্পরায় চলে আসছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদপ্রবচন</strong>, কারণ এগুলোই লোকসাহিত্যের মূল ভিত্তি।</p>

<ul>
<li><strong>ছড়া ও গান:</strong> এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের আনন্দ-বেদনার সহজ প্রকাশ।</li>
<li><strong>ধাঁধা:</strong> বুদ্ধির চর্চা ও বিনোদনের জন্য গ্রামবাংলার মানুষের অন্যতম প্রিয় মাধ্যম।</li>
<li><strong>প্রবাদপ্রবচন:</strong> অভিজ্ঞতার নির্যাস যা ছোট ছোট বাক্যে গভীর অর্থ বহন করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে সাহিত্য কোনো নির্দিষ্ট লেখকের নাম বহন করে না, বরং পুরো সমাজের সম্পদ হিসেবে টিকে থাকে, তাকেই আমরা লোকসাহিত্য বলি।</p>
২৭৭২

কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে বলে ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গৌড় অপভ্রংশ
২৭৭৩

পুণ্ড্র--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইক্ষু
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইক্ষু</strong>। শব্দতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে 'পুণ্ড্র' শব্দটি মূলত আখ বা ইক্ষু জাতীয় উদ্ভিদকে বোঝায়।</p>

<ul>
<li>প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের আখ বা ইক্ষু উৎপাদিত হতো।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ভাষাগত বিচারে এই অঞ্চলের নাম এবং এর প্রধান ফসলের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, যার ফলে পুণ্ড্র বলতে সরাসরি ইক্ষু বা আখকে নির্দেশ করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পুণ্ড্র শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ইক্ষু বা আখ, যা প্রাচীন বাংলার কৃষি ঐতিহ্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>
২৭৭৪

'অর্বাচীন'এর বিপরীতার্থক শব্দ -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাচীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অর্বাচীন' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো নতুন বা আধুনিক। তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা এমন একটি শব্দ খুঁজব যা অনেক পুরনো বা আগের সময়কে বোঝায়।</p>

<ul>
<li><strong>অর্বাচীন</strong> মানে হলো যা বর্তমান বা নতুন সময়ের।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে <strong>প্রাচীন</strong>, যার অর্থ হলো অনেক পুরনো বা আদিম।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সময়ের ব্যবধানে নতুন বা আধুনিকের বিপরীত সবসময়ই পুরনো বা প্রাচীন হয়। তাই পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে সরাসরি 'প্রাচীন' দাগিয়ে দেবেন।</p>
২৭৭৫

যে শব্দ সংস্কৃত ভাষা হতে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে তাকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তদ্ভব শব্দ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তদ্ভব শব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এর নামের মধ্যেই এর পরিচয় লুকিয়ে আছে।</p>

<ul>
<li><strong>তৎ</strong> মানে 'তার' (অর্থাৎ সংস্কৃত) এবং <strong>ভব</strong> মানে 'উৎপন্ন'।</li>
<li>যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের হাত ধরে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাদেরই আমরা তদ্ভব শব্দ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, সংস্কৃত শব্দ যখন সময়ের সাথে সাথে রূপ বদলে সহজ হয়ে বাংলায় জায়গা করে নেয়, সেটাই তদ্ভব। যেমন: সংস্কৃত 'চর্মকার' থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে 'চামার'।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।