<p>শ্রীরামপুরের মিশনারীদের নাম শুনলেই সবার আগে মাথায় আসে আধুনিক বাংলা মুদ্রণ শিল্পের কথা। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে শ্রীরামপুরে <strong>উইলিয়াম কেরি</strong>, <strong>মার্শম্যান</strong> ও <strong>ওয়ার্ড</strong> মিলে একটি ছাপাখানা স্থাপন করেন।</li>
<li>এখান থেকেই বাংলা ভাষায় প্রথম বই ছাপানোর কাজ শুরু হয়, যা ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক।</li>
<li>তাদের এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা বই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হয় এবং বাংলা গদ্যের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসে তারা মূলত <strong>প্রথম বাংলা মুদ্রণ</strong> বা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার জন্যই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে আছেন।</p>
<p>‘প্রত্যুপকার’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + উপকার</strong>। এটি মূলত য-ফলা সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ (এখানে 'উ') থাকে, তবে ই/ঈ-কার বদলে <strong>'য'</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং <strong>উপকার</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'উ' মিলে 'য' এবং 'উ'-কার (অর্থাৎ 'যু') তৈরি করেছে।</li>
<li>ফলে শব্দটি দাঁড়িয়েছে: প্রতি + উপকার = প্রত্যুপকার।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মাঝখানে যদি 'য' বা 'য-ফলা' থাকে, তবে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় 'য'-এর আগের বর্ণটিতে একটি ই-কার বসিয়ে দিলেই কাজ শেষ!</p>
<p>’প্রত্যুষ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + ঊষ</strong>। এটি মূলত ই-কার ও দীর্ঘ ঊ-কারের মিলনে গঠিত একটি সন্ধি। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে যদি <strong>ই</strong> বা <strong>ঈ</strong> থাকে এবং তার পরে যদি <strong>ঊ</strong> থাকে, তবে ই/ঈ উঠে গিয়ে সেখানে <strong>য-ফলা</strong> যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে, <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা <strong>ই</strong> এবং <strong>ঊষ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা <strong>ঊ</strong> মিলে <strong>য + ঊ = যূ</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ: $প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে 'যূ' থাকলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম অংশে 'তি' এবং দ্বিতীয় অংশে দীর্ঘ 'ঊ' দিয়ে শুরু করতে হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে একই ধরনের কাজ বা ক্রিয়া একে অপরের মধ্যে বিনিময় বোঝায়, তখনই তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>'কোলাকুলি' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>কোলে কোলে যে মিলন</strong>।</li>
<li>এখানে 'কোলে' এবং 'কোলে'—এই দুটি পদের পারস্পরিক ক্রিয়া বা বিনিময় বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই দেখবেন দুটি পদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো কাজ (যেমন: হাতাহাতি, কানাকানি, মারামারি) বোঝাচ্ছে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি দাগিয়ে দেবেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধিযোগে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করি।</p>
<ul>
<li>'সাহচর্য' শব্দটি মূলত 'সহচর' শব্দের সাথে একটি বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে এটি <strong>সহচর + য</strong> এর সন্ধি বা মিলনজাত রূপ।</li>
<li>সহচর শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন শব্দটি গঠিত হয়, তখন শব্দের আদি স্বর পরিবর্তিত হয়ে 'সাহচর্য' রূপ ধারণ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে শব্দের মূল অংশের সাথে সন্ধি ও প্রত্যয়ের সমন্বিত প্রক্রিয়ায় শব্দটি তৈরি হয়েছে, যেখানে সন্ধিজনিত পরিবর্তনটিই প্রধান।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, শব্দের গঠনশৈলীতে সন্ধির নিয়মটি এখানে স্পষ্টভাবে কাজ করছে।</p>
২৮২৬
বাংলা ভাষায় কোন প্রকার শব্দ বিচার বিশ্লেষণ সাপেক্ষ নয় ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌলিক শব্দ</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—মৌলিক শব্দ বলতে সেই সব শব্দকে বোঝায়, যেগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মৌলিক শব্দ:</strong> এগুলো একদম খাঁটি বা অবিভাজ্য। যেমন: 'হাত', 'বই', 'কলম'। এগুলোকে ভাঙলে কোনো অর্থ থাকে না।</li>
<li><strong>অন্যান্য শব্দ:</strong> যৌগিক বা সাধিত শব্দগুলো সাধারণত সন্ধি, সমাস বা প্রত্যয় যোগে তৈরি হয়, তাই সেগুলোকে বিশ্লেষণ করা যায়।</li>
</ul>
<p>যেহেতু মৌলিক শব্দ নিজেই একটি একক সত্তা, তাই একে আর নতুন করে ভাঙার বা বিশ্লেষণ করার কোনো সুযোগ নেই। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটিই বিচার-বিশ্লেষণ সাপেক্ষ নয়।</p>
২৮২৭
যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে তাকে বলে -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>শব্দের মূল অংশ বা ধাতুর সাথে যখন নতুন কোনো বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>প্রত্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ধাতুর পরে যা যুক্ত হয়, সেটিই প্রত্যয়। যেমন: <strong>চল্ + অন্ত = চলন্ত</strong>। এখানে 'অন্ত' হলো প্রত্যয়।</li>
<li>উপসর্গ সবসময় শব্দের <strong>আগে</strong> বসে, কিন্তু প্রত্যয় বসে শব্দের <strong>পরে</strong>। এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলেই আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
২৮২৮
ই, ঈ, এর স্থলে এ; উ, ঊ এর স্থলে ও এবং ঋ এর স্থলে অর হলে তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুণ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যখন কোনো শব্দের মূল স্বরবর্ণ পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে গুণ বলা হয়। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>অ, আ-এর সাথে ই, ঈ যুক্ত হলে তা <strong>এ</strong>-তে পরিণত হয়।</li>
<li>অ, আ-এর সাথে উ, ঊ যুক্ত হলে তা <strong>ও</strong>-তে পরিণত হয়।</li>
<li>অ, আ-এর সাথে ঋ যুক্ত হলে তা <strong>অর</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের আদি স্বরের এই পরিবর্তনই হলো গুণের প্রধান বৈশিষ্ট্য। যেমন: অ + ই = এ (দেব + ইন্দ্র = দেবেন্দ্র)। এই প্রক্রিয়াটি মনে রাখলে যেকোনো শব্দ বিশ্লেষণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনির পরিবর্তন, উচ্চারণ, মিলন বা লোপ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেটিই হলো <strong>ধ্বনিতত্ত্ব</strong>।</li>
<li>সন্ধি মানেই হলো পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন। যেহেতু সন্ধি সরাসরি ধ্বনির রূপান্তর ও উচ্চারণের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই ধ্বনি বা বর্ণের কারসাজি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন সেটি ধ্বনিতত্ত্বের অংশ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে বলা হয় <strong>সন্ধি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন দুটি শব্দ পাশাপাশি বসে এবং তাদের উচ্চারণের সুবিধার জন্য প্রথম শব্দের শেষ বর্ণ ও দ্বিতীয় শব্দের প্রথম বর্ণ মিলে নতুন একটি ধ্বনি তৈরি করে, তখনই তাকে সন্ধি বলে।</li>
<li>যেমন: $হিম + আলয় = হিমালয়$। এখানে 'ম'-এর সাথে থাকা 'অ' এবং 'আ' মিলে 'আ' কার হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, বর্ণের মিলন মানেই হলো <strong>সন্ধি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সন্ধি</strong> মানেই হলো মিলন। ব্যাকরণের ভাষায়, পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'বিদ্যা' শব্দের শেষ ধ্বনি 'আ' এবং 'আলয়' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'আ' মিলে তৈরি হয় 'বিদ্যালয়'।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন দুটি বর্ণ খুব কাছাকাছি এসে একে অপরের সাথে মিশে একটি নতুন রূপ নেয়, তখনই তাকে সন্ধি বলে।</li>
</ul>
<p>তাই ধ্বনি বা বর্ণের মিলনের কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে <strong>সন্ধি</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের ভাষায় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে <strong>সন্ধি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন দুটি শব্দ পাশাপাশি বসে এবং তাদের উচ্চারণের সুবিধার জন্য প্রথম শব্দের শেষ বর্ণ ও দ্বিতীয় শব্দের প্রথম বর্ণ মিলে একটি নতুন ধ্বনি তৈরি করে, তখনই তাকে সন্ধি বলে।</li>
<li>যেমন: $হিম + আলয় = হিমালয়$। এখানে 'ম' এর সাথে থাকা $অ$ এবং 'আ' মিলে নতুন রূপ তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, বর্ণের মিলন মানেই হলো <strong>সন্ধি</strong>।</p>
<p>‘অনিল’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>বাতাস</strong>। বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান অনুযায়ী, অনিল শব্দটি মূলত বায়ু বা বাতাসের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘অনিল’ মানে হলো বায়ু বা বাতাস।</li>
<li>এর সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা সমীর, পবন বা হাওয়াকেও চিনি।</li>
<li>অনেকে ভুল করে ‘অনল’ (আগুন) এবং ‘অনিল’ (বাতাস)-এর মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন, তাই এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।