<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহশ্বৈর্য</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে 'মহা' শব্দের শেষে থাকা <strong>আ</strong> এবং 'ঐশ্চর্য' শব্দের শুরুতে থাকা <strong>ঐ</strong> মিলে নতুন একটি ধ্বনি তৈরি করে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, <strong>আ + ঐ = ঐ</strong> হয়।</li>
<li>এই নিয়মটি প্রয়োগ করলে শব্দটি দাঁড়ায়: <strong>মহা + ঐশ্চর্য = মহৈশ্চর্য</strong>।</li>
</ul>
<p>তবে বানানরীতির বিচারে এবং সন্ধির প্রমিত প্রয়োগে এটি <strong>মহৈশ্চর্য</strong> হিসেবেই গণ্য হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে <strong>মহশ্বৈর্য</strong>-ই সঠিক গঠন নির্দেশ করছে।</p>
<p>‘মহৌষধ’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>মহা + ঔষধ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি এ-কার বা ঐ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে <strong>ঐ-কার</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘মহা’ শব্দের শেষে একটি আ-কার আছে এবং ‘ঔষধ’-এর শুরুতে ঐ-কার আছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো:
$$আ + ঔ = ঔ$$</li>
<li>অর্থাৎ, মহা + ঔষধ মিলে তৈরি হয় <strong>মহৌষধ</strong>।</li>
</ul>
<p>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, ঔষধ শব্দটি সবসময় <strong>ঔ</strong> দিয়ে শুরু হয়, তাই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদেও ঔষধ শব্দটিই ব্যবহৃত হবে।</p>
<p>‘মহর্ষি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>মহা + ঋষি</strong>। এটি মূলত গুণ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর যদি ঋ (ঋ-কার) থাকে, তবে উভয় মিলে ‘অর’ (র্) হয়।</li>
<li>এখানে, মহা শব্দের শেষে থাকা ‘আ’ এবং ঋষি শব্দের শুরুতে থাকা ‘ঋ’ মিলে ‘অর’ বা ‘র্’ তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $আ + ঋ = অর্$।</li>
<li>তাই, মহা + ঋষি মিলে হয়ে যায় মহর্ষি।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে আপনি খুব সহজেই এই জাতীয় সন্ধিগুলো সমাধান করতে পারবেন।</p>
৩০৩৪
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে ? এ বাক্যে কোনটি অনুসর্গ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিনা</strong>। কারণটা খুব সহজ—অনুসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'দুঃখ' একটি বিশেষ্য পদ।</li>
<li>'বিনা' শব্দটি এই বিশেষ্য পদের ঠিক পরে বসেছে এবং বাক্যের অর্থ তৈরিতে সাহায্য করছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'বিনা', 'সহ', 'দিয়া', 'কর্তৃক'—এগুলো সাধারণত অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই এখানে 'বিনা' শব্দটিই অনুসর্গ হিসেবে কাজ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঠিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে বলা হয় কৃৎ প্রত্যয়।</p>
<ul>
<li><strong>পঠিত</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>পঠ্</strong> (ধাতু) + <strong>ইত</strong> (প্রত্যয়) যোগে।</li>
<li>যেহেতু এখানে মূল অংশটি একটি ধাতু (ক্রিয়া মূল), তাই এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে মূলত বিশেষ্য বা গুণবাচক শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূলে যদি কোনো কাজ বা ক্রিয়া বোঝায়, তবেই সেটি ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত শব্দ। এখানে <strong>পঠ্</strong> মানে পড়া, যা একটি কাজ বা ধাতু।</p>
<p>‘মহিমা’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মহৎ + ইমন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘মহৎ’ শব্দের সাথে ‘ইমন’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ‘ত’ লোপ পায় এবং শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়ে ‘মহিমা’ গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দটি হলো বিশেষণবাচক ‘মহৎ’, যা কোনো কিছুর গুণ বা বিশালতা বোঝায়।</li>
<li>এর সাথে ‘ইমন’ প্রত্যয় যোগ করার ফলে এটি বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল অংশটি খুঁজে বের করতে পারলেই এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। তাই মনে রাখবেন, মহৎ-এর সাথে ইমন যুক্ত হলেই মহিমা তৈরি হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুধে-ভাতে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু <strong>অলুক দ্বন্দ্ব</strong> সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না।</li>
<li>এখানে 'দুধে-ভাতে' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'দুধে ও ভাতে'।</li>
<li>লক্ষ করো, এখানে 'দুধে' শব্দের শেষে <strong>'এ'</strong> বিভক্তি এবং 'ভাতে' শব্দের শেষেও <strong>'এ'</strong> বিভক্তি যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাস হওয়ার পরেও এই বিভক্তিগুলো কিন্তু হারিয়ে যায়নি, বরং শব্দে রয়ে গেছে। আর যে সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না, তাকেই আমরা অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলি।</li>
</ul>
<p>শব্দ গঠনের প্রকৃতি অনুযায়ী রূঢ় শব্দ চেনার উপায় খুব সহজ। যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না, তাকেই রূঢ় শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>বাঁশি</strong> শব্দটিকে ভাঙলে 'বাঁশ' ও 'ই' পাওয়া যায়, কিন্তু এদের যোগফলে যে অর্থ তৈরি হয়, তা মূল শব্দের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।</li>
<li>রূঢ় শব্দ মূলত একটি নির্দিষ্ট অর্থকেই প্রকাশ করে, যা প্রকৃতি ও প্রত্যয়জাত অর্থের চেয়ে আলাদা।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দের অর্থ তার ব্যুৎপত্তিগত অর্থের অনুসারী নয়, সেটিই রূঢ় শব্দ।</li>
</ul>
৩০৪১
যে বর্ণ উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাকে বলে -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অঘোষ বর্ণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>আমাদের গলার ভেতরে থাকা স্বরতন্ত্রী বা ভোকাল কর্ড যখন উচ্চারণের সময় একদমই কাঁপে না, তখন সেই বর্ণগুলোকে আমরা <strong>অঘোষ বর্ণ</strong> বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, যে বর্ণগুলো উচ্চারণে কোনো কম্পন তৈরি হয় না, সেগুলোই অঘোষ।</li>
<li>প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো (যেমন: ক, খ, চ, ছ) সাধারণত অঘোষ বর্ণ হয়ে থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে মনে রাখার সহজ উপায় হলো—যেখানে কম্পন নেই, সেখানেই <strong>অঘোষ</strong>!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চলন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কোনো শব্দের শেষে যদি কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তবে তাকে প্রত্যয় নিস্পন্ন শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>চলন্ত</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: $চল্ + অন্ত = চলন্ত$।</li>
<li>মূল ধাতু <strong>চল্</strong>-এর সাথে <strong>অন্ত</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে ধাতু বা শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াটি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, তাই এটি একটি প্রত্যয় নিস্পন্ন শব্দ।</li>
</ul>
<p>'মহানদী' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>মহান যে নদী</strong>। এটি একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'মহান' শব্দটি বিশেষণ হিসেবে 'নদী' বিশেষ্যকে বিশেষিত করছে।</li>
<li>সাধারণত কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়, যেখানে 'যে' শব্দটি সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>তাই 'মহান' ও 'নদী' মিলে তৈরি হয়েছে 'মহান যে নদী', যা মহানদী শব্দের অর্থকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহতী যে কীর্তি</strong>। বিষয়টি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মে খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'মহাকীর্তি' শব্দটি একটি কর্মধারয় সমাস।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে 'মহৎ' শব্দ যুক্ত হলে স্ত্রীলিঙ্গবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে তা 'মহতী' হয়ে যায়।</li>
<li>যেহেতু 'কীর্তি' শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, তাই এখানে 'মহান' বা 'মহা' না বসে <strong>মহতী</strong> শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>পুরো বিষয়টি দাঁড়ায়: মহতী (বিশেষণ) + যে + কীর্তি (বিশেষ্য) = মহাকীর্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশেষ্যটি স্ত্রীলিঙ্গ হওয়ার কারণেই এখানে 'মহতী' শব্দটি সঠিক রূপ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>‘গরীয়ান’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>মহান</strong>। এটি মূলত একটি ফারসি শব্দ থেকে আসা বিশেষ্য পদ, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর মহত্ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘গরীয়ান’ শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবেন এটি ‘গরিমা’ বা ‘গৌরব’ শব্দের সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>যে ব্যক্তি বা বিষয় অনেক বেশি মর্যাদাবান বা মহৎ, তাকেই আমরা এক কথায় ‘গরীয়ান’ বলে থাকি।</li>
<li>সাহিত্যে বা বিশেষ কোনো গুণী ব্যক্তিকে সম্মান জানাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।