‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরনো শকুন’- স্বাধীনতা বিরোধ শক্তির পুনরুত্থানে রচিত ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতার বহুল উচ্চারিত এই পঙ্ক্তির বিক্ষুব্ধ কবির নাম-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</p>
<p>কবিতাটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে এটি আর কখনোই ভুল হবে না:</p>
<ul>
<li><strong>বাতাসে লাশের গন্ধ</strong> কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্থানের বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিবাদ।</li>
<li>রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে এই কবিতায় দেশের তৎকালীন পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরনো শকুন’—এই পঙ্ক্তিটি মূলত দেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে ইঙ্গিত করে লেখা, যা আজও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিবাদী পঙ্ক্তি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৩০৪৭
‘সমবেত সকলের মতো আমি গোলাপ ফুল খুব ভালবাসি, রেসকোর্স পার হয়ে যেতে সেই সব গোলাপের একটি গোলাপ গতকাল আমাকে বলেছে, আমিযেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি।’ উদ্ধৃতটি কোন কবির কবিতাংশ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিগুলো তাঁর কালজয়ী কবিতা <strong>'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটি মূলত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>নির্মলেন্দু গুণ তাঁর এই কবিতায় খুব চমৎকারভাবে রেসকোর্স ময়দান, গোলাপ ফুল এবং শেখ মুজিবের কথাকে একসূত্রে গেঁথেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী কবিতাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই রেসকোর্স ময়দান আর গোলাপ ফুলের মাধ্যমে শেখ মুজিবের কথা বলার প্রসঙ্গ আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>-এর লেখা।</p>
<p>‘The Song of India’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সরোজিনী নাইডু</strong>। তিনি ভারতের ‘নাইটিঙ্গেল’ বা ‘ভারতের কোকিল’ নামে পরিচিত ছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সরোজিনী নাইডু মূলত তার চমৎকার কাব্যশৈলী এবং দেশাত্মবোধক কবিতার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>১৯৩১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি তার অন্যতম সেরা সৃষ্টি, যেখানে তিনি ভারতের প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, সরোজিনী নাইডুর সাহিত্যকর্মগুলো প্রায়ই ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে লেখা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জেলে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ প্রত্যয় হলো এমন কিছু বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li><strong>জেলে</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>জাল + ইয়া (এ)</strong> প্রত্যয় যোগে।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ 'জাল'-এর সাথে 'ইয়া' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'জেলে' শব্দটি তৈরি হয়েছে, যা পেশা বা জীবিকাকে নির্দেশ করে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দের ক্ষেত্রে উপসর্গ বা সমাসের প্রভাব থাকলেও, শুধুমাত্র 'জেলে' শব্দটিই এখানে প্রত্যয় সাধিত শব্দের নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাত্মা</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো—এটি এমন একটি সমাস যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>মহাত্মা</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: মহান আত্মা যার।</li>
<li>এখানে 'মহান' বা 'আত্মা' কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই শব্দটি দিয়ে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে যার আত্মা মহান।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদ অন্য কোনো বিশেষ্যকে নির্দেশ করে, তখনই সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাজাগতিক রশ্মি</strong>। বিষয়টি একদম সহজ, কারণ ইংরেজি শব্দ 'Cosmic' এর বাংলা অর্থই হলো 'মহাজাগতিক'।</p>
<ul>
<li>'Cosmic' শব্দটি এসেছে মহাকাশ বা বিশ্বজগত থেকে, তাই মহাকাশ থেকে আসা উচ্চশক্তির কণাগুলোকে আমরা মহাজাগতিক রশ্মি বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, মহাকাশের গভীর থেকে আসা অতিপারমাণবিক কণাই হলো এই <strong>মহাজাগতিক রশ্মি</strong> বা Cosmic Ray।</li>
</ul>
৩০৫২
“কিন্তু মঙ্গল আলোকে আমার শুভ উৎসব উজ্জ্বল হইয়া উঠিল”- উদ্ধৃতাংশটি রবি ঠাকুরের কোন গল্প থেকে নেয়া হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাবুলিওয়ালা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কালজয়ী ছোটগল্পের একদম শেষ দিকে যখন কাবুলিওয়ালা তার নিজের মেয়ের কথা ভেবে মিনির বাবার কাছে টাকা ফেরত নিতে অস্বীকার করে, তখন মিনির বাবা এই কথাটি বলেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গল্পের মূল আবেগ জড়িয়ে আছে কাবুলিওয়ালার পিতৃস্নেহের সাথে।</li>
<li>মিনির বিয়ের দিন কাবুলিওয়ালার সাথে দেখা হওয়ার পর মিনির বাবার মনে যে গভীর অনুভূতির জন্ম হয়, সেই প্রেক্ষাপটেই এই বিখ্যাত উক্তিটি ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>এটি গল্পের সেই আবেগঘন মুহূর্তকে নির্দেশ করে, যেখানে একজন বাবা অন্য একজন বাবার কষ্ট অনুভব করতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হেমন্ত + ষ্ণিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে যদি 'অ' বা 'আ' থাকে, তবে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হলে তা 'ঐ' কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ হলো <strong>হেমন্ত</strong>। এর সাথে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বর 'হে' পরিবর্তিত হয়ে 'হৈ' হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, প্রক্রিয়াটি হলো: $হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আদি স্বরের এই পরিবর্তনটিই (হেমন্ত থেকে হৈমন্তিক) এই শব্দের মূল বৈশিষ্ট্য। তাই সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>হেমন্ত + ষ্ণিক</strong>।</p>
<p>‘হৈমন্তিক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>হেমন্ত + ষ্ণিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে যদি 'অ' বা 'আ' থাকে, তবে ষ্ণিক প্রত্যয় যুক্ত হলে তা 'ঐ' কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ হলো <strong>হেমন্ত</strong>। এর সাথে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের শুরুর 'হে' বর্ণটি 'হৈ' হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি দাঁড়ায়: $হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন এবং প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগই এখানে মূল বিষয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>হেমন্ত + ষ্ণিক</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বসন্তদূত</strong>। এর কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কোকিল সাধারণত বসন্ত ঋতুতে বেশি ডাকে এবং তাদের মিষ্টি সুর বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে।</li>
<li>প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া লাগার সাথে সাথেই কোকিলের কুহুতান শোনা যায়, তাই সাহিত্য ও লোকজ ভাষায় কোকিলকে বসন্তের দূত বা <strong>বসন্তদূত</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘বৃত্রসংহার’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্য, যা মূলত পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> বাংলা সাহিত্যে দেশপ্রেম ও বীরত্বগাথা রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তার এই মহাকাব্যটি দুটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এটি বাংলা মহাকাব্যের ধারায় একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—<strong>বৃত্রসংহার = হেমচন্দ্র</strong>।</li>
</ul>
৩০৫৭
বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ 'ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ' এর রচয়িতা কে?
<p>বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত <strong>'ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ'</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>দোম অ্যান্তোনিও</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত একটি বিতর্কধর্মী গ্রন্থ, যা পর্তুগিজ ভাষায় লেখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত ও মুদ্রিত হয়।</li>
<li>দোম অ্যান্তোনিও ছিলেন একজন ধর্মান্তরিত বাঙালি খ্রিস্টান, যিনি তৎকালীন সময়ে খ্রিস্টধর্মের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে এই বইটি লিখেছিলেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শনগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই পরীক্ষার জন্য নামটা মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৩০৫৮
বাঙালির লেখা প্রথশ মুদ্রিত গ্রন্থ ‘ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ’-এর রচয়িতা কে?
<p>বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত <strong>‘ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ’</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>দোম আন্তোনিয়ো</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত খ্রিস্টধর্মের প্রচার এবং হিন্দুধর্মের সাথে এর তুলনামূলক আলোচনার ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছিল।</li>
<li>এটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়।</li>
<li>দোম আন্তোনিয়ো ছিলেন একজন ধর্মান্তরিত বাঙালি খ্রিস্টান, যিনি বাংলা গদ্যের ইতিহাসে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেন।</li>
</ul>
৩০৫৯
'দংশনক্ষত শোন বিহঙ্গ বুঝে ভুজঙ্গ সনে' এখানে 'সনে' অনুসর্গটি কি অর্থ প্রকাশ করছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরুদ্ধগামিতা</strong>। কারণটা বেশ সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন।</p>
<p>বাক্যটিতে বলা হয়েছে 'শোন বিহঙ্গ' (পাখি) এবং 'ভুজঙ্গ' (সাপ)-এর কথা। আমরা জানি, সাপ ও পাখির সম্পর্ক চিরকালই শত্রুতার। এখানে 'সনে' অনুসর্গটি সাধারণ 'সঙ্গে' বা 'সহযোগিতা' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি, বরং তাদের মধ্যকার চিরন্তন শত্রুতা বা লড়াইয়ের সম্পর্ককে ফুটিয়ে তুলেছে।</p>
<ul>
<li>এখানে 'সনে' অনুসর্গটি মূলত <strong>বিপরীতমুখী অবস্থান</strong> বা <strong>বিরুদ্ধগামিতা</strong> প্রকাশ করছে।</li>
<li>পাখি ও সাপের লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে এই 'সনে' শব্দটি তাদের মধ্যকার সংঘাতকেই নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হৃষ্ট-পুষ্ট</strong>। কারণটা খুব সহজ, এখানে শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত নয়, বরং সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>হৃষ্ট</strong> মানে হলো আনন্দিত বা সন্তুষ্ট।</li>
<li><strong>পুষ্ট</strong> মানে হলো যা সুগঠিত বা বর্ধিত।</li>
<li>সাধারণত 'হৃষ্ট-পুষ্ট' শব্দজোড়টি একত্রে ব্যবহার করা হয় কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর সুস্বাস্থ্যের বর্ণনা দিতে।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখবেন, সেখানে একটি শব্দের বিপরীতে অন্যটি বসেছে (যেমন: <strong>গরিষ্ঠ</strong> এর বিপরীত <strong>লঘিষ্ঠ</strong>), কিন্তু এখানে দুটি শব্দই ইতিবাচক বা সমজাতীয় অর্থ বহন করছে। তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দজোড় নয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।