<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপলক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'নির্নিমেষ' শব্দটি ভেঙে দেখলে পাওয়া যায় 'নিঃ' (নেই) + 'নিমেষ' (চোখের পলক)।</li>
<li>অর্থাৎ, যার চোখের পলক পড়ে না বা যে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, তাকেই আমরা 'নির্নিমেষ' বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, এক পলকও চোখ না সরিয়ে তাকিয়ে থাকাকেই <strong>অপলক</strong> দৃষ্টি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>‘উদার’ শব্দের অর্থ হলো যার মন অনেক বড় বা প্রশস্ত। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা এমন কিছু খুঁজি যা ছোট বা সীমাবদ্ধতা বোঝায়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংকীর্ণ</strong>, কারণ:</p>
<ul>
<li>‘উদার’ মানে হলো বিশাল বা ব্যাপক মানসিকতা।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘সংকীর্ণ’ শব্দের অর্থ হলো যা খুব ছোট, সীমাবদ্ধ বা সংকীর্ণ মনের পরিচয় দেয়।</li>
<li>শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে, তাই উদার-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে সংকীর্ণই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>‘অর্ঘ্য’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>পূজার উপকরণ</strong>। সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>‘অর্ঘ্য’ বলতে সাধারণত দেবদেবীর পূজা বা সম্মান প্রদর্শনের জন্য যে উপাচার বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়, তাকে বোঝায়।</li>
<li>অনেক সময় আমরা ‘অর্ঘ্য’ এবং ‘অর্ঘ’ শব্দ দুটির মধ্যে গুলিয়ে ফেলি। মনে রাখবেন, <strong>অর্ঘ্য</strong> (য-ফলা যুক্ত) মানে হলো পূজার উপকরণ বা উপহার, আর <strong>অর্ঘ</strong> (য-ফলা ছাড়া) মানে হলো মূল্য বা দাম।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অর্ঘ্য’ দেখলে সরাসরি পূজার উপকরণ বা উপাচারের সাথে মিলিয়ে নেবেন।</li>
</ul>
<p>‘অশ্রু’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>লোর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অশ্রু’ বলতে আমরা সাধারণত চোখের জল বা পানিকে বুঝি।</li>
<li>বাংলা অভিধান অনুযায়ী, ‘লোর’ শব্দটি চোখের জল বা অশ্রুর একটি চমৎকার প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখনই চোখের পানি বা অশ্রু বোঝাতে কোনো শব্দের প্রয়োজন হয়, তখন ‘লোর’ শব্দটি তার সমার্থক হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো প্রয়োজনে ‘অশ্রু’ দেখলে নির্দ্বিধায় <strong>লোর</strong>-কে সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুধাংশু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘সুধাংশু’ শব্দের অর্থ হলো যার অংশ বা কিরণ সুধা বা অমৃতের মতো শীতল, অর্থাৎ চাঁদ।</p>
<ul>
<li>‘সুধা’ মানে অমৃত এবং ‘অংশু’ মানে কিরণ বা রশ্মি।</li>
<li>চাঁদ তার শীতল জ্যোৎস্নার মাধ্যমে পৃথিবীতে অমৃতের মতো প্রশান্তি ছড়িয়ে দেয়, তাই চাঁদকে সুধাংশু বলা হয়।</li>
<li>একইভাবে চন্দ্রের আরও কিছু পরিচিত প্রতিশব্দ হলো শশাঙ্ক, শশধর, বিধু ও সুধাকর।</li>
</ul>
<p>'এলেবেলে' নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>জিয়া হায়দার</strong>। তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একজন অত্যন্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>জিয়া হায়দার মূলত তার নিরীক্ষাধর্মী নাটকের জন্য পরিচিত।</li>
<li>'এলেবেলে' নাটকটি তার অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত একটি কাজ, যা বাংলা নাটকের ধারায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>'কোথাও কেউ নেই'</strong>। আসলে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের লেখা এই কালজয়ী টিভি সিরিয়ালটির মাধ্যমেই 'বাকের ভাই' চরিত্রটি আমাদের সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>চরিত্রের গভীরতা:</strong> বাকের ভাই চরিত্রটি তার সততা, প্রতিবাদী মানসিকতা এবং এলাকার মানুষের প্রতি ভালোবাসার জন্য আজও মানুষের কাছে জীবন্ত।</li>
<li><strong>জনপ্রিয়তা:</strong> নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত এই নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে, বাকের ভাইয়ের ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে সে সময় সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিল।</li>
<li><strong>স্মরণীয় মুহূর্ত:</strong> হুমায়ূন আহমেদের লেখনী এবং আসাদুজ্জামান নূরের অনবদ্য অভিনয়ের কারণেই চরিত্রটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে আছে।</li>
</ul>
৩০৬৮
কালীপ্রসন্ন সিংহের হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থটি কোন ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হুতোম প্যাঁচা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কালীপ্রসন্ন সিংহ তাঁর এই বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য এই নামটাই বেছে নিয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li>কালীপ্রসন্ন সিংহ ১৮৬২ সালে যখন <strong>'হুতোম প্যাঁচার নকশা'</strong> গ্রন্থটি প্রকাশ করেন, তখন তিনি নিজের আসল নাম ব্যবহার না করে <strong>'হুতোম প্যাঁচা'</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন।</li>
<li>এই ছদ্মনামটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, পরবর্তীতে এই নামেই তিনি বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি পান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বইয়ের নামের সাথেই লেখকের ছদ্মনামটি জড়িয়ে আছে, তাই এটি মনে রাখা একদমই কঠিন কিছু নয়!</p>
<p>কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম হলো <strong>হুতোম প্যাঁচা</strong>। বাংলা সাহিত্যে তিনি এই নামেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কালীপ্রসন্ন সিংহ তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'হুতোম প্যাঁচার নকশা'</strong> রচনার সময় এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন।</li>
<li>উনিশ শতকের কলকাতার সমাজচিত্র ও চলিত ভাষার ব্যবহারের জন্য এই বইটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে আছে।</li>
<li>তাই যখনই 'হুতোম প্যাঁচা' নামটা শুনবেন, সরাসরি কালীপ্রসন্ন সিংহের কথা মাথায় আনবেন, কারণ এই নাম আর তাঁর পরিচয় একে অপরের পরিপূরক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফুলশ্বর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘অগ্নি’ শব্দের অর্থ হলো আগুন।</p>
<ul>
<li><strong>অনল</strong>, <strong>পাবক</strong> এবং <strong>হুতাশন</strong>—এই তিনটি শব্দই আগুনের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ফুলশ্বর</strong> শব্দটি মূলত কামদেব বা মদনের একটি নাম, যা আগুনের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন এলে শুধু মনে রাখবেন, আগুনের প্রতিশব্দগুলো হলো আগুন, অনল, পাবক, হুতাশন, বহ্নি ও দহন। এর বাইরে যা থাকবে, সেটিই সঠিক উত্তর!</p>
<p>অর্থাৎ, যিনি টাকা খরচ করতে দ্বিধা বা সংকোচ বোধ করেন, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>ব্যয়কুণ্ঠ</strong>। এটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ যা সরাসরি প্রশ্নের অর্থের সাথে মিলে যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সচিবালয়</strong>। পারিভাষিক শব্দ বলতে আমরা এমন শব্দ বুঝি যা কোনো বিশেষ অর্থ বহন করে এবং প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সচিবালয়</strong> শব্দটি ইংরেজি 'Secretariat' শব্দের পরিভাষা হিসেবে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: মেঘালয়, হিমালয়) মূলত ভৌগোলিক নাম বা সন্ধিজাত শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট দাপ্তরিক পরিভাষা নয়।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই কোনো শব্দের পরিভাষা খুঁজতে বলা হবে, তখন খেয়াল করবেন শব্দটি সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত কি না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রেমাংশু</strong>। প্রশ্নটিতে একটু খেয়াল করলে দেখবেন, চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো সাধারণত শীতল বা অমৃতের সাথে সম্পর্কিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শীতাংশু</strong>, <strong>সুধাংশু</strong> এবং <strong>হিমাংশু</strong>—এই তিনটি শব্দই চন্দ্রের সমার্থক, কারণ এগুলোর অর্থ যথাক্রমে শীতল রশ্মি, অমৃতের রশ্মি এবং হিম বা শীতল রশ্মি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রেমাংশু</strong> শব্দটি প্রেমের সাথে সম্পর্কিত, যা চন্দ্রের কোনো সমার্থক শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চন্দ্রের নামের শেষে সাধারণত 'অংশু' (রশ্মি) যুক্ত থাকে যা শীতলতা বোঝায়, কিন্তু 'প্রেমাংশু' সেই তালিকায় পড়ে না।</p>
<p>‘হিমালয়’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>হিম + আলয়</strong>। এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>প্রথম শব্দের শেষে থাকা 'অ' ধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' ধ্বনি মিলে একটি দীর্ঘ 'আ' কার তৈরি করে।</li>
<li>গাণিতিক যুক্তিতে বিষয়টি এমন: $অ + আ = আ$।</li>
<li>অর্থাৎ, হিম শব্দের শেষে থাকা অ-কার এবং আলয় শব্দের আ-কার যুক্ত হয়ে হিমালয় শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, হিম (বরফ) যেখানে থাকে বা আলয়, সেটাই হলো হিমালয়। তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় এই দুটি অর্থপূর্ণ অংশ আলাদা করলেই সঠিক উত্তরটি পাওয়া যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অদ্রি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘অদ্রি’ শব্দের অর্থ হলো পাহাড় বা পর্বত। অন্যদিকে, বাকি শব্দগুলো সরাসরি চন্দ্র বা চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।</p>
<ul>
<li><strong>চাঁদ</strong>, <strong>নিশাকর</strong> এবং <strong>হিমকর</strong>—এই তিনটি শব্দই চন্দ্রের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>অদ্রি</strong> শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে যার মূল অর্থ হলো যা অটল বা পর্বত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার সময় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো সাধারণত শীতলতা বা রাতের সাথে সম্পর্কিত হয়, আর ‘অদ্রি’ শব্দটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।