<p>‘পর্বত’ শব্দটির সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>শৈল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘শৈল’ শব্দটি এসেছে ‘শিলা’ থেকে, যার অর্থ পাথর বা পাহাড়।</li>
<li>পর্বত বা পাহাড় যেহেতু পাথর বা শিলা দিয়ে গঠিত, তাই ‘শৈল’ শব্দটি পর্বতের একটি চমৎকার সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথাবার্তায় পর্বত বোঝাতে আমরা প্রায়ই ‘শৈলমালা’ বা ‘শৈলশিখর’ শব্দগুলো ব্যবহার করি, যা থেকে সহজেই বোঝা যায় শৈল মানেই পর্বত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শৈত্য</strong>। কারণ ব্যাকরণগতভাবে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের গঠন ও প্রকৃতির দিকে খেয়াল রাখতে হয়।</p>
<ul>
<li>'তাপ' একটি বিশেষ্য পদ, তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদই বেছে নিতে হবে।</li>
<li>'শৈত্য' শব্দটির অর্থ হলো শীতলতা বা ঠান্ডা অবস্থা, যা সরাসরি 'তাপ'-এর বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো বিশেষণ বা ভিন্ন অর্থ বহন করায় এখানে 'শৈত্য'-ই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>'তাপ' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>শৈত্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'তাপ' শব্দটি মূলত উষ্ণতা বা গরম অবস্থাকে বোঝায়।</li>
<li>এর বিপরীত অবস্থা হলো ঠান্ডা বা শীতলতা, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>শৈত্য</strong>।</li>
<li>শব্দ গঠনের দিক থেকে 'তাপ' (বিশেষ্য) এর বিপরীতে 'শৈত্য' (বিশেষ্য) ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে যথাযথ।</li>
</ul>
৩০৮০
রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ গ্রন্থে কোন দুই ধর্মের মিশ্রণ ঘটেছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দু ও বৌদ্ধ</strong>। কারণ রামাই পণ্ডিতের লেখা 'শূন্যপুরাণ' মূলত ধর্মপূজার শাস্ত্র হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>শূন্যপুরাণ মূলত <strong>ধর্মঠাকুরের</strong> মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত।</li>
<li>এই ধর্মঠাকুরের পূজা পদ্ধতি এবং এর পেছনের দর্শন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে প্রাচীন <strong>বৌদ্ধ ধর্মের</strong> শূন্যবাদ এবং স্থানীয় <strong>হিন্দু ধর্মের</strong> লৌকিক আচার-অনুষ্ঠানের এক অদ্ভুত মেলবন্ধন ঘটেছে।</li>
<li>ঐতিহাসিকদের মতে, এই মিশ্রণটিই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য, যা শূন্যপুরাণে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>‘হরতন’ শব্দটি মূলত <strong>ওলন্দাজ</strong> ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। তাস খেলার বিভিন্ন ধরনের নাম বা পরিভাষাগুলো আমাদের ভাষায় আসার পেছনে ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>তাসের বিভিন্ন ঘর বা সেটের নাম যেমন—<strong>হরতন</strong>, <strong>রুইতন</strong>, <strong>ইস্কাবন</strong> এবং <strong>চিড়িতন</strong>—এগুলো সবই ওলন্দাজ শব্দ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই শব্দগুলো দেখলে সরাসরি ওলন্দাজ দাগিয়ে দেবেন, কারণ এগুলো ওলন্দাজদের কাছ থেকেই আমাদের ভাষায় যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা আদি অধিবাসীগণ মূলত <strong>অস্ট্রিক</strong> ভাষাভাষী ছিল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে বাংলায় যে জনবসতি গড়ে উঠেছিল, তাদের নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাগত পরিচয়ের মূলে ছিল অস্ট্রিক গোষ্ঠী।</li>
<li>পরবর্তীতে দ্রাবিড়, আর্য এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর আগমনে বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসে, কিন্তু অস্ট্রিকরাই ছিল এ অঞ্চলের আদি ভিত্তি।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই অস্ট্রিকদেরই বাংলার প্রাচীনতম জনগোষ্ঠী হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলার আদি ভাষা ও সংস্কৃতির শেকড় খুঁজতে গেলে আমরা অস্ট্রিকদেরই পাই। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>অস্ট্রিক</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবুলি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার কবি, যিনি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে পদ রচনা করতেন।</li>
<li>তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার সাথে বাংলা ও অন্যান্য উপভাষার সংমিশ্রণে একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা তৈরি করেছিলেন, যা <strong>ব্রজবুলি</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যের অনেক কবি, বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তাঁর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলীতে এই ব্রজবুলি ভাষার ব্যবহার করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই বিদ্যাপতির পদ রচনার প্রধান ভাষা হিসেবে ব্রজবুলিই সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং স্বীকৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: খাঁটি বাংলা, তৎসম (সংস্কৃত), এবং বিদেশি।</li>
<li>'অধি' একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে সকল উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়, তাদের <strong>তৎসম উপসর্গ</strong> বলা হয়।</li>
<li>'অধি' ছাড়াও প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, উপ, অভি—এগুলো সবই তৎসম উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই 'অধিকার' শব্দে 'অধি' অংশটি নিশ্চিতভাবেই একটি তৎসম উপসর্গ।</p>
<p>‘গুনাহ’ শব্দটি মূলত <strong>ফারসি</strong> ভাষার শব্দ। বাংলা ভাষায় আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় এটি প্রচুর ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো পাপ বা অপরাধ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘গুনাহ’ একটি অন্যতম প্রধান শব্দ।</li>
<li>আরবিতে পাপের জন্য ‘গুনাহ’ শব্দের পরিবর্তে সাধারণত ‘যাম্ব’ বা ‘মা’সিয়াহ’ শব্দগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই মনে রাখবেন, ‘গুনাহ’ শব্দটি সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগীজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বেশ কিছু ফলের নাম পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>পর্তুগীজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, তখন তারা তাদের পরিচিত অনেক জিনিসের নাম আমাদের ভাষায় রেখে যায়।</li>
<li>'পেয়ারা' ছাড়াও <strong>আনারস</strong>, <strong>পেঁপে</strong> এবং <strong>আলমারি</strong>, <strong>চাবি</strong>, <strong>সাবান</strong>-এর মতো শব্দগুলোও পর্তুগীজ ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় 'পেয়ারা' দেখলে সরাসরি পর্তুগীজ শব্দ হিসেবে দাগিয়ে দেবেন, এটিই সবচেয়ে সহজ উপায়।</li>
</ul>
৩০৮৮
‘দোসরা’ তারিখ জ্ঞাপক সংখ্যাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে তারিখ বলার সময় আমরা যে শব্দগুলো ব্যবহার করি, তার অনেকগুলোই হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>বাংলায় মাসের তারিখ বলার ক্ষেত্রে 'পহেলা', 'দোসরা', 'তেসরা'—এই শব্দগুলো মূলত হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>হিন্দি শব্দ 'दूसरा' (দোসরা) এর অর্থ হলো দ্বিতীয়।</li>
<li>বাংলায় মাসের দ্বিতীয় দিনকে বোঝাতে আমরা এই হিন্দি শব্দটিই ঐতিহাসিকভাবে ব্যবহার করে আসছি।</li>
</ul>
<p>তাই ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে 'দোসরা' শব্দটি সরাসরি <strong>হিন্দি</strong> ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ শব্দগুলো আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ব্যবহার করি। ‘পেয়ারা’ শব্দটি মূলত পর্তুগিজ শব্দ <em>'pera'</em> থেকে এসেছে। মনে রাখার সুবিধার্থে কিছু সাধারণ পর্তুগিজ শব্দের তালিকা দেখে নিতে পারেন:</p>
<p>‘আদালত’ শব্দটি মূলত <strong>আরবি</strong> ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক আইন-আদালত সংক্রান্ত শব্দই আরবি থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিচারিক বা প্রশাসনিক কাজের সাথে যুক্ত অনেক শব্দই আরবি মূলের।</li>
<li>যেমন: আদালত, আইন, উকিল, এবং দলিল—এই শব্দগুলো আরবি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>তাই যখনই ‘আদালত’ শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি একটি <strong>আরবি</strong> শব্দ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।