<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লিঙ্গ</strong>। কারণ ব্যাকরণে কোনো শব্দ দিয়ে পুরুষ, স্ত্রী কিংবা অন্য কিছু বোঝানো হলে তাকে লিঙ্গ বলা হয়। খুব সহজ কথায়, যে চিহ্ন বা সূত্র দেখে আমরা বুঝতে পারি শব্দটি পুরুষবাচক, স্ত্রীবাচক নাকি ক্লীববাচক, সেটাই হলো লিঙ্গ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধ্যা</strong>। কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে, তাই এটি একটি তৎসম শব্দ।</p>
<p>সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>তৎসম শব্দের বানানে সাধারণত <strong>ণ</strong>, <strong>ষ</strong> এবং সংযুক্ত বর্ণ বেশি থাকে।</li>
<li>'সন্ধ্যা' শব্দটিতে যুক্তবর্ণ ($\text{নন্ধ}$) রয়েছে, যা তৎসম শব্দের একটি বড় বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong> বাক্য। কারণ বিষয়টা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো পদ (যেমন: এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ‘কিন্তু’ অব্যয়টি দুটি স্বাধীন বাক্যকে (লোকটি ধনী, লোকটি কৃপণ) একসঙ্গে যুক্ত করেছে। তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক ও রূপকার হলেন প্রমথ চৌধুরী। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে প্রকাশিত <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতির প্রবর্তন ও এর সার্থক ব্যবহার শুরু হয়। ছদ্মনাম 'বীরবল' ব্যবহার করে তিনি চলিতরীতিকে জনপ্রিয় করে তোলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>Option A: পার হয়ে</strong>।</p>
<p>সাধু রীতির শব্দকে চলিত রীতির রূপ দিতে হলে সাধারণত যুক্তবর্ণ ও বিভক্তির ক্ষেত্রে সংক্ষেপ বা সহজ রূপ ব্যবহার করতে হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li>সাধু রীতির <strong>‘হইয়া’</strong> শব্দটি চলিত রীতিতে সংক্ষেপ হয়ে <strong>‘হয়ে’</strong> রূপ নেয়।</li>
<li>তাই ‘পার হইয়া’ শব্দটির সঠিক চলিত রূপ হবে <strong>‘পার হয়ে’</strong>।</li>
</ul>
৪৬৫৬
Early rising is beneficial to health-এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ উভয়ই</strong>। কারণ 'Ad-hoc' একটি ইংরেজি ফ্রেজ, যার বাংলা পরিভাষা হিসেবে <strong>'তদর্থক'</strong> এবং সাধারণ অর্থ হিসেবে <strong>'অস্থায়ী'</strong>—দুটিই ব্যবহার করা হয়। বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বা তাৎক্ষণিকভাবে যখন কোনো কিছু তৈরি বা ঠিক করা হয়, তখন তাকে অ্যাড-হক বা তদর্থক (অস্থায়ী) বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে দুটি অপশনই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উচ্চারণের সুবিধা</strong>।</p>
<p>সন্ধি মানে হলো দুটি শব্দের মিলন। পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনি একত্রিত হয়ে যখন একটি নতুন ধ্বনির সৃষ্টি করে, তখন তা উচ্চারণ করতে আমাদের মুখের ওপর কম কষ্ট হয় এবং কথা বলা অনেক সহজ ও সাবলীল হয়ে ওঠে। যেমন— 'বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়'। এই মিলনের মূল উদ্দেশ্যই হলো কথা বলার সময় বা উচ্চারণের সময় গতি ও স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ + তি</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, মূর্ধন্য 'ষ'-এর পরে 'ত' বা 'থ' থাকলে তা যথাক্রমে 'ট' বা 'ঠ' হয়ে যায়। এই নিয়মে 'ষ' এবং 'তি' মিলে 'ষ্টি' গঠিত হয়েছে। তাই 'কৃষ্টি' শব্দের সঠিক বিশ্লেষণ হলো <strong>কৃষ + তি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তর নাই</strong>; কারণ ‘দাতা’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো $\text{√দাঁ} + \text{তৃচ}$ (বা $\text{√দা} + \text{তৃচ}$)।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত নিয়মে দান করা অর্থে $\text{√দা}$ বা $\text{√দাঁ}$ ধাতুর সাথে কর্তৃবাচ্যে <strong>তৃচ</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘দাতার’ বা ‘দাতা’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>প্রদত্ত অপশনগুলোতে ‘তৃচ’ প্রত্যয় না থাকায় কোনোটিই সঠিক নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>$\sqrt{\text{মুচ}} + \text{ক্ত}$</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়ম দিয়ে এটি মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'মুক্ত' শব্দটির মূল বা ধাতু হলো $\sqrt{\text{মুচ}}$ (যার অর্থ মুক্ত করা)।</li>
<li>এর সাথে 'ক্ত' ($ত$) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয় <strong>মুক্ত</strong>।</li>
<li>এখানে ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়ের নিয়ме চ-এর জায়গায় ক এবং ত-এর প্রভাবে শব্দটির রূপ এমন দাঁড়ায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষেপণ</strong>। সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংক্ষেপ করা, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।</p>
<p>সহজ কথায়, বড় কোনো বাক্য বা বাক্যাংশকে ছোট বা সংক্ষেপে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকেই সমাস বলা হয়। যেমন— 'সিংহের চিহ্নিত আসন' এত বড় না বলে সংক্ষেপে আমরা বলি 'সিংহাসন'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাবণের চিতা</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো—রামায়ণ অনুযায়ী লঙ্কার রাজা রাবণের চিতার আগুন কখনো নেভেনি, সবসময় জলেই থেকেছে। আর ঠিক এই রূপক থেকেই বাংলা ভাষায় চিরস্থায়ী অশান্তি বা না-থামা দুঃখ বোঝাতে <strong>রাবণের চিতা</strong> বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আলসেমি</strong>।</p>
<p>'গদাই লস্করি চাল' একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হলো খুব ধীর গতিতে বা অলসভাবে কোনো কাজ করা। অর্থাৎ, কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মন্থরতা, ধীরস্থির ভাব বা <strong>আলসেমি</strong> প্রকাশ করতেই মূলত এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
৪৬৬৫
‘গরুতে দুধ দেয়‘ বাক্যে ‘গরুতে‘ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তৃকারকে সপ্তমী</strong>। খুব সহজে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক—</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে দুধ দেওয়ার কাজটি কে করছে? গরুতে। আর বাক্যে যে বা যারা নিজে কাজটি সম্পন্ন করে, সেটাই হলো <strong>কর্তৃকারক</strong>।</li>
<li>'গরুতে' শব্দটির সাথে 'তে' বিভক্তি যুক্ত আছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'এ', 'য়', 'তে' এগুলো হলো <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong>র চিহ্ন।</li>
<li>তাই এটি হলো কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।