<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণে শূন্য</strong>।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘অহঙ্কার’ হলো পতনের মূল বা কারণ।</li>
<li>কোনো বাক্যে মাধ্যম, উপায় বা কারণ বোঝালে সেটি <strong>করণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>‘অহঙ্কার’ শব্দের সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিক</strong>।</p>
<p>‘পরভৃত’ শব্দের অর্থ হলো যা অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত হয়। কোকিল নিজের ডিম নিজে তা দেয় না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাকই তাদের খাইয়ে-দাঁইয়ে বড় করে তোলে। এই কারণে কোকিলকে ‘পরভৃত’ বলা হয়, আর ‘পিক’ হলো কোকিলের একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসারণ</strong>।</p>
<p>‘আকুঞ্চন’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু সংকুচিত হওয়া বা গুটিয়ে যাওয়া। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ‘প্রসারণ’ শব্দটি, যার অর্থ ছড়িয়ে পড়া বা বড় হওয়া। বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ মনে রাখার সময় অর্থের এই বিপরীতমুখী সম্পর্কটি খেয়াল রাখলেই উত্তর খুব সহজে মেলানো যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ইতিহাসবেত্তা</strong>।</p>
<p>কথাটা খুব সহজ—যিনি ইতিহাস বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ বা পন্ডিত, তাকে এক কথায় <strong>ইতিহাসবেত্তা</strong> বলা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, আমরা যখন কথা বলি তখন কোথায় থামব, কোথায় একটু দীর্ঘ বিরতি দেব বা কোথায় প্রশ্ন করব—তা কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিই। কিন্তু লেখার সময় তো আর তা মুখে বলা সম্ভব নয়! তাই লেখার ভেতর এই ভাব, আবেগ এবং অর্থ সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার করা হয়। বিরাম চিহ্ন না থাকলে একটা বড় বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বদলে যেতে পারত বা গোলমেলে হয়ে যেত। তাই মনের ভাব ও বাক্যের অর্থ একদম পরিষ্কার করতে বিরাম চিহ্ন খুবই জরুরি।</p>
৪৬৭১
বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অস্ট্রালয়েড</strong>।</p>
<p>বাঙালির শারীরিক গঠন, চামড়ার রঙ এবং চুলের ধরন গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রাচীন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী অস্ট্রালয়েডদের সাথে বাঙালির দৈহিক বৈশিষ্ট্যের সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে। ইতিহাস ও নৃবিজ্ঞানের মতে, এই অঞ্চলের মূল জনগোষ্ঠীর রক্তে অস্ট্রালয়েড বৈশিষ্ট্যের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শশাংক</strong>। কারণ গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর গৌড়ের স্বাধীন রাজারা বাংলার ক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নেন, আর শশাংক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনিই প্রথম সমগ্র বাংলাকে একটি একক রাজনৈতিক শাসনের আওতায় নিয়ে এসেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৫৪টি</strong>।</p>
<p>বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মোট অভিন্ন বা আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা <strong>৫৪টি</strong>। নদীমাতৃক বাংলাদেশে এই নদীগুলো দুই দেশের মধ্যকার পানিবণ্টন ও ভৌগোলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪৯ সালে</strong>।</p>
<p>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো একত্রিত হয়। এই উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডিসহ ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র মিলে <strong>৪ এপ্রিল ১৯৪৯</strong> সালে সামরিক জোট ন্যাটো (NATO) গঠন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডায়মন্ড</strong>। এটি আমাদের দেশে বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় আলুর একটি জাত। কৃষিকাজে উচ্চ ফলনশীল জাত হিসেবে এর চাষাবাদ বেশ ভালোভাবেই হয়ে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আন্দিজ পর্বতমালা</strong>। কারণ দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল ধরে বিস্তৃত এই পর্বতমালাটি প্রায় ৭,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যা এটিকে পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালায় পরিণত করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>‘চ’ ধ্বনি</strong>। ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ ও স্বরতন্ত্রীর কম্পন অনুযায়ী ধ্বনিগুলোকে সহজে মনে রাখার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li><strong>অঘোষ ধ্বনি:</strong> যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীতে কম কাঁপে (প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ)।</li>
<li><strong>অল্পপ্রাণ ধ্বনি:</strong> যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় মুখে বাতাসের জোর বা প্রাণ কম লাগে (প্রতি বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ)।</li>
</ul>
<p>‘চ’ বর্গীয় বর্ণগুলো হলো: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ। এর মধ্যে <strong>‘চ’</strong> হলো প্রতি বর্গের প্রথম বর্ণ। তাই এটি একই সাথে <strong>অঘোষ</strong> ও <strong>অল্পপ্রাণ</strong> ধ্বনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ</strong>। কারণ বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত প্রতিটি বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলা হয়। যখন কোনো স্বাধীন শব্দ বাকе বসে অন্যের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখন তা আর সাধারণ শব্দ থাকে না, সেটির একটি পদমর্যাদা লাভ হয় এবং তাকে পদ বলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>।</p>
<p>যখন আমরা বাক্যে কাউকে ডেকে কিছু বলি বা কাউকে সম্বোধন করি (যেমন: "রনি, এদিকে এসো"), তখন ঠিক তার পরেই একটা ছোট্ট বিরতি দিতে হয়। এই বিরতি বোঝাতেই <strong>কমা (,)</strong> ব্যবহার করা হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।