<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিখ্যাত</strong>। ‘প্রথিত’ একটি চমৎকার বাংলা শব্দ যার সহজ অর্থ হলো যার খ্যাতি বা বিস্তার ঘটে গেছে, অর্থাৎ যিনি বা যা অত্যন্ত নামকরা বা বিখ্যাত। কোনো বিষয়ে বিশেষভাবে পরিচিত বা খ্যাতিমান বোঝাতেই ‘প্রথিতযায়শা’ বা ‘প্রথিত’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবিলম্ব</strong>।</p>
<p>'পত্রপাঠ' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো চিঠি পড়া মাত্রই। আর তাৎপর্যগত দিক থেকে এর অর্থ দাঁড়ায় কোনো রকম দেরি না করে বা কালক্ষেপণ না করে কোনো কাজ করা, অর্থাৎ <strong>অবিলম্ব</strong> বা তৎক্ষণাৎ। তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে এই বাগধারাটি দেখলে চোখ বন্ধ করে 'অবিলম্ব' উত্তরটি বেছে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>√শ্ৰু + অন</strong>। খুব সহজে বিষয়টি মনে রাখার শর্টকাট হলো:</p>
<ul>
<li>'শ্রবণ' শব্দটির মূল বা ধাতু হলো <strong>√শ্ৰু</strong> (যার অর্থ শোনা)।</li>
<li>এর সাথে ভাবার্থে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, √শ্ৰু ধাতur সাথে 'অন' যুক্ত হলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'শ্রবণ' রূপ নেয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রজকী</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুংলিঙ্গবাচক শব্দ ‘রজক’ (ধোপ) এর স্ত্রীবাচক রূপ গঠনের সময় দীর্ঘ্য-ঈ (ী) যুক্ত করে <strong>রজকী</strong> করা হয়। এই শব্দটির ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রত্যয় বা নিয়ম খাটে না, তাই সরাসরি সঠিক রূপটি মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৎমা</strong>। কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। অর্থাৎ, এই শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না বা এটি পুরুষবাচক শব্দের রূপান্তর নয়, বরং শব্দটি নিজেই স্ত্রীবাচক হিসেবে সবসময় ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে শব্দগুলো জন্মগতভাবেই স্ত্রীবাচক এবং যাদের কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বক্তব্য</strong>। কোনো কথা বা বিষয় যখন স্পষ্টভাবে বা সুন্দরভাবে বলার উপযোগী হয় কিংবা যা সাধারণভাবে বলা হবে, তাকে এক কথায় <strong>বক্তব্য</strong> বলা হয়। বাক্যের অর্থ সহজে মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর মূল ভাব খেয়াল রাখলেই উত্তর খুব দ্রুত বের করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ত্বরিৎকর্মা</strong>।</p>
<p>বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে, কোনো ব্যক্তি যখন অত্যন্ত দ্রুত ও দক্ষতার সাথে কোনো কাজ সম্পন্ন করেন, তখন তাকে এক কথায় <strong>ত্বরিৎকর্মা</strong> বলা হয়। এখানে 'ত্বরিৎ' শব্দের অর্থ দ্রুত এবং 'কর্মা' অর্থ কাজ করেন যিনি। তাই খুব সহজে এটি মনে রাখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সিংহদার</strong>। বাড়ির পেছনের ছোট দরজা বা পেছনের পথকে বলা হয় 'খিড়কি', আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে বাড়ির প্রধান বা সামনের বড় দরজাকে বোঝানো হয়, যাকে আমরা <strong>সিংহদার</strong> বা সদর দরজা বলে থাকি। বিষয়টা একদম সহজ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবনী</strong>। কারণ 'অবনী' শব্দটি পৃথিবীর একটি অতিপরিচিত ও সুন্দর সমার্থক বা প্রতিশব্দ। বাংলা ব্যাকরণে পৃথিবীর আরও কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ রয়েছে, যেমন—ধরণী, বসুন্ধরা, পৃথিবী, মেদিনী ইত্যাদি। অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সরাসরি পৃথিবীকে নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: √মুচ্ + ক্তি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘মুক্তি’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li>এখানে মূল ধাতু হলো <strong>√মুচ্</strong> (যার অর্থ মুক্ত করা বা ত্যাগ করা)।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>ক্তি</strong> প্রত্যয়।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, √মুচ্ ধাতুর সাথে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে ‘ত’ স্থানে ‘ক্ত’ এবং চ-এর জায়গায় ক যুক্ত হয়ে ‘মুক্তি’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>মুজিব নামক বর্ষ</strong>।</li>
<li>যেখানে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণের তুলনা বা অভেদ বোঝায়, সেটাই কর্মধারয় সমাস।</li>
<li>এখানে 'মুজিব' এবং 'বর্ষ' আলাদা কোনো বিষয় নয়, বরং 'মুজিব' নামেই নির্দিষ্ট 'বর্ষ' বা বছরকে বোঝানো হয়েছে (রূপক কর্মধারয় সমাসের মতো অভিন্নতা)।</li>
<li>তাই এটি নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যকাল</strong>। কারণ 'কালান্তর' একটি নিত্য সমাস। নিত্য সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য হয় না, তাই এর অর্থ বোঝাতে অন্য একটি শব্দ ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'কালান্তর' বলতে ভিন্ন বা <strong>অন্যকাল</strong>-কে বোঝানো হয়েছে।</p>
৪৬৯৩
“এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম”-বাক্যটিতে স্বাধীনতার শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিমিতার্থে ষষ্ঠী</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে বুঝতে পারো:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে সংগ্রামটি কী উদ্দেশ্যে বা কিসের জন্য তা বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>'স্বাধীনতার সংগ্রাম' মানে হলো স্বাধীনতার <strong>জন্য</strong> সংগ্রাম।</li>
<li>যখন কোনো কিছু অর্জনের উদ্দেশ্যে বা নিমিত্তে কোনো কিছু করা বোঝায়, তখন সেখানে নিমিতার্থে কারক হয়।</li>
<li>আর 'স্বাধীনতার' শব্দের সাথে যে 'র' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত আছে, তা হলো <strong>ষষ্ঠী বিভক্তি</strong>। তাই এটি নিমিতার্থে ষষ্ঠী বিভক্তি।</li>
</ul>
৪৬৯৪
‘পড়াশোনায় মন দাও’ বাক্যে পড়াশোনায় শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে পড়াশোনা একটি বিষয় বা ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে।</li>
<li>কোথায় বা কোন বিষয়ে মন দিতে হবে—এমন স্থান বা বিষয় বোঝালে <strong>অধিকরণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>'পড়াশোনা' শব্দের সাথে 'য়' (এ) বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তালব্য</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, চ, ছ, জ, ঝ—এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে বলে এদের <strong>তালব্য ধ্বনি</strong> বলা হয়। তাই সন্ধির নিয়মে চ বা জ-এর নাসিক্য ধ্বনি পরিবর্তীত হয়ে তালব্য রূপ ধারণ করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।