<p>‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যটির রচয়িতা হলেন <strong>কায়কোবাদ</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই মহাকাব্যটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।</li>
<li>কায়কোবাদের প্রকৃত নাম ছিল মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের মধ্যে মহাকাব্য রচনায় তিনি পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ—যখনই ‘মহাশ্মশান’ নামটা দেখবেন, সরাসরি <strong>কায়কোবাদ</strong>-এর নাম মাথায় আনবেন। কারণ এই বিখ্যাত মহাকাব্যটি তাঁরই অমর সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কায়কোবাদ</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘মহাশ্মশান’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্য। এই মহাকাব্যটি নিয়ে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>রচয়িতা:</strong> কবি কায়কোবাদ।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তিনি এই মহাকাব্যটি রচনা করেন।</li>
<li><strong>স্মরণ রাখার কৌশল:</strong> বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের মধ্যে মহাকাব্য রচনার ক্ষেত্রে কায়কোবাদের নাম সবার আগে আসে, তাই ‘মহাশ্মশান’ নামটির সাথে তাঁর নামটা এক নিমিষেই মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পানিপথের যুদ্ধের করুণ পরিণতি আর মহাকাব্যের বিশালতা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই কায়কোবাদের অমর সৃষ্টি হলো ‘মহাশ্মশান’।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘মা যে জননী কান্দে’ মূলত একটি আবেগঘন কবিতা বা কাব্যগ্রন্থের অংশ।</p>
<ul>
<li>এই ধরনের সাহিত্যিক কাজগুলো সাধারণত ছন্দে ও অলংকারে ঘেরা থাকে, যা কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>এটি কোনো গদ্যধর্মী নাটক বা উপন্যাসের মতো দীর্ঘ বর্ণনামূলক কাঠামো অনুসরণ করে না, বরং অল্প কথায় গভীর অনুভূতির প্রকাশ ঘটায়।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি সার্থক <strong>কাব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তারেক মাসুদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘মাটির ময়না’ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে আছে। এই কালজয়ী সিনেমাটির নির্মাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>তারেক মাসুদ</strong> ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, যিনি তার শৈল্পিক কাজের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।</li>
<li>২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাটির ময়না’ তার পরিচালিত অন্যতম সেরা কাজ, যা কান চলচ্চিত্র উৎসবে 'ফিপ্রেসি' (FIPRESCI) পুরস্কার অর্জন করেছিল।</li>
<li>এই সিনেমাটি মূলত বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন এবং মাদ্রাসার প্রেক্ষাপটে নির্মিত একটি অসাধারণ গল্প।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘মাটির ময়না’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>তারেক মাসুদ</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত দেশপ্রেমিক ও সচেতন লেখক ছিলেন। তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সবসময় মাতৃভাষার মর্যাদা ও বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর গভীর ভাষাপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ।</p>
<ul>
<li><strong>মূল কথা:</strong> নিজের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে মানুষের পরিচয় অসম্পূর্ণ থাকে।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ 'বিষাদ সিন্ধু' বা তাঁর অন্যান্য রচনায় ভাষার প্রতি যে মমত্ববোধ দেখা যায়, সেখান থেকেই এই উক্তিটি তাঁর বলে চিনে রাখা যায়।</li>
</ul>
৫৯৩৩
‘মানব জীবন’ ‘মহৎ জীবন’ ‘উন্নত জীবন’ প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোঃ লুৎফর রহমান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মোঃ লুৎফর রহমান মূলত তাঁর নীতিমূলক ও জীবনধর্মী প্রবন্ধের জন্য পরিচিত। তাঁর লেখা এই বিখ্যাত বইগুলো মূলত মানুষের জীবনকে সুন্দর ও মহৎ করার দিকনির্দেশনা দেয়। পরীক্ষার জন্য এই নামগুলো মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li><strong>মানব জীবন</strong>, <strong>মহৎ জীবন</strong> এবং <strong>উন্নত জীবন</strong>—এই তিনটি বইয়ের নামের মধ্যেই 'জীবন' শব্দটি কমন।</li>
<li>এই জীবনমুখী ও আদর্শবাদী রচনার লেখক হিসেবে <strong>মোঃ লুৎফর রহমান</strong>-এর নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>একবার এই তিনটি বইয়ের নামের সাথে লেখকের নাম মিলিয়ে পড়লে বিষয়টি আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</p>
৫৯৩৪
‘মানষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’।- এ পঙক্তিটি কার রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ ফজলুল করিম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কবি শেখ ফজলুল করিমের <strong>'স্বর্গ ও নরক'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই লাইনটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, স্বর্গ বা নরক অন্য কোথাও নেই, বরং মানুষের কর্ম, আচরণ এবং চিন্তার মধ্যেই তা লুকিয়ে আছে। মানুষ তার ভালো কাজের মাধ্যমে পৃথিবীতে স্বর্গ তৈরি করতে পারে, আবার খারাপ কাজের মাধ্যমে নরকও সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<ul>
<li><strong>মূলভাব:</strong> মানুষের ব্যবহার ও দৃষ্টিভঙ্গিই তার চারপাশকে স্বর্গ বা নরক করে তোলে।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> 'মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক'—এই মানবিক ও নৈতিক দর্শনের কথাটি শেখ ফজলুল করিমের লেখনীতেই সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৫৯৩৫
‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-
<p>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’-এর মূল উপজীব্য হলো <strong>জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ</strong>। এই উপন্যাসটি পড়ার সময় আমরা খুব সহজে বুঝতে পারি কেন এটি সঠিক:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের পটভূমি গড়ে উঠেছে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলেপাড়াকে কেন্দ্র করে।</li>
<li>এখানে কুবের, কপিলাসহ জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের দৈনন্দিন বেঁচে থাকার লড়াই, তাদের অভাব-অনটন এবং আবেগের এক নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রকৃতির রুদ্রমূর্তি আর দারিদ্র্যের কষাঘাতের মাঝেও জেলেদের জীবনে সুখের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো মিশে থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পদ্মা নদীর ওপর নির্ভরশীল জেলেদের জীবনের সামগ্রিক বাস্তবতাই এই উপন্যাসের প্রাণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জোছনা ও জননীর গল্প</strong>। হুমায়ূন আহমেদের লেখা এই উপন্যাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং বাঙালির অদম্য সাহসের চিত্র এখানে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। শঙ্খ ঘোষ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন অত্যন্ত শক্তিশালী কবি। তাঁর কাব্যশৈলী এবং শব্দের গভীর ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় এবং আলোচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নির্মলেন্দু গুণ মূলত তাঁর রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী কবিতার জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা’ কাব্যগ্রন্থটি মূলত তিনটি ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা ও দৃষ্টিভঙ্গির সংমিশ্রণ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল <strong>১৯২৬</strong> সালে। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই সংগঠনটি তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল প্রাঙ্গণে যাত্রা শুরু করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>প্রতিষ্ঠার সাল: <strong>১৯২৬</strong>।</li>
<li>মূল উদ্যোক্তা: আবুল হুসেন এবং কাজী আব্দুল ওদুদ।</li>
<li>মূলমন্ত্র: 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।</li>
</ul>
<p>এই সংগঠনটি তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী ধারার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</p>
<p>‘মৃত্যু ক্ষুধা’ উপন্যাসের লেখক হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি তাঁর লেখা একমাত্র উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলাম মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও, তাঁর গদ্য ও উপন্যাসেও গভীর জীবনবোধ ফুটে উঠেছে।</li>
<li>দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবন এবং তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করেই তিনি এই কালজয়ী উপন্যাসটি রচনা করেছেন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।