<p>‘শিরশ্ছেদ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>শিরঃ + ছেদ</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি <strong>‘ছ’</strong> থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পেয়ে সেখানে একটি <strong>‘শ্’</strong> যুক্ত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, বিসর্গ + ছ = শ্ছেদ।</li>
<li>এই নিয়মেই <strong>শিরঃ + ছেদ</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>শিরশ্ছেদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গের সাথে ‘ছ’ এর মিলনে আগন্তুক হিসেবে একটি ‘শ’ এর আগমন ঘটে, যা শব্দটিকে পূর্ণতা দেয়।</p>
<p>‘নীলকর’ শব্দটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি দারুণ উদাহরণ। এটি কেন উপপদ তৎপুরুষ, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li><strong>উপপদ তৎপুরুষের নিয়ম:</strong> কৃদন্ত পদের (যে পদের সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত থাকে) সাথে যখন বিশেষ্য পদের সমাস হয়, তখন তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে।</li>
<li><strong>বিশ্লেষণ:</strong> ‘নীলকর’ শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই ‘নীল’ + ‘কর’। এখানে ‘কর’ অংশটি একটি কৃদন্ত পদ (কৃ ধাতু + অ প্রত্যয়)।</li>
<li><strong>সহজ কৌশল:</strong> যখন কোনো শব্দের শেষে ‘কর’, ‘কার’, ‘জ্ঞ’, ‘দ’, ‘স্থ’ ইত্যাদি থাকে এবং তা কোনো কাজ বা কর্তাকে বোঝায়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে উপপদ তৎপুরুষ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ‘নীল’ (বিশেষ্য) + ‘কর’ (কৃদন্ত পদ) মিলে তৈরি হয়েছে ‘নীলকর’, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপপদ তৎপুরুষ সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিক্ষাতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>'Pedagogy' শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Paidagogos' থেকে এসেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শিশুদের পড়ানোর কৌশল, পদ্ধতি এবং শিক্ষাদানের সামগ্রিক বিজ্ঞানকে একত্রে <strong>শিক্ষাতত্ত্ব</strong> বা <strong>Pedagogy</strong> বলা হয়।</li>
<li>শিক্ষক হিসেবে শ্রেণিকক্ষে কীভাবে পাঠদান করলে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে ভালো শিখবে, তার তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকগুলোই এই বিষয়ের মূল আলোচ্য।</li>
</ul>
<p>‘বঙ্কিম’ শব্দের অর্থ হলো যা বাঁকা বা কুটিল। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা ‘ঋজু’ ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো সোজা বা সরল। বিষয়টি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বঙ্কিম</strong> = বাঁকা বা আঁকাবাঁকা।</li>
<li><strong>ঋজু</strong> = একদম সোজা বা সরল রেখার মতো।</li>
</ul>
<p>তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে <strong>ঋজু</strong>-ই সবচেয়ে উপযুক্ত। বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের বিপরীত শব্দগুলো সরাসরি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় দ্রুত উত্তর করা সহজ হয়।</p>
৬৭৮৫
বাংলা একাডেমির ‘প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’ কত সালে প্রণীত হয়?
<p>বাংলা একাডেমির ‘প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’ প্রণীত হয় <strong>১৯৯২</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই নিয়মটি বাংলা ভাষার বানানকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।</p>
<ul>
<li>বাংলা বানানকে অভিন্ন করার লক্ষ্যে বাংলা একাডেমি দীর্ঘ গবেষণার পর <strong>১৯৯২</strong> সালে প্রথম এই প্রমিত নিয়মাবলি প্রকাশ করে।</li>
<li>পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এর পরিমার্জন করা হলেও, মূল ভিত্তি বা প্রণয়নের বছর হিসেবে <strong>১৯৯২</strong> সালটিই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার বানান বিভ্রাট দূর করতে এবং একটি মানসম্মত রূপ দিতে <strong>১৯৯২</strong> সালটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তটিনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ নদীর দুই পাশে তট বা তীর থাকে, আর এই তট বা কিনারা ঘেঁষে যে বয়ে চলে, তাকেই বলা হয় তটিনী।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>তট</strong> শব্দের অর্থ হলো নদীর তীর বা কিনারা।</li>
<li>যেহেতু নদী তট বা তীর বেয়ে প্রবাহিত হয়, তাই নদীকে তটিনী বলা হয়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের মূল অর্থটি বুঝে নেওয়া।</li>
</ul>
<p>‘শূন্যপূরাণ’ হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নিদর্শন। এর রচয়িতা হলেন <strong>রামাই পণ্ডিত</strong>। এই গ্রন্থটি মূলত ধর্মপূজা পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>শূন্যপূরাণ</strong> ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্য।</li>
<li>রামাই পণ্ডিত ছিলেন ধর্মপূজার পুরোহিত এবং তিনি এই গ্রন্থের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির এক চমৎকার চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, ধর্মপূজার আচার-অনুষ্ঠান ও স্তুতিমূলক এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রামাই পণ্ডিতের অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৬৭৮৯
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাঁকিল্যা গ্রাম কেন উল্লেখযোগ্য?
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>কাঁকিল্যা গ্রাম</strong> অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই গ্রাম থেকেই মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন</strong> কাব্যটি আবিষ্কৃত হয়েছিল। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে পুঁথিটি উদ্ধার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ।</li>
<li>এই কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের পাণ্ডুলিপিটি এই গ্রামেই পাওয়া গিয়েছিল বলেই এটি সাহিত্যের ইতিহাসে বিখ্যাত।</li>
</ul>
৬৭৯০
‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। কোন কাব্যের অন্তর্গত?
<p>মধ্যযুগের কবি আব্দুল হাকিমের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>নূরনামা</strong>। এই কাব্যের 'বঙ্গবাণী' কবিতায় তিনি বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেছিলেন যে, যারা বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেও বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা বা ঘৃণা করে, তাদের বংশপরিচয় নিয়ে তিনি সন্দিহান।</p>
<ul>
<li><strong>কবি:</strong> আব্দুল হাকিম।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দেশপ্রেম।</li>
<li><strong>প্রাসঙ্গিকতা:</strong> এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এক অনন্য দলিল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সপ্তদশ</strong>। আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী কবি। তিনি মূলত সপ্তদশ শতাব্দীতে (১৬০৭–১৬৭৩ খ্রিষ্টাব্দের দিকে) তাঁর সাহিত্যকর্ম রচনা করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আলাওলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>পদ্মাবতী</strong> সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে রচিত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আরাকান রাজসভার কবিদের স্বর্ণযুগ হিসেবে এই সময়কালটিই পরিচিত।</li>
<li>তাঁর জীবনকাল ও কর্মজীবন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি ১৬০০ সালের পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ <strong>সপ্তদশ</strong> শতাব্দীতেই তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যগুলো উপহার দিয়েছেন।</li>
</ul>
৬৭৯২
কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো Heritage of Humanity অভিধায় ভূষিত করেছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাউল গান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ও সমৃদ্ধ ধারা হলো বাউল গান।</p>
<ul>
<li>২০০৫ সালে ইউনেস্কো (UNESCO) বাউল গানকে <strong>'Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity'</strong> হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।</li>
<li>বাউলদের আধ্যাত্মিক দর্শন, সুরের মূর্ছনা এবং জীবনবোধের গভীরতার কারণেই এটি বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদায় ভূষিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাউল গান শুধু আমাদের দেশের সম্পদ নয়, বরং এটি এখন পুরো বিশ্বের মানুষের কাছে এক অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে লর্ড ওয়েলেসলি কলকাতায় <strong>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ</strong> প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>এই কলেজে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার জন্য অনেক দেশীয় পণ্ডিত নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।</li>
<li><strong>চন্ডীচরণ মুন্সী</strong> ছিলেন সেই কলেজেরই একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত, যিনি বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসে চন্ডীচরণ মুন্সীকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন দক্ষ পণ্ডিত হিসেবেই চেনা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের সাহিত্যকর্মের তালিকায় ‘রত্নপরীক্ষা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এটি মূলত নীতিমূলক ও শিক্ষামূলক রচনার সংকলন, যা তিনি তৎকালীন শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার প্রসারে লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি একটি শিক্ষামূলক গ্রন্থ, যা বিদ্যাসাগরের অন্যান্য মৌলিক ও অনুবাদধর্মী কাজের মতোই বাংলা গদ্যের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিদ্যাসাগরের সাহিত্যিক অবদানের কথা মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তরটি সহজেই আয়ত্তে রাখা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র।</p>
<ul>
<li>স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন মহর্ষি <strong>দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> চতুর্থ কন্যা।</li>
<li>তিনি ছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি পরিচিত, তাই পারিবারিক এই পরিচয়টি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজে উত্তর করা যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।