<p>‘মেছো’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মাছ + উয়া > ও</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে মূল শব্দ বা প্রকৃতি হলো <strong>মাছ</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>উয়া</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি তৈরি হয়েছে <strong>মাছ + উয়া = মাছুয়া</strong>।</li>
<li>পরবর্তীতে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে ‘মাছুয়া’ থেকে সংকুচিত হয়ে শব্দটি দাঁড়িয়েছে <strong>মেছো</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মাছের সাথে সম্পর্কিত বা মাছ শিকারি বোঝাতে <strong>মাছ</strong> শব্দের সাথে <strong>উয়া</strong> প্রত্যয় যোগ করাই হলো এর সঠিক ব্যাকরণিক গঠন।</p>
৭৪৮৭
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা হয় কোন নাট্যকারের হাতে?
<p>বাংলা মৌলিক নাটকের ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি, ১৮৫২ সালে <strong>তারাচরণ সিকদার</strong> রচিত <strong>'ভদ্রার্জুন'</strong> নাটকটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা নাটকের ধারায় অনুবাদ নাটকের ভিড় থাকলেও, মৌলিক রচনার সূচনা করেছিলেন তারাচরণ সিকদার।</li>
<li>তার এই নাটকের মাধ্যমেই বাংলা নাট্যসাহিত্যে মৌলিকতার প্রথম সফল পদক্ষেপ পড়েছিল।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তারাচরণ সিকদার</strong>।</p>
৭৪৮৮
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরােক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমেয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li><strong>উপমেয়:</strong> যাকে তুলনা করা হচ্ছে, অর্থাৎ যে বস্তুটি আমাদের চোখের সামনে বা প্রত্যক্ষ।</li>
<li><strong>উপমান:</strong> যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে, অর্থাৎ যে বস্তুটি সাধারণত পরোক্ষ বা আদর্শ হিসেবে ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যখন কোনো কিছুকে অন্য কিছুর সাথে তুলনা করেন, তখন যে জিনিসটি নিয়ে কথা বলছেন সেটিই হলো <strong>উপমেয়</strong>। যেমন—'মুখের সাথে চাঁদের তুলনা' করলে এখানে 'মুখ' হলো উপমেয়, কারণ এটিই প্রত্যক্ষ বস্তু।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>।</p>
<p>ছোটবেলায় আমরা সবাই আমাদের পাঠ্যবইয়ে এই বিখ্যাত ছড়াটি পড়েছি। এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙক্তি। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এই ছড়াটি মূলত শিশুদের বর্ণমালা শেখানোর জন্য লেখা হয়েছিল।</li>
<li>মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ।</li>
<li>তাই যখনই 'পাখিসব করে রব' লাইনটি দেখবেন, সরাসরি <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>-এর কথা মনে রাখবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামই হলো <strong>'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি'</strong>। এটি মূলত আমাদের শেকড়, ঐতিহ্য এবং সংগ্রামের কথা তুলে ধরা একটি কালজয়ী কবিতা। পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখতে নিচের কৌশলটি অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণের অতিশায়ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সাধারণত কোনো কিছুর গুণ বা মান যখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বোঝানো হয়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।</li>
<li>এখানে মাটির গুণমানকে সাধারণ মাটির চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে 'সোনার বাড়া' বা সোনার চেয়েও দামি বলা হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, মাটির শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে এখানে সোনাকে একটি মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করে অতিশায়ন করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো বস্তুকে অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করে তার উৎকর্ষ বা শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করা হয়, তখনই তা বিশেষণের অতিশায়ন হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৭৪৯৩
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খােলা হয় কত সালে?
<p>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলার সঠিক সালটি হলো <strong>১৮০১ সাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল <strong>১৮০০ সালে</strong>।</li>
<li>কলেজটি প্রতিষ্ঠার ঠিক পরের বছরই, অর্থাৎ <strong>১৮০১ সালে</strong> সেখানে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।</li>
</ul>
<p>মূলত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যেই এই বিভাগটি খোলা হয়েছিল। তাই সালটি মনে রাখার জন্য কলেজ প্রতিষ্ঠার পরের বছর হিসেবে হিসাব করলেই চলবে।</p>
৭৪৯৪
‘পাখি সব করে রব রাতি পােহাইল’-পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’—এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের বিখ্যাত শিশুতোষ গ্রন্থ <strong>‘শিশুশিক্ষা’</strong>-র অন্তর্গত একটি কবিতা।</li>
<li>ছোটবেলায় আমাদের সবারই পাঠ্যবইয়ে এই ছড়াটি ছিল, তাই এটি মনে রাখা খুব সহজ।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাথমিক পাঠ বা বর্ণমালার শিক্ষার সাথে এই পঙক্তিটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
৭৪৯৫
যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর- এখানে হারায় কোন ধাতু?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মবাচ্যের ধাতু</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো বাক্যে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্য কারো দ্বারা বা কোনো অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে কাজ সম্পন্ন হয়, তখন তাকে কর্মবাচ্য বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'যা কিছু হারায়' বলতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নিজে কিছু হারাচ্ছে না, বরং জিনিসটি নিজে থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে।</li>
<li>যখন কোনো ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্মবাচ্যের অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে কর্মবাচ্যের ধাতু বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে 'হার' ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'হারায়' শব্দটি তৈরি হয়েছে, যা কর্মবাচ্যের বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
</ul>
৭৪৯৬
কে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ সহযােগে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রাসি হ্যালহেড</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে তার অবদান অনন্য।</p>
<ul>
<li><strong>১৭৭৮ সালে</strong> হুগলি থেকে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত গ্রন্থ <em>A Grammar of the Bengal Language</em>।</li>
<li>এই বইটির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো বাংলা টাইপ বা অক্ষর ব্যবহার করে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করা সম্ভব হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা হরফ তৈরির কারিগর চার্লস উইলকিন্সের সহায়তায় তিনি এই অসাধ্য সাধন করেছিলেন, যা বাংলা ভাষার মুদ্রণ ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষয়কুমার দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৪৩ সালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর 'তত্ত্ববোধিনী সভা' প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেই সভার মুখপত্র হিসেবেই <strong>তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা</strong> প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন <strong>অক্ষয়কুমার দত্ত</strong>।</li>
<li>তিনি দীর্ঘ ১২ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার নাম শুনলেই অক্ষয়কুমার দত্তের নামটা মাথায় গেঁথে নিন, কারণ এই পত্রিকার জনপ্রিয়তা এবং মানোন্নয়নে তাঁর অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong>। প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>ঠকচাচা</strong> চরিত্রটি এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় একটি চরিত্র।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল লক্ষ্য ছিল তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ও অবক্ষয় তুলে ধরা, যেখানে ঠকচাচা চরিত্রটি তার চতুরতা ও স্বভাবের কারণে পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>সহজ কথায়, ঠকচাচা মানেই <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong>—এই সম্পর্কটি মাথায় রাখলেই পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
৭৪৯৯
‘তাজকেরাতুল আউলিয়া’ অবলম্বনে ‘তাপসমালা’ কে রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিরিশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে অনুবাদকর্মের ক্ষেত্রে তাঁর নাম বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>ফারসি ভাষায় রচিত বিখ্যাত সুফি সাধকদের জীবনীগ্রন্থ <strong>‘তাজকেরাতুল আউলিয়া’</strong>-এর ভাবানুবাদ বা বাংলা রূপান্তরই হলো <strong>‘তাপসমালা’</strong>।</li>
<li>গিরিশচন্দ্র সেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই বিশাল গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যখনই ‘তাপসমালা’র নাম শুনবেন, তখনই মনে রাখবেন এটি গিরিশচন্দ্র সেনের অনবদ্য একটি অনুবাদকর্ম।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।