<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>।</p>
<p>ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় ক্ষুরধার লেখনীর জন্য কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত কবিতাটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করেছিল। মূলত এর তীব্র বিদ্রোহী সুর এবং দেশপ্রেমের জাগরণ ব্রিটিশ শাসকদের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল।</p>
<p>“উত্তম পুরুষ” উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>রশীদ করিম</strong>। বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম: <strong>উত্তম পুরুষ</strong>।</li>
<li>লেখক: <strong>রশীদ করিম</strong>।</li>
<li>এটি মূলত ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং লেখক এই উপন্যাসের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কারও পেয়েছিলেন।</li>
</ul>
<p>রশীদ করিমের লেখনশৈলীতে মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন এবং মানুষের মনের ভেতরের জটিলতা খুব চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে, যা এই উপন্যাসেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ধমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'ক্ষীয়মাণ' শব্দটির অর্থ হলো যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে বা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে।</li>
<li>এর বিপরীত অর্থ বোঝাতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা কোনো কিছুর বেড়ে যাওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়াকে নির্দেশ করে।</li>
<li>'বর্ধমান' শব্দটির অর্থ হলো যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বেড়ে চলেছে।</li>
</ul>
<p>তাই, ক্ষয়ের বিপরীত হিসেবে বর্ধমান শব্দটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>‘নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’—এই ভাবটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে হয় <strong>নশ্বর</strong>। কোনো কিছু যা চিরস্থায়ী নয় বা সময়ের সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে যায়, তাকেই আমরা নশ্বর বলে থাকি।</p>
<ul>
<li><strong>নশ্বর</strong> শব্দটি মূলত 'নশ' ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো যা বিনাশশীল বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে এবং যার শেষ আছে, সেই স্বভাবকেই এক কথায় <strong>নশ্বর</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৭৫২০
যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদের দ্বারা সমাহার বোঝায়, তাকে বলে-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বिগু সমাস</strong>। খুব সহজে চেনার উপায় হলো—</p>
<ul>
<li>এই সমাসের <strong>পূর্বপদটি সবসময় সংখ্যাবাচক</strong> শব্দ হয়।</li>
<li>সমস্তপদ বা পুরো শব্দটা দিয়ে কোনো কিছুর <strong>সমাহার, মিলন বা সমষ্টি</strong> বোঝায়।</li>
<li>যেমন: তিন মাথার সমাহার = তিম মাথা (ত্রিমোহনা), চৌ রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা।</li>
</ul>
<p>তাই দেখলেই বুঝবেন, যেখানেই সংখ্যা এবং সমাহার বা মিলন বোঝাবে, সেটাই চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস!</p>
<p>‘চাঁদমুখ’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>চাঁদের মত মুখ</strong>। এটি একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সাধারণ বস্তুর সাথে উপমেয় বস্তুর তুলনা করা হয় এবং মাঝখানে ‘মত’ বা ‘সদৃশ’ শব্দটি আসে, তখন সেটি উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়।</li>
<li>এখানে মুখকে চাঁদের সাথে তুলনা করা হচ্ছে, তাই ব্যাসবাক্যটি হবে <strong>চাঁদের মত মুখ</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে খেয়াল করবেন, তুলনাটি সরাসরি কোনো বস্তুর সাথে হচ্ছে কি না। যেহেতু মুখ এখানে চাঁদের মতো সুন্দর বা উজ্জ্বল বোঝানো হচ্ছে, তাই ‘মত’ শব্দটি ব্যবহার করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।</p>
৭৫২২
‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’ এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘ঔষধ’ শব্দটি কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ কর্তা কী বা কাকে দিয়ে ঔষধ দেবে—সেই কর্মটিই এখানে প্রধান।</li>
<li>আমরা জানি, যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকেই কর্মকারক বলে। এখানে ‘ঔষধ’ হলো সেই কাঙ্ক্ষিত বস্তু যা দেওয়া হবে।</li>
<li>শব্দটির শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, তে) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঔষধ দেওয়ার কাজটি এখানে কর্মের ওপর নির্ভর করছে এবং এর সাথে বাড়তি কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই বলেই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।</p>
৭৫২৩
‘যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে’ কোন ধরনের বাক্য?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় বাক্যের গঠন দেখে।</p>
<ul>
<li>জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্যটি তার ওপর নির্ভরশীল থাকে।</li>
<li>এখানে <strong>‘যেহেতু... সুতরাং...’</strong> অব্যয় যুগল ব্যবহার করা হয়েছে, যা জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ — এটি একটি সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য, যা পরের অংশের ওপর নির্ভর করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় (যেমন: যে, সে, যেহেতু, সুতরাং, যদি, তবে) থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে <strong>জটিল বাক্য</strong> বলা যায়।</p>
৭৫২৪
‘সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন রকমের</strong>। কারণ বাংলা কবিতায় মূলত তিন ধরনের ছন্দ দেখতে পাওয়া যায়।</p>
<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ঝিলিক বা ছড়ার ছন্দ নামে পরিচিত।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি গাম্ভীর্যপূর্ণ ও ধীর গতির ছন্দ।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি বাংলা কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্বাভাবিক ছন্দ, যাকে মিশ্রবৃত্ত ছন্দও বলা হয়।</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই এই তিন প্রধান ধারার মাধ্যমেই পুরো বাংলা ছন্দের জগতকে চিনে নেওয়া যায়!</p>
<p>অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে কোনো ধরনের <strong>অন্ত্যমিল থাকে না</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে এই ছন্দের প্রবর্তন করেন। এই ছন্দের প্রধান কিছু দিক নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>এই ছন্দে পঙক্তির শেষে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল রাখা হয় না।</li>
<li>প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য সাধারণত ১৪ মাত্রার হয়।</li>
<li>ভাবের প্রবাহ এক চরণ থেকে অন্য চরণে অনায়াসে বয়ে চলে, যাকে বলা হয় <strong>এনজ্যাম্বমেন্ট</strong> বা ভাব-অবিচ্ছিন্নতা।</li>
<li>এটি মূলত মুক্তক বা অমিল পয়ারের একটি উন্নত রূপ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অমিত্রাক্ষর ছন্দে মিলের বালাই নেই, বরং এখানে ভাবের গভীরতা এবং ছন্দের প্রবাহই প্রধান।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করতে যেকোনো শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যখন বিভক্তি যুক্ত করা হয়, তখন তাকে পদ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্পষ্টভাষী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় আমরা এমন কাউকে 'ঠোঁট-কাটা' বলি যে মনে কোনো দ্বিধা না রেখে সরাসরি মনের কথা বলে ফেলে।</p>
<ul>
<li>যিনি কোনো কিছু আড়াল না করে বা সংকোচ না করে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেন, তাকেই আমরা ঠোঁট-কাটা বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, যার কথা বলার ধরনে কোনো রাখঢাক নেই, তিনিই হলেন স্পষ্টভাষী।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী ঐতিহাসিক উপন্যাস <strong>'বিষাদ-সিন্ধু'</strong>-এর রচয়িতা হলেন মীর মশাররফ হোসেন। এটি কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনের বিয়োগান্তক কাহিনী অবলম্বনে লেখা একটি অমর সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মীর মশাররফ হোসেন।</li>
<li><strong>গ্রন্থের নাম:</strong> বিষাদ-সিন্ধু।</li>
<li><strong>স্মরণ রাখার কৌশল:</strong> বাংলা সাহিত্যে কারবালার ট্র্যাজেডি নিয়ে লেখা সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী উপন্যাসটি মীর মশাররফ হোসেনেরই লেখা।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।