<p>কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল, যা মূলত বিদ্রোহী চেতনার বহিঃপ্রকাশ।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> হলো নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এটি প্রকাশের মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি পান।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই সালটি মনে রাখা জরুরি: <strong>১৯২২</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরালােকে দিব্যরথ</strong>। শামসুর রাহমানের সাহিত্যকর্মের বিশাল ভাণ্ডারে এটি একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানের কাব্যশৈলীতে নাগরিক জীবনের যন্ত্রণা এবং আধুনিকতার ছাপ স্পষ্ট।</li>
<li>তার কাব্যগ্রন্থগুলোর নামকরণে তিনি প্রায়ই বেশ গভীর ও রূপকধর্মী শব্দ ব্যবহার করতেন।</li>
<li><strong>নিরালােকে দিব্যরথ</strong> কাব্যগ্রন্থটি তার সেই কাব্যিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অনন্য উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন দ্রুত সমাধানের জন্য কবির উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি তালিকা নিয়মিত চোখ বুলিয়ে রাখা সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</p>
৭৫৩৩
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’ -এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বন্যাত্মক শব্দ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো— কোনো কিছুর বাস্তব বা কল্পিত স্বাদের অনুকরণে যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার শব্দ বলা হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li>বৃষ্টি পড়ার আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহার হয়েছে <strong>‘টাপুর টুপুর’</strong>।</li>
<li>পাতার মর্মর শব্দ বোঝাতে <strong>‘মর মর’</strong>।</li>
<li>ঠিক একইভাবে কুকুরের ডাক <strong>‘ঘেউ ঘেউ’</strong> বা বাতাসের শব্দও এর মধ্যে পড়ে।</li>
</ul>
<p>তাই দেখলেই বুঝতে পারবে, যে শব্দগুলো কোনো না কোনো আওয়াজ বা ধ্বনির অনুকরণে তৈরি, সেটাই ধ্বন্যাত্মক শব্দ!</p>
৭৫৩৪
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না’- এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুরতিক্রম্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না'—এই পুরো কথাটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে হয় <strong>দুরতিক্রম্য</strong>।</li>
<li>এখানে 'দুঃ' উপসর্গটি 'সহজে নয়' বা 'কঠিন' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'অতিক্রম্য' মানে যা অতিক্রম করা যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যা পার হওয়া বা অতিক্রম করা কঠিন, সেটিই হলো দুরতিক্রম্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অসম্ভব ঘটনা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ব্যাঙ জলচর প্রাণী, তাই তার সর্দি লাগার কোনো সুযোগই নেই। এই বাগধারাটি মূলত এমন কোনো বিষয়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা বাস্তবে ঘটা একেবারেই অসম্ভব। তাই যখনই দেখবেন কেউ এমন কিছু বলছে যা কখনোই সম্ভব নয়, তখনই মনে করবেন সেটিই হলো 'ব্যাঙের সর্দি'।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শহীদুল্লাহ কায়সার</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। 'সংশপ্তক' বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা মূলত শহীদুল্লাহ কায়সারের অসামান্য সৃষ্টি। এই উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক পরিচিতি:</strong> শহীদুল্লাহ কায়সার একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, যার লেখনীতে সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির গভীর প্রতিফলন দেখা যায়।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> 'সংশপ্তক' শব্দটি দিয়ে শহীদুল্লাহ কায়সারের নামটিকে একটি নির্দিষ্ট ছন্দের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। যেমন—<strong>'স'</strong> তে সংশপ্তক এবং <strong>'স'</strong> তে শহীদুল্লাহ কায়সার।</li>
<li><strong>মূল প্রেক্ষাপট:</strong> এটি মূলত গ্রামীণ সমাজের বিবর্তন ও মানুষের টিকে থাকার লড়াই নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে শুধু লেখকের নামের সাথে উপন্যাসের নামটির একটি সংযোগ তৈরি করে নিলেই হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাসান হাফিজুর রহমান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত প্রথম সংকলনটির পেছনে তাঁর অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।</p>
<ul>
<li>১৯৫৩ সালে প্রকাশিত <strong>'একুশে ফেব্রুয়ারি'</strong> সংকলনটি ছিল ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম কোনো সংকলন।</li>
<li>হাসান হাফিজুর রহমান এই গুরুত্বপূর্ণ সংকলনটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</li>
<li>এই সংকলনটি তৎকালীন সময়ে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে জনমানসে ছড়িয়ে দিতে দারুণ ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই নামটা মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই উত্তর দিতে পারবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুমায়ুন কবির</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'নদী ও নারী'</strong>-এর রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত লেখক ও শিক্ষাবিদ হুমায়ুন কবির। এই উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ জীবন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এবং মানুষের জীবন সংগ্রামের এক অনন্য দলিল। মনে রাখার জন্য সহজ কৌশল হিসেবে আপনি এভাবে ভাবতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম: <strong>নদী ও নারী</strong></li>
<li>লেখক: <strong>হুমায়ুন কবির</strong></li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নদী এবং নারীর জীবনের যে গভীর সংযোগ, তা হুমায়ুন কবির তার লেখনীতে অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই নামটি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি দাগিয়ে ফেলতে পারবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাঙা জবা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি বেশ বিশাল, তবে এই গ্রন্থটি তাঁর অন্যতম পরিচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>রাঙা জবা</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত নজরুলের ভক্তিগীতি ও শ্যামাসঙ্গীতের সংকলন।</li>
<li>নজরুল ইসলাম তাঁর গানে ও কবিতায় যে বিদ্রোহী ও আধ্যাত্মিক চেতনার মিশেল ঘটিয়েছেন, এই গ্রন্থে তার চমৎকার প্রতিফলন পাওয়া যায়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই নজরুলের কাব্যগ্রন্থের নামের সাথে 'অগ্নি', 'বিষের বাঁশি', 'সাম্যবাদী' বা 'রাঙা জবা'-র মতো শব্দগুলো দেখলে সহজেই চিনে ফেলা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীরদচন্দ্র চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। নীরদচন্দ্র চৌধুরী তাঁর তীক্ষ্ণ ও সমালোচনামূলক লেখনীর জন্য পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'আত্মঘাতী বাঙালি'</strong>-তে তিনি বাঙালির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং আত্মঘাতী মানসিকতার এক সাহসী ও বিতর্কিত বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির নাম: <strong>আত্মঘাতী বাঙালি</strong>।</li>
<li>লেখক: <strong>নীরদচন্দ্র চৌধুরী</strong>।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: বাঙালি সমাজের অসংগতি নিয়ে যারা কঠোর সমালোচনা করেছেন, তাদের মধ্যে নীরদচন্দ্র চৌধুরী অন্যতম প্রধান নাম। তাই এই বইটি তাঁর নামেই মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</li>
</ul>
<p>‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>। এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর তীক্ষ্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের জন্য পরিচিত।</li>
<li>এই গ্রন্থে তিনি বাঙালি সংস্কৃতি, রাজনীতি এবং সমাজজীবনের নানা সংকট ও ভাঙনের চিত্র অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর গভীর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যায় এই বইটির প্রতিটি পাতায়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য নামটা মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীর্ঘায়ু ব্যক্তি</strong>।</p>
<p>বাংলা বাগধারায় 'কাক ভূষণ্ডি' বলতে এমন কাউকে বোঝায় যে অনেক বেশি দিন বেঁচে আছে বা যার অভিজ্ঞতার ঝুলি অনেক বড়। এর পেছনের কারণটি বেশ মজার:</p>
<ul>
<li>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, কাক ভূষণ্ডি ছিলেন একজন পরম জ্ঞানী ঋষি যিনি দীর্ঘকাল ধরে পৃথিবীতে বেঁচে আছেন।</li>
<li>তিনি বহু যুগ ধরে পৃথিবীর নানা পরিবর্তন নিজের চোখে দেখেছেন।</li>
<li>তাই লোকমুখে প্রচলিত এই বাগধারাটি মূলত অতি বৃদ্ধ বা অনেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দীর্ঘায়ু ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্রিভুজ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'ত্রিভুজ' শব্দটি সবসময় এইভাবেই লেখা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ত্রিভুজ</strong> শব্দটিতে 'ত্রি' এর সাথে 'ভুজ' যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, যেখানে কোনো দীর্ঘ-উ কারের প্রয়োজন নেই।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলোতে (যেমন: শূন্য, পুণ্য, ভুবন) বানানের ক্ষেত্রে দীর্ঘ-উ কার বা মূর্ধন্য-ণ এর ভুল রয়েছে, যা বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়।</li>
</ul>
<p>তাই শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>ত্রিভুজ</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।