<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একত্রিত</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'একত্র' শব্দটির সাথে 'ইত' প্রত্যয় যোগ করে 'একত্রিত' শব্দটি গঠন করা হয়েছে, যা একটি অপপ্রয়োগ।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'একত্র' নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ যার অর্থ হলো 'একসাথে'।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের মূল অর্থের সাথে অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় যোগ করলে তা ভুল বা অপপ্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>তাই শুদ্ধ রূপটি হবে <strong>একত্র</strong>, আর 'একত্রিত' শব্দটি ব্যবহার করা ভাষাগতভাবে ভুল।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি হলো <strong>৭টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের উচ্চারণের সময় এই সাতটি ধ্বনিই মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো:</p>
<ul>
<li>অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমরা যখন কথা বলি, তখন এই সাতটি ধ্বনিকে আর ভাঙা যায় না, তাই এগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও, উচ্চারণের দিক থেকে এই ৭টিই হলো আসল মৌলিক ধ্বনি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘বাবা’ একটি অন্যতম শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার একটি জনপ্রিয় কৌশল হলো: <strong>বাবা</strong>, <strong>বেগম</strong>, <strong>চাকু</strong>, <strong>দারোগা</strong>, <strong>কুলি</strong>—এরা সবাই তুর্কি বংশোদ্ভূত।</li>
<li>যেহেতু ‘বাবা’ শব্দটি সরাসরি তুর্কি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে, তাই এটি তুর্কি শব্দ হিসেবেই গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলো মনে রাখতে এই ছোট তালিকাটি বারবার চোখ বুলিয়ে নিলে খুব সহজেই মনে থাকবে!</p>
<p>‘Null and void’ কথাটির অর্থ হলো কোনো কিছু যা আইনত অকার্যকর বা যার কোনো ভিত্তি নেই। সহজ কথায়, কোনো চুক্তি বা দলিল যখন তার আইনি কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে, তখন তাকে আমরা <strong>বাতিল</strong> বলে থাকি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Null</strong> মানে হলো শূন্য বা অকার্যকর।</li>
<li><strong>Void</strong> মানে হলো বাতিল বা মূল্যহীন।</li>
<li>তাই আইনি বা দাপ্তরিক ভাষায় এই দুটির সম্মিলিত রূপ হলো <strong>বাতিল</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ যখন কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসে কিন্তু পুরোপুরি তদ্ভব শব্দে রূপান্তর হওয়ার সুযোগ পায় না, তখন তাকে অর্ধ-তৎসম বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি আবার পুরোপুরি বাংলা শব্দও হয়ে ওঠেনি, সেগুলোই অর্ধ-তৎসম।</li>
<li>যেমন: 'শ্রাদ্ধ' থেকে 'শ্রাদ্ধ' (উচ্চারণভেদে), 'গৃহিণী' থেকে 'গিন্নি'—এই ধরনের শব্দগুলোই মূলত অর্ধ-তৎসমের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, সংস্কৃত শব্দের কিছুটা বিকৃত বা সহজ রূপই হলো অর্ধ-তৎসম শব্দ।</p>
<p>‘শ্রদ্ধা’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো <strong>শ্রৎ + √ধা + অ + আ</strong>। এটি বিশ্লেষণ করা খুব সহজ, নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>শ্রৎ</strong> হলো একটি অব্যয় পদ, যা 'সত্য' বা 'বিশ্বাস' অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>√ধা</strong> হলো মূল ধাতু, যার অর্থ ধারণ করা।</li>
<li>এর সাথে <strong>অ</strong> এবং শেষে স্ত্রীবাচক <strong>আ</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সত্যকে ধারণ করাই হলো শ্রদ্ধা। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এর বিশ্লেষণটি হবে: <strong>শ্রৎ + √ধা + অ + আ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'অর্ক' শব্দটি সরাসরি সূর্যের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>সূর্যের আরও কিছু পরিচিত সমার্থক শব্দ হলো: রবি, ভানু, দিনমণি, ভাস্কর এবং আদিত্য।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই 'অর্ক' যে সূর্যেরই নাম, তা মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো সূর্যের সমার্থক নয়, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। শুধু এই মূল শব্দটির ওপর নজর রাখলেই পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>হ্ + ম</strong>। এটি মূলত হ-এর নিচে ম যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় যখন কোনো বর্ণের নিচে অন্য বর্ণ যুক্ত হয়, তখন প্রথম বর্ণটি হসন্ত (্) যুক্ত থাকে এবং দ্বিতীয় বর্ণটি তার সাথে মিশে যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রথম বর্ণ: <strong>হ</strong> (যার নিচে হসন্ত চিহ্ন থাকবে)</li>
<li>দ্বিতীয় বর্ণ: <strong>ম</strong></li>
<li>ফলাফল: <strong>হ্ + ম = হ্ম</strong></li>
</ul>
<p>এই যুক্তবর্ণটি সাধারণত 'ব্রহ্ম' বা 'ব্রাহ্মণ' শব্দে আমরা নিয়মিত ব্যবহার করে থাকি। তাই মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘সদ্যোজাত’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>সদ্যঃ + জাত</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি 'জ' থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় 'ও' কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>সদ্যঃ</strong> শব্দের বিসর্গটি পরবর্তী <strong>জাত</strong> শব্দের সাথে মিলে গিয়ে 'সদ্যো' রূপ ধারণ করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত</strong> হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এমন শব্দ দেখবেন, বিসর্গটি ঠিকঠাক বসিয়ে দিলেই সন্ধিবিচ্ছেদ একদম নির্ভুল হবে!</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘ব্যক্ত’ শব্দের অর্থ হলো যা প্রকাশ পেয়েছে বা সবার সামনে স্পষ্ট। অন্যদিকে, ‘গূঢ়’ শব্দের অর্থ হলো যা গোপন, রহস্যময় বা সহজে বোঝা যায় না। অর্থাৎ, যা প্রকাশ পেয়েছে তার বিপরীত হলো যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘ব্যক্ত’-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘গূঢ়’ সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<ul>
<li><strong>ব্যক্ত:</strong> যা প্রকাশিত বা স্পষ্ট।</li>
<li><strong>গূঢ়:</strong> যা গোপন বা গভীর অর্থবহ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আসক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ থাকে: <strong>আকাঙ্ক্ষা</strong>, <strong>যোগ্যতা</strong> এবং <strong>আসত্তি</strong>।</li>
<li><strong>আসত্তি</strong> মানে হলো বাক্যের পদগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজানো, যাতে অর্থ পরিষ্কার হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>আসক্তি</strong> বলতে সাধারণত কোনো কিছুর প্রতি তীব্র টান বা নেশাকে বোঝায়, যা ব্যাকরণগতভাবে বাক্যের কোনো গুণ নয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই 'আসত্তি' এবং 'আসক্তি'-র মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মনে রাখবেন, বাক্যের পদের বিন্যাস হলো <strong>আসত্তি</strong> (ত-এ ত), আর নেশা বা টান হলো <strong>আসক্তি</strong> (ক-এ ত)। তাই এখানে আসক্তিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>গঠনরীতিতে <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্য মূলত একটি <strong>নাটগীতি</strong> বা <strong>নাট্যগীতি</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই—এই তিনটি চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে।</li>
<li>এখানে কোনো বর্ণনামূলক অংশ নেই বললেই চলে, বরং পুরো বিষয়টি নাটকের মতো সংলাপ ও গানের সমন্বয়ে এগিয়েছে।</li>
<li>এর গঠনশৈলী অনেকটা আধুনিক নাটকের মতো, যেখানে চরিত্ররা নিজেদের কথা ও গানের মাধ্যমে ঘটনার প্রবাহ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু এটি সংলাপনির্ভর এবং গীতধর্মী, তাই সাহিত্যিকরা একে <strong>নাট্যগীতি</strong> হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।</p>
<p>কেন এটি চর্যাপদের সাথে যুক্ত, তা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সন্ধ্যাভাষা</strong> বলতে মূলত এমন এক বিশেষ ভাষাশৈলীকে বোঝায়, যা কিছুটা স্পষ্ট আবার কিছুটা অস্পষ্ট বা রূপকধর্মী।</li>
<li>চর্যাপদের পদগুলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকরা লিখেছিলেন, যেখানে তারা তাদের সাধনপদ্ধতি ও তত্ত্বকে সাধারণ মানুষের কাছে গোপন রাখতে এই রহস্যময় বা 'সন্ধ্যা' ভাষার আশ্রয় নিয়েছিলেন।</li>
<li>সহজ কথায়, চর্যাপদের পদগুলো বোঝার জন্য এই বিশেষ সাংকেতিক ভাষার অর্থ উদ্ধার করা জরুরি, তাই এই পরিভাষাটি চর্যাপদের সাথেই অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চট্টগ্রাম</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি উজির বাহরাম খান মূলত চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>তিনি আরাকান রাজসভার একজন প্রভাবশালী উজির বা মন্ত্রী ছিলেন।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রামের সাথে আরাকান অঞ্চলের গভীর সম্পর্ক থাকায়, তার সাহিত্যকর্মে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার প্রভাব এবং ভৌগোলিক পরিচিতি স্পষ্ট।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, তিনি চট্টগ্রামের রাউজান বা এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মানুষ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পালাগান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<p>চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি মূলত মৈমনসিংহ গীতিকার একজন বিখ্যাত কবি। তাঁর রচিত বিখ্যাত পালাগানগুলো হলো:</p>
<p>এই পালাগানগুলো লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। তাই যখনই 'চন্দ্রাবতী'র কথা আসবে, তখনই মাথায় রাখবেন যে তিনি লোকগাথা বা পালাগান রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।