<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথিলা</strong>। বিদ্যাপতিকে মূলত মিথিলার কবি হিসেবেই চেনা হয়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি।</li>
<li>তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদাবলি রচনা করে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।</li>
<li>তার সাহিত্যকর্মের মূল ভিত্তিই ছিল মিথিলার সংস্কৃতি ও ভাষা, তাই তাকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার জন্ম এবং কর্মজীবন—দুটোই মিথিলাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। তাই সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক বিচারে তিনি মিথিলার রাজসভার কবি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘মতিচূর’ মূলত তাঁর নারী জাগরণ ও সমাজ সংস্কারমূলক চিন্তাধারার একটি সংকলন।</p>
<ul>
<li>‘মতিচূর’ কোনো কাল্পনিক গল্প বা নাটক নয়, বরং এটি একটি <strong>প্রবন্ধ সংকলন</strong>।</li>
<li>এই বইটিতে তিনি তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার, নারীর অধিকার এবং শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের চিন্তা ও দর্শনকে যখন গদ্যের মাধ্যমে যুক্তি দিয়ে তুলে ধরা হয়, তাকেই প্রবন্ধ বলা হয়—আর ‘মতিচূর’ ঠিক সেই ধারারই একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’র প্রথম কবিতা হলো <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অগ্নি-বীণা’ কাব্যটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের শুরুতেই কবি ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন, আর সেই বার্তার নামই হলো <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, বইয়ের সূচিপত্র খুললেই সবার আগে এই কবিতাটি পাওয়া যায়, তাই এটিই এই কাব্যের প্রথম কবিতা।</li>
</ul>
৭৫৬৫
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল-দর্পণ’ নাটক প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক <strong>‘নীল-দর্পণ’</strong> ১৮৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই নাটকটি <strong>ঢাকা</strong> থেকেই প্রথম মুদ্রণ ও প্রকাশ করা হয়েছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হলেও, প্রথম প্রকাশের স্থান হিসেবে ঢাকা ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>‘চন্দরা’ চরিত্রের স্রষ্টা হলেন <strong>বুদ্ধদেব বসু</strong>। এটি তাঁর লেখা বিখ্যাত ছোটগল্প ‘চন্দরা’-র কেন্দ্রীয় চরিত্র।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ কৌশলটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বুদ্ধদেব বসুর সাহিত্যকর্মে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের ছাপ খুব স্পষ্ট।</li>
<li>‘চন্দরা’ গল্পটি মূলত একটি নারীর জীবনের জটিল আবেগ ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে আবর্তিত, যা বুদ্ধদেব বসুর লিখনশৈলীর সাথে দারুণভাবে মিলে যায়।</li>
<li>সাহিত্যিকদের বিখ্যাত চরিত্রগুলো মনে রাখার জন্য তাদের প্রধান ছোটগল্প বা উপন্যাসের নামগুলো একবার চোখ বুলিয়ে নিলে এমন প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্জয় ভট্টাচার্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা 'পূর্বাশা'। এই পত্রিকার সাথে সঞ্জয় ভট্টাচার্যের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি কেবল এর সম্পাদকই ছিলেন না, বরং এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> পূর্বাশা</li>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> সঞ্জয় ভট্টাচার্য</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৯৩২ সালে তিনি এই পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘ সময় এর মান বজায় রেখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যিক মহলে 'পূর্বাশা' বললেই সঞ্জয় ভট্টাচার্যের নাম সবার আগে মনে আসে। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা বেশ জরুরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৬১</strong> সাল। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক। এটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ।</li>
<li>এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মসালও কিন্তু <strong>১৮৬১</strong>, যা দিয়ে আপনি খুব সহজেই সালটি মনে রাখতে পারবেন।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মহাকাব্যটির প্রকাশকাল এবং বিশ্বকবির জন্মসাল একই বছর, যা এই তথ্যটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ কৌশল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'অম্বর' শব্দটি মূলত আকাশের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজ কিছু কৌশলে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>'অম্বর' শব্দের আভিধানিক অর্থই হলো আকাশ বা গগন।</li>
<li>প্রাচীন কাব্য বা সাহিত্যে আকাশকে অনেক সময় 'নীলাম্বর' (নীল আকাশ) বলা হয়, যা থেকে সহজেই বোঝা যায় অম্বর মানে আকাশ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'অম্বর' শব্দটি দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>আকাশ</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>‘গোঁফ-খেজুরে’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>নিতান্ত অলস</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে এমন একজন মানুষের ধারণা থেকে, যে এতটাই অলস যে নিজের গোঁফে আটকে থাকা খেজুর খাওয়ার জন্যও সে কোনো পরিশ্রম করতে চায় না।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি নিজের হাতের কাছে থাকা খাবারটুকু খাওয়ার মতো সামান্য কষ্টটুকুও করতে নারাজ, তাকেই আমরা ‘গোঁফ-খেজুরে’ বা চরম অলস বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, এটি মূলত অলসতার একটি চরম পর্যায়কে নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চ ছ</strong>। কারণটা খুব সহজ, বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো হলো অঘোষ ধ্বনি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রতিটি বর্গের প্রথম বর্ণ: ক, চ, ট, ত, প</li>
<li>প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ: খ, ছ, ঠ, থ, ফ</li>
</ul>
<p>যেহেতু <strong>চ</strong> হলো চ-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং <strong>ছ</strong> হলো চ-বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এই দুটিই অঘোষ ধ্বনি। অন্য অপশনগুলোতে থাকা বর্ণগুলো বর্গের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ণ, যা সাধারণত ঘোষ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত হয়।</p>
৭৫৭২
কোন বাক্যে ‘ঢাক গুড়গুড়’ প্রবাদটির বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাক গুড়গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল</strong>। কারণ, ‘ঢাক গুড়গুড়’ প্রবাদটি মূলত কোনো বিষয়কে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে না বলে সরাসরি বা স্পষ্ট করে বলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>যখন কেউ মূল কথা এড়িয়ে অপ্রাসঙ্গিক বা অস্পষ্ট কথা বলে, তখন তাকে সরাসরি আসল কথাটি বলতে উৎসাহিত করতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে প্রবাদের প্রয়োগটি সঠিক নয়, কারণ সেখানে প্রসঙ্গের সাথে প্রবাদটির অর্থের সামঞ্জস্য নেই।</li>
</ul>
৭৫৭৩
” বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম–“
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কৃষ্ণকান্তের উইল'</strong>-এর মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে মূলত গোবিন্দলাল এবং রোহিণীকে কেন্দ্র করেই। এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো <strong>গোবিন্দলাল ও রোহিণী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের মূল দ্বন্দ্ব এবং ট্র্যাজেডি তৈরি হয়েছে গোবিন্দলালের প্রতি রোহিণীর আকর্ষণ এবং তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে।</li>
<li>কৃষ্ণকান্তের উইলকে কেন্দ্র করে যে পারিবারিক ও সামাজিক জটিলতা সৃষ্টি হয়, তার কেন্দ্রেও এই চরিত্র দুটিই সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>গোবিন্দলাল ও রোহিণী</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লেখাপড়া করাে, নতুবা ফেল করবে</strong>। কারণ, এই বাক্যে 'নতুবা' শব্দটি দুটি বাক্য বা খণ্ডবাক্যকে একে অপরের সাথে যুক্ত করেছে।</p>
<p>সহজ কথায়, যে অব্যয় পদ দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে বা বিয়োগ করে, তাকেই সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে। এখানে বিষয়টি বোঝার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সমুচ্চয়ী অব্যয়</strong> সাধারণত 'ও', 'এবং', 'আর', 'কিংবা', 'অথবা', 'নতুবা' ইত্যাদি শব্দ দিয়ে গঠিত হয়।</li>
<li>এই বাক্যে 'নতুবা' শব্দটি দুটি কাজের মধ্যে বিকল্প বা শর্ত তৈরি করে বাক্য দুটিকে জুড়ে দিয়েছে, তাই এটি একটি সমুচ্চয়ী অব্যয়।</li>
</ul>
৭৫৭৫
কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবার্ষিকী পালিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খ ১৯৬১ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন <strong>১৮৬১ সালে</strong>।</li>
<li>জন্মের ঠিক ১০০ বছর পর অর্থাৎ জন্ম শতবার্ষিকী পালিত হয়: $1861 + 100 = 1961$।</li>
</ul>
<p>এভাবে সাল যোগ করে খুব সহজেই যেকোনো মহাপুরুষের জন্ম শতবার্ষিকী বের করা সম্ভব।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।