<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভূতপূর্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'ভূত' শব্দের অর্থ হলো যা অতীতে ঘটে গেছে বা যা আগে ছিল।</li>
<li>'পূর্ব' মানে আগের সময়।</li>
<li>অর্থাৎ, যা আগে ছিল কিন্তু বর্তমানে নেই, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>ভূতপূর্ব</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো পদ বা অবস্থার ক্ষেত্রে আগে যিনি ছিলেন কিন্তু এখন নেই, তাকে বোঝাতে আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি। যেমন: ভূতপূর্ব রাষ্ট্রপতি বা ভূতপূর্ব ছাত্র।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘অনল প্রবাহ’ তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। এই বইটি মূলত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় মুসলিম সমাজে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি একটি অগ্নিঝরা দেশাত্মবোধক কাব্যগ্রন্থ, যা তৎকালীন সময়ে পাঠকদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য শুধু লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন দুটি ক্রিয়া থাকে এবং প্রথম ক্রিয়াটি শেষ না হয়ে অন্য ক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকে, তখন তাকে <strong>অসমাপিকা ক্রিয়া</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'খেয়ে' শব্দটি একটি অসমাপিকা ক্রিয়া, কারণ এটি দিয়ে কাজ শেষ হচ্ছে না।</li>
<li>অন্যদিকে, 'যাব' শব্দটি দিয়ে বাক্যের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ পাচ্ছে এবং কাজ শেষ হচ্ছে, তাই এটিই হলো <strong>সমাপিকা ক্রিয়া</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ক্রিয়া দিয়ে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়, সেটাই সমাপিকা ক্রিয়া। এই বাক্যে 'যাব' ক্রিয়াটি বাক্যের সমাপ্তি টেনেছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>প্রকৃতি বা সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি জীবকে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশের জন্য তৈরি করেছেন।</li>
<li>যখন কোনো প্রাণী বা মানুষ তার নিজস্ব বা স্বাভাবিক পরিবেশে থাকে, তখনই তার প্রকৃত রূপ ও বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে।</li>
<li>যেমন—বন্য প্রাণীর আসল সৌন্দর্য বনের পরিবেশে, আবার শিশুর প্রকৃত নিরাপত্তা ও আনন্দ তার মায়ের কোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে যেখানে মানানসই বা যেখানে তার স্বকীয়তা বজায় থাকে, সেখানেই সে সবচেয়ে সুন্দর। এই দর্শন থেকেই উক্তিটির মূল ভাবটি এসেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ওরা কী করে?</strong> কারণ বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ বা Person তিন প্রকার। যখন বক্তা নিজে বা শ্রোতা ছাড়া অন্য কাউকে বোঝানো হয়, তখন তাকে নাম পুরুষ বা প্রথম পুরুষ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>আমি, আমরা</strong> হলো উত্তম পুরুষ।</li>
<li><strong>তুমি, তোমরা, আপনি, আপনারা</strong> হলো মধ্যম পুরুষ।</li>
<li><strong>সে, তারা, ওরা</strong> হলো নাম পুরুষ বা প্রথম পুরুষ।</li>
</ul>
<p>বাক্যটিতে <strong>ওরা</strong> শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা বক্তা বা শ্রোতা কেউই নয়, বরং অন্য কাউকে নির্দেশ করছে। তাই এটিই নাম পুরুষের সঠিক উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাসিমাখা মুখ – হাসিমুখ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি সমস্ত পদে এসে লোপ পায় বা হারিয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'হাসিমাখা মুখ' শব্দটিতে মাঝখানের <strong>'মাখা'</strong> অংশটি সমস্ত পদে এসে বাদ পড়ে গেছে।</li>
<li>ফলে শব্দ দুটি মিলে তৈরি হয়েছে <strong>'হাসিমুখ'</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অকৃতজ্ঞতা</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবিতার এই অংশে শৈবাল নিজেকে অনেক বড় মনে করে দীঘিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে।</li>
<li>শৈবাল দীঘিকে সামান্য এক ফোঁটা শিশির দেওয়ার কথা বলে নিজের দানকে অনেক বড় করে দেখাচ্ছে, যা আসলে চরম অহংকার ও অকৃতজ্ঞতার পরিচয়।</li>
<li>যে দীঘির আশ্রয়ে শৈবাল বেঁচে আছে, সেই দীঘির প্রতি তার এই আচরণ মূলত তার অকৃতজ্ঞ মানসিকতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
</ul>
৭৫৮৪
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশ প্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোজাম্মেল হক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<ul>
<li><strong>মোজাম্মেল হক</strong> ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।</li>
<li>তিনি ১৯১০ সালে কলকাতা থেকে <strong>‘মোসলেম ভারত’</strong> নামক বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন।</li>
<li>এই পত্রিকাটি তৎকালীন মুসলিম সমাজের সাহিত্য চর্চায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছিল, যা তাঁকে ইতিহাসে স্মরণীয় করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যিক মোজাম্মেল হকের নামটির সাথেই এই পত্রিকার নাম সরাসরি যুক্ত, তাই এটি মনে রাখা খুব একটা কঠিন নয়!</p>
৭৫৮৬
বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের কোন দুটি বানানই শুদ্ধ?
<p>বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী <strong>দাদি</strong> এবং <strong>দাদী</strong>—এই দুটি বানানই শুদ্ধ। এর কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুযায়ী, অতৎসম বা দেশি-বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা রয়েছে।</li>
<li>'দাদি' শব্দটি মূলত একটি চলিত রূপ, যেখানে শব্দের শেষে ই-কার ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>আবার 'দাদী' শব্দটি দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত এবং অভিধানসম্মত।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে শব্দের শেষে ই-কার বা ঈ-কার উভয়ই গ্রহণযোগ্য হয়, তাই এই শব্দটির ক্ষেত্রে দুটি বানানই নির্ভুল হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৭৫৮৭
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য
<p>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>‘পদ্মানদীর মাঝি’</strong>-এর মূল উপজীব্য হলো জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ। এই উপন্যাসের প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে পদ্মা নদীর তীরবর্তী কেতুপুর গ্রামের জেলেদের ঘিরে।</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মার প্রভাব:</strong> উপন্যাসে পদ্মা নদী কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং জেলেদের জীবনের ভাগ্যবিধাতা হিসেবে কাজ করে।</li>
<li><strong>বাস্তবতা:</strong> কুবের, ধনঞ্জয় বা মালাদের মতো চরিত্রগুলোর মাধ্যমে লেখক জেলেদের দৈনন্দিন অভাব-অনটন, টিকে থাকার লড়াই এবং তাদের জীবনের ছোট ছোট সুখ-দুঃখের মুহূর্তগুলোকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li><strong>জীবনদর্শন:</strong> জেলেদের জীবনের এই টানাপোড়েন এবং প্রকৃতির সাথে তাদের যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক, তা-ই এই উপন্যাসের মূল প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নদীকে কেন্দ্র করে বেঁচে থাকা একদল মানুষের জীবনের হাসি-কান্না ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্রই এখানে প্রধান হয়ে উঠেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্জয় ভট্টাচার্য</strong>। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার জগতে তিনি একজন অত্যন্ত পরিচিত ব্যক্তিত্ব।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সঞ্জয় ভট্টাচার্য</strong> মূলত তাঁর সম্পাদিত <strong>'পূর্বাশা'</strong> পত্রিকার জন্যই বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে স্মরণীয়।</li>
<li>এই পত্রিকাটি সেই সময়ের সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশের একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, 'পূর্বাশা' পত্রিকার নাম শুনলেই যেন সরাসরি সঞ্জয় ভট্টাচার্যের কথা মাথায় আসে, কারণ এই দুটি নাম একে অপরের পরিপূরক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুর রাহমান</strong>। কবি শামসুর রাহমানের জন্মস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও, পাঠ্যবই ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র অনুযায়ী তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তার পৈতৃক নিবাস ছিল নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার অন্তর্গত <strong>পাহাড়তলী</strong> গ্রামে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমান মূলত ঢাকা শহরের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার শেকড় বা পৈতৃক ভিটা হলো নরসিংদীর <strong>পাহাড়তলী</strong> গ্রাম।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই এই প্রশ্নটি আসবে, মনে রাখবেন কবি শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাসই হলো পাহাড়তলী।</li>
</ul>
<p>‘সাহচর্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>সহচর</strong> শব্দের সাথে <strong>য (ষ্ণ্য)</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে ‘য’ প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে, যাকে আমরা ‘গুণ’ বা ‘বৃদ্ধি’ বলি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>মূল শব্দ: <strong>সহচর</strong></li>
<li>প্রত্যয়: <strong>য</strong></li>
<li>সন্ধি বা প্রত্যয় যোগের নিয়ম: সহচর + য = সাহচর্য। এখানে ‘স’ এর সাথে ‘আ’ কার যুক্ত হয়ে শব্দটি ‘সাহচর্য’ রূপ ধারণ করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>সহচর + য</strong>। এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যেখানে মূল শব্দের সাথে ‘য’ যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য তৈরি করেছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।