<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মূলত <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি মাত্রার হিসাব খুব সুনির্দিষ্ট থাকে।</li>
<li>এখানে মুক্তদল ১ মাত্রা এবং বদ্ধদল ২ মাত্রা হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>‘সোনার তরী’ কবিতার প্রতিটি পঙক্তি পড়ার সময় একটি নির্দিষ্ট লয় বা তাল বজায় থাকে, যা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের ধ্বনি বা মাত্রার সুশৃঙ্খল বিন্যাসই এই কবিতাকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের এক অনন্য উদাহরণ করে তুলেছে।</p>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু সাল মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী, যার জীবনকাল ছিল উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে বিংশ শতকের শুরু পর্যন্ত।</p>
<ul>
<li><strong>জন্ম:</strong> ১৮৪৭ সাল (কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায়)।</li>
<li><strong>মৃত্যু:</strong> ১৯১১ সাল (রাজবাড়ী জেলার পদমদীতে)।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখুন, তিনি ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ঠিক ৬৪ বছর পর ১৯১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৪৭-১৯১১</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ‘অপ’ হলো একটি অতি পরিচিত সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় মোট ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে।</li>
<li>‘অপ’ দিয়ে তৈরি কিছু সাধারণ শব্দ হলো: <strong>অপমান</strong>, <strong>অপবাদ</strong>, <strong>অপকর্ম</strong>।</li>
<li>যেহেতু এই উপসর্গগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাই এগুলোকে সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘অপ’, ‘অনু’, ‘অব’, বা ‘প্র’-এর মতো উপসর্গ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এগুলো <strong>সংস্কৃত</strong> উপসর্গ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো হলো অঘোষ ধ্বনি, আর প্রথম ও তৃতীয় বর্ণগুলো হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চ</strong> হলো চ-বর্গের প্রথম বর্ণ।</li>
<li>বর্গের প্রথম বর্ণ হওয়ার কারণে এটি একই সাথে <strong>অঘোষ</strong> এবং <strong>অল্পপ্রাণ</strong> ধ্বনি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রতিটি বর্গের প্রথম বর্ণগুলো (যেমন: ক, চ, ট, ত, প) সবসময় অঘোষ অল্পপ্রাণ হয়। তাই এখানে <strong>চ</strong> সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান নিয়ে মনে রাখার সহজ উপায়টি হলো:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার <strong>কাঁঠালপাড়া</strong> গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>সাহিত্যিকদের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য তাদের বিখ্যাত উপন্যাসের সাথে গ্রামের নাম মিলিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন, বঙ্কিমচন্দ্রের ক্ষেত্রে 'কাঁঠালপাড়া' নামটি তার নামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাঁঠালপাড়া বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে এটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্রের পৈতৃক ভিটা।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ছন্দ প্রধানত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ আমাদের ছন্দের মূল ভিত্তি এই তিনটি ধারার ওপরই দাঁড়িয়ে আছে:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি মূলত দ্রুত লয়ের ছন্দ, যা ছড়া বা লোকগীতিতে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এই ছন্দে প্রতিটি মাত্রার হিসাব খুব নিখুঁত থাকে, যা সাধারণত কবিতা বা গানে পাওয়া যায়।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি বাংলা কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ধীরস্থির লয়ের ছন্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ছন্দের এই তিনটি ধরনই বাংলা কবিতার মূল কাঠামো তৈরি করে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রুপকথা</strong>। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার সংগৃহীত এই বিখ্যাত গ্রন্থটি মূলত বাংলার লোকগাথা ও রূপকথার গল্পের এক অনন্য ভাণ্ডার।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'ঠাকুরমার ঝুলি' বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে দাদী-নানির মুখে শোনা সেই জাদুকরী সব গল্প।</li>
<li>এই বইয়ের প্রতিটি গল্পই কাল্পনিক জগত, রাক্ষস-খোক্কস, রাজপুত্র আর পরীদের নিয়ে সাজানো, যা সাহিত্যের ভাষায় <strong>রূপকথা</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>এটি কোনো সাধারণ ছোটগল্প বা গ্রাম্যগীতিকা নয়, বরং আমাদের লোকসংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রূপকথার জাদুতে মুগ্ধ করে আসছে।</li>
</ul>
<p>বাগাড়ম্বর শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>বাক্ + আড়ম্বর</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (যেমন: ক) যদি স্বরবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তবে তা বর্গের তৃতীয় বর্ণে (যেমন: গ) রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>বাক্</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ক' বর্ণটি পরের শব্দের 'আ' স্বরবর্ণের প্রভাবে 'গ'-এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $ক + আ = গা$।</li>
<li>এই নিয়মেই <strong>বাক্ + আড়ম্বর</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>বাগাড়ম্বর</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে 'ক' থাকলে এবং তার সাথে কোনো স্বরবর্ণ যুক্ত হলে 'ক' বদলে 'গ' হয়ে যায়, আর এভাবেই সন্ধিটি সম্পন্ন হয়।</p>
<p>‘আফতাব’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>অর্ক</strong>। সহজ কথায়, আফতাব মানে সূর্য, আর অর্ক শব্দটিও সূর্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>মনে রাখার সুবিধার্থে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আফতাব একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ সূর্য।</li>
<li>বাংলায় সূর্যের অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে, যার মধ্যে ‘অর্ক’ অন্যতম একটি তৎসম শব্দ।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—অর্ণব বা জলধি সমুদ্রের সমার্থক, তাই সেগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই ‘আফতাব’ দেখবেন, মনে রাখবেন এটি সূর্যের নাম, আর সূর্যের আরেকটি চমৎকার নাম হলো <strong>অর্ক</strong>।</p>
<p>‘অনীক’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>সৈনিক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে ‘অনীক’ শব্দটি মূলত যুদ্ধ বা সৈন্যদলের সাথে সম্পর্কিত বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>‘অনীক’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সৈন্য বা যোদ্ধা।</li>
<li>অনেক সময় বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখতে পারেন যে, ‘অনীকিনী’ শব্দের অর্থ হলো বিশাল সৈন্যবাহিনী, যার মূল শব্দই হলো ‘অনীক’ বা সৈনিক।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অনীক’ দেখলে সরাসরি <strong>সৈনিক</strong> উত্তরটি দাগিয়ে দেবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্যারীচাঁদ মিত্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্যারীচাঁদ মিত্রকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে <strong>'টেকচাঁদ ঠাকুর'</strong> ব্যবহার করতেন। তার লেখা <strong>'আলালের ঘরের দুলাল'</strong> যেমন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, তেমনি <strong>'আধ্যাত্মিকা'</strong> উপন্যাসটিও তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি।</p>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম হলো <strong>অনিলাদেবী</strong>। তিনি মূলত তার সাহিত্যকর্মের একটি বিশেষ অংশ প্রকাশের জন্য এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার অনেক জনপ্রিয় লেখা, যেমন— 'নারীর মূল্য' বা 'গৃহদাহ'-এর কিছু অংশ প্রকাশের সময় ছদ্মনাম হিসেবে <strong>অনিলাদেবী</strong> নামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</li>
</ul>
৭৬০৫
বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ আবিস্কৃত হয় কত সালে?
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।