eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৭৬০৬

নিচের কোনটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
0.3
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>0.3</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা সংখ্যাগুলোকে দশমিকের পর সমান ঘর পর্যন্ত মিলিয়ে দেখি:</p>

<ul>
<li>প্রদত্ত সংখ্যা <strong>0.3</strong>-কে আমরা লিখতে পারি <strong>0.30000</strong> হিসেবে।</li>
<li>বর্গমূলের হিসাব করলে দেখা যায়, $\sqrt{0.3} \approx 0.5477$।</li>
<li>বাকি দুটি সংখ্যা <strong>45352</strong> এবং <strong>45414</strong> হলো পূর্ণসংখ্যা, যা দশমিকের চেয়ে অনেক বড়।</li>
</ul>

<p>এখন তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, <strong>0.3</strong> হলো সবচেয়ে ছোট মান। দশমিকের পরের সংখ্যাগুলো যত বড় হয়, মান তত বাড়ে, তাই এখানে <strong>0.3</strong>-ই সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম।</p>
৭৬০৭

কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হিত্তিক ও তুখারিক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হিত্তিক ও তুখারিক</strong>। ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় কেন্তম (Centum) ভাষাগোষ্ঠীর মধ্যে এই দুটি শাখাই মূলত এশীয় অঞ্চলে পাওয়া গিয়েছিল। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>কেন্তম ভাষাগোষ্ঠীর বেশিরভাগ শাখা ইউরোপীয় হলেও, <strong>হিত্তিক</strong> (Hittite) এবং <strong>তুখারিক</strong> (Tocharian) শাখা দুটি প্রাচীন এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানায় বিস্তৃত ছিল।</li>
<li>হিত্তিক ভাষা মূলত প্রাচীন আনাতোলিয়া বা বর্তমান তুরস্ক অঞ্চলে প্রচলিত ছিল।</li>
<li>তুখারিক ভাষা মধ্য এশিয়ার তারিম অববাহিকা অঞ্চলে ব্যবহৃত হতো।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কেন্তম শাখার মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এই দুটি নামই এশিয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।</p>
৭৬০৮

‘রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ এর অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
ব্যাখ্যা:
<p>‘রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ এটি একটি প্রাচীন প্রবাদ বা ধাঁধা। এর অর্থ হলো <strong>গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টি একটু অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>

<ul>
<li><strong>রুখ</strong> শব্দের অর্থ হলো গাছ।</li>
<li><strong>তেন্তুলি</strong> মানে হলো তেঁতুল।</li>
<li>পুরো বাক্যটি আক্ষরিক অর্থেই গাছের তেঁতুল কুমিরে খাওয়ার বিষয়টিকে নির্দেশ করে, যা মূলত একটি অসম্ভব বা অলৌকিক পরিস্থিতির বর্ণনা দেয়।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়</strong>।</p>
৭৬০৯

দৌলত উজির বাহরাম খাম সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জমিদার নিজাম শাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার নিজাম শাহ</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি দৌলত উজির বাহরাম খান তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'লাইলী-মজনু' রচনার সময় চট্টগ্রামের লস্কর উজির বা জমিদার নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>কবি দৌলত উজির বাহরাম খান মূলত চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।</li>
<li>সে সময় চট্টগ্রামের স্থানীয় শাসক বা জমিদার <strong>নিজাম শাহ</strong> ছিলেন সাহিত্যের একজন বড় সমঝদার।</li>
<li>তাঁরই উৎসাহ ও আর্থিক সহায়তায় কবি এই অমর কাব্যটি রচনা করেন।</li>
</ul>

<p>তাই ইতিহাসে দৌলত উজির বাহরাম খানের নাম এলেই তাঁর পৃষ্ঠপোষক হিসেবে <strong>জমিদার নিজাম শাহ</strong>-এর নাম সরাসরি চলে আসে।</p>
৭৬১০

চর্যাপদে’র প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নেপাল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপাল</strong>। এর পেছনে একটি মজার ইতিহাস আছে যা মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে এই পুঁথিটি নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত ছিল বলেই এর প্রাপ্তিস্থান হিসেবে নেপালকে ধরা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, চর্যাপদের মূল পাণ্ডুলিপিটি নেপাল থেকেই উদ্ধার করা হয়েছিল, তাই এটিই এর সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৭৬১১

‘তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
‘অনন্ত প্রেম’
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>‘অনন্ত প্রেম’</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বিখ্যাত কবিতাটি মূলত জন্মান্তরবাদ এবং ভালোবাসার চিরন্তন রূপ নিয়ে লেখা।</p>

<p>কবিতাটির মূল ভাবটি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>এখানে কবি ভালোবাসাকে কেবল একটি জীবনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ রাখেননি।</li>
<li>‘শত রূপে শত বার’ এবং ‘জনমে জনমে যুগে যুগে’ কথাগুলো দিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ভালোবাসা সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে অসীম বা অনন্ত।</li>
<li>তাই কবিতার এই লাইনগুলো পড়লেই বোঝা যায় এটি কবির <strong>‘অনন্ত প্রেম’</strong> কবিতার অংশ।</li>
</ul>
৭৬১২

“‌ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে”-কে এই দামান ছেলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কামাল পাশা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কামাল পাশা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'কামাল পাশা' কবিতায় এই দামাল ছেলে বলতে তুরস্কের আধুনিক রাষ্ট্রপতির জনক মোস্তফা কামাল পাশাকে বোঝানো হয়েছে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলাম তার কবিতায় কামাল পাশার বীরত্ব ও সাহসিকতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>কবিতার মূল উপজীব্যই হলো কামাল পাশার নেতৃত্বে তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রাম।</li>
<li>তাই 'দামাল ছেলে' হিসেবে এখানে কামাল পাশাকেই নির্দেশ করা হয়েছে।</li>
</ul>
৭৬১৩

সজনীকন্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শনিবারের চিঠি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শনিবারের চিঠি</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সজনীকান্ত দাসের নাম এবং এই পত্রিকার নাম একে অপরের পরিপূরক হিসেবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>সজনীকান্ত দাস ছিলেন এই পত্রিকার প্রধান সম্পাদক এবং প্রাণপুরুষ।</li>
<li>১৯২৪ সালে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক রচনার জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মজার ছলে সমালোচনা করার জন্য এই পত্রিকাটি আজও বিখ্যাত।</li>
</ul>
৭৬১৪

‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’-কে রচনা করেন এই কাব্যাংশ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের <strong>'আট বছর আগের একদিন'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি মূলত জীবন ও মৃত্যুর এক গভীর দার্শনিক বিশ্লেষণ। এখানে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, একজন মানুষের শারীরিক মৃত্যু হলেও তার রেখে যাওয়া কর্ম, চিন্তা এবং প্রভাব পৃথিবীর বুকে চিরস্থায়ী হয়ে বেঁচে থাকে।</p>

<ul>
<li>কবিতার মূল সুর: মানুষের নশ্বর দেহের চেয়ে তার অস্তিত্বের গভীরতা অনেক বেশি।</li>
<li>স্মরণ রাখার কৌশল: জীবনানন্দ দাশের কবিতায় প্রায়ই প্রকৃতি ও মানুষের অস্তিত্বের এমন রহস্যময় ও দার্শনিক সংযোগ খুঁজে পাওয়া যায়।</li>
</ul>
৭৬১৫

‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থের কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শঙ্খ ঘোষ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শঙ্খ ঘোষ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শঙ্খ ঘোষ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তাঁর তীক্ষ্ণ ও গভীর জীবনবোধের জন্য পরিচিত। ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত আমাদের যান্ত্রিক জীবনের বিজ্ঞাপনসর্বস্বতা এবং কৃত্রিমতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।</p>

<ul>
<li><strong>কবি:</strong> শঙ্খ ঘোষ</li>
<li><strong>গ্রন্থের নাম:</strong> মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে</li>
<li><strong>মনে রাখার টিপস:</strong> শঙ্খ ঘোষের কবিতায় প্রায়ই নাগরিক জীবনের জটিলতা ও অবক্ষয়ের কথা উঠে আসে, যা এই কাব্যগ্রন্থের নামকরণের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
৭৬১৬

‘নীল লোহিত’ কোন লেখকের ছদ্মনাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>

<p>বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় একটি চরিত্রের নাম হলো <strong>'নীল লোহিত'</strong>।</li>
<li>তিনি তার বিভিন্ন রম্য রচনা এবং গল্পের বইগুলোতে এই ছদ্মনামটি নিয়মিত ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তাই যখনই 'নীল লোহিত' নামটি দেখবেন, সরাসরি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কথা মাথায় আনবেন।</li>
</ul>

<p>এভাবে লেখক ও তার ছদ্মনামগুলো গল্পের মতো করে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</p>
৭৬১৭

‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
ব্যাখ্যা:
<p>‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঠিক তারিখ হলো <strong>১৯ জানুয়ারি ১৯২৬</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সালটি মনে রাখুন <strong>১৯২৬</strong>।</li>
<li>মাসের তারিখটি মনে রাখার জন্য খেয়াল করুন, এটি বছরের শুরুর দিকেই অর্থাৎ <strong>জানুয়ারি</strong> মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।</li>
<li>প্রতিষ্ঠার তারিখটি হলো মাসের <strong>১৯</strong> তারিখ।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল প্রাঙ্গণে এই সাহিত্য সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই সংগঠনটি, তাই তারিখটি মনে রাখা আমাদের সাহিত্য ও ইতিহাসের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৭৬১৮

বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা উপন্যাসিকের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণকুমারী দেবী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হলেন <strong>স্বর্ণকুমারী দেবী</strong>। তিনি ছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>১৮৭৬ সালে প্রকাশিত তার লেখা <strong>'দীপনির্বাণ'</strong> উপন্যাসটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা কোনো নারী লেখকের হাত দিয়ে এসেছে।</li>
<li>তিনি কেবল ঔপন্যাসিকই ছিলেন না, বরং একাধারে কবি, নাট্যকার এবং সম্পাদক হিসেবেও বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নারী ঔপন্যাসিক হিসেবে <strong>স্বর্ণকুমারী দেবী</strong> নামটিই সর্বজনস্বীকৃত।</p>
৭৬১৯

‘আসমান’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফরাসি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরাসি</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে। ‘আসমান’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। তবে আপনার দেওয়া অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি হলো:</p>

<ul>
<li><strong>অপশন B: ফরাসি</strong></li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, আকাশ বা গগন বোঝাতে ফারসি ভাষায় ‘আসমান’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যা কালক্রমে বাংলা শব্দভাণ্ডারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
৭৬২০

নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আ</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের সময় মুখবিবর কতটা খোলা থাকে, তার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>আ</strong> হলো একটি <strong>বিবৃত স্বরধ্বনি</strong>, কারণ এটি উচ্চারণ করার সময় আমাদের মুখ সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিচে নেমে যায় এবং মুখগহ্বর পুরোপুরি উন্মুক্ত বা 'বিবৃত' থাকে, তাকেই বিবৃত স্বরধ্বনি বলে।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।