<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিটপী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'বৃক্ষ' বা গাছের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'বিটপী' অন্যতম।</p>
<p>মনে রাখার সুবিধার্থে কিছু সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>বিটপী</strong> মানেই হলো যার শাখা-প্রশাখা বা বিটপ আছে, অর্থাৎ গাছ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি আসে, তাই 'বৃক্ষ = বিটপী' এই জোড়াটি মাথায় গেঁথে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গাছের ডালাপালা বা বিটপ থেকে 'বিটপী' শব্দের উৎপত্তি, তাই এটি বৃক্ষের একটি যথার্থ সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসারণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'আকুঞ্চন' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু সংকুচিত হওয়া বা গুটিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে, 'প্রসারণ' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়া বা বড় হওয়া।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আকুঞ্চন:</strong> ছোট বা সংকুচিত হওয়া।</li>
<li><strong>প্রসারণ:</strong> বড় বা বিস্তৃত হওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'আকুঞ্চন'-এর বিপরীতে 'প্রসারণ' শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুন্তল</strong>। কারণ 'কুল' শব্দের অর্থ হলো নদী বা সমুদ্রের তীর, তট বা কিনারা, এমনকি কোনো নির্দিষ্ট সীমানা বা অবধিও বোঝাতে পারে। অন্যদিকে, 'কুন্তল' শব্দটি সম্পূর্ণ আলাদা এবং এর অর্থ হলো চুল বা কেশ। তাই এটি 'কুল' শব্দের প্রতিশব্দ নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অম্বর</strong>। সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'আকাশ' শব্দের অর্থ হলো শূন্য বা গগন।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'অম্বর' শব্দটি সরাসরি আকাশ বা মহাকাশকে নির্দেশ করে।</li>
<li>আপনি যদি মনে রাখতে চান, তবে এভাবে ভাবতে পারেন—যেখানে মেঘ বা নক্ষত্ররা বিচরণ করে, তাকেই বলা হয় অম্বর।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'আকাশ' বা এর সমার্থক শব্দ খুঁজলে নির্দ্বিধায় <strong>অম্বর</strong> বেছে নিতে পারেন। এটি একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ।</p>
<p>ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাসঙ্গিক</strong>। এর কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ভাব-সম্প্রসারণ মানেই হলো একটি নির্দিষ্ট ভাব বা মূল কথাকে সহজ ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা।</li>
<li>মূল ভাব বা উদ্ধৃতিটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কথা বলাটাই হলো এর প্রধান শর্ত।</li>
<li>আপনি যদি মূল বিষয়ের বাইরে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা লেখেন, তবে তা আর ভাব-সম্প্রসারণ থাকে না।</li>
</ul>
<p>তাই সবসময় মনে রাখবেন, একটি ভালো ভাব-সম্প্রসারণের মূল ভিত্তিই হলো মূল ভাব বা বিষয়ের সাথে <strong>প্রাসঙ্গিকতা</strong> বজায় রাখা।</p>
<p>‘প্রসন্ন’ শব্দটির অর্থ হলো প্রফুল্ল বা খুশি থাকা। এর বিপরীত অবস্থা বোঝাতে আমরা ‘বিষণ্ণ’ শব্দটি ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো মন খারাপ বা মলিন থাকা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রসন্ন:</strong> যখন মন খুব ফুরফুরে বা আনন্দিত থাকে।</li>
<li><strong>বিষণ্ণ:</strong> যখন মন ভারাক্রান্ত বা দুঃখিত থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই প্রসন্নর বিপরীত হিসেবে <strong>বিষণ্ণ</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপিনিহিতি</strong>। ব্যাকরণের ভাষায় 'Apenthesis' বলতে মূলত অপিনিহিতিকেই বোঝানো হয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত 'ই' বা 'উ' কার যদি তার নির্ধারিত স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়, তবে তাকে অপিনিহিতি বলে।</li>
<li>যেমন: 'আজি' শব্দটি উচ্চারণের সময় 'ই' কারটি 'জ'-এর আগে চলে এসে হয়ে যায় 'আইজ'।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরকার ই-কার বা উ-কার যখন আগে চলে আসে, তখনই তাকে আমরা অপিনিহিতি বলি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আন, আব, ইতি</strong>। কারণ এগুলো খাঁটি বাংলা উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে এগুলো অন্যতম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখে নিতে পারেন:</p>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোতে যে উপসর্গগুলো আছে (যেমন: অনু, নির, দুর, পরা, অতি), সেগুলো মূলত সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ। তাই পরীক্ষার সময় এই পার্থক্যটি মাথায় রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া সম্ভব।</p>
৮৫১৭
‘উপকূল’, ‘উপকণ্ঠ’ উপশহর’ শব্দগুলোতে কোন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে?
<p>বাংলা ব্যাকরণে <strong>উপ</strong> একটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা কোনো শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। এখানে 'উপ' উপসর্গটি মূলত 'সাদৃশ্য', 'নিকটবর্তী' বা 'ক্ষুদ্র' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই শব্দগুলোর শুরুতে থাকা এই অংশটিই হলো মূল উপসর্গ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপচিকীর্ষা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অপকার’ মানে হলো ক্ষতি করা।</li>
<li>‘ইচ্ছা’ বা কোনো কিছু করার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় ‘ঈর্ষা’ বা ‘ঈর্ষু’।</li>
<li>তাই যখন কেউ কারো ক্ষতি বা অপকার করতে চায়, সেই মানসিকতাকে এক কথায় বলা হয় <strong>অপচিকীর্ষা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অপকার করার ইচ্ছাই হলো অপচিকীর্ষা। পরীক্ষার জন্য এই শব্দটি মনে রাখা বেশ জরুরি!</p>
৮৫১৯
‘বাবাকে বড্ড ভয় পাই’ এখানে ‘বাবাকে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে দ্বিতীয়া</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ভয় পাওয়ার কারণ বা উৎস বোঝালে সেটি সবসময় <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'বাবাকে' দেখে ভয় পাওয়ার কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ বাবা এখানে ভয়ের উৎস বা ভীতিস্থল। তাই এটি অপাদান কারক।</li>
<li>'বাবা' শব্দের সাথে 'কে' বিভক্তি যুক্ত আছে। বাংলা ব্যাকরণে 'কে' বিভক্তিটি সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভয়ের উৎস বোঝাতে অপাদান এবং বিভক্তি হিসেবে 'কে' থাকায় এটি <strong>অপাদানে দ্বিতীয়া</strong> বিভক্তি।</p>
৮৫২০
‘প্রিয়জনে যাহা দিতে চাই তাই দেই দেবতারে কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করুন
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্প্রদানে ষষ্ঠী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>সম্প্রদান কারক:</strong> যখন কাউকে কোনো কিছু নিঃস্বার্থভাবে দান করা হয় বা অর্পণ করা হয়, তখন তাকে সম্প্রদান কারক বলে। এখানে 'দেবতারে' বা দেবতাকে কিছু দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারক।</li>
<li><strong>বিভক্তি নির্ণয়:</strong> 'দেবতারে' শব্দটির শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে। তবে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী, যখন কাউকে কোনো কিছু দান করা বোঝায়, তখন সেই পদে <strong>ষষ্ঠী বিভক্তি</strong> গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যাকে দান করা হচ্ছে সেই 'দেবতা' হলো সম্প্রদান এবং এখানে ষষ্ঠী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। তাই এটি <strong>সম্প্রদানে ষষ্ঠী</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।