<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণ কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝানো হয়, তখন সেটি সবসময় <strong>অধিকরণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>বাক্যটিতে ‘অঙ্কে’ বলতে অংক বা গণিত বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে, যা এখানে একটি ক্ষেত্র বা বিষয় হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা ক্ষেত্রে পারদর্শিতা বা দুর্বলতা প্রকাশ পেলে সেটি <strong>বিষয়াধিকরণ</strong> বা অধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, ‘অঙ্কে’ শব্দটি এখানে অধিকরণ কারকের উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সার্থক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কোনো কাজের ফলাফল যখন সফল হয় বা উদ্দেশ্য পূরণ হয়, তখন তাকে আমরা 'সার্থক' বলি। অন্যদিকে, কোনো কাজে সফল হতে না পারলে তাকে বলা হয় 'ব্যর্থ'।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ব্যর্থ:</strong> যার কোনো ফল নেই বা যে সফল হয়নি।</li>
<li><strong>সার্থক:</strong> যার ফল আছে বা যা সফল হয়েছে।</li>
</ul>
<p>বানানের দিকে একটু খেয়াল রাখবেন, সঠিক শব্দটি হলো <strong>সার্থক</strong> (দন্ত-স দিয়ে), যা 'ব্যর্থ' শব্দের একদম বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপরাহ্ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>দিনের সময়কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে দুপুর ১২টার পরের সময়কে বলা হয় <strong>অপরাহ্ন</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, দুপুর ১২টার পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়টিই হলো দিবসের শেষ ভাগ।</li>
<li>অন্যদিকে, দিনের প্রথম ভাগকে বলা হয় <strong>পূর্বাহ্ন</strong> এবং ঠিক দুপুরের সময়কে বলা হয় <strong>মধ্যাহ্ন</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই দিনের শেষ ভাগের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে <strong>অপরাহ্ন</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>‘উপচয়’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>অপচয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘উপচয়’ মানে হলো কোনো কিছুর বৃদ্ধি বা বেড়ে যাওয়া।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘অপচয়’ বলতে বোঝায় কোনো কিছুর ক্ষয় বা নষ্ট হওয়া।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘উপ’ উপসর্গের বিপরীত হিসেবে প্রায়ই ‘অপ’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, যা শব্দটিকে বিপরীত অর্থ প্রদান করে।</li>
</ul>
<p>তাই শব্দ গঠনের এই সহজ কৌশলটি মনে রাখলেই আপনি খুব সহজে এমন বিপরীত শব্দগুলো মনে রাখতে পারবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভূমিকা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘গৌরচন্দ্রিকা’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো কাজের বা আলোচনার শুরুতেই অপ্রাসঙ্গিক বা দীর্ঘ ভূমিকা দেওয়া। সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li>মূল বিষয়ে ঢোকার আগে যে বাড়তি কথা বা ভনিতা করা হয়, তাকেই বলা হয় গৌরচন্দ্রিকা।</li>
<li>পুরানো দিনে কীর্তন গানের শুরুতে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বন্দনা বা প্রশংসা করা হতো, যা থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে যখনই দেখবেন কেউ মূল কথায় না এসে অনেক ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে কথা বলছে, তখনই বুঝে নেবেন সে <strong>ভূমিকা</strong> বা গৌরচন্দ্রিকা দিচ্ছে!</p>
<p>‘চিনির বলদ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>নিষ্ফল পরিশ্রম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বলদ সাধারণত ভারী বোঝা বহন করে, কিন্তু যদি সেই বোঝার ওপর চিনির বস্তা থাকে, তবে বলদ তা থেকে কিছুই পায় না।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি অন্যের জন্য অনেক কষ্ট করে কিন্তু নিজে কোনো ফল ভোগ করতে পারে না, তাকেই বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে পরিশ্রমের কোনো লাভ বা আউটপুট নেই, সেটিই হলো <strong>নিষ্ফল পরিশ্রম</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পার্থক্য</strong>। শব্দটির গঠন ও অর্থ বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'ইতর' শব্দের অর্থ হলো অন্য বা ভিন্ন।</li>
<li>'বিশেষ' বলতে আমরা সাধারণত কোনো আলাদা বৈশিষ্ট্য বা পার্থক্যকে বুঝি।</li>
<li>তাই যখন আমরা বলি 'ইতরবিশেষ', তখন মূলত দুটি জিনিসের মধ্যে থাকা সূক্ষ্ম বা সাধারণ <strong>পার্থক্য</strong> বা তফাতকেই বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর মধ্যে অমিল বা ভিন্নতা খুঁজে বের করাই হলো ইতরবিশেষ।</p>
<p>‘কৃপণ’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>বদান্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>কৃপণ</strong> বলতে বোঝায় এমন কাউকে, যে টাকা-পয়সা খরচ করতে চায় না বা খুব হিসেবি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বদান্য</strong> শব্দের অর্থ হলো দয়ালু বা মুক্তহস্ত ব্যক্তি, যে অকাতরে দান করতে পারে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কৃপণতা বা সংকীর্ণতার ঠিক উল্টো দিকটাই হলো উদারতা বা বদান্যতা। তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি 'বদান্য' বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃতঘ্ন</strong>। বাংলা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যে ব্যক্তি অন্যের উপকার স্বীকার করে এবং মনে রাখে, তাকে বলা হয় <strong>কৃতজ্ঞ</strong>।</li>
<li>আর যে ব্যক্তি ঠিক উল্টো কাজ করে অর্থাৎ উপকারীর উপকার তো করেই না, বরং অপকার করে, তাকে বলা হয় <strong>কৃতঘ্ন</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই কৃতজ্ঞ ও কৃতঘ্ন-এর এই কনফিউশনটা আসে, তাই উপকারীর <em>অপকার</em> করার বিষয়টি থাকলে সবসময় <strong>কৃতঘ্ন</strong> দাগাবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপকর্ষ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের বিপরীত শব্দ খোঁজার সময় মূল শব্দের অর্থ এবং তার গঠন খেয়াল করতে হয়। এখানে:</p>
<ul>
<li><strong>উৎকর্ষ</strong> শব্দটির অর্থ হলো উন্নতি বা উৎকর্ষ সাধন।</li>
<li>এর বিপরীত হিসেবে যখন আমরা অবনতি বা মানের নিম্নগামিতা বোঝাতে চাই, তখন <strong>অপকর্ষ</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'উৎ' উপসর্গটি এখানে উন্নতির ইঙ্গিত দেয়, আর 'অপ' উপসর্গটি ঠিক তার উল্টো অর্থাৎ অবনতির ইঙ্গিত দেয়। তাই 'উৎকর্ষ'-এর বিপরীত হিসেবে <strong>অপকর্ষ</strong> শব্দটিই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'জল'-এর অনেক সংস্কৃত বা প্রাকৃত সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন—অম্বু, অপ, তোয়, পানি ইত্যাদি। অন্যদিকে, <strong>'তরল'</strong> হলো পদার্থের একটি অবস্থা (যেমনে পানি একটি তরল পদার্থ), যা সরাসরি জল শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়। তাই এখানে 'তরল' শব্দটি আলাদা।</p>
<p>‘দাখিলা’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>খাজনার রশিদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>জমিদারি প্রথা বা ভূমি ব্যবস্থাপনার সময় যখন কোনো প্রজা জমি বা ভূমির খাজনা পরিশোধ করতেন, তখন জমিদার বা তার প্রতিনিধি সেই টাকা পাওয়ার প্রমাণস্বরূপ একটি কাগজ দিতেন।</li>
<li>এই কাগজটিই ইতিহাসে বা আইনগত ভাষায় <strong>দাখিলা</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>সহজ কথায়, খাজনা দেওয়ার পর প্রাপ্তি স্বীকারপত্র বা রসিদই হলো দাখিলা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্য+অন্য</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই অন্য + অন্য।</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম 'অন্য'-এর শেষের অ ($\text{অ}$) এবং পরের 'অন্য'-এর শুরুর অ ($\text{অ}$) মিলে উভয়য়ে মিলে আ ($\text{আ}$) কার হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, অ + অ = আ (দীর্ঘস্বর)। এই নিয়মেই 'অন্য' ও 'অন্য' যুক্ত হয়ে তৈরি হয়েছে 'অন্যান্য'।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।