<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৩০ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর শাহ রামমোহন রায়কে তাঁর কূটনৈতিক প্রয়োজনে ব্রিটিশ রাজদরবারে পাঠিয়েছিলেন।</li>
<li>সেই বিশেষ কাজের জন্য সম্রাট তাঁকে <strong>'রাজা'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেন।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ঘটেছিল <strong>১৮৩০ সালে</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রামমোহন রায়ের ইংল্যান্ড যাত্রার ঠিক আগেই সম্রাট তাঁকে এই সম্মানজনক উপাধিটি প্রদান করেন।</p>
<p>অক্ষয়কুমার দত্তের জীবনকাল হলো <strong>১৮২০-১৮৮৬</strong>। তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি লেখক ও সমাজ সংস্কারক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>জন্ম: <strong>১৮২০</strong> সালের ১৫ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায়।</li>
<li>মৃত্যু: <strong>১৮৮৬</strong> সালের ১৮ মে।</li>
<li>তিনি মূলত 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা'র সম্পাদক হিসেবে বাংলা গদ্য ও বিজ্ঞান চর্চায় অসামান্য অবদান রেখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তার জীবনকাল মনে রাখার জন্য সাল দুটিকে একটি জোড়া হিসেবে মাথায় রাখতে পারেন: <strong>১৮২০</strong> থেকে <strong>১৮৮৬</strong>।</p>
৮৮৬৮
কৃত্তিবাসের রামায়ণ কত সালে শ্রীরামপুর মিশনে ছাপা হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০২-১৮০৩ সালে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছিল উনিশ শতকের একেবারে শুরুর দিকে। কৃত্তিবাসের রামায়ণ ছিল সেই সময়ের অন্যতম প্রধান প্রকাশনা। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী:</p>
<ul>
<li>শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের কার্যক্রম শুরু হয় ১৮০০ সালে।</li>
<li>এর ঠিক পরপরই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের জনপ্রিয় গ্রন্থগুলো ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।</li>
<li>সেই ধারাবাহিকতায় কৃত্তিবাসের রামায়ণ মুদ্রণের কাজ সম্পন্ন হয় <strong>১৮০২-১৮০৩</strong> সালের দিকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীরামপুর মিশনের শুরুর দিকের মুদ্রণ প্রচেষ্টার অন্যতম ফসল হলো এই রামায়ণ সংস্করণটি।</p>
৮৮৬৯
কত সালে সৈয়দ হামজা শাহ গরিবুল্লাহর অসমাপ্ত পুঁথি 'জঙ্গনামা' সমাপ্ত করেন?
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কবি শাহ গরিবুল্লাহর বিখ্যাত পুঁথি 'জঙ্গনামা' তাঁর মৃত্যুর পর অসমাপ্ত থেকে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা সেই অসম্পূর্ণ কাজটিকে নিজের হাতে তুলে নেন এবং দীর্ঘ সময় পর তা সম্পন্ন করেন। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই মহাকাব্যিক কাজটি শেষ হয়েছিল <strong>১৭৯২</strong> সালে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয় <strong>১৮০১ সাল</strong> থেকে। এর পেছনে মূল কারণ হলো ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ। এই সালটিকে আধুনিক যুগের শুরুর পয়েন্ট হিসেবে মনে রাখার সহজ উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:</strong> ১৮০০ সালে কলকাতায় এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সাল থেকে বাংলা গদ্যচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।</li>
<li><strong>গদ্যের বিকাশ:</strong> এই সময় থেকেই বাংলা সাহিত্যে পদ্যের পাশাপাশি গদ্যের ব্যবহার ব্যাপকভাবে শুরু হয়, যা আধুনিকতার প্রধান লক্ষণ।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং তার সহযোগীদের হাত ধরে বাংলা ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনার কাজ শুরু হয়, যা বাংলা সাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।</li>
</ul>
তাই মনে রাখবে, ১৮০১ সাল মানেই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের যাত্রা শুরু।
৮৮৭১
ধুমকেতু শুমেকার লেভী-৯ এর প্রথম ভাঙা টুকরাটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৭৬০ সালে</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ভারতচন্দ্র ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অন্নদামঙ্গল' রচনার কিছুকাল পরেই তিনি পরলোকগমন করেন।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় তার মৃত্যুসালটি <strong>১৭৬০</strong> হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, অর্থাৎ <strong>১৭৬০</strong> সালেই এই কালজয়ী কবির জীবনাবসান ঘটে।</p>
৮৮৭৩
শব্দের স্রোতধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব হলো ----
<p>প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস থেকে প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব বের করার হিসাবটা বেশ সহজ। আমাদের মনে রাখতে হবে, শব্দ গিয়ে আবার ফিরে আসতে মোট যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তা যদি অন্তত $17$ মিটার বা তার কাছাকাছি হয়, তবেই আমরা প্রতিধ্বনি শুনতে পাই।</p>
<ul>
<li>শব্দের বেগ সাধারণত ধরা হয় $v = 332 \, \text{m/s}$।</li>
<li>মানুষের কান কোনো শব্দ শোনার পর তা মস্তিষ্কে $0.1$ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী থাকে।</li>
<li>দূরত্ব বের করার সূত্রটি হলো: $d = \frac{v \times t}{2}$</li>
<li>এখন মানগুলো বসালে পাই: $d = \frac{332 \times 0.1}{2} = \frac{33.2}{2} = 16.6 \, \text{মিটার}$।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে অন্তত <strong>১৬.৬ মিটার</strong> দূরত্ব থাকলে তবেই আমরা শব্দের প্রতিধ্বনি স্পষ্টভাবে শুনতে পাব।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা হলো <strong>১০টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এই বর্ণগুলো চিনে রাখা। নিচে বর্ণগুলো দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণের মধ্যে ৪টি: <strong>এ, ঐ, ও, ঔ</strong></li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ৬টি: <strong>ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ</strong></li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মোট বর্ণসংখ্যা হলো $4 + 6 = 10$টি। এই বর্ণগুলোর মাথায় কোনো পূর্ণমাত্রা বা অর্ধমাত্রা থাকে না বলেই এদের মাত্রাহীন বর্ণ বলা হয়।</p>
<p>আধুনিক যুগের সূত্রপাত ধরা হয় <strong>১৮০১ সাল</strong> থেকে। ইতিহাসবিদদের মতে, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত সময়কালকে মধ্যযুগ বা প্রাক-আধুনিক যুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপর থেকেই বিশ্বজুড়ে শিল্প বিপ্লব, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং আধুনিক চিন্তাধারার ব্যাপক প্রসার ঘটে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>১৮০১ সাল</strong> হলো ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু।</li>
<li>এই সময় থেকেই ইউরোপসহ সারা বিশ্বে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ শুরু হয়।</li>
<li>তাই ঐতিহাসিক কালপঞ্জি অনুযায়ী, আধুনিক যুগের সময়কালকে <strong>১৮০১ সাল</strong> থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২৪ জন</strong>। চর্যাপদ নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ অধিকাংশ গবেষক চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা হিসেবে ২৪ জনকেই স্বীকৃতি দিয়েছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট পদ সংখ্যা ৪৬টি (যদিও পুঁথিতে ৫০টি পদের উল্লেখ আছে)।</li>
<li>এই পদগুলো রচনা করেছেন মোট <strong>২৪ জন</strong> সিদ্ধাচার্য বা কবি।</li>
<li>সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন লুইপা, যার পদের সংখ্যা ২।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই <strong>২৪ জন</strong> সংখ্যাটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য এবং সঠিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা স্থাপনের সঠিক উত্তর হলো <strong>১৪৯৮ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা এই বছরেই সমুদ্রপথে ভারতে আসার পথ আবিষ্কার করেন।</li>
<li>ইউরোপীয়দের আগমনের সাথে সাথেই তারা তাদের ধর্মপ্রচার ও প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ছাপাখানার প্রযুক্তি নিয়ে আসে।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই সময়কালটিই উপমহাদেশের মুদ্রণ শিল্পের সূচনালগ্ন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৪৯৮ সালটি উপমহাদেশের আধুনিক যোগাযোগ ও মুদ্রণ ইতিহাসের একটি মাইলফলক।</p>
<p>সুলতানি যুগের সময়কাল নিয়ে অনেকেরই বিভ্রান্তি থাকে, তবে ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এটি মনে রাখা বেশ সহজ। বাংলায় মুসলিম শাসনের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল এই সুলতানি আমল।</p>
<p>সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৩৫১-১৫৭৫</strong>। এই সময়কালটি মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৩৫১ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা জয় করে স্বাধীন সুলতানি শাসনের ভিত্তি মজবুত করেন।</li>
<li>১৫৭৫ সালে দাউদ খান কররানীর পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলায় সুলতানি আমলের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটে।</li>
<li>অর্থাৎ, এই সময়সীমাটি হলো: $$1351 - 1575$$</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইলিয়াস শাহী বংশের উত্থান থেকে শুরু করে কররানী বংশের পতন পর্যন্ত সময়টুকুই আমাদের সুলতানি আমল হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মসাল হলো <strong>১৪৮৬ সাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শ্রী চৈতন্যদেব ১৪৮৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নদীয়ার নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই সালটি বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার ও ভক্তি আন্দোলনের সূচনালগ্ন হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য আপনি এভাবে ভাবতে পারেন: তিনি ১৫শ শতাব্দীর শেষভাগের ঠিক ১৪ বছর আগে পৃথিবীতে এসেছিলেন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।