<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ 'সেক শুভোদয়া'-এর গঠনশৈলী বেশ চমৎকার। এই গ্রন্থটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটি মূলত রাজা লক্ষণ সেনের সভাকবি হলায়ুধ মিশ্রের রচনা বলে পরিচিত।</li>
<li>পুরো গ্রন্থটি গদ্য ও পদ্যের সংমিশ্রণে সাজানো হয়েছে।</li>
<li>এর মোট অধ্যায় সংখ্যা হলো <strong>১৫</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই গ্রন্থে মোট <strong>১৫ টি</strong> পরিচ্ছেদ বা অধ্যায় রয়েছে, যা তৎকালীন সময়ের সমাজ ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল হলো <strong>চৈতন্য যুগ</strong>। এই সময়কালটি মূলত ১৫০১ থেকে ১৬০০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। কেন এই সময়কালটি গুরুত্বপূর্ণ, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাব এবং তাঁর বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের ফলে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সৃষ্টি হয়।</li>
<li>এই ১০০ বছরের সময়কালে বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য এবং চৈতন্য জীবনী সাহিত্য ব্যাপকভাবে বিকশিত হয়।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকদের মতে, এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের বিকাশে সবচেয়ে প্রভাবশালী ছিল, তাই একে <strong>১৫০১-১৬০০</strong> সাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীচৈতন্যের প্রভাব ও তাঁর অনুসারীদের সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডের কারণেই এই নির্দিষ্ট সময়কালকে চৈতন্য যুগ বলা হয়।</p>
৮৮৮৩
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচনাকাল কত?
<p>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচনাকাল হলো <strong>১৪০০ খ্রি.</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়কালটি মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় কাব্য।</li>
<li>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই কাব্যের সময়কালকে <strong>১৪০০ খ্রি.</strong> হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের আদি ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণের এই সময়টি বাংলা ভাষার বিবর্তনের ধারা বুঝতে আমাদের দারুণ সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা হলো <strong>৭টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি হলেও উচ্চারণের সময় মূলত ৭টি মৌলিক ধ্বনি ব্যবহার করি।</li>
<li>এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো: <strong>অ, আ, ই, উ, এ, ও, এবং অ্যা</strong>।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, এই ধ্বনিগুলোই হলো বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি, যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৩১৬ বঙ্গাব্দে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বসন্ত রঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ কর্তৃক বাঁকুড়া জেলার কাঁঠালবাড়ি গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কৃত হয়।</li>
<li>ঐতিহাসিক এই ঘটনাটি ঘটেছিল বাংলা <strong>১৩১৬</strong> বঙ্গাব্দে।</li>
<li>এই আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা, কারণ এর মাধ্যমেই বড়ু চণ্ডীদাসের এই অমূল্য রত্নটি আমরা খুঁজে পাই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৩২৩ বঙ্গাব্দে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ কর্তৃক বাঁকুড়া জেলার কাঁঠালবাড়ি গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কৃত হয়।</li>
<li>আবিষ্কারের পর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি <strong>১৩২৩ বঙ্গাব্দে</strong> প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাব্যটি উদ্ধার হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ১৩২৩ বঙ্গাব্দে এটি পাঠকের হাতে পৌঁছায়। তাই সালটি মনে রাখতে এই ধারাবাহিকতাটি মাথায় রাখলেই চলবে।</p>
৮৮৮৭
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বডু চন্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচিত হয়-
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচনাকাল হলো <strong>১৩৪০-১৪৪০ সালের মধ্যে</strong>। এই সময়কালটি মূলত বাংলা সাহিত্যের আদি ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য সহজ কিছু পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ঐতিহাসিক ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।</li>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা, যা বাংলা ভাষার বিবর্তনের ধারায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</li>
<li>এই সময়কালটি মনে রাখতে সহজ একটি কৌশল হলো: <strong>১৩৪০</strong> দিয়ে শুরু এবং ঠিক ১০০ বছর পর <strong>১৪৪০</strong>-এ শেষ।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনি হলো <strong>৭টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আমরা যখন কথা বলি, তখন মূলত এই সাতটি ধ্বনিকে ভিত্তি করেই সব স্বরবর্ণের উচ্চারণ তৈরি হয়।</p>
<p>এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো:</p>
<ul>
<li>অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি হলেও, উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক বা অবিভাজ্য স্বরধ্বনি মাত্র ৭টি। এই ৭টি ধ্বনিকে আর ভাঙা যায় না বলেই এদের মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাকচৈতন্য যুগ বলতে মূলত ১২০১ থেকে ১৫০০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে বোঝানো হয়। এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের আদি ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ শুরু হয় ১২০১ সাল থেকে।</li>
<li>শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত সময়টিই মূলত প্রাকচৈতন্য যুগ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>শ্রীচৈতন্যদেবের জন্ম ১৪৮৬ সালে এবং তাঁর প্রভাব বিস্তার শুরু হয় ১৫০০ সালের দিকে।</li>
<li>তাই এই সময়সীমাটি হলো <strong>১২০১-১৫০০</strong>।</li>
</ul>
<p>এই সময়ের প্রধান সাহিত্যকর্ম হিসেবে আমরা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যকে পাই, যা এই যুগের ধারার সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায়।</p>
<p>ইতিহাসের পাতায় অন্ধকার যুগ বা 'Dark Age' বলতে সাধারণত ইউরোপের মধ্যযুগের একটি নির্দিষ্ট সময়কালকে বোঝানো হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১২০১-১৩৫০</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ঐতিহাসিকদের মতে, ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরু থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়টিতে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলার চর্চা অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছিল।</li>
<li>এই সময়কালটি মূলত <strong>১২০১</strong> সাল থেকে শুরু হয়ে <strong>১৩৫০</strong> সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।</li>
<li>সহজ কথায়, এই দেড়শ বছরের সময়সীমাকেই ইতিহাসের অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>চর্যাপদের বয়স নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিচারে এর সময়কাল ধরা হয় আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। সেই হিসেবে বর্তমান সময় থেকে হিসাব করলে এর বয়স প্রায় <strong>১০০০ বছর</strong>।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর সময়কাল ৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li>গড়পড়তা হিসাব করলে এর বয়স প্রায় ১০০০ বছরের কাছাকাছি দাঁড়ায়।</li>
</ul>
৮৮৯২
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’-এ গানের কত লাইন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে?
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি মোট ২৫ লাইনের একটি কবিতা বা গান। তবে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে এর প্রথম <strong>১০ লাইন</strong> আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>গানটির মোট দৈর্ঘ্য: ২৫ লাইন।</li>
<li>জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত অংশ: প্রথম <strong>১০ লাইন</strong>।</li>
</ul>
<p>এই ১০ লাইন আমাদের জাতীয় পতাকার সম্মান ও দেশের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়া হয়।</p>
৮৮৯৩
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন কেন্দ্র বালি দ্বীপে কোন তারিখে বোমা হামলায় ব্যাপক প্রাণহানীসহ একটি নাইট ক্লাব ধ্বংস হয়ে গেছে?
<p>ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে ভয়াবহ সেই বোমা হামলার সঠিক তারিখ হলো <strong>১২ অক্টোবর, ২০০২</strong>। ঘটনাটি মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এই হামলাটি মূলত বালির কুটা (Kuta) নামক পর্যটন এলাকায় ঘটেছিল।</li>
<li>ঘটনাটি ছিল ২০০২ সালের অক্টোবর মাসের ১২ তারিখ, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</li>
<li>এই হামলায় নাইট ক্লাবসহ আশেপাশের স্থাপনায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে অনেক পর্যটক প্রাণ হারান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ২০০২ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল, যার তারিখটি হলো <strong>১২ অক্টোবর</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি হলো <strong>৭টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আমাদের উচ্চারণের সময় যে ধ্বনিগুলোকে আর ভাঙা যায় না, সেগুলোই মৌলিক স্বরধ্বনি।</p>
<p>বাংলায় এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো:</p>
<ul>
<li>অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, স্বরবর্ণ ১১টি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক স্বরধ্বনি মাত্র ৭টি। এই সংখ্যাটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।