<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কাল বিভাজনে মধ্যযুগ বলতে মূলত <strong>১২০১ থেকে ১৮০০</strong> সাল পর্যন্ত সময়কালকে বোঝানো হয়। এই দীর্ঘ সময়টি বাংলা সাহিত্যের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ঘটে ১২০০ সালে।</li>
<li>এরপর ১২০১ সাল থেকে শুরু হয় মধ্যযুগ, যা স্থায়ী হয় ১৮০০ সাল পর্যন্ত।</li>
<li>১৮০১ সাল থেকে আধুনিক যুগের সূচনা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১০ খণ্ড</strong>। লোকসাহিত্য সংগ্রাহক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন সংগৃহীত লোকগীতি ও লোকগাথার এই বিখ্যাত সংকলনটি মোট ১০টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>এই সংকলনটি বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য ভাণ্ডার।</li>
<li>দীর্ঘ সময় ধরে সংগৃহীত গান ও ছড়াগুলো সাজিয়ে তিনি মোট <strong>১০টি খণ্ড</strong> সম্পন্ন করেন।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, বাক্যের শেষে বা কোনো জিজ্ঞাসার ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসা চিহ্ন বসলে সেখানে থামার সময় হলো <strong>১ সেকেন্ড</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যতি বা ছেদ চিহ্নের ক্ষেত্রে বিরতিকালের নিয়মটি বেশ সহজ।</li>
<li>দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়সূচক চিহ্নের ক্ষেত্রে থামার সময় হলো <strong>১ সেকেন্ড</strong>।</li>
<li>অর্থাৎ, আপনি যদি মনে মনে ১ সেকেন্ড সময় গুনতে পারেন, তবেই বিরতিটি সঠিক হবে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১ সেকেন্ড</strong>।</p>
<p>“শ্রবণ” শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√শ্রু + অন</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>√শ্রু</strong> হলো ধাতু, যার অর্থ হলো ‘শোনা’।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘শ্রবণ’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘শ্রু’ ধাতুর সাথে ‘অন’ (অনট) প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের রূপটি দাঁড়ায়:
$$√শ্রু + অন = শ্রবণ$$</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শোনার কাজ বোঝাতে ‘শ্রু’ ধাতুর সাথে ‘অন’ প্রত্যয় যুক্ত করাই হলো এর মূল গঠন প্রক্রিয়া।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: √সিচ্ + ক্ত</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার নিয়ম:</p>
<ul>
<li>'সিক্ত' শব্দের মূল ধাতু হলো <strong>√সিচ্</strong> (যার অর্থ ভেজা বা সেচন করা)।</li>
<li>এর সাথে ভাব বা কর্ম বোঝাতে <strong>ক্ত</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'সিক্ত' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>বানানটি খেয়াল রাখতে হবে, ধাতুর শেষে মূর্ধন্য 'চ' (চ্) আছে, যা অন্য অপশনে ভুল দেওয়া আছে।</li>
</ul>
<p>‘উক্ত’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√শম + ক্তি</strong>। বিষয়টি ব্যাকরণের নিয়মে খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘শম’ ধাতুর সাথে ‘ক্তি’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ‘উক্ত’ শব্দে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে ‘শম’ ধাতুটির অর্থ হলো শান্ত হওয়া বা নিবৃত্ত হওয়া।</li>
<li>শব্দ গঠনের এই প্রক্রিয়ায় ধাতুর রূপ পরিবর্তনের ফলে <strong>√শম + ক্তি = উক্ত</strong> রূপটি গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি একটি বিশেষ ব্যাকরণগত নিয়ম যা মনে রাখলে খুব সহজেই এমন শব্দগুলো চেনা যায়।</p>
<p>'মুক্তি' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√মুচ্ + ক্তি</strong>। এটি বোঝার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মুচ্' ধাতুর সাথে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে 'মুচ্' ধাতুটির অর্থ হলো মুক্ত হওয়া বা ছেড়ে দেওয়া।</li>
<li>যখন কোনো ধাতুর শেষে 'চ্' থাকে এবং তার সাথে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সন্ধি ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে তা 'ক্তি' রূপেই বজায় থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল ধাতু <strong>√মুচ্</strong>-এর সাথে <strong>ক্তি</strong> প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা শব্দটি পেয়ে যাই। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>√মুচ্ + ক্তি</strong>।</p>
<p>পবন শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√পো + অন</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি 'অনাদি' প্রত্যয়জাত শব্দ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, <strong>√পু</strong> (পবিত্র করা) ধাতুর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পবন শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে সন্ধি বা গুণের নিয়মে <strong>√পু</strong> ধাতুর 'উ' কারটি 'ও' কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>√পু + অন</strong> থেকে গুণের প্রভাবে হয় <strong>√পো + অন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পবন শব্দের মূল ধাতু হলো <strong>√পো</strong> এবং এর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি পূর্ণতা পায়।</p>
<p>’নন্দন’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√নন্দি + অন</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>√নন্দি</strong> হলো ধাতু বা প্রকৃতি।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, নন্দি ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যোগ করলে তা <strong>নন্দন</strong> শব্দে রূপ নেয়, যার অর্থ আনন্দদায়ক বা পুত্র।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল ধাতু <strong>√নন্দি</strong> এর সাথে <strong>অন</strong> যুক্ত হয়েই শব্দটি তৈরি হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>‘নন্দন’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো <strong>√নন্দি + অন</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে গঠিত একটি শব্দ। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>এখানে ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে <strong>√নন্দি</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: <strong>√নন্দি + অন = নন্দন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘নন্দি’ ধাতুর সাথে ‘অন’ প্রত্যয় যোগ করলে শব্দটি ‘নন্দন’ হয়ে যায়। ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো সময় সহজেই উত্তরটি বের করা সম্ভব।</p>
<p>‘দীপ্যমান’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো <strong>√দীপ + শানচ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো ধাতুর সাথে বর্তমান কালবাচক কৃৎ প্রত্যয় যোগ করতে হলে <strong>শানচ</strong> প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এখানে ‘দীপ’ হলো মূল ধাতু, যার অর্থ উজ্জ্বল হওয়া বা দীপ্তি পাওয়া।</li>
<li>এর সাথে <strong>শানচ</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মান’ অংশটি তৈরি হয়, যা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, শানচ প্রত্যয়ান্ত শব্দগুলো সাধারণত ‘মান’ বা ‘আন’ দিয়ে শেষ হয়, তাই ‘দীপ্যমান’ শব্দটির ক্ষেত্রে <strong>√দীপ + শানচ</strong>-ই সঠিক গঠন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>√পড় + উয়া (পড়ুয়া)</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>কর্তৃবাচ্য কৃৎপ্রত্যয়</strong> বলতে বোঝায় যখন কোনো ধাতু বা শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এমন একটি শব্দ তৈরি হয়, যা সরাসরি কোনো 'কর্তা' বা কাজ সম্পাদনকারীকে নির্দেশ করে।</li>
<li>এখানে <strong>পড়ুয়া</strong> শব্দটি দিয়ে এমন একজনকে বোঝানো হচ্ছে যে পড়াশোনা করে, অর্থাৎ সে নিজেই কাজটি করছে।</li>
<li>গঠনটি লক্ষ্য করুন: <strong>√পড়</strong> (ধাতু) + <strong>উয়া</strong> (প্রত্যয়) = <strong>পড়ুয়া</strong>।</li>
<li>যেহেতু 'পড়ুয়া' শব্দটি কাজ সম্পাদনকারী বা কর্তাকেই প্রকাশ করছে, তাই এটি কর্তৃবাচ্য কৃৎপ্রত্যয়ের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>ছুটি শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√ছুট্ + ই</strong>। এটি বোঝার জন্য নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ছুট' ধাতুটি একটি চলন্ত বা গতিবাচক ধাতু, তাই এর নিচে একটি হসন্ত (্) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এর সাথে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'ছুটি' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে প্রত্যয় হিসেবে হ্রস্ব-ই (ই) ব্যবহৃত হয়, দীর্ঘ-ঈ (ঈ) নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর নিচে হসন্ত এবং শেষে হ্রস্ব-ই থাকলেই সেটি সঠিক রূপ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>√ছুট্ + ই</strong>।</p>
<p>'চৈনা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√চিন + আ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'চৈনা' শব্দটি মূলত 'চিন' ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ কোনো কিছু জানা বা চেনা।</li>
<li>এই ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েই 'চৈনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে আদি স্বর 'ই' পরিবর্তিত হয়ে 'ঐ' হয়েছে, যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গুণ বা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার একটি অংশ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>√চিন + আ = চৈনা</strong>। এই গঠনটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।