<p>চরণ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√চর + অন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>√চর</strong> হলো ধাতু বা প্রকৃতি, যার অর্থ হলো 'চলা'।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ধাতুর সাথে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন তা বিশেষ্য পদ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে চলে বা যার মাধ্যমে চলা হয়, তাকেই বলা হয় চরণ। তাই সঠিক গঠনটি হলো <strong>√চর + অন</strong>।</p>
<p>'কারক' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√কৃ + ণক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'কৃ' ধাতুর সাথে 'ণক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'কারক' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে 'ণক' প্রত্যয়টি 'অক' হিসেবে কাজ করে, কিন্তু এর আদি স্বর 'কৃ'-এর 'ঋ' কারকে 'গুণ' করে 'অর' (অর্থাৎ 'কার') রূপ দেয়।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>√কৃ + ণক = কারক</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই সূত্রটি মাথায় রাখুন: <strong>√কৃ + ণক</strong>। এটিই কারক শব্দের প্রকৃত ব্যুৎপত্তি।</p>
<p>উড়ন্ত শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√ঊড় + অন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এখানে মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো <strong>√ঊড়</strong>, যা মূলত ওড়া বা উড্ডয়ন বোঝায়।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন্ত</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ধাতুর সাথে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়। যেমন: চল + অন্ত = চলন্ত, তেমনি <strong>√ঊড় + অন্ত = উড়ন্ত</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর রূপটি মনে রাখলেই এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>ঈশ্বর শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>√ঈশ্ + বর</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>√ঈশ্</strong> হলো সংস্কৃত ধাতু, যার অর্থ শাসন করা বা মালিক হওয়া।</li>
<li>এর সাথে <strong>বর</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>মনে রাখার সহজ উপায় হলো, ঈশ্বর শব্দের শুরুতে দীর্ঘ <strong>ঈ</strong> এবং শেষে মূর্ধন্য <strong>শ্</strong> থাকে, যা এই সন্ধি বা প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>√ঈশ্ + বর</strong>।</p>
<p>প্রকৃতির আগে সাধারণত <strong>বর্গমূল</strong> বা <strong>√</strong> চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়। গণিতের ভাষায় কোনো সংখ্যার মূল বা রুট বোঝাতে এই চিহ্নটি অপরিহার্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কোনো সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে আমরা এই চিহ্নটি ব্যবহার করি, যেমন: $\sqrt{x}$।</li>
<li>এটি মূলত একটি সংখ্যার ঘাত বা পাওয়ার $\frac{1}{2}$ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>গাণিতিক হিসাব-নিকাশে যখনই কোনো সংখ্যার মূল বের করার প্রয়োজন হয়, তখনই আমরা এই <strong>√</strong> চিহ্নটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বা ক্রিয়ার মূল অংশ বোঝাতে <strong>√</strong> চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো শব্দের আদি রূপ বা প্রকৃতি নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>ধাতু হলো ক্রিয়াপদের সেই অংশ, যাকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না।</li>
<li>যেমন: 'চলন্ত' শব্দটির মূল ধাতু হলো <strong>√চল</strong>।</li>
<li>এখানে <strong>√</strong> চিহ্নটি দেখলেই আমরা বুঝতে পারি যে এটি একটি ধাতু বা ক্রিয়ার মূল উৎস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের আগে এই চিহ্নটি থাকা মানেই সেটি ওই ক্রিয়ার মূল বা ধাতু।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>‘ঃ’</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, বিসর্গ (ঃ) মূলত সংস্কৃত ভাষার ‘র’ এবং ‘স’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>শব্দের শেষে যখন ‘র’ বা ‘স’ লোপ পায়, তখন তার পরিবর্তে বিসর্গ চিহ্নটি বসে।</li>
<li>যেমন: ‘পুনঃ’ শব্দটি এসেছে ‘পুনর্’ থেকে, যেখানে ‘র’ পরিবর্তিত হয়ে বিসর্গ হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে বিসর্গকে ‘র’ ও ‘স’-এর বিকল্প বা সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
৮৯১৮
‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশীর, আর হাতে রণতুর্য’ নজরুল ইসলামের-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>‘বিদ্রোহী’ কবিতার একটি চরণ</strong>। কারণ কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সৃষ্টি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শুরুতেই তিনি নিজের বিদ্রোহী সত্তাকে ফুটিয়ে তুলতে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি ব্যবহার করেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বাঁকা বাঁশের বাঁশী:</strong> এটি প্রেম ও সৌন্দর্যের প্রতীক।</li>
<li><strong>রণতুর্য:</strong> এটি যুদ্ধের বা বিপ্লবের প্রতীক।</li>
<li>এই দুই বিপরীতমুখী সত্তার মিলনই ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূল সুর, যেখানে কবি একইসাথে প্রেমিক এবং বিপ্লবী।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এই চরণটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি নজরুলের সেই বিখ্যাত <strong>‘বিদ্রোহী’</strong> কবিতার অংশ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: :</strong>। বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার জানা খুব জরুরি।</p>
<ul>
<li><strong>কোলন (:):</strong> যখন কোনো বাক্যের ভেতরে উদাহরণ বা তালিকা বোঝাতে হয়, তখন আমরা কোলন ব্যবহার করি। যেমন: সভায় উপস্থিত ছিলেন: রহিম, করিম ও জব্বার।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি ডট বা বিন্দুর ওপর-নিচ সাজানো রূপটিই হলো কোলন।</li>
</ul>
<p>মনে রাখার সহজ উপায় হলো, কোলন চিহ্নটি দেখতে অনেকটা ইংরেজি বর্ণমালার ছোট হাতের 'i' এর ওপরের বিন্দুর মতো দুটি বিন্দু পাশাপাশি ওপর-নিচ বসানো।</p>
৮৯২০
জেমস গ্রান্টের মতে প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় বিশ্বে প্রতিদিন শিশু মৃত্যুর সংখ্যা--
<p>জেমস গ্রান্টের মতে, বিশ্বে প্রতিদিন প্রতিরোধযোগ্য বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা হলো <strong>৪০,০০০</strong>। এই তথ্যটি মূলত ইউনিসেফের (UNICEF) তৎকালীন প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া, যা বিশ্বজুড়ে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং টিকাদানের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হতো।</p>
<ul>
<li>প্রতিদিন বিশ্বব্যাপী গড়ে প্রায় <strong>৪০,০০০</strong> শিশু এমন সব রোগে প্রাণ হারায়, যা সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব।</li>
<li>এই পরিসংখ্যানটি মূলত অপুষ্টি, পানিবাহিত রোগ এবং টিকার অভাবজনিত সমস্যার ভয়াবহতাকে তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী এই সংখ্যাটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের বৈশ্বিক গড় হিসাব, যেখানে <strong>৪০,০০০</strong> সংখ্যাটিই সঠিক উত্তর হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>রাবেয়া খাতুন বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান <strong>১৯৭৩</strong> সালে। বাংলা সাহিত্যের এই বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক তাঁর অনবদ্য লেখনীর স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা লাভ করেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল:</p>
<ul>
<li>রাবেয়া খাতুনের সাহিত্যিক কর্মজীবন অত্যন্ত দীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ।</li>
<li>তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই, অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পান।</li>
<li>সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারেন: স্বাধীনতার দুই বছর পর তিনি এই গৌরব অর্জন করেন।</li>
</ul>
<p>বাংলা মুদ্রণ যন্ত্র বা ছাপাখানার ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি, আধুনিক বাংলা মুদ্রণ শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল মূলত ১৮০০ সালে। এই বছরটি বাংলা সাহিত্যের বিকাশে এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে কলকাতার শ্রীরামপুরে উইলিয়াম কেরি এবং তাঁর সহযোগীরা মিলে বিখ্যাত <strong>শ্রীরামপুর মিশন প্রেস</strong> প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>এই প্রেসটিই ছিল বাংলা ভাষায় বই ছাপানোর প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।</li>
<li>এর ফলে বাংলা গদ্য ও সাহিত্যের প্রসার অনেক দ্রুততর হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০০</strong> সাল। সহজভাবে মনে রাখার জন্য এটি বাংলা মুদ্রণ শিল্পের সূচনালগ্ন হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৫৩</strong> সালে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক পরপরই হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ঐতিহাসিক <strong>'একুশে ফেব্রুয়ারি'</strong> সংকলনটি প্রকাশিত হয়। এটি ছিল একুশের প্রথম সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক দলিল, যা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তৎকালীন মুসলিম লীগ সরকার বাজোপ্ত করেছিল।</p>
৮৯২৫
In which year did the Titanic Sink?/টাইটানিক জাহাজ আটলান্টিক মহাসাগরে নিমজ্জিত হয় কত সালে?
<p>টাইটানিক জাহাজটি আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যাওয়ার ঘটনাটি ঘটেছিল <strong>১৯১২</strong> সালে। এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত একটি দুর্ঘটনা।</p>
<ul>
<li>টাইটানিক তার প্রথম যাত্রাতেই অর্থাৎ <strong>১৯১২</strong> সালের ১৪ এপ্রিল রাতে হিমশৈলের সাথে ধাক্কা খেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</li>
<li>পরদিন অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল ভোরে জাহাজটি পুরোপুরি আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে তলিয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকেই অর্থাৎ <strong>১৯১২</strong> সালে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।