<p>গিরিশচন্দ্র সেন কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ সমাপ্ত করেন <strong>১৯০০</strong> সালে। এটি ছিল বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ।</p>
<ul>
<li>গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করে এই অনুবাদ কাজটি সম্পন্ন করেন।</li>
<li>তাঁর এই ঐতিহাসিক অনুবাদটি ১৮৮১ সাল থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে খণ্ড খণ্ড আকারে প্রকাশিত হতে শুরু করে।</li>
<li>অবশেষে দীর্ঘ সাধনার পর <strong>১৯০০</strong> সালে এটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য, ১৯০০ সালটিই হলো তাঁর এই মহৎ কাজের চূড়ান্ত সমাপ্তির বছর।</p>
৮৯২৭
ঢাকার ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এর প্রতিষ্ঠা কোন খ্রিষ্টাব্দে?
<p>ঢাকার ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এর প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল হলো <strong>১৯২৬</strong> খ্রিষ্টাব্দ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই সংগঠনটি গড়ে ওঠে।</li>
<li>আবুল হুসেন এবং কাজী আব্দুল ওদুদসহ তৎকালীন প্রগতিশীল চিন্তাবিদদের উদ্যোগে <strong>১৯২৬</strong> সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এই সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>এর মূল লক্ষ্য ছিল কুসংস্কারমুক্ত ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসে এই সালটি মনে রাখতে ১৯২৬ সংখ্যাটি মাথায় রাখলেই চলবে।</p>
৮৯২৮
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস টেকচাঁদ ঠাকুরের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ কোন সালে প্রকাশিত হয়
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত প্যারীচাঁদ মিত্রের (টেকচাঁদ ঠাকুর) <strong>‘আলালের ঘরের দুলাল’</strong> প্রকাশিত হয় <strong>১৮৫৮</strong> সালে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র, যিনি 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ছদ্মনামে লিখতেন।</li>
<li>এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রথম সার্থক প্রয়োগ ঘটে।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো, সিপাহি বিদ্রোহের ঠিক পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৮৫৮</strong> সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
৮৯২৯
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
<p>বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>১৮৯৩</strong> খ্রিস্টাব্দে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা এবং গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>প্রতিষ্ঠার সাল: <strong>১৮৯৩</strong>।</li>
<li>প্রতিষ্ঠার স্থান: তৎকালীন কলকাতা।</li>
<li>মূল উদ্দেশ্য: বাংলা সাহিত্যের উন্নয়ন ও প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ করা।</li>
</ul>
<p>ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সালটি মনে রাখতে আপনি এভাবে ভাবতে পারেন যে, ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন বাংলায় নবজাগরণের জোয়ার চলছিল, ঠিক তখনই অর্থাৎ ১৮৯৩ সালে এই পরিষদের যাত্রা শুরু হয়।</p>
<p>মহামেডান লিটারেরি সোসাইটি গঠিত হয় <strong>১৮৬৩</strong> খ্রিস্টাব্দে। এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার পেছনে মূল কারিগর ছিলেন নবাব আব্দুল লতিফ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>১৮৬৩ সালে কলকাতায় এই সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>এর মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম সমাজের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।</li>
<li>নবাব আব্দুল লতিফ ব্রিটিশ সরকারের সাথে মুসলিম সমাজের সেতুবন্ধন তৈরির জন্য এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৬৩</strong>।</p>
৮৯৩১
উইলিয়াম কেরি অনূদিত 'নিউ টেস্টামেন্ট' বাংলায় প্রথম কত সালে মুদ্রিত হয়?
<p>উইলিয়াম কেরি অনূদিত 'নিউ টেস্টামেন্ট' বাংলায় প্রথম মুদ্রিত হয় <strong>১৮০১</strong> সালে। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বাংলা গদ্য ও মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<ul>
<li>শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা ভাষায় বাইবেলের এই অংশটি অনুবাদের মাধ্যমে আধুনিক বাংলা গদ্যের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ১৮০০ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ঠিক পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৮০১</strong> সালে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান প্রকাশিত হয় <strong>১৭৪৩</strong> সালে। এই অভিধানটির নাম ছিল 'ভোকাবুলারিও এম ইডিওমা বেঙ্গাল্লা ই পর্তুগিজ', যা পর্তুগিজ পাদ্রি মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁ রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>অভিধানটির নাম: ভোকাবুলারিও এম ইডিওমা বেঙ্গাল্লা ই পর্তুগিজ।</li>
<li>রচয়িতা: মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁ।</li>
<li>প্রকাশকাল: <strong>১৭৪৩</strong> সাল।</li>
</ul>
<p>ইতিহাসের পাতায় এই সালটি বাংলা ভাষার অভিধান রচনার শুরুর বছর হিসেবে পরিচিত, তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৭৪৩</strong>।</p>
৮৯৩৩
চার্লস উইলকিন্স হুগলিতে বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন কত খ্রিস্টাব্দে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৭৭৮</strong> খ্রিস্টাব্দ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে এই সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>চার্লস উইলকিন্স হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা বা প্রেসটি স্থাপন করেন <strong>১৭৭৮</strong> সালে।</li>
<li>এই ছাপাখানার মাধ্যমেই ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেডের লেখা বিখ্যাত বই <em>'A Grammar of the Bengal Language'</em> প্রথম মুদ্রিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা টাইপ বা হরফ তৈরির কারিগর হিসেবে চার্লস উইলকিন্সকে মনে রাখলে এই সালটি সহজেই মাথায় গেঁথে থাকবে।</p>
<p>বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা হলো <strong>৩৭টি</strong>। আমাদের বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ থাকলেও, সবগুলোকে মৌলিক ধ্বনি বলা যায় না। এই ৩৭টি মৌলিক ধ্বনিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরধ্বনি:</strong> বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি রয়েছে ৭টি।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনধ্বনি:</strong> বাংলায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে ৩০টি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই ৭টি স্বরধ্বনি এবং ৩০টি ব্যঞ্জনধ্বনি মিলে মোট <strong>$7 + 30 = 37$</strong> টি মৌলিক ধ্বনি গঠিত হয়। মনে রাখার সুবিধার্থে মাথায় রাখবেন, বর্ণমালার অনেক বর্ণই উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক নয়, তাই মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা বর্ণমালার মোট সংখ্যার চেয়ে কম হয়।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সঠিক সংখ্যা হলো <strong>২০টি</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণ বইগুলোতে এই ২০টি উপসর্গের একটি নির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া থাকে যা আমাদের মুখস্থ রাখতে হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য আপনি এই তালিকাটি এক নজরে দেখে নিতে পারেন:</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা হলো <strong>২৩ জন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে পদকর্তার সংখ্যা ২৩ জনই স্বীকৃত।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদের সংখ্যা ৪৬টি (সাড়ে ৪৬টি)।</li>
<li>এই পদগুলো রচনা করেছেন মোট <strong>23</strong> জন সিদ্ধাচার্য।</li>
<li>লুইপাদকে চর্যাপদের আদি কবি বা প্রথম পদকর্তা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের রচয়িতা বা পদকর্তার মোট সংখ্যা হলো <strong>23</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা হলো <strong>২১টি</strong>। ব্যাকরণবিদদের মতে, বাংলা ভাষায় নিজস্ব বা খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো হলো:</p>
<p>এই ২১টি উপসর্গ মনে রাখার জন্য একটি প্রচলিত ছন্দ বা বাক্য আছে, যা দিয়ে খুব সহজেই এগুলো আয়ত্ত করা যায়। মনে রাখবেন, বাংলা পরীক্ষায় এই সংখ্যাটি বারবার আসে, তাই <strong>২১</strong> সংখ্যাটি ভালোভাবে মাথায় গেঁথে নিন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২৩টি</strong>। ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ, যা বিশ্বদরবারে সমাদৃত হয়েছে। এর জনপ্রিয়তা ও গুরুত্বের কারণেই এটি বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এই লোকগাথাগুলো তার সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক মূল্যের কারণে দেশ-বিদেশের গবেষকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।</li>
<li>বিভিন্ন তথ্যসূত্র অনুযায়ী, এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মটি এখন পর্যন্ত মোট <strong>23</strong> টি ভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশ্বসাহিত্যে এর প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা বোঝাতে এই সংখ্যাটি মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা হলো <strong>২১টি</strong>। ব্যাকরণবিদদের মতে, এই উপসর্গগুলো বাংলা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় অর্ধ মাত্রার বর্ণ মোট <strong>৮টি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়। আমাদের বর্ণমালায় পূর্ণ মাত্রা, অর্ধ মাত্রা এবং মাত্রাহীন—এই তিন ধরনের বর্ণ রয়েছে। অর্ধ মাত্রার বর্ণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণের মধ্যে মাত্র ১টি: <strong>ঋ</strong></li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ৭টি: <strong>খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ</strong></li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মোট বর্ণ সংখ্যা হলো $1 + 7 = 8$ টি। এই ৮টি বর্ণ ছাড়া বাকি বর্ণগুলো হয় পূর্ণ মাত্রার, নয়তো মাত্রাহীন। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৮</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।