<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই শব্দগুলো আমাদের নিজস্ব ভাষার শব্দ নয়।</p>
<ul>
<li><strong>কাগজ:</strong> এটি একটি ফারসি শব্দ।</li>
<li><strong>কলম:</strong> এটি আরবি শব্দ থেকে এসেছে।</li>
<li><strong>পেন্সিল:</strong> এটি ইংরেজি শব্দ (Pencil) থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>যেহেতু এই শব্দগুলো অন্য ভাষা থেকে ধার করে আমাদের বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এগুলোকে <strong>বিদেশী শব্দ</strong> বলা হয়।</p>
৯০৭৭
‘জানুয়ারি’ বানানে হ্রস্ব ই-কার হবার কারণ কোন শব্দের কারণে?
<p>‘জানুয়ারি’ শব্দটি একটি <strong>অতৎসম</strong> শব্দ। বাংলা ভাষায় বিদেশি বা অতৎসম শব্দের বানানে সাধারণত হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলায় যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি (যেমন: ইংরেজি, আরবি, ফারসি শব্দ), সেগুলোকে আমরা অতৎসম শব্দ বলি।</li>
<li>বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই জাতীয় বিদেশি শব্দের শেষে বা মাঝখানে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবসময় <strong>হ্রস্ব ই-কার</strong> ব্যবহার করতে হয়।</li>
<li>তাই ‘জানুয়ারি’ শব্দটিও যেহেতু বিদেশি বা অতৎসম, তাই এখানে দীর্ঘ ই-কার না হয়ে হ্রস্ব ই-কার হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোর মধ্যে <strong>'আ'</strong> একটি বিশেষ উপসর্গ, যা বাংলা এবং তৎসম—উভয় ক্ষেত্রেই পাওয়া যায়।</li>
<li>যখন 'আ' উপসর্গটি কোনো তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখন তাকে তৎসম উপসর্গ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>'আদান' এবং 'আগমন' শব্দ দুটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু থেকে এসেছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এই শব্দগুলোতে 'আ' উপসর্গটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের উৎস যদি তৎসম হয়, তবে তার সাথে যুক্ত উপসর্গটিও তৎসম হবে। তাই এই শব্দগুলোতে 'আ' হলো একটি <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>।</p>
৯০৭৯
ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়</strong>। কারণ ‘খোদা’ শব্দটির সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠন করেছে, যা কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়ম অনুসরণ করে। একটু খেয়াল করলেই বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘খোদা’ একটি বিশেষ শব্দ এবং এর সাথে ‘আই’ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দমূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তার সঠিক বিশ্লেষণ করলে এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের মধ্যেই পড়ে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকেই মূলত <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নামবাচক শব্দ বা প্রাতিপদিকের শেষে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেটাই তদ্ধিত প্রত্যয়।</li>
<li>যেমন: 'ঢাকা' একটি শব্দ, এর সাথে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে হয় 'ঢাকাই'। এখানে 'আই' হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হচ্ছে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li><strong>খোদা</strong> হলো একটি বিশেষ্য পদ (শব্দমূল) এবং এর সাথে <strong>'আই'</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।</li>
<li>শব্দ বা নামপ্রকৃতির সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>অন্যদিকে, ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যুক্ত হলে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হতো। যেহেতু 'খোদা' কোনো ক্রিয়ামূল নয়, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই তদ্ধিত প্রত্যয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'খোদা' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে যখন 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সেটি নতুন একটি শব্দ গঠন করে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু 'খোদা' একটি বিশেষ্য, তাই এর সাথে যুক্ত 'আই' প্রত্যয়টি মূলত একটি <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যুক্ত হয়ে যে প্রত্যয় নতুন শব্দ তৈরি করে, সেটিই তদ্ধিত প্রত্যয়। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।</p>
৯০৮৪
অঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য ধ্বনি হয়। এটির উদাহরণ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: রাজ + নী = রাজ্ঞী</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! নিয়ম অনুযায়ী, অঘোষ অল্পপ্রাণ বা ঘোষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনির পরে যদি নাসিক্য ধ্বনি থাকে, তবে তা পরিবর্তিত হয়ে তালব্য নাসিক্য ধ্বনি (যেমন: <strong>জ্ঞ</strong>) তে রূপ নেয়। এখানে 'রাজ' শব্দের জ-কার হলো একটি তালব্য ধ্বনি এবং 'নী' এর ন-কার মিলে যুক্ত হয়ে <strong>জ্ঞ</strong> (জ+ঞ) তৈরি করেছে, যা সঠিক সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>রাজ্ঞী</strong> গঠন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তদানিং</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটির মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>ইদানীং</strong> শব্দটির অর্থ হলো বর্তমান সময় বা এই সময়ের কাছাকাছি কোনো সময়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তদানিং</strong> শব্দটি মূলত 'তদানীন্তন' বা 'তৎকালীন' অর্থ প্রকাশ করে, যা দিয়ে অনেক আগের বা অতীত কোনো সময়কে বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইদানীং মানে 'এখন' আর তদানিং মানে 'তখন'। তাই সময়ের পার্থক্যের কারণে এরা একে অপরের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>তত্ত্ব শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>তদ্ + ত্ব</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'দ্'-এর সাথে 'ত' যুক্ত হলে তা 'ত্ত' হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>তদ্</strong> পদের শেষে থাকা 'দ্' এবং <strong>ত্ব</strong> পদের শুরুতে থাকা 'ত' মিলে যুক্তবর্ণ তৈরি করে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি দাঁড়ায়: $দ্ + ত = ত্ত$।</li>
</ul>
<p>এভাবেই 'তদ্' এবং 'ত্ব' মিলে 'তত্ত্ব' শব্দটি গঠিত হয়। মনে রাখা সহজ, এখানে 'দ্' ধ্বনিটি 'ত'-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে দ্বিত্ব রূপ ধারণ করেছে।</p>
৯০৮৭
অঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য ধ্বনি হয়। এর উদাহরণ কোনটি ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজ + নী = রাজ্ঞী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় সন্ধির নিয়মের মাধ্যমে:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, তালব্য ধ্বনি (যেমন: জ) এর পরে যদি নাসিক্য ধ্বনি (যেমন: ন) আসে, তবে সেই নাসিক্য ধ্বনিটি তালব্য নাসিক্য ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে 'রাজ' শব্দের শেষে 'জ' একটি তালব্য ধ্বনি।</li>
<li>এর সাথে 'নী' যুক্ত হওয়ার সময় 'ন' পরিবর্তিত হয়ে তালব্য নাসিক্য ধ্বনি 'ঞ' তে পরিণত হয়।</li>
<li>ফলাফল হিসেবে আমরা পাই: <strong>রাজ + নী = রাজ্ঞী</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তালব্য ধ্বনির প্রভাবে নাসিক্য ধ্বনিটিও তালব্য রূপ ধারণ করে, যা এই উদাহরণটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মূলছত্র/লেখকের উদ্ধৃতি</strong>।</p>
<p>ভাব-সম্প্রসারণ করার সময় মূল ভাবের গভীরতা নিজের ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে হয়। তাই উদ্দীপকের মূল লাইনটি বা কোনো বিশেষ উদ্ধৃতি হুবহু বারবার ব্যবহার না করে, নিজের মতো করে সহজ ও সাবলীল ভাষায় তার ভাবার্থ বুঝিয়ে লেখাটাই নিয়ম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে নতুন কোনো অর্থ তৈরি হয়, তখন সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'উচ্ছৃঙ্খল' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'উৎ' (যা একটি উপসর্গ বা অব্যয়) যোগে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'উপ', 'প্রতি', 'অনু', 'উৎ' ইত্যাদি অব্যয় বা উপসর্গ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুলো সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত' অর্থে 'উৎ' উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে <strong>অব্যয়ীভাব</strong> সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যাবর্তন</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, 'পালট' বা 'পাল্টা' শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো কিছুর উল্টো বা বিপরীত অবস্থা। যখন কোনো কিছু আগের অবস্থায় ফিরে আসে বা ঘুরে আসে, তখন তাকেই আমরা প্রত্যাবর্তন বা ফিরে আসা বলি। তাই শব্দার্থের বিচারে এখানে প্রত্যাবর্তনই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।