<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ ভাগে</strong>। বিদ্যাপতির জন্মকাল নিয়ে সাহিত্যিকদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, অধিকাংশ গবেষক ও ঐতিহাসিকদের মতে তাঁর সময়কালটি ছিল নিম্নরূপ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি মূলত মিথিলার অধিবাসী ছিলেন এবং তিনি সুলতানি আমলের শুরুর দিকের কবি।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য ও তাঁর কাব্যধারার বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি <strong>১৩৫০ থেকে ১৪৫০</strong> খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে তাঁর সাহিত্যকর্মের বিকাশ ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li>এই সময়সীমাটি মূলত <strong>চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ ভাগ</strong> এবং পঞ্চদশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তাঁর জীবনকাল ও কর্মজীবনের ধারা পর্যালোচনা করলে চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ ভাগকেই তাঁর জন্মের উপযুক্ত সময় হিসেবে ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃত্রিম</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'নৈসর্গিক' শব্দের অর্থ হলো যা প্রকৃতি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় বা প্রাকৃতিক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নৈসর্গিক</strong> মানেই হলো প্রাকৃতিক বা সৃষ্টিকর্তার তৈরি।</li>
<li>এর ঠিক উল্টোটা হলো মানুষের হাতে তৈরি বা মানুষের দ্বারা বানানো কোনো কিছু, যাকে আমরা বলি <strong>কৃত্রিম</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো প্রাকৃতিক বিষয়ের বিপরীত শব্দ খুঁজতে বলবে, চোখ বন্ধ করে 'কৃত্রিম' শব্দটি বেছে নিতে পারেন। এটিই সবচেয়ে মানানসই এবং সঠিক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুরূপ তাপ</strong>। সমাসবদ্ধ পদ 'অনুতাপ'-এর অর্থ হলো কোনো কাজের পর সেই কাজের জন্য মনে যে অনুশোচনা বা তাপ অনুভূত হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো পদের পূর্বপদ 'অনু' থাকে এবং তা পশ্চাৎ বা সাদৃশ্য বোঝায়, তখন ব্যাসবাক্য করার সময় তা মূল পদের সাথে যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অনু</strong> উপসর্গটি এখানে 'পশ্চাৎ' বা 'সাদৃশ্য' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, কোনো ঘটনার পরে যে তাপ বা অনুশোচনা তৈরি হয়, সেটিই হলো <strong>অনুরূপ তাপ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অনুতাপ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: অনু + তাপ = অনুতাপ। তাই এর সঠিক ব্যাসবাক্য হবে <strong>অনুরূপ তাপ</strong>।</p>
৯০৩৪
‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’ এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।</strong></p>
<p>বাক্য পরিবর্তনের সময় অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে রূপান্তর করাই হলো আসল কৌশল। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li>মূল বাক্যে বলা হয়েছে <strong>'চলে না'</strong>, অর্থাৎ এটি একটি নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্য।</li>
<li>অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে আমাদের এমন একটি শব্দ খুঁজতে হবে যা মূল বাক্যের নেতিবাচক অর্থকে বজায় রাখে।</li>
<li>'চলে না'-এর বিপরীত শব্দ হলো <strong>'অচল'</strong>। তাই 'চলে না' সরিয়ে সেখানে 'অচল হয়ে পড়ে' ব্যবহার করলে বাক্যের মূল অর্থ ঠিক থাকে এবং বাক্যটি অস্তিবাচক রূপ পায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সে ঢাকা যাবে না।</strong> কারণ, যে বাক্যে কোনো কিছু সাধারণভাবে বর্ণনা বা বিবৃতি দেওয়া হয়, তাকেই বিবৃতিমূলক বা নির্দেশক বাক্য বলে।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিবৃতিমূলক বাক্য:</strong> এখানে কোনো তথ্য বা ঘটনা সরাসরি প্রকাশ পায় (যেমন: সে ঢাকা যাবে না)।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো খেয়াল করলে দেখবেন, সেখানে ইচ্ছা প্রকাশ, প্রশ্ন করা বা বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে, যা বিবৃতিমূলক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
</ul>
<p>তাই, কোনো কিছু সম্পর্কে সাধারণ তথ্য বা নেতিবাচক তথ্য প্রদান করলে সেটিই বিবৃতিমূলক বাক্য হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আল হামরা, স্পেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। নতুন সপ্তাশ্চর্যের তালিকায় আল হামরার নাম নেই, কারণ এটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও আধুনিক বিশ্বের নতুন সাতটি বিস্ময়ের তালিকায় স্থান পায়নি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখুন:</p>
<ul>
<li>নতুন সপ্তাশ্চর্যের তালিকায় থাকা স্থানগুলো হলো: <strong>তাজমহল</strong> (ভারত), <strong>মহাপ্রাচীর</strong> (চীন), <strong>পেত্রা</strong> (জর্ডান), <strong>কলোসিয়াম</strong> (ইতালি), <strong>মাচু পিচু</strong> (পেরু), <strong>চিচেন ইৎজা</strong> (মেক্সিকো) এবং <strong>ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার</strong> (ব্রাজিল)।</li>
<li>যেহেতু আল হামরা এই তালিকার বাইরে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তাকে তিরস্কার করা হয়েছিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ইংরেজি ভাষায় <strong>"take to task"</strong> একটি বাগধারা বা Idiom।</p>
<ul>
<li>এর আক্ষরিক অর্থ কোনো কাজ দেওয়া নয়, বরং এর অর্থ হলো কাউকে কোনো ভুল বা অপরাধের জন্য ভর্ৎসনা করা বা তিরস্কার করা।</li>
<li>তাই যখনই বাক্যে <strong>"He was taken to task"</strong> ব্যবহার করা হয়, তখন এর অর্থ দাঁড়ায় তাকে তার কাজের জন্য জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে বা তাকে তিরস্কার করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি একটি নির্দিষ্ট বাগধারা যা মনে রাখলে এমন প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তাকে তিরস্কার করা হয়েছিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ইংরেজি বাগধারা বা Idiom-এর অর্থ আক্ষরিক অনুবাদের ওপর নির্ভর করে না।</p>
<ul>
<li><strong>Take to task</strong> একটি ফ্রেজ, যার অর্থ হলো কাউকে কোনো ভুলের জন্য ভর্ৎসনা করা বা তিরস্কার করা।</li>
<li>বাক্যটিতে যখন বলা হয় <strong>He was taken to task</strong>, তখন এর মানে দাঁড়ায় তাকে তার কোনো কাজের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে বা বকাঝকা করা হয়েছে।</li>
<li>তাই আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর ভাবার্থ হিসেবে <strong>তিরস্কার করা</strong> অপশনটিই এখানে নির্ভুল।</li>
</ul>
<p>‘কাশবনের কন্যা’ উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো <strong>জেলে ও বেদেদের জীবনকাহিনী</strong>। এই উপন্যাসটি মূলত নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে লেখা।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটিতে লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে বেদে সম্প্রদায়ের যাযাবর জীবন এবং জেলেদের নদীকেন্দ্রিক সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>গল্পের পরতে পরতে তাদের সুখ-দুঃখ, অভাব-অনটন এবং প্রকৃতির সাথে টিকে থাকার লড়াই ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি কোনো সাধারণ গ্রামীণ জীবন নয়, বরং নির্দিষ্টভাবে জলপথের মানুষের জীবনসংগ্রামের এক জীবন্ত দলিল।</li>
</ul>
৯০৪০
কোন উপসর্গগুলো খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দে পাওয়া যায় ?
<p>বাংলা ভাষায় কিছু উপসর্গ আছে যা একই সাথে খাঁটি বাংলা এবং তৎসম (সংস্কৃত) উভয় ধরনের শব্দের সাথেই ব্যবহৃত হতে পারে। সঠিক উত্তর হলো <strong>আ, সু, বি, নি</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>আ:</strong> যেমন— 'আকাল' (বাংলা) আবার 'আকণ্ঠ' (তৎসম)।</li>
<li><strong>সু:</strong> যেমন— 'সুদিন' (বাংলা) আবার 'সুনাম' (তৎসম)।</li>
<li><strong>বি:</strong> যেমন— 'বিফল' (বাংলা) আবার 'বিচিত্র' (তৎসম)।</li>
<li><strong>নি:</strong> যেমন— 'নিখুঁত' (বাংলা) আবার 'নিপাত' (তৎসম)।</li>
</ul>
<p>এই চারটি উপসর্গ বাংলা ব্যাকরণে উভয় শব্দের সাথে মিলেমিশে কাজ করে, তাই এগুলোকে উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য উপসর্গ বলা হয়।</p>
৯০৪১
কোন উপসর্গগুলো খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দে পাওয়া যায়?
<p>‘প্রচলিত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>ইত</strong> প্রত্যয়যোগে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বুঝতে পারো:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ বা প্রকৃতি হলো <strong>প্রচল</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>ইত</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়েছে <strong>প্রচল + ইত = প্রচলিত</strong>।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যখন ‘ইত’ যুক্ত হয়, তখন তা সাধারণত কোনো কিছুর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে ‘ইত’ ধ্বনিটি স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে বলেই এখানে <strong>ইত প্রত্যয়</strong> সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গিন্নী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অর্ধতৎসম শব্দ</strong> বলতে সেই শব্দগুলোকে বোঝায়, যেগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>'গৃহিণী'</strong> থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে <strong>'গিন্নী'</strong>।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি পুরোপুরি সংস্কৃত (তৎসম) নয়, আবার পুরোপুরি খাঁটি বাংলা (তদ্ভব) শব্দও নয়, তাই একে অর্ধতৎসম শব্দ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সামান্য রূপ বদলে বাংলায় জায়গা করে নিয়েছে, সেগুলোই অর্ধতৎসম। এই তালিকায় 'গিন্নী' একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>নজিবর রহমানের উপাধি হলো <strong>সাহিত্যরত্ন</strong>। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজিবর রহমান মূলত তাঁর সমাজ সংস্কারমূলক এবং শিক্ষামূলক উপন্যাসের জন্য পরিচিত।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর বিশেষ পরিচিতি ও সম্মান বোঝাতে <strong>সাহিত্যরত্ন</strong> উপাধিটি তাঁর নামের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।