eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯০৪৬

‘সকলের .... সকলে আমরা।’ শুন্যস্থানে প্রচলিত শব্দটি চিহ্নিত করুন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তরে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তরে</strong>। এটি একটি বিখ্যাত কবিতার লাইন যা মূলত 'সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে' হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'তরে' শব্দটি মূলত 'জন্য' বা 'উদ্দেশ্যে' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>কবিতার ছন্দ এবং ভাবার্থ ঠিক রাখতে এখানে 'তরে' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রচলিত।</li>
</ul>
৯০৪৭

ফুলদল দিয়া কাটিলা কি বিধি শাল্মলী তরুবরে? - এখানে কর্মকারক কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তরুবরে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তরুবরে</strong>। কারণটি খুব সহজ—বাক্যে যাকে বা যে বস্তুকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকেই কর্মকারক বলে।</p>

<ul>
<li>এখানে মূল ক্রিয়া হলো <strong>কাটিলা</strong> (কাটা)।</li>
<li>কাটার কাজটি কার ওপর বা কিসের ওপর করা হচ্ছে? উত্তর হলো <strong>শাল্মলী তরুবরে</strong> (শিমুল গাছে)।</li>
<li>যেহেতু কাটার কাজটি গাছটিকে কেন্দ্র করে ঘটছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী <strong>তরুবরে</strong> পদটি এখানে কর্মকারক।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যাকে কাটা হচ্ছে সেই হলো কর্ম। তাই এখানে <strong>তরুবরে</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
৯০৪৮

অর্বাচীন-এর বিপরীতার্থক শব্দ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন
৯০৪৯

কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলোছায়া
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলোছায়া</strong>। দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় 'ও', 'এবং' বা 'আর' অব্যয় ব্যবহৃত হয়।</p>

<ul>
<li><strong>আলোছায়া</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>আলো ও ছায়া</strong>।</li>
<li>এখানে 'আলো' এবং 'ছায়া' উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানে 'ও' অব্যয়টি লুকিয়ে আছে এবং দুটি বিপরীতধর্মী বা সমজাতীয় পদের মিলন ঘটেছে, তাই এটি নির্দ্বিধায় একটি দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দকে ভাঙলে মাঝখানে 'ও' বা 'এবং' বসানো যায় এবং দুই পাশের শব্দই সমান গুরুত্ব পায়, তখনই সেটি দ্বন্দ্ব সমাস।</p>
৯০৫০

‘কৃপাণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তরবারি
ব্যাখ্যা:
<p>‘কৃপাণ’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>তরবারি</strong>। সহজ কথায় বলতে গেলে, প্রাচীনকালে যুদ্ধক্ষেত্রে যোদ্ধারা যে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করতেন, তাকেই কৃপাণ বলা হয়।</p>

<p>মনে রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস:</p>
<ul>
<li>সাহিত্য বা কবিতার ভাষায় বীরত্বের প্রতীক হিসেবে ‘কৃপাণ’ শব্দটি প্রায়ই তরবারির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>শব্দটি শুনলে মাথায় যেন একটি ধারালো অস্ত্রের ছবি ভেসে ওঠে, তাহলেই এটি মনে রাখা খুব সহজ হবে।</li>
</ul>
৯০৫১

‘খড়গ’ এর সমার্থক শব্দ নয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চাকু
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাকু</strong>। কারণ খড়গ, অসি, কৃপাণ এবং তরবারি—এই শব্দগুলো মূলত যুদ্ধের কাজে ব্যবহৃত বড় আকারের ধারালো অস্ত্র বা তলোয়ারকে বোঝায়। অন্যদিকে, চাকু হলো দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত একটি ছোট ধারালো সরঞ্জাম। তাই অর্থের দিক থেকে এটি বাকিগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।</p>

<ul>
<li><strong>খড়গ, অসি, কৃপাণ, তরবারি:</strong> এগুলো সব তলোয়ারের সমার্থক শব্দ।</li>
<li><strong>চাকু:</strong> এটি ছোট আকারের একটি কাটার যন্ত্র, যা তলোয়ারের সমার্থক নয়।</li>
</ul>
৯০৫২

'হিল্লোল' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ
ব্যাখ্যা:
<p>'হিল্লোল' শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>তরঙ্গ</strong>। সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো কিছুর ওপর দিয়ে ঢেউ বা লহরি খেলে যাওয়াকেই হিল্লোল বলা হয়।</p>

<ul>
<li>হিল্লোল মানেই হলো জলের বা বাতাসের মৃদু ঢেউ।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় একে অনেক সময় 'কল্লোল' বা 'লহরি'র সমার্থক হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ মনে রাখার উপায়: পুকুরে ঢিল ছুড়লে যেমন ছোট ছোট ঢেউ তৈরি হয়, সেই ঢেউগুলোকেই কাব্যিক ভাষায় <strong>হিল্লোল</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৯০৫৩

সমুদ্র শব্দের বিপরীত শব্দ হলো -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্রোতস্বিনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>সমুদ্র</strong> বলতে আমরা বিশাল জলরাশি বা স্থির জলাধারকে বুঝি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>স্রোতস্বিনী</strong> শব্দের অর্থ হলো নদী, যার নিজস্ব গতি বা স্রোত আছে।</li>
<li>যেহেতু সমুদ্র স্থির বা বিশাল জলরাশির আধার এবং নদী বা স্রোতস্বিনী বহমান ধারার প্রতীক, তাই ব্যাকরণগতভাবে সমুদ্রের বিপরীত শব্দ হিসেবে স্রোতস্বিনীকেই সবচেয়ে উপযুক্ত ধরা হয়।</li>
</ul>
৯০৫৪

আগুন এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পাবক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাবক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আগুনের অনেকগুলো সমার্থক শব্দের মধ্যে 'পাবক' অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'পাবক' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যা পবিত্র করে বা যা দহন করে।</li>
<li>অগ্নি বা আগুনের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে অনল, হুতাশন, বহ্নি এবং শিখা বেশ পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আগুনের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'পাবক' শব্দটি আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৯০৫৫

কোনটি 'অন্ধকার' শব্দের সমার্থক শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তমসা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তমসা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে 'অন্ধকার' বা 'অমানিশা' বোঝাতে 'তমসা' শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>'তম' বা 'তমস' শব্দটির মূল অর্থই হলো অন্ধকার বা আধার।</li>
<li>সেই হিসেবে 'তমসা' শব্দটি অন্ধকার বা অন্ধকারাচ্ছন্ন কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করে।</li>
<li>শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর জন্য এই ধরনের সমার্থক শব্দগুলো বারবার পড়ার অভ্যাস করলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
৯০৫৬

‘রাত্রি’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যামিনী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যামিনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'রাত্রি' বা রাতের অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'যামিনী' অন্যতম।</p>

<ul>
<li>'যামিনী' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যা সরাসরি রাতের একটি কাব্যিক ও শুদ্ধ রূপ।</li>
<li>সাধারণত সাহিত্য বা পরীক্ষায় যখনই 'রাত্রি'র সমার্থক শব্দ জানতে চাওয়া হয়, তখন 'যামিনী', 'রজনী' বা 'নিশা' শব্দগুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো রাতের সাথে সম্পর্কিত হলেও সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে 'যামিনী' সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও নির্ভুল।</li>
</ul>
৯০৫৭

বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সবান্ধব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবান্ধব</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এটি এমন একটি সমাস যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে সরাসরি না বুঝিয়ে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে।</p>

<p>বিষয়টি এভাবে খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সবান্ধব</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>বান্ধবের সহিত বর্তমান যিনি</strong>।</li>
<li>এখানে 'সবান্ধব' শব্দটি নিজে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে, যার সাথে বন্ধু আছে এমন একজনকে বোঝাচ্ছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, সেটিই বহুব্রীহি।</li>
</ul>

<p>তাই 'সবান্ধব' শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
৯০৫৮

'তপোবন' এর সন্ধি বিচ্ছেদ----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তপঃ+বন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তপঃ+বন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলে।</p>

<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) আগে যদি 'অ' থাকে এবং পরে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ অথবা য়, র, ল, ব, হ থাকে, তবে বিসর্গটি 'ও' কারে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে 'তপঃ' শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার আগে 'অ' ধ্বনি রয়েছে।</li>
<li>পরের শব্দ 'বন'-এর শুরুতে 'ব' থাকায় বিসর্গটি ও-কারে পরিবর্তিত হয়ে 'তপোবন' শব্দটি গঠন করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, <strong>তপঃ + বন = তপোবন</strong>।</p>
৯০৫৯

‘তন্বী' শব্দের কোনটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তনু+ঈ
ব্যাখ্যা:
<p>‘তন্বী’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>তনু + ঈ</strong>। এটি মূলত য-ফলা বা ব-ফলা যুক্ত সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে যদি <strong>উ-কার</strong> (ু) থাকে এবং তার সাথে <strong>দীর্ঘ-ঈ</strong> (ঈ) যুক্ত হয়, তবে সেটি মিলে <strong>ব-ফলা</strong> (্ব) তৈরি করে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক যুক্তিতে বিষয়টি এমন:
$$উ + ঈ = ব-ফলা (্ব)$$</li>
<li>সেই নিয়মেই, <strong>তনু</strong> শব্দের শেষকার <strong>উ</strong> এবং <strong>ঈ</strong> মিলে <strong>ব-ফলা</strong> তৈরি করে শব্দটিকে <strong>তন্বী</strong>-তে রূপান্তর করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় <strong>তনু + ঈ = তন্বী</strong>। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>তনু + ঈ</strong>।</p>
৯০৬০

‘মৃগঙ্ক’ শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রভাকর
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুধাকর</strong> (দ্রষ্টব্য: আপনার দেওয়া অপশনে 'সুধাকর' সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে, কারণ 'মৃগঙ্ক' শব্দের অর্থ হলো চাঁদ)।</p>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মৃগঙ্ক শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় মৃগ + অঙ্ক, যার অর্থ হলো যার গায়ে হরিণের চিহ্ন আছে।</li>
<li>পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী চাঁদের গায়ে হরিণের মতো দাগ দেখা যায়, তাই চাঁদকে 'মৃগঙ্ক' বলা হয়।</li>
<li><strong>সুধাকর</strong> শব্দটির অর্থও হলো চাঁদ (যিনি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করেন)।</li>
</ul>

<p>তাই চাঁদ বা চন্দ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা সহজেই <strong>সুধাকর</strong>-কে বেছে নিতে পারি।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।