<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তনু</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—বাকি শব্দগুলো সরাসরি চুলের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অলক</strong>, <strong>কুন্তল</strong> এবং <strong>চিকুর</strong>—এই তিনটি শব্দই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ, যা দিয়ে মাথার চুল বোঝানো হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তনু</strong> শব্দের অর্থ হলো শরীর বা দেহ। এটি চুলের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চুল বোঝাতে আমরা সাধারণত কেশ, অলক, কুন্তল বা চিকুর ব্যবহার করি, কিন্তু তনু দিয়ে বোঝানো হয় মানুষের শরীরকে। তাই এখানে তনু শব্দটিই আলাদা বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
<p>‘তন্বী’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>তনু + ঈ</strong>। এটি মূলত য-ফলা সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে যদি <strong>উ-কার</strong> ($উ$) থাকে এবং তার সাথে <strong>দীর্ঘ-ই</strong> ($ঈ$) যুক্ত হয়, তবে উ-কারটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>ব-ফলা</strong> ($ব$) হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, $উ + ঈ = ব + ঈ = ব্বী$।</li>
<li>এই নিয়মটি প্রয়োগ করলে আমরা পাই: $তনু + ঈ = তন্বী$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দের শুরুতে ব-ফলা আছে, তখন বুঝে নেবেন সেখানে 'উ' বা 'উ-কার' লুকিয়ে আছে। তাই তন্বী ভাঙলে আমরা পাই তনু এবং ঈ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তটিনী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘তট’ শব্দের অর্থ হলো কিনারা বা তীর।</li>
<li>যেহেতু নদী তার দুই তীরের মধ্য দিয়ে বয়ে চলে, তাই নদীকে বলা হয় <strong>তটিনী</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, নদীর প্রবাহ বা তটরেখা ধরে চলে বলেই এর নাম তটিনী।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো নদীর সাথে সম্পর্কিত নয়, তাই বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি <strong>তটিনী</strong> শব্দটি মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>‘কন্যা’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>তনয়া</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>‘তনয়’ শব্দের অর্থ পুত্র বা ছেলে, আর এর সাথে স্ত্রীলিঙ্গবাচক ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘তনয়া’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ কন্যা বা মেয়ে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের মূল বা প্রকৃতি-প্রত্যয় খেয়াল করা।</li>
<li>এখানে ‘তন’ ধাতু থেকে ‘তনয়’ বা ‘তনয়া’ শব্দের উৎপত্তি, যা সরাসরি সন্তান বা বংশধরকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষায় যখনই কন্যা বা মেয়ের সমার্থক শব্দ আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>তনয়া</strong> বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হুতাশন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অগ্নি’ শব্দের অর্থ হলো আগুন বা আগুনকে যে ভক্ষণ করে।</li>
<li>পৌরাণিক বা সাহিত্যিক ভাষায় আগুনকে <strong>হুতাশন</strong> বলা হয়, কারণ এটি সবকিছু দহন বা ভস্মীভূত করে ফেলে।</li>
<li>সহজ কথায়, আগুনের সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘হুতাশন’, ‘অনল’, ‘বহ্নি’ বা ‘পাবক’ শব্দগুলো নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অগ্নি’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>হুতাশন</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অংশু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'কিরণ' শব্দের অর্থ হলো আলো বা রশ্মি। বাংলা সাহিত্যে ও ব্যাকরণে 'অংশু' শব্দটি আলোর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>কিরণ</strong> মানে হলো আলো বা আলোকচ্ছটা।</li>
<li><strong>অংশু</strong> শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো রশ্মি বা কিরণ।</li>
<li>সহজ কথায়, সূর্যের আলোকে অনেক সময় 'অংশুমালী' বলা হয়, যার অর্থ হলো যার অনেকগুলো কিরণ বা রশ্মি আছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সুবিধার্থে মাথায় রাখুন: কিরণ = রশ্মি = অংশু।</p>
<p>‘তন্ময়’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>তৎ + ময়</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণের (ক, চ, ট, ত, প) পরে যদি নাসিক্য বর্ণ (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি পরিবর্তিত হয়ে সেই বর্গেরই পঞ্চম বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে ‘ত’ বর্গের পঞ্চম বর্ণ হলো ‘ন’। তাই সন্ধির সময় ‘তৎ’ এর ‘ত’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ন’ হয়ে যায়।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>তৎ + ময় = তন্ময়</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখনই দেখবেন কোনো শব্দের মাঝে দ্বিত্ব বর্ণ হিসেবে ‘ন’ বা ‘ম’ আছে, তখন বুঝতে হবে সেখানে ‘ত’ বা ‘ৎ’ এর সাথে নাসিক্য বর্ণের মিলন ঘটেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পারিভাষিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যা মূলত ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'সচিব' শব্দটি ইংরেজি 'Secretary' শব্দের পারিভাষিক রূপ।</li>
<li>যেসব শব্দ কোনো নির্দিষ্ট পরিভাষা বা বিশেষ অর্থ বহন করে, তাদেরই আমরা পারিভাষিক শব্দ বলি।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'সচিব' একটি চমৎকার পারিভাষিক শব্দের উদাহরণ।</p>
৯০৬৯
সংস্কৃত ভাষা থেকে যেসব শব্ত সোজাসোজি বাংলায় এসেছে ও যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>তৎ</strong> মানে 'তার' (অর্থাৎ সংস্কৃতের) এবং <strong>সম</strong> মানে 'সমান'।</li>
<li>যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই হুবহু বাংলায় চলে এসেছে, সেগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় তৎসম শব্দ বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, সংস্কৃতের সাথে যাদের রূপ ও অর্থ একদম সমান, তারাই তৎসম। যেমন: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন ইত্যাদি।</li>
</ul>
৯০৭০
কোন ধরনের শব্দ সমাসবদ্ধ পদের মত নতুন শব্দের ও অর্থের সৃষ্টি করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিশ্র শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মিশ্র শব্দ তৈরির মূল কৌশলই হলো ভিন্ন ভিন্ন ভাষার শব্দের মিলন ঘটানো।</p>
<ul>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ একসাথে যুক্ত হয়ে একটি নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, তখনই তাকে মিশ্র শব্দ বলা হয়।</li>
<li>এটি অনেকটা সমাসবদ্ধ পদের মতোই কাজ করে, যেখানে দুটি আলাদা অংশ মিলে একটি নতুন একক অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, <strong>'হেড'</strong> (ইংরেজি) + <strong>'মৌলভী'</strong> (ফারসি) = <strong>'হেডমৌলভী'</strong>।</li>
<li>এখানে দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে একটি নতুন বিশেষ অর্থ তৈরি করেছে, যা মিশ্র শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৯০৭১
যে শব্দকে ভাঙ্গা বা বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে কি বলে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌলিক শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে শব্দগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাদেরই মৌলিক শব্দ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মৌলিক শব্দ:</strong> এগুলো একদম খাঁটি বা অবিভাজ্য। যেমন: হাত, বই, কলম, মা। এগুলোকে ভাঙলে কোনো অর্থ থাকে না।</li>
<li><strong>কেন অন্যগুলো নয়:</strong> যৌগিক বা রূঢ়ি শব্দগুলো সাধারণত একাধিক অংশ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, তাই সেগুলোকে বিশ্লেষণ করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, যে শব্দকে আর ছোট করা যায় না বা ভাঙলে অর্থ হারিয়ে ফেলে, সেটিই হলো <strong>মৌলিক শব্দ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশি</strong>। কারণটা খুব সহজ, এই উপসর্গগুলো মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>বর</strong> (যেমন: বরখাস্ত), <strong>বদ</strong> (যেমন: বদমেজাজ), এবং <strong>বাজে</strong> (যেমন: বাজেকথা) শব্দগুলো বাংলা ব্যাকরণে ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>এগুলো সাধারণত শব্দের শুরুতে বসে শব্দের অর্থ পরিবর্তন করে বা নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে উপসর্গগুলো সংস্কৃত বা খাঁটি বাংলা শব্দভাণ্ডার থেকে আসেনি, বরং বিদেশি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় যুক্ত হয়েছে, সেগুলোই বিদেশি উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে <strong>তৎসম</strong> শব্দ বলা হয়।</li>
<li>‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত ‘বি + আ + কৃ + অন’ ধাতু ও প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এর রূপ ও অর্থ সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি একটি খাঁটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ 'ক্ষুধা' থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে 'খিদে'।</li>
<li>যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পুরোপুরি তদ্ভব শব্দে রূপ নেয়নি, সেগুলোকে আমরা <strong>অর্ধ-তৎসম</strong> শব্দ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, 'ক্ষুধা' (তৎসম) এবং 'খুদ' (তদ্ভব) এর মাঝামাঝি অবস্থায় থাকা শব্দই হলো 'খিদে'।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'খিদে' শব্দটি একটি চমৎকার অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘গৃহিণী’ হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। আর এই তৎসম শব্দ যখন মানুষের মুখে মুখে একটু বদলে বা বিকৃত হয়ে সাধারণ ব্যবহারে চলে আসে, তখন তাকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। যেমন—'গৃহিণী' শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে মুখে মুখে হয়ে গেছে <strong>‘গিন্নী’</strong>। ঠিক একইভাবে, ‘জোৎসনা’ থেকে ‘জোসনা’ বা ‘শ্রাদ্ধ’ থেকে ‘সাধ’ হলো অর্ধ-তৎসম শব্দের দারুণ সব উদাহরণ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।