<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জমা ও খরচ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি একটি <strong>দ্বন্দ্ব সমাস</strong>।</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর' এই অব্যয়গুলো যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে 'জমা' এবং 'খরচ' দুটিই স্বতন্ত্র ও সমান গুরুত্বের শব্দ।</li>
<li>তাই এদের মাঝখানে 'ও' অব্যয়টি বসিয়ে খুব সহজেই ব্যাসবাক্যটি তৈরি করা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাশি-রাশি</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে বোঝায় যখন একটি শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>রাশি-রাশি</strong> শব্দটিতে একই শব্দ পরপর দুইবার বসেছে, যা আধিক্য বা অনেক বেশি পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, একই শব্দ হুবহু দুইবার বসে যদি বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকেই খাঁটি দ্বিরুক্ত শব্দ বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে শব্দগুলো সমার্থক বা বিপরীতার্থক জোড়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু হুবহু একই শব্দের পুনরাবৃত্তি কেবল এখানেই ঘটেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জনাকীর্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'জনবিরল' শব্দটির অর্থ হলো যেখানে মানুষের বসতি বা উপস্থিতি খুব কম।</li>
<li>অন্যদিকে, 'জনাকীর্ণ' শব্দের অর্থ হলো যেখানে মানুষের ভিড় বা জনসমাগম অনেক বেশি।</li>
<li>বিপরীত শব্দ খোঁজার সময় আমাদের এমন একটি শব্দ বেছে নিতে হয় যা মূল শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। তাই জনবিরলের বিপরীত হিসেবে জনাকীর্ণই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জনতা</strong>। সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবিভক্ত সমষ্টি বা দলকে বোঝানো হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>জনতা</strong> শব্দটি দিয়ে একক কোনো ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে অনেক মানুষের একটি দল বা সমষ্টিকে বোঝানো হয়।</li>
<li>যেসব শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর দল, ঝাক বা সমষ্টি প্রকাশ পায়, ব্যাকরণের ভাষায় সেগুলোই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।</li>
<li>যেমন: জনতা, সভা, সমিতি, পাল, বহর—এগুলো সবই সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৎ</strong>। বিশেষণ পদ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের দোষ-গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে কি না তা দেখা।</p>
<ul>
<li><strong>সৎ</strong> শব্দটি দিয়ে একজন মানুষের চারিত্রিক গুণ বা অবস্থা বোঝানো হয় (যেমন: সৎ মানুষ)।</li>
<li>যেহেতু এটি বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি বিশেষণ পদ।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—সততা, দর্শন বা জনতা—এগুলো মূলত বিশেষ্য পদ, কারণ এগুলো কোনো গুণ, শাস্ত্র বা সমষ্টির নাম বোঝায়।</li>
</ul>
<p>‘জনৈক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>জন + এক</strong>। এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘জন’ শব্দের শেষে একটি অ-কার (অ) আছে।</li>
<li>পরের শব্দের শুরুতে আছে এ-কার (এ)।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, অ + এ মিলে হয় ঐ-কার (ৈ)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>অ + এ = ঐ</strong> হওয়ার কারণেই ‘জন’ এবং ‘এক’ মিলে ‘জনৈক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। সন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে এ জাতীয় সব শব্দ খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>‘জনৈক’ শব্দটির সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>জন + এক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি এ-কার বা ঐ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে <strong>ঐ-কার</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘জন’ শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে এবং ‘এক’ শব্দের শুরুতে এ-কার আছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $অ + এ = ঐ$।</li>
<li>তাই, $জন + এক = জনৈক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে অ-কার এবং পরের শব্দের শুরুতে এ-কার থাকলে তা যুক্ত হয়ে ঐ-কার তৈরি করে, যা ‘জনৈক’ শব্দে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।</p>
<p>‘জনৈক’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জন + এক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর যদি এ-কার বা ঐ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে <strong>ঐ-কার</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘জন’ শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে এবং ‘এক’ শব্দের শুরুতে এ-কার আছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $অ + এ = ঐ$।</li>
<li>তাই, $জন + এক = জনৈক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের মাঝে ঐ-কার (ৈ) দেখবেন, তখন সেটিকে ভেঙে অ-কার এবং এ-কার আলাদা করে দিলেই সন্ধি বিচ্ছেদটি মিলে যাবে।</p>
<p>‘জনৈক’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>জন + এক</strong>। এটি মূলত বাংলা সন্ধির ‘অ’ বা ‘আ’-এর সাথে ‘এ’ বা ‘ঐ’ যুক্ত হয়ে ‘ঐ’ হওয়ার নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পূর্বপদের শেষে থাকা ‘অ’ এবং পরপদের শুরুতে থাকা ‘এ’ মিলে ‘ঐ’ কার (ৈ) তৈরি করে।</li>
<li>এখানে, জন (অ) + এক (এ) = জনৈক (ঐ)।</li>
<li>শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই: $জন + এক = জনৈক$।</li>
</ul>
<p>এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে আপনি যেকোনো ‘ঐ’ কার যুক্ত শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ খুব দ্রুত সমাধান করতে পারবেন।</p>
<p>ইংরেজি Complex বা Compound বাক্যগুলোকে বাংলায় অনুবাদ করার সময় সেগুলোকে <strong>একাধিক সরল বাক্যে</strong> ভেঙে ফেলা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এতে অনুবাদটি অনেক বেশি সাবলীল এবং বোধগম্য হয়।</p>
<p>এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি বাক্যের গঠন বেশ দীর্ঘ ও জটিল হয়, কিন্তু বাংলা ভাষায় ছোট ছোট বাক্যে ভাব প্রকাশ করা অনেক বেশি স্বাভাবিক।</li>
<li>একটি বড় জটিল বাক্যকে ভেঙে দুই বা ততোধিক সরল বাক্যে রূপান্তর করলে মূল অর্থ ঠিক থাকে এবং পাঠক খুব সহজে বিষয়টি বুঝতে পারেন।</li>
<li>এতে বাক্যের জটিলতা কমে যায় এবং পড়ার সময় জড়তা তৈরি হয় না, যা একটি ভালো অনুবাদের প্রধান শর্ত।</li>
</ul>
<p>তাই জটিল বা যৌগিক বাক্যকে সরাসরি অনুবাদ না করে সেগুলোকে ভেঙে ছোট ছোট সরল বাক্যে রূপান্তর করাই হলো সেরা কৌশল।</p>
৯৩১৩
‘যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে’ এটি একটি -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে, তাকেই জটিল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ‘যেহেতু’ এবং ‘সুতরাং’ অব্যয় দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>বাক্যটির গঠন লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ‘তুমি প্রথম হবে’—এই অংশটি ‘যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ’—এই শর্তের ওপর নির্ভরশীল।</li>
<li>যখনই বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়া (যেমন: যেহেতু-সেহেতু, যদি-তবে, যে-সে) থাকে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
৯৩১৪
‘বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা’। এটি কোন শ্রেণির বাক্য?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় বাক্যের গঠন দেখে।</p>
<ul>
<li>জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে।</li>
<li>এখানে 'এ' (এটি) এবং 'যে' (যা উহ্য আছে) এর মতো সাপেক্ষ সর্বনামের সম্পর্ক কাজ করছে।</li>
<li>বাক্যটিকে ভেঙে দেখলে বোঝা যায়, 'যে প্রার্থনাটি আমি করছি, তা বিপদ থেকে রক্ষার জন্য নয়'—এই ধরনের একটি নির্ভরশীল ভাব এখানে বিদ্যমান।</li>
<li>যেহেতু বাক্যটিতে একটি সাপেক্ষ ভাব ও খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক নির্ভরতা রয়েছে, তাই এটি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি জটিল বাক্য।</li>
</ul>
৯৩১৫
বিপদ এবং দুঃখ এক সময় আসে - এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে সাধারণত দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য থাকে, যা <strong>এবং</strong>, <strong>ও</strong>, <strong>অথবা</strong>, <strong>কিন্তু</strong>—এই জাতীয় অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে লক্ষ্য করুন, <strong>বিপদ</strong> এবং <strong>দুঃখ</strong> দুটি আলাদা বিশেষ্য পদ হলেও, পুরো বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন অংশকে <strong>এবং</strong> অব্যয়টি দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন দুটি পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশকারী বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়, তখন তাকে আমরা চোখ বন্ধ করে <strong>যৌগিক বাক্য</strong> বলতে পারি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।