<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠন লক্ষ্য করি।</p>
<ul>
<li>জটিল বাক্যে সাধারণত একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্যটি তার ওপর নির্ভরশীল থাকে।</li>
<li>এখানে 'যে' এবং 'তাকে'—এই সাপেক্ষ সর্বনামগুলো ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যখনই বাক্যে 'যে-সে', 'যিনি-তিনি' বা 'যেমন-তেমন' জাতীয় জোড়া শব্দ থাকে, তখনই সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>জটিল বাক্য</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে 'যে ভিক্ষা চায়' অংশটি 'তাকে দান কর' অংশের ওপর নির্ভরশীল, তাই এটি একটি জটিল বাক্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠন দেখি।</p>
<ul>
<li>একটি সরল বাক্যে সাধারণত একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।</li>
<li>এখানে 'সত্য কথা না বলে' অংশটি একটি খণ্ডাংশ বা বাক্যাংশ মাত্র, যা মূল ক্রিয়া 'পড়েছি'-এর সাথে যুক্ত।</li>
<li>পুরো বাক্যটিতে একটিই প্রধান উদ্দেশ্য বা কর্তা (উহ্য 'আমি') এবং একটিই সমাপিকা ক্রিয়া (পড়েছি) রয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে কোনো সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যে-সে, যিনি-তিনি) বা অব্যয় যোগে একাধিক খণ্ডবাক্য নেই, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি <strong>সরল বাক্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন মাত্র <strong>একটি কর্তা</strong> (উদ্দেশ্য) এবং <strong>একটি সমাপিকা ক্রিয়া</strong> (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সরল বাক্য বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে কোনো জটিলতা নেই। যেমন: "রহিম বই পড়ছে।" এখানে রহিম হলো কর্তা এবং পড়ছে হলো সমাপিকা ক্রিয়া।</li>
<li>যখনই বাক্যে একটির বেশি খণ্ডবাক্য বা অন্য কোনো অব্যয়ের সংযোগ থাকবে না, তখনই সেটি সরল বাক্য হিসেবে গণ্য হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে 'পুকুরে ইলিশ মাছ জন্মে না' বাক্যটিতে 'ইলিশ মাছ' হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং 'জন্মে না' হলো বিধেয় বা সমাপিকা ক্রিয়া।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু) বা সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যে-সে, যদি-তবে) নেই, তাই এটি সরাসরি একটি সরল বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে 'রক্ষকই' হলো কর্তা এবং 'ভক্ষক' হলো বিধেয় অংশ।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো অব্যয় বা একাধিক খণ্ডবাক্যের সংযোগ নেই, তাই এটি সরাসরি একটি সরল বাক্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে কোনো জটিলতা নেই এবং একটিমাত্র মূল ভাব প্রকাশ পায়, সেটাই সরল বাক্য। তাই 'রক্ষকই ভক্ষক' একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল পথ</strong>। কারণ গন্তব্য বলতে আমরা সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা যেখানে পৌঁছাতে চাই সেই স্থানকে বুঝি।</p>
<p>সহজভাবে বিষয়টি এভাবে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>গন্তব্য</strong> শব্দের অর্থ হলো পৌঁছানোর জায়গা বা লক্ষ্য।</li>
<li>মনজিল, অভীষ্ট এবং লক্ষ্য—এই শব্দগুলো গন্তব্যের সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>জটিল পথ</strong> বলতে কোনো গন্তব্যকে বোঝায় না, বরং এটি যাত্রাপথের একটি অবস্থা বা কঠিন পরিস্থিতিকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই গন্তব্যের সাথে এর কোনো মিল নেই, এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।</p>
৯৩২৩
তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। - কোন ধরনের বাক্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাক্যটি গঠন দেখলেই বোঝা যায় এটি কেন যৌগিক বাক্য:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য কোনো অব্যয় (যেমন: কিন্তু, ও, অথবা, অথচ) দিয়ে যুক্ত থাকে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ‘তার ধন আছে’ এবং ‘বিদ্যা নেই’—এই দুটি স্বাধীন অংশ ‘কিন্তু’ অব্যয়টি দিয়ে যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু দুটি আলাদা অর্থবোধক বাক্য একটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি <strong>যৌগিক বাক্য</strong>।</li>
</ul>
৯৩২৫
তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। -কোন ধরনের বাক্য?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong> বাক্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য কোনো অব্যয় (যেমন: কিন্তু, ও, অথবা, এবং) দিয়ে যুক্ত থাকে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে 'তিনি ধনী' এবং 'তিনি কৃপণ'—এই দুটি আলাদা স্বাধীন বাক্যকে <strong>'কিন্তু'</strong> অব্যয়টি দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে দুটি স্বাধীন অংশ একটি সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি যৌগিক বাক্য।</li>
</ul>
৯৩২৭
‘তাঁর টাকা আছে কিন্তু তিনি দান করেন না’ কোন ধরনের বাক্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাক্যের গঠন দেখলেই আপনি ধরতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য 'কিন্তু', 'ও', 'অথবা', 'কিংবা'—এই জাতীয় অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে, তখন তাকে <strong>যৌগিক বাক্য</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'তাঁর টাকা আছে' এবং 'তিনি দান করেন না'—এই দুটি আলাদা বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য এখানে পাশাপাশি বসেছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি যৌগিক বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘সরল’ শব্দের অর্থ হলো যা সোজা বা সহজ। এর বিপরীত শব্দগুলো সাধারণত এমন কিছু হয় যা বাঁকা বা কঠিন বোঝায়।</p>
<ul>
<li>‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দগুলো হলো বক্র, কুটিল বা জটিল।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গরল</strong> শব্দের অর্থ হলো বিষ বা হলাহল।</li>
<li>যেহেতু ‘গরল’ শব্দটি ‘সরল’-এর বিপরীত কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>‘জিলাপির প্যাঁচ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>কুটিল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>জিলাপি যেমন গোল গোল এবং প্যাঁচানো হয়, তেমনি মানুষের স্বভাব যখন খুব জটিল বা বাঁকা হয়, তখন তাকে আমরা ‘জিলাপির প্যাঁচ’ বলে থাকি।</li>
<li>সহজ কথায়, যার মনের ভেতর অনেক চালাকি বা কুটিলতা থাকে, তাকেই এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বংশী</strong>। কারণ, বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই এসেছে, সেগুলোকে বলা হয় তৎসম শব্দ।</p>
<ul>
<li><strong>বংশী</strong> শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে হুবহু বাংলায় এসেছে।</li>
<li>যেহেতু এর বানানে বা উচ্চারণে কোনো রূপান্তর ঘটেনি, তাই এটি একটি খাঁটি তৎসম শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, সংস্কৃতের যে শব্দগুলো আমরা সরাসরি ব্যবহার করি, তার মধ্যে <strong>বংশী</strong> অন্যতম।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।