<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছাপা + খানা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> মূলত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে 'ছাপা' একটি বিশেষ্য পদ, যার সাথে 'খানা' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে নতুন একটি শব্দ তৈরি করেছে।</li>
<li>অন্যদিকে, কৃৎ প্রত্যয় সবসময় ধাতুর (ক্রিয়াপদ) সাথে যুক্ত হয়। যেহেতু 'ছাপা' এখানে কোনো ক্রিয়ামূল নয়, তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে যদি কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তবেই সেটি তদ্ধিত প্রত্যয়। তাই <strong>ছাপা + খানা</strong> সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনমাঝি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—যেসব শব্দ একাধিক পদের মিলনে গঠিত হয় এবং একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তাকেই সমাস নিষ্পন্ন শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>মনমাঝি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মন রূপ মাঝি' (রূপক কর্মধারয় সমাস) থেকে।</li>
<li>এখানে 'মন' এবং 'মাঝি' দুটি আলাদা পদ মিলে একটি নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করেছে, যা সমাসের নিয়ম মেনে চলে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো মূলত প্রত্যয় বা বিভক্তি যোগে গঠিত, কিন্তু সমাসের প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়নি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন দুটি পদ মিলে একটি নতুন শব্দ তৈরি করছে, তখনই বুঝে নেবেন সেটি সমাস নিষ্পন্ন শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছাগীর দুগ্ধ</strong>। সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আমাদের শব্দের মূল অর্থ ও ব্যাকরণগত রূপের দিকে খেয়াল রাখতে হয়।</p>
<ul>
<li>‘ছাগদুগ্ধ’ শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।</li>
<li>এখানে ‘ছাগ’ বলতে মূলত স্ত্রীলিঙ্গবাচক ‘ছাগী’কে বোঝানো হয়েছে, তাই ব্যাসবাক্যে ‘ছাগীর’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো পদের পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে সম্বন্ধ বোঝাতে ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন সেটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ছাগীর যে দুগ্ধ, তা-ই হলো ছাগদুগ্ধ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অশ্ব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'তুরগ' শব্দটি মূলত ঘোড়ার দ্রুত গতির সাথে সম্পর্কিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'তুরগ' শব্দের অর্থ হলো যা দ্রুত চলে বা দ্রুতগামী।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ঘোড়াকে বোঝাতে 'তুরগ', 'বাজি', 'ঘোটক' বা 'অশ্ব' শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই যখনই 'তুরগ' শব্দটি দেখবেন, সরাসরি ঘোড়া বা অশ্বের কথা মাথায় আনলেই উত্তরটি পেয়ে যাবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! কোনো কিছু পাওয়ার আগেই যদি আমরা সেটা ভোগ করার পরিকল্পনা বা আনন্দ শুরু করে দিই, তবেই এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। এর পেছনের মূল যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>গাছে কাঁঠাল:</strong> কাঁঠাল এখনো গাছেই আছে, অর্থাৎ সেটি এখনো আপনার হাতে আসেনি।</li>
<li><strong>গোঁফে তেল:</strong> কাঁঠাল খাওয়ার আগেই গোঁফে তেল দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া, অর্থাৎ অহেতুক আগাম উত্তেজনা দেখানো।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কাজ সফল হওয়ার আগেই তার ফল নিয়ে মাতামাতি করাকেই এই প্রবাদ দিয়ে বোঝানো হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাথর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে ‘অশ্ম’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থই হলো পাথর বা শিলা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>‘অশ্ম’ শব্দটি ভূ-তত্ত্ব বা বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরিভাষায় পাথর বা শিলা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন, ‘অশ্মীভূত’ শব্দটির অর্থ হলো যা পাথরে পরিণত হয়েছে বা জীবাশ্ম।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও ‘অশ্ম’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি পাথর বা শিলা জাতীয় কোনো কিছুকে নির্দেশ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরাগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'কুহক' শব্দটির অর্থ হলো মায়া, ভেল্কি বা ছলনা—যা মূলত কোনো কিছুকে আড়াল করে বা বিভ্রান্তি তৈরি করে।</p>
<ul>
<li><strong>কুহক</strong> মানে হলো অলীক কোনো কিছু বা চোখের ধাঁধা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিরাগ</strong> শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি অনীহা বা ঘৃণা।</li>
<li>যেহেতু 'বিরাগ' শব্দটির অর্থের সাথে 'কুহক'-এর কোনো মিল নেই, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বচন</strong>। কারণটা খুব সহজ— ‘কুহক’ শব্দটির অর্থ হলো মায়া, ভেলকি বা ছলনা। অন্যদিকে, ‘বচন’ শব্দের অর্থ হলো কথা বা উক্তি, যা কুহকের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কুহক</strong> মানেই হলো চোখের ধাঁধা বা জাদু।</li>
<li><strong>মায়া, ভেলকি</strong> এবং <strong>ছল</strong>—এই তিনটি শব্দই কুহকের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li><strong>বচন</strong> সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ, যার অর্থ হলো বাক্য বা কথা।</li>
</ul>
৯৩৫৪
কবর নাটিকাটিতে কয়টি চরিত্রের বিকাশ লক্ষ্য করা যায়?
<p>কবর নাটিকাটিতে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাঁচটি</strong>। জসীমউদ্দীনের এই কালজয়ী নাটকে মূলত পাঁচটি চরিত্রের বিকাশ ও উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। চরিত্রগুলো হলো:</p>
<p>নাটকটির কাহিনী এগিয়েছে এই চরিত্রগুলোর কথোপকথন ও আবেগের আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে। দাদুর স্মৃতিচারণ এবং যুবকদের সাথে তার কথোপকথনের মাধ্যমে নাটকের মূল ভাবটি ফুটে উঠেছে, যেখানে এই পাঁচটি চরিত্রই তাদের নিজস্ব অবস্থানে থেকে নাটকের গভীরতা তৈরি করেছে।</p>
৯৩৫৫
উৎসগত বিচারে থেকে বাংলা শব্দ কে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
<p>উৎসগত বিচারে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে মূলত <strong>পাঁচ ভাগে</strong> ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, নিচের তালিকাটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>অর্ধ-তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>তদ্ভব শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি শব্দ:</strong> বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ।</li>
<li><strong>বিদেশি শব্দ:</strong> বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় মিশে যাওয়া শব্দ।</li>
</ul>
<p>এই পাঁচটি শ্রেণিবিভাগই বাংলা শব্দভাণ্ডারের মূল ভিত্তি।</p>
<p>বাংলা উপসর্গ মোট <strong>তিন ভাগে</strong> বিভক্ত। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তাদের উৎস অনুযায়ী মূলত তিনটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা উপসর্গ:</strong> খাঁটি বাংলা শব্দে ব্যবহৃত হয় (যেমন: অ, আ, অঘা)।</li>
<li><strong>সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:</strong> তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত থাকে (যেমন: প্র, পরা, অপ)।</li>
<li><strong>বিদেশি উপসর্গ:</strong> বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ব্যবহৃত হয় (যেমন: ফি, দর, খাস)।</li>
</ul>
<p>এই তিনটি ভাগ মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ নিয়ে আর কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না।</p>
<p>ড. আশরাফ সিদ্দিকী লোকগীতিকে মূলত <strong>ছয় ভাগে</strong> ভাগ করেছেন। লোকসাহিত্যের বিশাল ভাণ্ডারকে সহজভাবে বোঝার জন্য তিনি এই শ্রেণিবিন্যাসটি করেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য ভাগগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>গীতিমূলক লোকগাথা</li>
<li>কাহিনীমূলক লোকগাথা</li>
<li>ধর্মীয় লোকগীতি</li>
<li>পেশাজীবী লোকগীতি</li>
<li>অনুষ্ঠানমূলক লোকগীতি</li>
<li>বিবিধ লোকগীতি</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, লোকসংগীতের বৈচিত্র্য ও বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই <strong>৬টি</strong> প্রধান ভাগে পুরো বিষয়টিকে সাজিয়েছেন।</p>
<p>বাংলা সন্ধি মূলত <strong>দুই প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরসন্ধি:</strong> স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনসন্ধি:</strong> স্বরধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির প্রধান দুটি ভাগ হলো স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>দুই প্রকার</strong>।</p>
<p>উপসর্গ প্রধানত <strong>তিন প্রকার</strong>। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এদের উৎস ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে এই বিভাজন করা হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের তিনটি প্রধান উৎস মনে রাখা:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা উপসর্গ:</strong> খাঁটি বাংলা শব্দে ব্যবহৃত হয় (যেমন: অ, আ, অঘা)।</li>
<li><strong>সংস্কৃত উপসর্গ:</strong> তৎসম শব্দের সাথে ব্যবহৃত হয় (যেমন: প্র, পরা, অপ)।</li>
<li><strong>বিদেশি উপসর্গ:</strong> বিদেশি শব্দে ব্যবহৃত হয় (যেমন: ফারসি, আরবি বা ইংরেজি থেকে আসা উপসর্গ)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উৎস ভেদে এই তিন ধরনের উপসর্গই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন প্রকার</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।