<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত <strong>ছবি</strong> শব্দটি একটি খাঁটি আরবি শব্দ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক বিদেশি শব্দ ব্যবহার করি, যার উৎস সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই।</p>
<ul>
<li><strong>ছবি</strong> শব্দটি আরবি 'শবীহ' (Shabih) থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো প্রতিচ্ছবি বা সাদৃশ্য।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারায় এটি বাংলায় 'ছবি' হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসা শব্দগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।</li>
</ul>
<p>পুরাণের সংখ্যা নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা থাকলেও, শাস্ত্রীয় ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী পুরাণের মোট সংখ্যা হলো <strong>ছত্রিশটি</strong>। আমাদের প্রাচীন সাহিত্যে এই সংখ্যাটি বিশেষভাবে স্বীকৃত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মূল বা প্রধান পুরাণ হিসেবে গণ্য করা হয় <strong>১৮টি</strong> মহাপুরাণকে।</li>
<li>এর পাশাপাশি আরও <strong>১৮টি</strong> উপপুরাণ রয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, মোট পুরাণের সংখ্যা হলো: $$18 + 18 = 36$$</li>
</ul>
<p>তাই সব মিলিয়ে পুরাণের সর্বমোট সংখ্যা হলো <strong>ছত্রিশটি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকাশ করা</strong>। ইংরেজি শব্দ <strong>'Divulge'</strong>-এর মূল অর্থ হলো কোনো গোপন তথ্য বা রহস্য সবার সামনে নিয়ে আসা বা ফাঁস করে দেওয়া।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো লুকানো বিষয় বা গোপন কথা কাউকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তখন তাকেই ইংরেজিতে <strong>'Divulge'</strong> বলা হয়।</li>
<li>বাংলায় এর সমার্থক শব্দগুলো হলো: ফাঁস করা, প্রকাশ করা বা ব্যক্ত করা।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে যখনই এই শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি কোনো কিছু 'জানিয়ে দেওয়া' বা 'প্রকাশ করা'র সাথে সম্পর্কিত।</li>
</ul>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত বা দ-এর পরে যদি জ বা ঝ থাকে, তবে ত বা দ পরিবর্তিত হয়ে জ-এ পরিণত হয়। সহজ কথায়, পরের বর্ণটি যদি জ বা ঝ হয়, তবে আগের ত বা দ-ও সেই একই বর্ণ অর্থাৎ জ-এ রূপ নেয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>ত/দ + জ = <strong>জ্জ</strong> (যেমন: সৎ + জন = সজ্জন)</li>
<li>ত/দ + ঝ = <strong>জ্ঝ</strong> (যেমন: উদ + ঝনঝন = উজ্জ্বলন)</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ত বা দ-এর সাথে জ বা ঝ যুক্ত হলে তা সবসময় <strong>জ্জ</strong> বা <strong>জ্ঝ</strong> হয়ে যায়। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি খুব সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চৌচির</strong>। কর্মধারয় সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।</p>
<p>চৌচির শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>চারিদিকে চির</strong>। এখানে 'চারি' বা চার সংখ্যাটি একটি বিশেষণের মতো কাজ করছে যা 'চির' বা ফাটলকে নির্দেশ করছে। অর্থাৎ, যখন কোনো শব্দে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলন ঘটে এবং একটি বিশেষ অবস্থা বা গুণ প্রকাশ পায়, তখন সেটি কর্মধারয় সমাস হয়।</p>
<ul>
<li><strong>চৌচির</strong> = চারিদিকে চির (বিশেষণ + বিশেষ্য)।</li>
<li>এটি মূলত একটি বিশেষ অবস্থা বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>‘কপোল’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গণ্ডদেশ</strong> বা গাল। সহজ কথায়, আমাদের মুখের দুই পাশের অংশকেই বাংলায় কপোল বলা হয়।</p>
<p>মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল:</p>
<ul>
<li>কপোল শব্দটি মূলত গাল বা গণ্ডদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় সুন্দর গাল বোঝাতে প্রায়ই ‘কপোল’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে এই শব্দটি দেখলে সরাসরি <strong>গণ্ডদেশ</strong>-কে বেছে নেবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চোখের জল</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচনগুলো সাধারণত বিশেষ কোনো অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে।</li>
<li><strong>চোখের বালি</strong> মানে হলো চক্ষুশূল বা অপ্রিয় ব্যক্তি, <strong>চোখের মনি</strong> মানে খুব প্রিয় বা আদরের বস্তু, এবং <strong>চোখের পর্দা</strong> মানে লজ্জা বা শরম।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>চোখের জল</strong> কোনো বিশেষ রূপক অর্থ বহন করে না; এটি সরাসরি কান্না বা অশ্রুকে বোঝায়। তাই এটি কোনো বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চৈনিক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই শব্দগুলো সরাসরি চীন দেশ থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত কিছু বিশেষ শব্দ সরাসরি চীনা ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>যেমন: <strong>চা</strong>, <strong>লিচু</strong>, <strong>লুচি</strong>—এই শব্দগুলো দেখলেই বোঝা যায় এগুলো চীনা সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, এই শব্দগুলো মূলত খাবার বা পানীয় সংক্রান্ত, যা ঐতিহাসিকভাবে চীন থেকে আমাদের অঞ্চলে পরিচিতি পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৌর</strong>। ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও, কিছু শব্দ কোনো নিয়ম না মেনেই গঠিত হয়, এগুলোকেই আমরা নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ বলি।</p>
<ul>
<li><strong>সৌর</strong> শব্দটি মূলত 'সূর্য' শব্দের সাথে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সাধারণ নিয়মে 'সূর্য' শব্দের সাথে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হলে সেটি 'সৌর্য' হওয়ার কথা ছিল।</li>
<li>কিন্তু এখানে 'য' লোপ পেয়ে এবং বিশেষ প্রক্রিয়ায় শব্দটি <strong>সৌর</strong> হিসেবে গঠিত হয়েছে, যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো ব্যাকরণের প্রচলিত নিয়ম না মেনে প্রথাগতভাবে চলে আসছে, সেগুলোই নিপাতনে সিদ্ধ। তাই এখানে <strong>সৌর</strong> শব্দটিই সঠিক।</p>
<p>বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলাকে কেন্দ্র করে মূলত <strong>স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক</strong> ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিষয়টি বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা হলেন জীবাত্মা বা সৃষ্টি, আর কৃষ্ণ হলেন পরমাত্মা বা স্রষ্টা।</li>
<li>এখানে জাগতিক প্রেমের আড়ালে আসলে পরমাত্মার সাথে জীবাত্মার মিলনের আকুতি প্রকাশ পায়।</li>
<li>সহজ কথায়, সৃষ্টির স্রষ্টার প্রতি যে চিরন্তন টান বা ভক্তি, সেটিই এখানে রূপক অর্থে রাধা-কৃষ্ণের সম্পর্কের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই আধ্যাত্মিক দর্শনের বিচারে এই পদাবলীর মূল সুর হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক।</p>
৯৩৭৫
কোন কবি বাঙালী না হয়েও বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান দখল করে আছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিদ্যাপতি মূলত মিথিলার অধিবাসী ছিলেন এবং তিনি মৈথিলি ভাষায় কবিতা লিখতেন।</p>
<p>কেন তিনি বাংলা সাহিত্যে এত গুরুত্বপূর্ণ, তা নিচের পয়েন্টগুলো দেখলে পরিষ্কার হবে:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি বাংলা ভাষায় কবিতা না লিখলেও তার রচিত <strong>পদাবলী</strong> বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে বিশাল প্রভাব ফেলেছে।</li>
<li>তার ব্যবহৃত ভাষা 'ব্রজবুলি' নামে পরিচিত, যা মূলত মৈথিলি ও বাংলার এক চমৎকার মিশ্রণ।</li>
<li>বাঙালি না হয়েও তার সৃষ্ট রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বাংলা সাহিত্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে, যার কারণে তাকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার কাব্যশৈলী ও ভাবসম্পদ বাংলা সাহিত্যের পদাবলীকে এতটাই সমৃদ্ধ করেছে যে, তিনি আমাদের সাহিত্যের একজন অবিসংবাদিত কবি হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।