<p>চর্যাপদ আবিষ্কারের সঠিক স্থান হলো <strong>নেপাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong> নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে এটি নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত ছিল বলেই এটি হারিয়ে যায়নি।</li>
<li>এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনকে আমাদের সামনে নিয়ে আসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নেপালের রাজদরবারের পুঁথিশালাই হলো চর্যাপদের আদি উৎসস্থল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পল্লান্ন</strong>। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যটি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li><strong>পল্লান্ন</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>পল্লব মিশ্রিত অন্ন</strong>।</li>
<li>এখানে লক্ষ্য করো, ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি অর্থাৎ <strong>'মিশ্রিত'</strong> শব্দটি সমস্ত পদে এসে লোভ পেয়েছে বা হারিয়ে গেছে।</li>
<li>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি লোপ পায়, তাকেই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যদি কোনো পদের মাঝের অংশটুকু বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ তৈরি হয়, তবেই সেটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাকানি</strong>। ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক বা আদান-প্রদানমূলক অর্থ বোঝায়, তখনই সেটি ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।</p>
<ul>
<li><strong>কানাকানি</strong> মানে হলো কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ একজনের কান থেকে অন্যজনের কানে কথা আদান-প্রদান।</li>
<li>এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদে ‘আ’ এবং পরপদে ‘ই’ যোগ হয় (যেমন: কান + কান = কানাকানি)।</li>
<li>একই শব্দের পুনরাবৃত্তি হয়ে যখন কোনো কাজের পারস্পরিক বিনিময় বোঝায়, তখন চোখ বন্ধ করে একে ব্যতিহার বহুব্রীহি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>‘চিরুনি’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>চির + উনি</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এখানে দুটি শব্দের মিলন ঘটেছে:</p>
<ul>
<li><strong>চির</strong> শব্দের সাথে <strong>উনি</strong> যুক্ত হয়ে ‘চিরুনি’ গঠিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে ‘চির’ এর শেষের ‘অ’ এবং ‘উনি’ এর শুরুর ‘উ’ মিলে ‘ও’ কার বা ‘উ’ কারের মতো ধ্বনি তৈরি করে, যা শব্দটিকে পূর্ণতা দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভেঙে দেখলে আমরা পাই <strong>চির + উনি</strong>, যা সন্ধির সাধারণ নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃন্ময়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছু 'মৃত্তিকা' বা মাটি দিয়ে তৈরি হলে তাকে এক কথায় <strong>মৃন্ময়</strong> বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>মৃৎ</strong> শব্দের অর্থ হলো মাটি।</li>
<li>এর সাথে <strong>ময়</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>মৃন্ময়</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, মাটির তৈরি যেকোনো বস্তুকে বোঝাতে আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃন্ময়</strong>। এটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ বা বাক্য সংকোচন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মৃত্তিকা' শব্দের সাথে 'ময়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মৃন্ময়' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এর অর্থ হলো যা মাটি দিয়ে তৈরি বা মাটির তৈরি।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু মাটির উপাদানে গঠিত হয়, তখন তাকে এক কথায় <strong>মৃন্ময়</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু খেয়াল রাখবেন—<strong>মৃত্তিকা = মৃন্ময়</strong>। এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলেই আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইতিহাসবেত্তা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘ইতিহাস’ এবং ‘বেত্তা’ শব্দ দুটি মিলে তৈরি হয়েছে ‘ইতিহাসবেত্তা’।</li>
<li>এখানে ‘বেত্তা’ শব্দের অর্থ হলো যিনি জানেন বা অভিজ্ঞ।</li>
<li>তাই যিনি ইতিহাস বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখেন বা অভিজ্ঞ, তাকে এক কথায় <strong>ইতিহাসবেত্তা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইতিহাসের পণ্ডিত বা বিশেষজ্ঞ বোঝাতে আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আনারস</strong>। পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল বা ছন্দ ব্যবহার করতে পারেন।</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন আমাদের দেশে এসেছিল, তখন তারা তাদের সাথে করে অনেক নতুন জিনিস নিয়ে এসেছিল।</li>
<li>সেই তালিকায় অন্যতম হলো <strong>আনারস</strong>, পেঁপে, আলমারি, চাবি, বালতি এবং সাবান।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই শব্দগুলো একটি ছোট তালিকার মতো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এই বিদেশি শব্দগুলো আমাদের ভাষারই অংশ হয়ে গেছে, আর <strong>আনারস</strong> হলো এর মধ্যে অন্যতম প্রধান পর্তুগিজ শব্দ।</p>
৯৪০২
"এতকাল নদীকূলে যাহা লয়েছিনু ভুলে সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে এখন আমারে লহ করুণা করে"-উদ্ধৃতি চরণ কয়টি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোনার তরী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত এই কবিতাটি মূলত তাঁর <strong>সোনার তরী</strong> কাব্যগ্রন্থের নামকবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো কর্মফল বা জীবনের অর্জিত ফসলকে মহাকালের নৌকায় তুলে দেওয়া।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত জীবন ও কর্মের নশ্বরতা নিয়ে লেখা, যেখানে <strong>সোনার তরী</strong> রূপকটি মহাকালের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনগুলো দেখলে সরাসরি <strong>সোনার তরী</strong> কাব্যগ্রন্থের কথা মনে রাখবেন, কারণ এটি তাঁর কাব্যিক জীবনের এক অনন্য মাইলফলক।</li>
</ul>
৯৪০৩
‘এনেছিলে সাথে করে মৃতুহীন প্রাণ, মরণে তাই তুমি করে গেলে দান।’ কবিশুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো লিখেছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চিত্তরঞ্জন দাস</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের অকাল প্রয়াণে শোকাহত হয়ে এই বিখ্যাত পঙক্তিগুলো লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li>চিত্তরঞ্জন দাস তাঁর জীবনের শেষ সময়টুকু দেশের মানুষের সেবায় উৎসর্গ করেছিলেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ এবং দেশপ্রেমকে সম্মান জানাতেই 'মরণকে দান' করার কথাটি উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>এই লাইনটি মূলত তাঁর প্রতি কবির গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঙ্কজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>যোগরুঢ় শব্দ</strong> হলো সেই সব শব্দ, যা সমাস বা প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়ে তার সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>'পঙ্কজ' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: পঙ্কে (কাদায়) জন্মে যা = পঙ্কজ।</li>
<li>সাধারণ অর্থে কাদায় জন্মানো যেকোনো কিছুকেই পঙ্কজ বলা যায়, কিন্তু এই শব্দটি নির্দিষ্টভাবে কেবল <strong>পদ্মফুল</strong>-কে বোঝায়।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি তার সাধারণ অর্থ ছেড়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থকে ধারণ করছে, তাই এটি একটি যোগরুঢ় শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাহিদা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের উৎস আমাদের মুখস্থ রাখতে হয়।</p>
<ul>
<li><strong>চাহিদা</strong> শব্দটি মূলত একটি <strong>তুর্কি</strong> শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, আনারস, আলমারি এবং গুদাম—এই শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, পর্তুগিজরা সাধারণত দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র বা বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত শব্দগুলো আমাদের ভাষায় রেখে গেছে, যার মধ্যে 'চাহিদা' শব্দটি পড়ে না।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।