<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>চর্যাপদ</strong> হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধনসঙ্গীত।</li>
<li>এই পদগুলোতে রূপক ও সংকেতের মাধ্যমে গভীর আধ্যাত্মিক তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে, যাকে বলা হয় <strong>সান্ধ্যভাষা</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, সান্ধ্যভাষা হলো এমন এক ধরণের রহস্যময় ভাষা, যা একই সাথে আলো ও অন্ধকারের (অর্থাৎ স্পষ্ট ও অস্পষ্ট) সংমিশ্রণ।</li>
<li>চর্যাপদের কবিরা তাদের গুহ্য সাধনার কথা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে রাখতেই এই বিশেষ শৈলী ব্যবহার করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'শূন্যপুরাণ' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন নিদর্শন।</li>
<li>এটি মূলত <strong>ধর্মপূজা</strong> বা ধর্মঠাকুরের উপাসনা কেন্দ্রিক একটি গ্রন্থ।</li>
<li>গ্রন্থটিতে বৌদ্ধ ধর্মের শূন্যবাদ এবং হিন্দু ধর্মের লৌকিক দেব-দেবীর উপাসনার এক অদ্ভুত মিশ্রণ দেখা যায়, যা মূলত বিভিন্ন ধর্মীয় তত্ত্ব ও আচারের বর্ণনা দেয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক বা রোমান্টিক কোনো কাব্য না হয়ে এটি মূলত একটি <strong>ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ</strong> হিসেবেই পরিচিত।</p>
<p>‘চাতুর্য’ শব্দের সঠিক বিশেষণ হলো <strong>চতুর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বিশেষণ বলতে আমরা বুঝি এমন শব্দ যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে।</li>
<li>‘চাতুর্য’ একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো বুদ্ধিমত্তা বা চালাকি।</li>
<li>যখন আমরা কাউকে বোঝাতে চাই যে সে বুদ্ধিমান বা চালাক, তখন আমরা বলি ‘সে একজন <strong>চতুর</strong> ব্যক্তি’।</li>
<li>এখানে ‘চতুর’ শব্দটি ব্যক্তির গুণ প্রকাশ করছে, তাই এটিই সঠিক বিশেষণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কোনো বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা বোঝাতে আমরা বিশেষণ ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li>‘চাতুর্য’ একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো বুদ্ধিমত্তা বা চালাকি।</li>
<li>যখন আমরা কোনো ব্যক্তির এই গুণের কথা বলি, তখন তাকে বিশেষিত করতে <strong>চতুর</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি চাতুর্যের অধিকারী, তাকেই বলা হয় <strong>চতুর</strong>।</li>
</ul>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য থেকে বিশেষণ রূপান্তরের ক্ষেত্রে ‘চাতুর্য’ এর সঠিক বিশেষণ রূপটি হলো <strong>চতুর</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইস্পাত</strong>। পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দগুলো মনে রাখার একটি সহজ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন বাংলায় এসেছিল, তারা তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় রেখে গেছে।</li>
<li>এর মধ্যে অন্যতম হলো <strong>ইস্পাত</strong>, যা পর্তুগিজ শব্দ 'espada' থেকে এসেছে।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখতে পারেন, পর্তুগিজরা মূলত তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের নামগুলোই বাংলায় পরিচিত করে দিয়েছিল, যার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো ইস্পাত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবচেতন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মনোবিজ্ঞানের ভাষায় মানুষের মনের যে স্তরটি সরাসরি সচেতনতার বাইরে থাকে কিন্তু আমাদের আচরণকে প্রভাবিত করে, তাকেই বলা হয় 'Subconscious' বা অবচেতন মন।</p>
<ul>
<li><strong>Sub-</strong> শব্দের অর্থ হলো নিচে বা অধীনে।</li>
<li><strong>Conscious</strong> শব্দের অর্থ হলো সচেতন।</li>
<li>অর্থাৎ, সচেতনতার ঠিক নিচের স্তরটিই হলো <strong>অবচেতন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমাদের মনের যে অংশে সুপ্ত ইচ্ছা বা স্মৃতি জমা থাকে, সেটিই অবচেতন মন। তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি 'অবচেতন' দাগিয়ে দেবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চূর্ণবিচূর্ণ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'চূর্ণ' শব্দটি লিখতে সবসময় মূর্ধন্য (ণ) ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা এই শব্দটি দ্বিরুক্ত বা জোড়া শব্দ হিসেবে ব্যবহার করি, তখন উভয় অংশেই এই নিয়মটি বজায় থাকে।</p>
<ul>
<li><strong>চূর্ণ</strong> শব্দটিতে মূর্ধন্য (ণ) যুক্ত থাকে।</li>
<li>একইভাবে, এর দ্বিরুক্ত রূপ <strong>চূর্ণবিচূর্ণ</strong>-এর দুটি অংশেই <strong>ণ</strong> ব্যবহার করা আবশ্যক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল শব্দ 'চূর্ণ' ঠিক থাকলে এর সাথে যুক্ত 'বিচূর্ণ' অংশটিও একইভাবে মূর্ধন্য (ণ) দিয়ে লিখতে হয়। তাই বানানটি হবে <strong>চূর্ণবিচূর্ণ</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'কুন্তল' শব্দটি মূলত চুলের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>'কুন্তল' শব্দটি শুনলেই মাথায় চুলের কথা চিন্তা করবেন।</li>
<li>এটি সাধারণত কাব্যিক বা মার্জিত ভাষায় সুন্দর ও ঘন চুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'কুন্তল' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>চুল</strong> বা কেশের কথা বলছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নক্ষত্র</strong>। কারণ, বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>নক্ষত্র</strong> শব্দটি হুবহু সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে, তাই এটি তৎসম।</li>
<li>অন্যদিকে, হাত (তদ্ভব), দারোগা (বিদেশি), এবং চুলা (দেশি) শব্দগুলো তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংস্কৃতের সাথে হুবহু মিল থাকলেই সেটি তৎসম শব্দ। তাই চোখ বন্ধ করে <strong>নক্ষত্র</strong> বেছে নেওয়া যায়।</p>
<p>‘অলক’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>চুল</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যে সুন্দর ও সুবিন্যস্ত কেশ বা চুল বোঝাতে ‘অলক’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘অলক’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো মাথার সুন্দর চুল বা কুঞ্চিত কেশ।</li>
<li>কবিতা বা গদ্যে যখন কোনো নারীর বা পুরুষের সুন্দর চুলের বর্ণনা দেওয়া হয়, তখন লেখক প্রায়ই ‘অলক’ শব্দটি ব্যবহার করেন।</li>
</ul>
<p>‘অলক’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>চুল</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় মাথার চুলকে বোঝাতে ‘অলক’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত চুলের গুচ্ছ বা কুন্তলকে নির্দেশ করে।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, অলক মানেই হলো <strong>চুল</strong> বা কেশ।</li>
<li>কাব্যিক বর্ণনায় সুন্দর ও বিন্যস্ত চুলকে বোঝাতে কবিরা প্রায়ই এই শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চীনা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>লিচু মূলত একটি চীনা ফল, যার আদি নিবাস চীনে।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, যে দেশ বা অঞ্চল থেকে কোনো বিশেষ পণ্য বা ফল আমাদের ভাষায় এসেছে, সেই শব্দের উৎস সাধারণত ওই অঞ্চলের ভাষাই হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মতো 'লিচু' শব্দটি সরাসরি চীনা ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, লিচু শব্দটি একটি <strong>চীনা</strong> শব্দ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।