<p>‘চাষী’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>চাষ + ঈ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রকৃতি:</strong> এখানে মূল শব্দটি হলো ‘চাষ’, যা একটি বিশেষ্য পদ।</li>
<li><strong>প্রত্যয়:</strong> শব্দের শেষে যখন কোনো ব্যক্তি বা পেশা বোঝাতে ‘ঈ’ কার যুক্ত হয়, তখন সেটি ‘ঈ’ প্রত্যয় হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li><strong>সূত্র:</strong> বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদের সাথে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘চাষী’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল কাজ বা বস্তুর সাথে ‘ঈ’ যোগ করে যখন কোনো পেশাজীবী বা ব্যক্তিবাচক শব্দ তৈরি হয়, তখন সেটিই সঠিক গঠন। তাই এখানে <strong>চাষ + ঈ</strong>-ই হলো সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাল + আন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বা শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে মূল ধাতু বা ক্রিয়ামূল হলো <strong>চাল</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>আন</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে 'চালান' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কিছু চালানোর কাজ বা প্রক্রিয়া বোঝাতে 'চাল' ধাতুর সাথে 'আন' প্রত্যয় যোগ করা হয়।</li>
</ul>
<p>এভাবে মনে রাখলে যেকোনো ধাতুর সাথে প্রত্যয় নির্ণয় করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে!</p>
<p>ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার সঠিক শাখা হলো <strong>দুটো</strong>। ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই বিশাল ভাষাগোষ্ঠীকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:</p>
<ul>
<li><strong>শতম (Satem):</strong> এই শাখার ভাষাগুলোতে 'শ' বা 'স' ধ্বনির প্রাধান্য দেখা যায়।</li>
<li><strong>কেন্তুম (Centum):</strong> এই শাখার ভাষাগুলোতে 'ক' বা 'খ' জাতীয় ধ্বনির প্রাধান্য থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধ্বনি পরিবর্তনের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করেই ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাকে মূলত এই <strong>২টি</strong> প্রধান শাখায় বিভক্ত করা হয়েছে।</p>
৯৪০৯
‘অবেলায় আমি দিলেম পাড়ি, অথৈ সাগরে, এখানে কয়টি উপসর্গ রয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুইটি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দগুলো ভেঙে দেখি:</p>
<ul>
<li><strong>অবেলায়:</strong> এখানে মূল শব্দ 'বেলা', যার আগে <strong>'অ'</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li><strong>অথৈ:</strong> এখানে মূল শব্দ 'থৈ', যার আগে <strong>'অ'</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, পুরো বাক্যটিতে আমরা দুটি আলাদা শব্দে দুটি <strong>'অ'</strong> উপসর্গ খুঁজে পাচ্ছি। তাই এখানে মোট উপসর্গের সংখ্যা হলো <strong>২</strong>টি।</p>
<p>এখানে লক্ষ্য করুন, মূল শব্দের সাথে <strong>অনু</strong> এবং <strong>সৎ</strong>—এই দুটি উপসর্গ যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই ব্যাকরণগতভাবে এটি দুটি উপসর্গ যোগে তৈরি একটি শব্দ।</p>
৯৪১১
অবেলায় আমি দিলাম পাড়ি, অথৈ সাগরে" এখানে কয়টি উপসর্গ রয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দগুলো ভেঙে দেখি:</p>
<ul>
<li><strong>অবেলায়:</strong> এখানে মূল শব্দ 'বেলা', যার আগে <strong>'অ'</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li><strong>অথৈ:</strong> এখানে মূল শব্দ 'থৈ', যার আগে <strong>'অ'</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, পুরো বাক্যটিতে 'অবেলায়' এবং 'অথৈ'—এই দুটি শব্দে মোট <strong>দুটি</strong> উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
৯৪১২
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস কত বছরের পুরনো বলে মনে করা হয়?
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের চর্যাপদের দিকে তাকাতে হবে। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে গবেষকরা এর সময়কাল নির্ধারণ করেছেন।</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন <strong>চর্যাপদ</strong> আনুমানিক ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত।</li>
<li>সেই হিসেবে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যের বয়স হিসাব করলে তা প্রায় <strong>১০০০ বছর</strong> বা এক হাজার বছরের কাছাকাছি দাঁড়ায়।</li>
<li>তাই ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে <strong>এক হাজার</strong> বছরের পুরনো বলে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>‘চৌহদ্দি’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>সীমানা</strong>। সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো নির্দিষ্ট জায়গা বা এলাকার চারপাশের যে শেষ সীমা বা বাউন্ডারি থাকে, তাকেই চৌহদ্দি বলা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>‘চৌ’ মানে চার এবং ‘হদ্দি’ মানে সীমা।</li>
<li>অর্থাৎ, চারপাশের সীমানা বা এলাকা বোঝাতে আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>তাই যেকোনো জায়গার আয়তন বা সীমানা বোঝাতে ‘চৌহদ্দি’ শব্দটি একদম সঠিক।</p>
<p>গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দকে মূলত <strong>দুই</strong> ভাগে ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>মৌলিক শব্দ:</strong> যে শব্দগুলোকে বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না, যেমন: হাত, বই, মা।</li>
<li><strong>সাধিত শব্দ:</strong> যে শব্দগুলোকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায়, যেমন: আকাশী (আকাশ + ঈ), চলন্ত (চল্ + অন্ত)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দ গঠনের এই দুটি ধরণই আমাদের ভাষার মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই</strong>।</p>
<p>বাংলা কবিতার ছন্দ প্রধানত <strong>তিন</strong> প্রকার। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ছন্দের গঠনশৈলী মূলত এই তিনটি ধারায় বিভক্ত:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ছড়াজাতীয় ছন্দ, যা দ্রুত লয়ের হয়।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি মূলত কলাবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ধীর লয়ের এবং গম্ভীর প্রকৃতির ছন্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার ছন্দবিন্যাস বুঝতে হলে এই তিনটি প্রধান প্রকারভেদ সম্পর্কে ধারণা থাকলেই চলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চামার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তৎসম শব্দ বলতে আমরা সেই শব্দগুলোকে বুঝি যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>চামার</strong> শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ।</li>
<li>এটি সংস্কৃত শব্দ 'চর্মকার' থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>যেহেতু শব্দটির রূপ পরিবর্তিত হয়ে আজকের এই অবস্থায় এসেছে, তাই এটি তৎসম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি বরং সময়ের সাথে রূপ বদলেছে, সেগুলোই তদ্ভব শব্দ। চামার ঠিক সেই ক্যাটাগরিতেই পড়ে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চামার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তৎসম শব্দ বলতে আমরা সেই সব শব্দকে বুঝি যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চামার</strong> শব্দটি সংস্কৃত 'চর্মকার' থেকে বিবর্তিত হয়ে এসেছে।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি <strong>তদ্ভব</strong> শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, ভবন, ধর্ম এবং পাত্র—এই শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে হুবহু বাংলায় এসেছে, তাই এগুলো তৎসম শব্দ।</li>
</ul>
<p>মনে রাখার কৌশল: যেসব শব্দের রূপ সময়ের সাথে বদলে গেছে বা সহজ হয়ে গেছে, সেগুলো সাধারণত তৎসম হয় না। <strong>চামার</strong> শব্দটি ঠিক সেই ক্যাটাগরিতেই পড়ে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাবি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর উৎস অনুযায়ী চাবি শব্দটি মূলত একটি পর্তুগিজ শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দ আমরা বাংলা মনে করে ভুল করি।</li>
<li>পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা পরিচিত কিছু শব্দ হলো: <strong>চাবি</strong>, আলমারি, বালতি, সাবান এবং জানালা।</li>
<li>যেহেতু চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গামছা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>শব্দের মাঝখানের কোনো স্বরধ্বনি যদি উচ্চারণের সুবিধার জন্য লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যস্বর লোপ বলে।</li>
<li>এখানে, মূল শব্দটি ছিল <strong>গামুছা</strong>।</li>
<li>উচ্চারণের সময় মাঝখানের <strong>'উ'</strong> ধ্বনিটি লোপ পেয়ে শব্দটি হয়ে গেছে <strong>গামছা</strong>।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের মাঝখান থেকে স্বরধ্বনিটি হারিয়ে যাওয়ায় এটি মধ্যস্বর লোপের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।