<p>‘ঘটিরাম’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অপদার্থ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা লোকজ ভাষায় ‘ঘটিরাম’ শব্দটি সাধারণত এমন কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার কোনো বিশেষ গুণ নেই বা যে কোনো কাজে তেমন পারদর্শী নয়।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোনো কাজের যোগ্য নয় বা যার দ্বারা কোনো ভালো কাজ আশা করা যায় না, তাকেই আমরা এক কথায় <strong>অপদার্থ</strong> বলে থাকি।</li>
<li>এটি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক শব্দ, যা অকর্মণ্য বা অযোগ্য ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>‘খয়ের খাঁ’ বাগধারাটির অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যে সবসময় অন্যের তোষামোদ বা তেলবাজি করে বেড়ায়। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>খয়ের খাঁ</strong> বলতে বোঝায় যারা নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য সবসময় বড় কোনো ব্যক্তির প্রশংসা বা স্তুতি গায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যারা সব সময় অন্যের গুণগান গেয়ে নিজের সুবিধা আদায় করে নেয়, তাদেরই আমরা <strong>চাটুকার</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই বাগধারাটি দেখলে সরাসরি ‘চাটুকার’ অপশনটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>
<p>‘কচুবনের কালাচাঁদ’ বাগধারাটির সঠিক উত্তর হলো <strong>অপদার্থ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সাধারণত কচুবন বা ঝোপঝাড়ের মধ্যে কোনো মূল্যবান জিনিসের আশা করা যায় না। এই বাগধারাটি দিয়ে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যার কোনো গুণ নেই বা যে কোনো কাজের যোগ্য নয়। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি সমাজের বা কোনো কাজের ক্ষেত্রে একেবারেই অকেজো বা <strong>অপদার্থ</strong>, তাকেই আমরা মজা করে ‘কচুবনের কালাচাঁদ’ বলে থাকি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যক্ষ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'অক্ষি' মানে হলো চোখ।</li>
<li>'অক্ষির অভিমুখে' বা চোখের সামনে যা কিছু ঘটে, তাকেই আমরা এক কথায় বলি <strong>প্রত্যক্ষ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যা সরাসরি চোখের সামনে দেখা যায়, তাই প্রত্যক্ষ।</li>
</ul>
<p>‘চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত’ এর সঠিক উত্তর হলো <strong>চাক্ষুষ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘চক্ষু’ শব্দের অর্থ হলো চোখ।</li>
<li>যা সরাসরি চোখের সামনে ঘটে বা দেখা যায়, তাকেই এক কথায় <strong>চাক্ষুষ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, চোখের সামনে যা কিছু ঘটে, তা-ই চাক্ষুষ প্রমাণ বা চাক্ষুষ ঘটনা।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো কিছু চোখের সামনে ঘটার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ‘চাক্ষুষ’ শব্দটি বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরতাল</strong>। এটি একটি গুজরাটি শব্দ। বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে গুজরাটি ভাষার প্রভাব বেশ স্পষ্ট।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>হরতাল</strong> শব্দটি মূলত গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে, যা বর্তমানে বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সাথে যোগাযোগের ফলে এই ধরনের শব্দ আমাদের শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন—<strong>হরতাল</strong> মানেই গুজরাটি শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফুল</strong>। কারণ, যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকেই মৌলিক শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>ফুল</strong> শব্দটিকে ভাঙলে 'ফু' বা 'ল' আলাদা কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।</li>
<li>অন্যান্য শব্দের ক্ষেত্রে যেমন 'লোনা' (লোন + আ) বা 'চাকা' (চাক + আ) শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে মূল অংশ ও প্রত্যয় আলাদা করা যায়, যা মৌলিক শব্দের সংজ্ঞার সাথে মেলে না।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো একদম অখণ্ড এবং যাদের কোনো প্রকৃতি বা প্রত্যয় নেই, সেগুলোই মৌলিক শব্দ। তাই এখানে <strong>ফুল</strong> একটি মৌলিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাঘা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>তদ্ধিত প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে যখন কোনো কিছুর সাথে সাদৃশ্য বা মিল বোঝানো হয়, তখন শব্দের শেষে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে 'বাঘ' শব্দের সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে হয়েছে 'বাঘা', যার অর্থ হলো বাঘের মতো শক্তিশালী বা বাঘের সদৃশ।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিশেষ্য পদের সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যখন সাদৃশ্য বোঝানো হয়, তখন তাকে সাদৃশ্যবাচক তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এক যে ছিল নেংটি</strong>। এটি মহাদেব সাহার লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ বা বই নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মহাদেব সাহা মূলত তার রোমান্টিক ও বিষাদময় কবিতার জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>এই গৃহ এই সন্ন্যাস</strong>, <strong>মানব এসেছি কাছে</strong> এবং <strong>চাই বিষ অমরতা</strong>।</li>
<li>যেহেতু <strong>এক যে ছিল নেংটি</strong> তার কোনো পরিচিত সাহিত্যকর্মের তালিকায় নেই, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদের মত মুখ</strong>। এটি একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা হয় এবং তুলনাটি সাধারণ হয়, তখন ব্যাসবাক্যে 'মত' বা 'সদৃশ' শব্দটি বসে।</li>
<li>এখানে মুখকে চাঁদের সাথে তুলনা করা হয়েছে, তাই ব্যাসবাক্যটি হবে <strong>চাঁদের মত মুখ</strong>।</li>
<li>উপমিত কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত উপমান (চাঁদ) ও উপমেয় (মুখ) পদের মাঝে 'মত' বা 'ন্যায়' বসিয়ে ব্যাসবাক্য তৈরি করতে হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবনদী</strong>। রূপক সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা।</p>
<ul>
<li>রূপক সমাসে সাধারণত উপমেয় (যা তুলনা করা হচ্ছে) এবং উপমান (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে)-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।</li>
<li><strong>ভবনদী</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>ভব রূপ নদী</strong>।</li>
<li>এখানে সংসার বা জীবনকে নদীর সাথে তুলনা করা হয়েছে, যেখানে জীবন আর নদী আলাদা কিছু নয়, বরং একাকার হয়ে গেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছুকে অন্য কিছুর রূপ হিসেবে সরাসরি কল্পনা করা হয়, তখনই সেটি রূপক কর্মধারয় সমাস হয়।</li>
</ul>
<p>কবি কামিনী রায়ের জন্মস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>কামিনী রায় ১৮৬৪ সালে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার (বর্তমান ঝালকাঠি জেলা) বাসণ্ডা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা স্নাতক এবং একজন প্রখ্যাত কবি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার জন্মস্থান হিসেবে <strong>বাকেরগঞ্জ</strong> নামটিই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আত্মজা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'আত্মজা' শব্দটির উৎপত্তি বিশ্লেষণ করলেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>'আত্ম' মানে হলো নিজ বা শরীর এবং 'জা' মানে হলো যা জন্ম নিয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, যে নিজের শরীর থেকে বা নিজের থেকে জন্ম নিয়েছে, তাকেই বলা হয় <strong>আত্মজা</strong>।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, কন্যা বা মেয়ের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'আত্মজা' শব্দটি সরাসরি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিজের সন্তান বা কন্যাকে বোঝাতে আমরা 'আত্মজা' শব্দটি ব্যবহার করি। তাই পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন—<strong>আত্মজা = কন্যা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদের মত মুখ</strong>। এটি একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সাধারণ বস্তুর সাথে উপমেয় বস্তুর তুলনা করা হয় এবং মাঝখানে 'মত' বা 'ন্যায়' শব্দ থাকে, তখন তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে মুখকে চাঁদের সাথে তুলনা করা হয়েছে, তাই ব্যাসবাক্যটি হবে <strong>চাঁদের মত মুখ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যার মুখ চাঁদের মতো সুন্দর, তাকেই আমরা এক কথায় বলি 'চাঁদমুখ'।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।