<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চলন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘জঙ্গম’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থই হলো যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে বা যা গতিশীল।</p>
<ul>
<li>‘জঙ্গম’ শব্দটি মূলত গতিশীল বা চলমান কোনো কিছুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যা স্থির নয় বা যার মধ্যে গতির সঞ্চার আছে, তাকেই আমরা জঙ্গম বলি।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থগত দিক থেকে ‘চলন্ত’ শব্দটিই এর সবচেয়ে উপযুক্ত প্রতিশব্দ।</li>
</ul>
<p>‘চলন্ত’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>চল + অন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>চল</strong> হলো মূল ধাতু বা প্রকৃতি, যা কোনো কিছুর চলমান অবস্থাকে বোঝায়।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন্ত</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ ‘চলন্ত’ তৈরি হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ধাতুর সাথে যখন কোনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ তৈরি করে, তখন তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। এখানে ‘চল’ ধাতুর সাথে ‘অন্ত’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘চলন্ত’ (যা চলছে এমন) বিশেষণটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল ক্রিয়া বা ধাতুর সাথে <strong>অন্ত</strong> যোগ করলেই আমরা এমন শব্দ পাই যা কোনো কিছুর অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>চল + অন্ত</strong>।</p>
<p>‘চলচ্চিত্র’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>চলৎ+চিত্র</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত-বর্গীয় ধ্বনির (যেমন: ত, থ, দ, ধ, ন) সাথে চ-বর্গীয় ধ্বনির (যেমন: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) মিলন হলে ত-বর্গীয় ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে চ-বর্গীয় ধ্বনিতে পরিণত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>ৎ</strong> (ত) এর সাথে <strong>চ</strong> যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, এই <strong>ৎ</strong> পরিবর্তিত হয়ে পরবর্তী বর্ণ অর্থাৎ <strong>চ</strong>-এ রূপ নেয়।</li>
<li>ফলে, চলৎ + চিত্র মিলে হয়ে যায় <strong>চলচ্চিত্র</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ব্যঞ্জনসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলেই আপনি খুব সহজে যেকোনো শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করতে পারবেন।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রাচীনতম নিদর্শন বা প্রথম গ্রন্থ হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি প্রথম গ্রন্থ, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li><strong>ভাষার রূপ:</strong> এটি প্রাচীন বাংলা ভাষার প্রথম লিখিত রূপ, যেখানে তৎকালীন সমাজ ও জীবনযাত্রার চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>আবিষ্কার:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি রূপ এবং সাহিত্যের ধারায় প্রথম লিখিত দলিল হিসেবে <strong>চর্যাপদ</strong>-ই আমাদের সাহিত্যের ভিত্তিপ্রস্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একদম শুরুর দিকের নিদর্শন এটি।</p>
<ul>
<li><strong>চর্যাপদ</strong> হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন।</li>
<li>এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত, যা আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত হয়েছে।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর রচনাকাল শুরু হয় সপ্তম শতাব্দী থেকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি রূপ বা প্রাচীনতম সাহিত্যিক দলিল হিসেবে <strong>চর্যাপদ</strong>-ই সর্বজনস্বীকৃত। তাই পরীক্ষার খাতায় চোখ বন্ধ করে এটি দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন বা আদি গ্রন্থ হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি আদি গ্রন্থ, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ রচিত হয়েছিল আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, যা বাংলা ভাষার প্রাচীনতম রূপ।</li>
<li><strong>ভাষার বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামে পরিচিত, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার জন্মলগ্ন থেকেই এর অস্তিত্ব, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটিই আমাদের সাহিত্যের আদি ভিত্তি।</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটিই সঠিক, তা খুব সহজে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত, যা আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত হয়েছিল।</li>
<li><strong>ভাষার রূপ:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' বা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ হিসেবে পরিচিত, যা বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ।</li>
<li><strong>আবিষ্কার:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, যা আমাদের বাংলা সাহিত্যের শিকড় খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার জন্মলগ্ন বা শুরুর দিকের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ও প্রাচীনতম লিখিত দলিল হলো এই চর্যাপদ।</p>
৯৪৫৯
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ‘চর্যাপদ’ যে গ্রন্থে প্রকাশ করেছিলেন তার নাম হল-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তিনি এটি যে নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন, সেটিই হলো <strong>হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, চর্যাপদ আবিষ্কারের পর এর প্রথম মুদ্রিত রূপটি এই নামেই পরিচিতি পায়, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লেহ্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, যা চেটে খেতে হয় তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>লেহ্য</strong>।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন—'লেহন' করা মানেই হলো চেটে খাওয়া, আর সেই থেকেই এসেছে 'লেহ্য' শব্দটি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে <strong>লেহ্য</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>নাটক ও প্রহসনের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো <strong>ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>নাটক:</strong> সাধারণত গম্ভীর বা জীবনমুখী কোনো কাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে, যেখানে ঘটনার গুরুত্ব বেশি থাকে।</li>
<li><strong>প্রহসন:</strong> এটি নাটকেরই একটি বিশেষ রূপ, তবে এর প্রধান লক্ষ্য হলো সমাজের অসংগতি বা মানুষের দোষ-ত্রুটিকে <strong>ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের</strong> মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রহসনের প্রাণই হলো হাসি-ঠাট্টা ও বিদ্রুপের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতিকে তুলে ধরা, যা সাধারণ নাটকের তুলনায় অনেক বেশি তীক্ষ্ণ ও হাস্যরসাত্মক হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ 'চন্দ্র' প্রাকৃত ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলায় এসে রূপ পরিবর্তন করেছে।</li>
<li>ভাষার বিবর্তনের ধারায় সংস্কৃত শব্দ যখন প্রাকৃতের হাত ধরে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসে, তখন তাকে আমরা <strong>তদ্ভব</strong> শব্দ বলি।</li>
<li>সেই নিয়ম অনুযায়ী, 'চন্দ্র' শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় <strong>চাঁদ</strong> শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে যে শব্দগুলো রূপ বদলে বাংলায় এসেছে, তার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই 'চাঁদ'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃত্তিবাস ওঝা</strong>। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য তিনি প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন।</li>
<li>তার এই অনবদ্য অনুবাদের কারণেই এটি 'কৃত্তিবাসী রামায়ণ' নামে পরিচিতি পায় এবং বাংলার ঘরে ঘরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</li>
<li>মূলত তার সহজ-সরল কাব্যিক ভাষার কারণেই তাকে বাংলা রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাশীরাম দাস</strong>। এই লাইন দুটি মূলত বাংলা মহাভারতের অনুবাদক কাশীরাম দাসের ভণিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই চরণটিতেই কবির নাম সরাসরি উল্লেখ আছে, যা ভণিতা হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মহাভারতের জনপ্রিয় অনুবাদক হিসেবে <strong>কাশীরাম দাস</strong> নামটি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>যেহেতু চরণের শেষ অংশে কবির নাম স্পষ্ট করে বলা আছে, তাই এটি চিহ্নিত করা খুবই সহজ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।