<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শুদ্ধিপত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কোনো নথিপত্র বা বই ছাপানোর পর যদি তাতে কোনো ভুল ধরা পড়ে, তবে সেই ভুলগুলো সংশোধন করে আলাদাভাবে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়, তাকেই ইংরেজিতে <strong>Corrigendum</strong> বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>Corrigendum</strong> শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'corrigere' থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো সংশোধন করা।</li>
<li>সহজ কথায়, ছাপার ভুল বা তথ্যগত ভুল সংশোধন করার জন্য যে বাড়তি কাগজ বা পাতা জুড়ে দেওয়া হয়, সেটিই হলো <strong>শুদ্ধিপত্র</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো মূল নথিপত্র বা বইয়ের শেষে বাড়তি তথ্য বা অতিরিক্ত দলিল হিসেবে যা যুক্ত করা হয়, তাকেই বলা হয় 'Annexe' বা ক্রোড়পত্র। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>মূল নথির পরিপূরক:</strong> এটি মূল বিষয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে কিন্তু আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়।</li>
<li><strong>সহজ ব্যবহার:</strong> কোনো চুক্তিনামা বা সরকারি রিপোর্টের সাথে বিস্তারিত তথ্য বা তালিকা যোগ করতে আমরা সাধারণত ক্রোড়পত্র ব্যবহার করি।</li>
<li><strong>সহজ কৌশল:</strong> ইংরেজি 'Annexe' শব্দটি মূলত কোনো কিছুর সাথে বাড়তি অংশ জুড়ে দেওয়াকে বোঝায়, আর বাংলা ভাষায় এই বাড়তি বা সংযোজিত অংশটিই হলো ক্রোড়পত্র।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরিশিষ্ট</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বইয়ের মূল আলোচনার বাইরে বাড়তি কোনো তথ্য, দলিল বা সহায়ক বিষয় যখন বইয়ের শেষে যুক্ত করা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>পরিশিষ্ট</strong> বা <strong>Appendix</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল বিষয়বস্তুর পরিপূরক হিসেবে যে বাড়তি অংশটুকু শেষে জুড়ে দেওয়া হয়, সেটিই হলো পরিশিষ্ট।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো বই বা গবেষণাপত্রের শেষে বাড়তি তথ্যের সংযোজন দেখলেই বুঝে নিতে হবে সেটিই হলো পরিশিষ্ট।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আমরা</strong>। নিত্য সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় অন্য কোনো পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকেই নিত্য সমাস বলে।</p>
<ul>
<li><strong>আমরা</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'আমি ও তুমি' থেকে।</li>
<li>এখানে 'আমি' ও 'তুমি' মিলে যে 'আমরা' তৈরি হয়েছে, তা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নিত্য সমাসবদ্ধ।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোকে ভাঙলে বা ব্যাসবাক্য করলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, সেগুলোই নিত্য সমাস।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার জন্য শুধু এটুকুই যথেষ্ট: <strong>আমরা</strong> = আমি ও তুমি (নিত্য সমাস)।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরিবেশের প্রভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব বা কনফ্লিক্ট সবসময়ই মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক বা চিন্তাধারার সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>যখন দুজন মানুষের মধ্যে মতের অমিল হয় বা কোনো লক্ষ্য অর্জনে একে অপরের বিপরীতমুখী অবস্থান নেয়, তখনই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পরিবেশের প্রভাব</strong> হলো একটি বাহ্যিক বিষয় যা আমাদের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে, কিন্তু এটি সরাসরি কোনো দ্বন্দ্বের প্রকৃতি বা উপাদান নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দ্বন্দ্ব হলো মানুষের মধ্যকার একটি সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া, আর পরিবেশ হলো আমাদের চারপাশের পারিপার্শ্বিক অবস্থা। তাই পরিবেশের প্রভাব দ্বন্দ্বের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না।</p>
<p>‘পটল তোলা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>মারা যাওয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রাচীনকালে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার দেহকে পটল বা সবজির মতো নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যেত, সেখান থেকেই মূলত এই বাগধারাটির উৎপত্তি। এটি একটি প্রচলিত বাংলা বাগধারা যা মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>বাগধারা:</strong> পটল তোলা</li>
<li><strong>অর্থ:</strong> মারা যাওয়া বা দেহত্যাগ করা</li>
</ul>
<p>‘পরীক্ষা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পরি + ঈক্ষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে যদি 'ই' বা 'ঈ' কার থাকে এবং তার সাথে 'ঈ' যুক্ত হয়, তবে উভয় মিলে দীর্ঘ 'ঈ' কার হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>পরি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং <strong>ঈক্ষা</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'ঈ' মিলে দীর্ঘ 'ঈ' কার তৈরি করেছে।</li>
<li>গাণিতিক রূপটি এমন: $ই + ঈ = ঈ$।</li>
</ul>
<p>তাই, <strong>পরি + ঈক্ষা</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>পরীক্ষা</strong>। মনে রাখবেন, 'ঈক্ষা' শব্দে সবসময় দীর্ঘ 'ঈ' ব্যবহৃত হয়, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>‘পরিচ্ছেদ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পরি + ছেদ</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম। নিয়মটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যদি কোনো স্বরবর্ণের পর <strong>‘ছ’</strong> থাকে, তবে সন্ধি করার সময় ‘ছ’-এর আগে একটি <strong>‘চ’</strong> যুক্ত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>‘পরি’</strong> শব্দের শেষে ‘ই’ (স্বরবর্ণ) আছে এবং তার ঠিক পরেই <strong>‘ছেদ’</strong>-এর ‘ছ’ রয়েছে।</li>
<li>তাই নিয়ম অনুযায়ী ‘ছ’-এর আগে একটি ‘চ’ এসে শব্দটি হয়ে যায় <strong>পরিচ্ছেদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, স্বরবর্ণের সাথে ‘ছ’ যুক্ত হলে মাঝখানে একটি ‘চ’ চলে আসে, এটাই এই সন্ধির মূল রহস্য!</p>
<p>বিপরীতার্থে ‘পরা’ উপসর্গ যুক্ত সঠিক শব্দটি হলো <strong>পরাভব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘পরা’ উপসর্গটি সাধারণত বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>‘ভব’ মানে হওয়া বা অস্তিত্ব, আর এর সাথে ‘পরা’ যুক্ত হয়ে ‘পরাভব’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ হলো পরাজয় বা উল্টো ফল।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু তার স্বাভাবিক অবস্থার বিপরীত দিকে যায়, তখন ‘পরা’ উপসর্গটি সেই নেতিবাচক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে ‘পরা’ উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>'পরার্থ' শব্দটির অর্থ হলো <strong>পরোপকার</strong>। শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই 'পর' যোগ 'অর্থ', যার আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় অন্যের কল্যাণ বা অন্যের জন্য কাজ করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>পর</strong> মানে অন্য বা অপর।</li>
<li><strong>অর্থ</strong> মানে এখানে উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন।</li>
<li>অর্থাৎ, নিজের স্বার্থের বাইরে গিয়ে অন্যের উপকারে কাজ করাই হলো পরার্থ বা পরোপকার।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষিদ্ধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>আদিষ্ট</strong> শব্দের অর্থ হলো যা করার জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে বা যা পালনীয়।</li>
<li>এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হলো এমন কিছু, যা করতে মানা করা হয়েছে বা যা পালন করা নিষেধ।</li>
<li>তাই আদিষ্টের বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>নিষিদ্ধ</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আদিষ্ট মানে 'করতে বলা হয়েছে' আর নিষিদ্ধ মানে 'করতে মানা করা হয়েছে'—এভাবেই শব্দ দুটির সম্পর্ক মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরাজয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে সাধিত শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।</li>
<li><strong>পরাজয়</strong> শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: <strong>পরা + জয়</strong>।</li>
<li>এখানে 'পরা' একটি উপসর্গ এবং 'জয়' একটি মূল শব্দ। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হলেই তাকে আমরা সাধিত শব্দ বলি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দ মৌলিক নয় এবং অন্য কোনো উপায়ে গঠিত হয়েছে, সেগুলোই সাধিত শব্দ। তাই এখানে 'পরাজয়' শব্দটিই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরাজয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গগুলো নির্দিষ্ট কিছু শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li><strong>পরাজয়</strong> শব্দটিতে <strong>'পরা'</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>এই <strong>'পরা'</strong> একটি খাঁটি তৎসম উপসর্গ, যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে যে উপসর্গগুলো রয়েছে, সেগুলো মূলত ফারসি বা দেশি শব্দের সাথে সম্পর্কিত, তাই সেগুলো তৎসম উপসর্গের তালিকায় পড়ে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে <strong>'পরা'</strong> যুক্ত হয়ে যখন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন সেটি তৎসম উপসর্গের নিখুঁত উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৯৮০৯
শ্রীচৈতন্যদবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য কে রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃন্দাবন দাস</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণিক গ্রন্থ হলো <strong>'শ্রীচৈতন্যভাগবত'</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যদেবের অলৌকিক জীবন ও লীলা প্রচারের ক্ষেত্রে বৃন্দাবন দাসের এই গ্রন্থটিই ছিল প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয়।</li>
<li>তিনি চৈতন্যদেবের প্রধান পার্ষদ নিত্যানন্দ প্রভুর আদেশে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে চৈতন্য জীবনী ধারার আদি কবি হিসেবে বৃন্দাবন দাসকে <strong>'ব্যাসদেব'</strong>-এর সাথে তুলনা করা হয়, কারণ তিনি চৈতন্যদেবের জীবনকে অত্যন্ত ভক্তিভরে ও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
৯৮১০
চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনীকাব্য রচনা করেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃন্দাবন দাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা প্রথম ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ হলো <strong>'শ্রীচৈতন্যভাগবত'</strong>।</p>
<ul>
<li>বৃন্দাবন দাস ছিলেন চৈতন্যদেবের প্রধান অনুসারী নিত্যানন্দ প্রভুর শিষ্য।</li>
<li>তিনি অত্যন্ত ভক্তি ও নিষ্ঠার সাথে চৈতন্যদেবের বাল্য ও কৈশোরের ঘটনাবলি এই কাব্যে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের দিক থেকে এটিই চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে যখনই চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনীকাব্যের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>বৃন্দাবন দাস</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।