<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পদটি বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যের অন্তর্গত। এই পদটি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ভাষা ও ভঙ্গি:</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যের ভাষা মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণের, যেখানে গ্রামীণ ও সহজ-সরল শব্দের ব্যবহার বেশি।</li>
<li>এখানে রাধার আকুলতা এবং বাঁশির শব্দের প্রভাব খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা বড়ু চণ্ডীদাসের লেখনীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সাহিত্যিকদের মতে, রাধার রান্নার কাজ ফেলে বাঁশির শব্দে ছুটে আসার এই বর্ণনাটি বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের 'বংশীখণ্ড' অংশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীমঙ্গল</strong>। কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি, যিনি মূলত 'কবিকঙ্কণ' উপাধিতে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর অমর কাব্যগ্রন্থের নামই হলো <strong>'অভয়া মঙ্গল'</strong> বা <strong>'চণ্ডীমঙ্গল'</strong>।</li>
<li>তিনি এই কাব্যে দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার করেছেন, তাই তাকে চণ্ডীমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।</li>
<li>তার এই কাব্যে তৎকালীন বাংলার সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের যে বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে, তা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অনন্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতার অভাব</strong>। কারণটি খুব সহজ—একটি সার্থক বাক্যের জন্য যে অর্থগত সামঞ্জস্য বা যৌক্তিকতা থাকা প্রয়োজন, এখানে তা নেই।</p>
<ul>
<li>বাক্যের অর্থ ও ভাবের মিল থাকাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>যোগ্যতা</strong> বলা হয়।</li>
<li>গরু তৃণভোজী প্রাণী, তাই গরু মাংস খাওয়ার বিষয়টি বাস্তবসম্মত বা যৌক্তিক নয়।</li>
<li>বাক্যের অর্থ যদি বাস্তব জগতের সাথে না মেলে, তবে তাকে <strong>যোগ্যতার অভাব</strong>জনিত অশুদ্ধি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গরু মাংস খায় না বলে এই বাক্যে অর্থের কোনো ভিত্তি নেই, তাই এটি যোগ্যতার অভাবে অশুদ্ধ।</p>
৯৮৪৪
মানুষের বাক্যপ্রত্যঙ্গজাত ধ্বনি সমন্বয়ে গঠিত শব্দসহযোগে সৃষ্ট পূর্ণ অর্থবোধক বাকপ্রবাহের বিশেষ বিশেষ অংশকে বলা হয় -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্য</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>মানুষ যখন তার মনের ভাব প্রকাশের জন্য ধ্বনি বা শব্দের সমষ্টি ব্যবহার করে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ তৈরি করে, তখনই তাকে <strong>বাক্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যের প্রতিটি অংশ বা খণ্ডাংশ যখন একটি নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে এবং পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেয়, তখন সেটিই বাক্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, অর্থপূর্ণ শব্দগুচ্ছ যখন সুবিন্যস্তভাবে বসে মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে, তখন তাকেই আমরা <strong>বাক্য</strong> হিসেবে চিহ্নিত করি।</li>
</ul>
৯৮৪৫
বাগধারা কিংবা প্রবাদ প্রবচনের পরিবর্তন করলে বাক্যের কোন গুণটি নষ্ট হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতা</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো তার অর্থগত ও ভাবগত মিল।</p>
<p>বাগধারা বা প্রবাদ প্রবচনগুলো আমাদের ভাষায় ঐতিহাসিকভাবে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে। আপনি যদি সেগুলোর শব্দ পরিবর্তন করেন, তবে বাক্যের অর্থ আর ঠিক থাকে না বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে পড়ে। বাক্যের এই অর্থগত ও ভাবগত সামঞ্জস্য বজায় রাখার নামই হলো <strong>যোগ্যতা</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিল থাকা।</li>
<li>বাগধারা বা প্রবাদ হলো ভাষার অলংকার, তাই এদের শব্দ পরিবর্তন করলে বাক্যের মূল ভাব বা যোগ্যতা হারিয়ে যায়।</li>
</ul>
<ul>
<li>বাংলা বাক্যের সাধারণ গঠন হলো: <strong>কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া</strong>।</li>
<li>এই গঠন ঠিক রেখে পদগুলোকে সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করার পদ্ধতিই হলো পদক্রম।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, "আমি ভাত খাই" এখানে পদগুলো একটি নির্দিষ্ট ক্রমে আছে। যদি বলি "খাই ভাত আমি", তবে সেটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক পদক্রম হবে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য পদগুলোকে যে সুশৃঙ্খল ধারায় সাজানো হয়, সেটাই হলো <strong>পদক্রম</strong>।</p>
৯৮৪৮
'ত (ৎ) কিংবা দ এর স্থলে হ থাকলেউভয়ে মিলে দ্ধ হয়।' নিয়মের উদাহরণ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ + হতি = পদ্ধতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটির মাধ্যমে:</p>
<ul>
<li>যখন পূর্বপদের শেষে <strong>দ</strong> থাকে এবং পরপদের শুরুতে <strong>হ</strong> থাকে, তখন সন্ধির ফলে <strong>দ</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>দ</strong> এবং <strong>হ</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>ধ</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, এই নিয়ম অনুযায়ী: <strong>দ + হ = দ্ধ</strong>।</li>
<li>সেই হিসেবে, <strong>পদ + হতি</strong> শব্দটিতে <strong>দ</strong> এবং <strong>হ</strong> মিলে <strong>দ্ধ</strong> তৈরি করেছে, যার ফলে শব্দটি হয়েছে <strong>পদ্ধতি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মাঝে যখনই এমন <strong>দ্ধ</strong> যুক্তবর্ণ দেখবেন যেখানে <strong>দ</strong> এবং <strong>হ</strong>-এর মিলন ঘটেছে, তখনই বুঝে নেবেন এটি এই বিশেষ সন্ধি নিয়মের উদাহরণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকান্ত</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'শ্রীকান্ত'-এর অন্যতম প্রধান এবং অবিস্মরণীয় নারী চরিত্র হলো অভয়া।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির চারটি খণ্ড রয়েছে এবং অভয়া চরিত্রটি মূলত এর দ্বিতীয় খণ্ডে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>অভয়া চরিত্রটি তার সাহসিকতা, প্রথা ভাঙার মানসিকতা এবং স্বাধীন চিন্তার জন্য বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই মনে রাখবেন: <strong>শ্রীকান্ত = অভয়া</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গৌরচন্দ্রিকা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। কোনো কিছু শুরু করার আগে বা মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে যে প্রাথমিক কথাবার্তা বা ভূমিকা দেওয়া হয়, তাকেই বাগধারার ভাষায় <strong>গৌরচন্দ্রিকা</strong> বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>গৌরচন্দ্রিকা</strong> শব্দটি মূলত কীর্তন গানের শুরুতে গায়কদের গাওয়ার রীতি থেকে এসেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো বড় কাজের বা আলোচনার প্রারম্ভিক অংশ বা ভূমিকা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>'Epic' শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো <strong>মহাকাব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'Epic' বলতে সাধারণত এমন কোনো দীর্ঘ কাব্য বা সাহিত্যকর্মকে বোঝায়, যেখানে কোনো বীরত্বগাথা বা ঐতিহাসিক ঘটনার বিশাল বর্ণনা থাকে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এই বিশাল পরিসরের কাব্যকেই আমরা <strong>মহাকাব্য</strong> বলে থাকি।</li>
<li>সহজ কথায়, মহাকাব্য হলো এমন এক মহৎ সৃষ্টি যা বিশাল কলেবর এবং গম্ভীর ভাবগাম্ভীর্যে ভরপুর।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের পরিভাষায় 'Epic' এর সরাসরি প্রতিশব্দ হিসেবে <strong>মহাকাব্য</strong>-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবীরা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে, যে নারীর স্বামী নেই এবং সন্তানও নেই, তাকেই মূলত <strong>অবীরা</strong> বলা হয়।</li>
<li>শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, 'অ' (না বা অভাব অর্থে) + 'বীর' (এখানে স্বামী বা পুত্র অর্থে ব্যবহৃত) মিলে এই বিশেষ শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যার জীবনে স্বামী বা পুত্র—কারও আশ্রয় নেই, তাকেই এক কথায় অবীরা বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পতিত পাবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'পতিত পাবন' বলতে সাধারণত ঈশ্বর বা শ্রীকৃষ্ণকে বোঝানো হয়, যিনি পতিত বা পাপীদের উদ্ধার করেন। অন্যদিকে, নদীর সমার্থক শব্দগুলো হলো এমন যা প্রবাহমান বা তট বা কিনারা ঘেঁষে চলে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সরিৎ, তটিনী, গাং</strong>—এগুলো সবই পানির প্রবাহ বা নদীকে নির্দেশ করে।</li>
<li><strong>পতিত পাবন</strong>—এটি কোনোভাবেই নদীর সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি একটি বিশেষ উপাধি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন এলে শুধু মনে রাখবেন, নদীর সমার্থক শব্দগুলো সবসময় প্রবাহ বা জলধারা বোঝায়, আর 'পতিত পাবন' শব্দটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ বহন করে।</p>
<p>‘পদ্ধতি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পদ + হতি</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। নিয়মটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন ‘দ্’ বর্ণের সাথে ‘হ’ যুক্ত হয়, তখন সন্ধির সময় ‘দ্’ পরিবর্তিত হয়ে ‘দ্’ এবং ‘হ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ধ’-এ রূপ নেয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $দ্ + হ = দ্ধ$।</li>
<li>এই নিয়ম অনুযায়ী, $পদ + হতি$ মিলে তৈরি হয় <strong>পদ্ধতি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মাঝখানে ‘দ্ধ’ দেখলে মনে রাখবেন এটি মূলত ‘দ্’ এবং ‘হ’-এর মিলন। তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ‘হ’ বর্ণটিকে আলাদা করে ফেললেই উত্তরটি পেয়ে যাবেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।