eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৮১১

কোনটি সংস্কৃত উপসর্গ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরা
৯৮১২

‘অনুগমন’ শব্দের ব্যাসবাক্য নিচের কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গমনের পশ্চাৎ
ব্যাখ্যা:
<p>‘অনুগমন’ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>গমনের পশ্চাৎ</strong>। এটি মূলত অব্যয়ীভাব সমাসের একটি উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>‘অনু’ উপসর্গটি সাধারণত পশ্চাৎ বা পরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যখন কোনো কিছুর পেছনে বা পরে যাওয়া বোঝায়, তখন তাকে আমরা ‘অনুগমন’ বলি।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘অনু’ অব্যয়টি পশ্চাৎ অর্থে যুক্ত হয়ে এখানে <strong>গমনের পশ্চাৎ = অনুগমন</strong> পদটি গঠন করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অনুগমন’ দেখলে সরাসরি ‘গমনের পশ্চাৎ’ উত্তরটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘অনু’ মানেই হলো পেছনে বা পরে থাকা।</p>
৯৮১৩

কবীন্দ্র পরমেশ্বর অনূদিত মহাভারতের নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরাগলী মহাভারত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরাগলী মহাভারত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের সেনাপতি <strong>পরাগল খাঁ</strong>-এর নির্দেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের অনুবাদ করেছিলেন।</li>
<li>যেহেতু এই অনুবাদটি পরাগল খাঁর অনুরোধে বা পৃষ্ঠপোষকতায় সম্পন্ন হয়েছিল, তাই এটি সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>পরাগলী মহাভারত</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>এটি বাংলা ভাষায় রচিত মহাভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পৃষ্ঠপোষকের নামানুসারেই এই মহাভারতের নামকরণ করা হয়েছে। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে এটি দেখলে সরাসরি <strong>পরাগলী মহাভারত</strong> দাগিয়ে দেবেন।</p>
৯৮১৪

‘গোঁফ-খেজুরে’ -এই বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিতান্ত অলস
ব্যাখ্যা:
<p>‘গোঁফ-খেজুরে’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>নিতান্ত অলস</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাগধারাটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায়, যে এতটাই অলস যে নিজের গোঁফে আটকে থাকা খেজুর খাওয়ার জন্য হাত পর্যন্ত তুলতে চায় না।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি সামান্য পরিশ্রম করতেও নারাজ বা চরম পর্যায়ের অলসতা দেখায়, তাকেই আমরা ‘গোঁফ-খেজুরে’ বলে থাকি।</li>
</ul>
৯৮১৫

অব্যয়ীভাব সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পূর্বপদ
ব্যাখ্যা:
<p>অব্যয়ীভাব সমাসের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>পূর্বপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত একটি অব্যয় বা উপসর্গ শুরুতে বসে।</li>
<li>এই সমাসে মূল শব্দের চেয়ে শুরুতে যুক্ত হওয়া অব্যয়টির অর্থই বেশি প্রাধান্য পায়।</li>
<li>যেমন: 'উপকূল' শব্দটিতে 'উপ' (যা একটি অব্যয়) অর্থটিই এখানে প্রধান, যার অর্থ কূলের সমীপে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই শুরুতে কোনো অব্যয় বা উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করবে, সেখানেই <strong>পূর্বপদ</strong> প্রধান হবে।</p>
৯৮১৬

‘অপবাদ’ - শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দোষারোপ/অপযশ/নিন্দা
ব্যাখ্যা:
<p>‘অপবাদ’ শব্দটির অর্থ হলো কারো নামে মিথ্যা দোষারোপ করা বা তার সম্মানহানি করা। সহজ কথায়, যখন কেউ কোনো ভুল না করেও অন্যের কাছে খারাপ হিসেবে পরিচিত হয় বা তাকে নিয়ে কুৎসা রটানো হয়, তখন তাকেই অপবাদ বলা হয়।</p>

<p>সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়ার জন্য এই সহজ বিষয়টি মাথায় রাখুন:</p>

<ul>
<li><strong>দোষারোপ:</strong> কাউকে কোনো কাজের জন্য দায়ী করা বা দোষ দেওয়া।</li>
<li><strong>অপযশ:</strong> বদনাম বা দুর্নাম, যা অপবাদেরই একটি ফলাফল।</li>
<li><strong>নিন্দা:</strong> কারো সমালোচনা করা বা খারাপ বলা।</li>
</ul>

<p>যেহেতু ‘অপবাদ’ শব্দটির মূল ভাব হলো কারো নামে মিথ্যা দোষ চাপিয়ে তাকে ছোট করা, তাই <strong>দোষারোপ, অপযশ এবং নিন্দা</strong>—এই তিনটি শব্দই এর সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে যথাযথ।</p>
৯৮১৭

‘এখন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তখন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তখন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সময়কে নির্দেশ করার ক্ষেত্রে 'এখন' বলতে বর্তমান সময়কে বোঝায়, আর এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো দিকটি হলো অতীত বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়, যা বোঝাতে আমরা <strong>তখন</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</p>

<ul>
<li><strong>এখন:</strong> বর্তমান সময় বা এই মুহূর্ত।</li>
<li><strong>তখন:</strong> অতীত বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়।</li>
</ul>

<p>তাই সময়ের বিপরীত ধারণা হিসেবে 'এখন'-এর বিপরীতে 'তখন' শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
৯৮১৮

'পরিচ্ছন্ন' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরি + ছন্ন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরি + ছন্ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি নিয়মে এটি একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>

<ul>
<li>যখন কোনো স্বরবর্ণের পর <strong>'ছ'</strong> থাকে, তখন সন্ধি করার সময় মাঝখানে একটি <strong>'চ'</strong> যুক্ত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>'পরি'</strong> শব্দের শেষে 'ই' (স্বরবর্ণ) আছে এবং তার পরের শব্দটি <strong>'ছন্ন'</strong>।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, এই 'ই' এবং 'ছ'-এর মাঝে একটি 'চ' চলে আসবে, ফলে শব্দটি হবে: $পরি + ছন্ন = পরিচ্ছন্ন$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, স্বরবর্ণের সাথে 'ছ' যুক্ত হলে মাঝখানে একটি <strong>'চ'</strong> বসিয়ে দিলেই সন্ধিটি মিলে যায়।</p>
৯৮১৯

'পর্যন্ত' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরি + অন্ত
ব্যাখ্যা:
<p>‘পর্যন্ত’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পরি + অন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ই’ কারের সাথে ‘অ’ যুক্ত হলে সেটি ‘য’ হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে ‘পরি’ শব্দের শেষে থাকা ‘ই’ এবং ‘অন্ত’ শব্দের শুরুতে থাকা ‘অ’ মিলে <strong>ই + অ = য</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>এই নিয়মটিকেই ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>য-ফলা</strong> সন্ধি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠনটি এমন: <strong>পরি + অন্ত = পর্য + অন্ত = পর্যন্ত</strong>। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না!</p>
৯৮২০

'পরস্পর' এর সন্ধি বিচ্ছেদ হবে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পর + পর
৯৮২১

'পরস্পর' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পর + পর
ব্যাখ্যা:
<p>‘পরস্পর’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পর + পর</strong>। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সাধারণত সন্ধির নিয়মে বিসর্গ বা অন্য কোনো চিহ্ন যুক্ত হয়, কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম খাটে না।</li>
<li>এখানে <strong>পর</strong> এবং <strong>পর</strong> শব্দ দুটি সরাসরি যুক্ত হয়ে ‘পরস্পর’ গঠিত হয়েছে।</li>
<li>মনে রাখবেন, এই শব্দটিতে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় কোনো বাড়তি চিহ্ন বা বিসর্গ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সরাসরি <strong>পর + পর</strong> দাগিয়ে দিলেই আপনার উত্তরটি সঠিক হবে।</p>
৯৮২২

'পরোপকার' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পর + উপকার পর + উপকার
ব্যাখ্যা:
<p>'পরোপকার' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পর + উপকার</strong>। এটি মূলত অ + উ = ও সন্ধি নিয়মের একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>'পর' শব্দের শেষে একটি অ-কার (অ) আছে।</li>
<li>'উপকার' শব্দের শুরুতে একটি উ-কার (উ) আছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ + উ মিলে ও-কার (ো) তৈরি হয়।</li>
<li>তাই, পর + উপকার মিলে শব্দটির রূপ দাঁড়ায়: <strong>পর + উ = পরো</strong>, সাথে 'পকার' যুক্ত হয়ে হয় <strong>পরোপকার</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের মাঝে ও-কার (ো) দেখবেন, তখন সেটিকে ভেঙে অ + উ হিসেবে আলাদা করলেই সন্ধি বিচ্ছেদটি মিলে যাবে।</p>
৯৮২৩

‘শুচি’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পবিত্র
ব্যাখ্যা:
<p>‘শুচি’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>পবিত্র</strong>। সহজ কথায়, কোনো কিছু যখন একদম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বা নির্মল থাকে, তখন তাকেই আমরা ‘শুচি’ বলে থাকি।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল:</p>

<ul>
<li>‘শুচি’ শব্দটির সাথে ‘শুদ্ধ’ বা ‘শুচিতা’ শব্দগুলোর মিল আছে।</li>
<li>আমরা জানি, ‘শুচিতা’ মানেই হলো পবিত্রতা বা পরিচ্ছন্নতা।</li>
<li>তাই যখনই ‘শুচি’ শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি কোনো কিছুর পবিত্র বা নির্মল অবস্থাকে নির্দেশ করছে।</li>
</ul>

<p>এভাবে মনে রাখলে শব্দটি আর কখনোই ভুলবেন না!</p>
৯৮২৪

‘পুষ্প’ শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রঙ্গন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রঙ্গন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘পুষ্প’ শব্দের অর্থ হলো ফুল। নিচে এর কারণটি দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>‘পুষ্প’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ফুল বা কুসুম।</li>
<li>প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘রঙ্গন’ হলো এক ধরণের ফুলের নাম।</li>
<li>তাই অর্থগত দিক থেকে ‘পুষ্প’ এবং ‘রঙ্গন’ একে অপরের পরিপূরক বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেহেতু রঙ্গন একটি ফুল, তাই পুষ্পের প্রতিশব্দ হিসেবে এটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৯৮২৫

'পবন' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পো + অন
ব্যাখ্যা:
<p>'পবন' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পো + অন</strong>। এটি মূলত অয়াদি সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ও' কারের পরে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে 'ও' কারের পরিবর্তে <strong>'অব'</strong> হয়।</li>
<li>এখানে, <strong>পো</strong> শব্দের 'ও' কার এবং পরের <strong>অন</strong> শব্দের 'অ' মিলে <strong>'অব'</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ: $পো + অন = প + অব + অন = পবন$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের মাঝে যদি 'অব' উচ্চারণ পাওয়া যায়, তবে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম অংশে 'ও' কার ব্যবহার করতে হয়। তাই 'পবন' ভাঙলে আমরা পাই <strong>পো + অন</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।