<p>‘পতঞ্জলি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পতৎ + অঞ্জলি</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘পতৎ’ শব্দের শেষে থাকা ‘ৎ’ এবং ‘অঞ্জলি’ শব্দের শুরুতে থাকা ‘অ’ মিলে সন্ধি তৈরি করে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, পতৎ শব্দের সাথে অঞ্জলি যুক্ত হলে তা ‘পতঞ্জলি’ রূপ ধারণ করে।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, ‘অঞ্জলি’ শব্দে সবসময় ‘ল’-এ ই-কার (ি) হয়, দীর্ঘ-কার (ী) হয় না।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সঠিক উত্তরটি দাগানোর সময় <strong>পতৎ + অঞ্জলি</strong> অংশটি ভালো করে খেয়াল করলেই হবে।</p>
<p>‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>মরে যাওয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় অনেক সময় কোনো কঠিন বা গম্ভীর বিষয়কে হালকাভাবে বা ব্যঙ্গাত্মকভাবে বোঝাতে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>‘অক্কা’ শব্দটি মূলত মৃত্যু বা প্রাণত্যাগ করার একটি গ্রাম্য বা চলিত রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই যখনই কোনো ব্যক্তি মারা যান, তাকে সহজ কথায় বা আঞ্চলিক ভাষায় ‘অক্কা পাওয়া’ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি মৃত্যুর একটি সমার্থক বাগধারা যা আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় প্রায়ই শুনে থাকি।</p>
<p>বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দরটি হলো পায়রা সমুদ্র বন্দর, যা <strong>পটুয়াখালী</strong> জেলায় অবস্থিত। এই বন্দরটি রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>দেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর: চট্টগ্রাম।</li>
<li>দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর: মোংলা (খুলনা)।</li>
<li>তৃতীয় সমুদ্র বন্দর: পায়রা (পটুয়াখালী)।</li>
</ul>
<p>পায়রা সমুদ্র বন্দরটি মূলত দেশের ক্রমবর্ধমান আমদানি-রপ্তানি চাহিদা মেটানোর জন্য এবং দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>পটুয়াখালী</strong>।</p>
<p>চর্যাপদে মোট পদের সংখ্যা হলো <strong>সাড়ে ছেচল্লিশটি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে যে পুঁথিটি উদ্ধার করেছিলেন, তাতে মোট <strong>৪৭টি</strong> পদ ছিল।</li>
<li>তবে এর মধ্যে ২৩ নম্বর পদটি খণ্ডিত বা অর্ধেক পাওয়া গিয়েছিল।</li>
<li>গণিতের হিসেবে এই খণ্ডিত পদটিকে অর্ধেক বা $0.5$ ধরা হয়।</li>
<li>তাই পূর্ণ পদ ($46$) + অর্ধেক পদ ($0.5$) মিলে মোট পদের সংখ্যা দাঁড়ায় $46.5$ বা <strong>সাড়ে ছেচল্লিশটি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুরো ৪৬টি পদ এবং একটি পদের অর্ধেক অংশ মিলিয়েই চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঞ্চমী তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা ব্যাসবাক্যটির দিকে তাকাই।</p>
<p>'স্কুল পালানো' কথাটির ব্যাসবাক্য করলে হয় <strong>'স্কুল থেকে পালানো'</strong>।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদে 'থেকে', 'হতে', বা 'চেয়ে'—এই বিভক্তিগুলো লোপ পায়, তখন তাকে <strong>পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'স্কুল' এর সাথে 'থেকে' অনুসর্গটি যুক্ত হয়ে বিচ্যুতি বা আলাদা হওয়ার অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই পঞ্চমী তৎপুরুষ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করি।</p>
<ul>
<li>'পুষ্পসৌরভ' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>পুষ্পকে সৌরভ</strong>।</li>
<li>এখানে 'পুষ্প' শব্দের সাথে <strong>'কে'</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমাসে পূর্বপদে <strong>দ্বিতীয়া বিভক্তি</strong> (কে, রে) যুক্ত থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকেই দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু এখানে 'পুষ্প' এর সাথে 'কে' বিভক্তি লোপ পেয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকে কবি কৃত্তিবাস ওঝা সংস্কৃত রামায়ণকে বাংলায় অনুবাদ করেন।</li>
<li>ঐতিহাসিকদের মতে, তাঁর এই কালজয়ী অনুবাদকর্মটি সম্পন্ন হয়েছিল আনুমানিক <strong>১৪৫০ খ্রিস্টাব্দের</strong> দিকে।</li>
<li>যেহেতু ১৪৫০ সালটি পঞ্চদশ শতকের ঠিক মাঝখানের সময়, তাই উত্তরটি হবে <strong>পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কৃত্তিবাসী রামায়ণ মানেই পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছেলেধরা</strong>, যা একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>উপপদ সমাসের ক্ষেত্রে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'ছেলে' হলো উপপদ এবং 'ধরা' হলো কৃদন্ত পদ।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো পদের শেষে 'যে', 'যা', বা 'যিনি' যুক্ত হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
<li>যেহেতু 'ছেলে ধরে যে' = 'ছেলেধরা', তাই এটি উপপদ সমাসের নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঙ্কিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের গভীরতা বিচার করলে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li>'নির্মল' শব্দটির অর্থ হলো যা পরিষ্কার, স্বচ্ছ বা পবিত্র।</li>
<li>অন্যদিকে, 'পঙ্কিল' শব্দের অর্থ হলো যা পঙ্ক বা কাদা দ্বারা পূর্ণ, অর্থাৎ ঘোলাটে বা অপরিচ্ছন্ন।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের গাম্ভীর্য বা আভিধানিক মান বজায় রাখা জরুরি। তাই 'নির্মল'-এর বিপরীত হিসেবে 'পঙ্কিল' শব্দটিই সবচেয়ে যথাযথ ও মানসম্মত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্পষ্টবাদী</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, 'ঠোঁট কাটা' বলতে এমন মানুষকে বোঝায় যারা কোনো কিছু ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে না বলে সরাসরি মুখের ওপর সত্যি কথা বলে দেয়। এদের মনে কোনো রাখঢাক থাকে না, তাই তারা যা ভাবে ঠিক তা-ই বলে ফেলে। এই স্বভাবের কারণেই তাদের 'স্পষ্টবাদী' বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পকেটমার</strong>। উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'পকেট' হলো বিশেষ্য পদ এবং 'মার' হলো কৃদন্ত পদ (যা 'মারা' ধাতু থেকে এসেছে)।</li>
<li>সহজ কথায়, যে পকেট মারে, তাকেই আমরা এক কথায় বলি <strong>পকেটমার</strong>।</li>
</ul>
<p>যখন কোনো পদের শেষে এমন কোনো শব্দ থাকে যা কোনো ক্রিয়া বা কাজকে নির্দেশ করে (যেমন: মার, কর, ধর), তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>‘পবিত্র’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পো + ইত্র</strong>। এটি মূলত অয়াদি সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>অয়াদি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ও-কারের পর যদি কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ও-কার পরিবর্তিত হয়ে <strong>অব</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, <strong>পো</strong> শব্দের ও-কার এবং <strong>ইত্র</strong> শব্দের শুরুতে থাকা ই মিলে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ও + ই = অব + ই = অবি$।</li>
<li>অর্থাৎ, $প + ও + ই + ত্র = প + অবি + ত্র = পবিত্র$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ও-কারের সাথে ই-কার যুক্ত হয়ে এখানে ‘অবি’ ধ্বনি তৈরি করেছে, যা শব্দটিকে ‘পবিত্র’ রূপ দিয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা বর্ণমালায় উচ্চারণের স্থানের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে ভাগ করা হয়েছে। কণ্ঠধ্বনি চেনার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যেসব বর্ণ উচ্চারণ করার সময় জিভের গোড়া আলজিভের কাছে বা কণ্ঠনালির কাছাকাছি স্পর্শ করে, তাদের কণ্ঠধ্বনি বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলে।</li>
<li>বাংলা বর্ণমালার প্রথম বর্গ অর্থাৎ <strong>ক-বর্গ</strong>-এর পাঁচটি বর্ণ (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণ করতে সরাসরি কণ্ঠনালি থেকে বাতাসের চাপ আসে।</li>
<li>সহজ কথায়, আপনি যদি উচ্চারণ করে দেখেন, তবে বুঝবেন এই পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণের সময় আমাদের কণ্ঠের পেশি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।