eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৮৭১

‘পর্যন্ত’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরি + অন্ত
ব্যাখ্যা:
<p>‘পর্যন্ত’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পরি + অন্ত</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>এখানে ‘পরি’ শব্দের শেষ বর্ণ ‘ই’ (ই-কার) এবং ‘অন্ত’ শব্দের শুরুর বর্ণ ‘অ’ মিলে ‘য’ (য-ফলা) তৈরি করেছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই-কার বা ঈ-কার পরিবর্তিত হয়ে ‘য’ হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $পরি + অন্ত = পর + (ই + অ) + ন্ত = পর + য + ন্ত = পর্যন্ত$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধির নিয়ম মেনে ‘ই’ এবং ‘অ’ মিলে এখানে ‘য’ তৈরি হয়েছে, যা শব্দটিকে ‘পর্যন্ত’ রূপ দিয়েছে।</p>
৯৮৭২

কোনটি নাসিক্য ধ্বনি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ম</strong>। নাসিক্য ধ্বনি চেনার উপায় খুব সহজ। যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য ধ্বনি বলে।</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় প্রতিটি বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলো হলো নাসিক্য ধ্বনি।</li>
<li>প-বর্গের পঞ্চম বর্ণটি হলো <strong>ম</strong>।</li>
<li>উচ্চারণ করে দেখুন, <strong>ম</strong> বলার সময় বাতাসের একটি বড় অংশ নাক দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাই এটি একটি খাঁটি নাসিক্য ধ্বনি।</li>
</ul>
৯৮৭৩

কোনটি কণ্ঠধ্বনি নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প</strong>। কারণটা খুব সহজ, আমাদের মুখের উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী বর্ণগুলোকে ভাগ করা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>ক, খ, গ</strong>—এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার গোড়া তালুর কোমল অংশে স্পর্শ করে, তাই এগুলোকে কণ্ঠধ্বনি বলা হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প</strong> বর্ণটি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট একে অপরকে স্পর্শ করে। তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে বলা হয় <strong>ওষ্ঠ্যধ্বনি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে বর্ণ উচ্চারণে ঠোঁটের ব্যবহার হয়, তা কখনোই কণ্ঠধ্বনি হতে পারে না।</p>
৯৮৭৪

নদ্যম্বু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নদী + অম্বু
ব্যাখ্যা:
<p>নদ্যম্বু শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নদী + অম্বু</strong>। এটি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা সন্ধির নিয়মটি খেয়াল করি:</p>

<ul>
<li>এখানে শব্দের শেষে থাকা <strong>'নদী'</strong> শব্দের দীর্ঘ ঈ-কার ($ঈ$) এবং পরের শব্দের শুরুতে থাকা <strong>'অম্বু'</strong> শব্দের অ ($অ$) মিলে য-ফলা ($য$) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, $ঈ + অ = য$ হয়।</li>
<li>তাই, $নদী + অম্বু$ মিলে শব্দটি হয় <strong>নদ্যম্বু</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধি করার সময় শব্দের মূল রূপটি ঠিক রাখা জরুরি। এখানে 'নদী' শব্দটি দীর্ঘ ঈ-কার দিয়েই লেখা হয়, তাই সন্ধি বিচ্ছেদেও এটিই সঠিক রূপ।</p>
৯৮৭৫

নিচের কোনটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ-উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষবৃক্ষ-উপন্যাস</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই বিখ্যাত বইটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিষবৃক্ষ</strong> হলো বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা একটি কালজয়ী সামাজিক <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>বাকি অপশনগুলো সঠিক নয় কারণ 'বিদ্রোহী' একটি কবিতা, 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথের একটি উপন্যাস (নাট্যকাব্য নয়), এবং 'নৌকাডুবি'ও একটি উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ নয়। তাই সরাসরি <strong>বিষবৃক্ষ-উপন্যাস</strong> অপশনটিই এখানে নির্ভুল।</p>
৯৮৭৬

‘লবণ’ শব্দের বিশেষণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লবণাক্ত
ব্যাখ্যা:
<p>‘লবণ’ শব্দের সঠিক বিশেষণ হলো <strong>লবণাক্ত</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার সময় শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়। এখানে ‘লবণ’ শব্দের সাথে ‘ক্ত’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘লবণাক্ত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা কোনো কিছুর নোনা বা লবণযুক্ত অবস্থাকে বোঝায়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিশেষ্য পদ: লবণ (বস্তুর নাম)</li>
<li>বিশেষণ পদ: লবণাক্ত (বস্তুর গুণ বা অবস্থা)</li>
</ul>

<p>তাই যখন আমরা কোনো কিছুর স্বাদ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করি, তখন ‘লবণ’ না বলে তার বিশেষণ রূপ হিসেবে <strong>লবণাক্ত</strong> ব্যবহার করাই সবচেয়ে শুদ্ধ ও মানসম্মত।</p>
৯৮৭৭

”নির্মল” শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পঙ্কিল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঙ্কিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের গভীরতা ও প্রয়োগের দিক থেকে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ।</p>

<ul>
<li><strong>নির্মল</strong> শব্দের অর্থ হলো যা পরিষ্কার, স্বচ্ছ বা পবিত্র।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পঙ্কিল</strong> শব্দের অর্থ হলো যা পঙ্ক বা কাদা দ্বারা পূর্ণ, অর্থাৎ ঘোলাটে বা অপরিচ্ছন্ন।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের গাম্ভীর্য ও আভিধানিক সামঞ্জস্য বজায় রাখা জরুরি। তাই 'নির্মল'-এর বিপরীত হিসেবে 'পঙ্কিল' সবচেয়ে মানানসই এবং শুদ্ধ।</li>
</ul>
৯৮৭৮

তদ্ধিত প্রত্যয় কোন প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাম প্রকৃতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাম প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে শব্দের মূল অংশকে বলা হয় প্রকৃতি।</li>
<li>যেসব প্রকৃতি কোনো বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনাম পদ নির্দেশ করে, তাদেরই বলা হয় <strong>নাম প্রকৃতি</strong>।</li>
<li>তদ্ধিত প্রত্যয় সবসময় এই নাম প্রকৃতির সাথেই যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, ক্রিয়া বা ধাতুর সাথে যুক্ত হয় কৃৎ প্রত্যয়, আর নামবাচক শব্দের সাথে যুক্ত হয় তদ্ধিত প্রত্যয়।</li>
</ul>
৯৮৭৯

'সামীপ্য' শব্দের অর্থ কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নৈকট্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নৈকট্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'সামীপ্য' শব্দটি এসেছে 'সমীপ' শব্দ থেকে।</p>

<ul>
<li>'সমীপ' মানে হলো কাছে বা নিকটে থাকা।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে কোনো কিছুর কাছাকাছি অবস্থান বা সান্নিধ্য বোঝাতে 'সামীপ্য' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নৈকট্য বা কাছে থাকাই হলো সামীপ্যের মূল অর্থ।</li>
</ul>
৯৮৮০

‘নয়ন’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নে + অন
ব্যাখ্যা:
<p>‘নয়ন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>নে + অন</strong>। এটি মূলত অয়াদি সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>অয়াদি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, এ-কারের সাথে অন্য কোনো স্বরবর্ণ যুক্ত হলে এ-কারটি <strong>অয়</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>নে</strong> শব্দের শেষে থাকা 'এ' কার এবং পরের শব্দের শুরুতে থাকা 'অ' মিলে <strong>অয়</strong> তৈরি করছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $নে + অন = ন + এ + অ + ন = ন + অয় + ন = নয়ন$।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো শব্দের মাঝে 'অয়' উচ্চারণ হচ্ছে, তখন বুঝে নেবেন সেখানে 'এ' কারের সন্ধি কাজ করছে।</p>
৯৮৮১

‘ম্যাও ধরা’ বাগধারাটির অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দায়িত্ব নেয়া
ব্যাখ্যা:
<p>‘ম্যাও ধরা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>দায়িত্ব নেয়া</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সাধারণত কোনো কঠিন বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ যখন কেউ নিজের কাঁধে তুলে নেয়, তখন তাকেই বলা হয় ‘ম্যাও ধরা’। অর্থাৎ, কোনো ঝামেলার কাজ বা বিপদের ঝুঁকি স্বেচ্ছায় স্বীকার করে নেয়াকেই এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়।</p>

<ul>
<li><strong>মূল ভাব:</strong> কোনো কঠিন কাজের দায়ভার গ্রহণ করা।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার মতো কঠিন কাজ বা দায়িত্ব নিজের ওপর নেয়া।</li>
</ul>
৯৮৮২

‘হাতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গজ
ব্যাখ্যা:
<p>‘হাতি’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>গজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় হাতিকে বোঝাতে <strong>গজ</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথোপকথনে হাতির বিশাল আকৃতি বোঝাতে আমরা প্রায়ই 'গজরাজ' শব্দটি শুনে থাকি, যার অর্থ হলো হাতির রাজা।</li>
<li>তাই যখনই হাতি বা বিশাল কোনো প্রাণীর কথা আসবে, তখন <strong>গজ</strong> শব্দটিই এর সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক হিসেবে কাজ করবে।</li>
</ul>
৯৮৮৩

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন পাওয়া যায় কোথায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নেপালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>।</li>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের কারণেই চর্যাপদের সাথে নেপালের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ যেহেতু নেপালের রাজদরবার থেকেই উদ্ধার করা হয়েছিল, তাই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শনের উৎস হিসেবে নেপালই স্বীকৃত।</p>
৯৮৮৪

কোন শব্দটি 'চক্ষু' এর সমার্থক নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিবিড়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিবিড়</strong>।</p>
<p>চোখ বা চোখের বিভিন্ন সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে—লোচন, আঁখি, নেত্র, নয়ন ইত্যাদি। পক্ষান্তরে, 'নিবিড়' শব্দের অর্থ হলো গভীর, ঘন বা নিবিদ্ধ। এটি কোনোভাবেই চোখের সমার্থক শব্দ নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
৯৮৮৫

‘অধর্ম’ শব্দের সমস্যমান পদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নেই ধর্ম যার
ব্যাখ্যা:
<p>‘অধর্ম’ শব্দটি একটি <strong>নঞ তৎপুরুষ সমাস</strong>। এই ধরনের সমাসে সাধারণত ‘না’ বা ‘নেই’ অর্থ প্রকাশ পায়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেই ধর্ম যার</strong>, কারণ:</p>

<ul>
<li>‘অ’ উপসর্গটি এখানে ‘নাই’ বা ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাসবাক্য করার সময় ‘অ’ এর পরিবর্তে ‘নেই’ শব্দটি বসিয়ে মূল পদের সাথে সামঞ্জস্য রাখা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছুর অভাব বা অস্তিত্বহীনতা বোঝায়, তখন সমাসবদ্ধ পদটি ‘অ’ দিয়ে শুরু হয় এবং ব্যাসবাক্যে ‘নেই’ বা ‘নাই’ যুক্ত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই, ‘অধর্ম’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য হবে <strong>নেই ধর্ম যার</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।