<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তের</strong>। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত রাধাকৃষ্ণ ও বড়ু চণ্ডীদাসের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত একটি আখ্যান। এই কাব্যটি মোট <strong>১৩টি খণ্ডে</strong> বিভক্ত।</p>
<p>‘পনির’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পনি+এর</strong>। এটি মূলত একটি বিশেষ সন্ধি বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন দুটি পদের মিলন ঘটে, তখন শব্দের মূল অর্থ ঠিক রাখা জরুরি।</li>
<li>এখানে ‘পনি’ এবং ‘এর’ এই দুটি অংশ মিলে ‘পনির’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে অনেক সময় সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে শব্দ গঠিত হয়, তাই এই বিচ্ছেদটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, <strong>পনি + এর = পনির</strong>। তাই পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে সরাসরি এই রূপটি মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>”পনির” শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পনি + এর</strong>। এটি মূলত একটি বিশেষ সন্ধি বা শব্দের গঠনগত রূপ।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে মূল শব্দ বা ধাতু হিসেবে <strong>পনি</strong> এবং তার সাথে <strong>এর</strong> প্রত্যয় বা অংশটি যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>পনি + এর = পনির</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, শব্দটির মূল অংশ <strong>পনি</strong> আলাদা করে বাকি অংশ <strong>এর</strong> যোগ করলেই সঠিক উত্তরটি পাওয়া যায়।</p>
৯৮২৯
সর্বজন স্বীকৃত ও খাঁটি ভাষায় রচিত প্রথম কাবগ্রন্থ কোনটি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এর কারণগুলো খুব সহজভাবে নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>খাঁটি বাংলা ভাষা:</strong> চর্যাপদ বা তার পরবর্তী অনেক রচনায় মিশ্র ভাষার প্রভাব থাকলেও, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে আমরা একদম খাঁটি ও সর্বজনবোধ্য বাংলা ভাষার রূপ দেখতে পাই।</li>
<li><strong>স্বকীয়তা:</strong> এই কাব্যটি রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত এবং এর ভাষা ও ছন্দ তৎকালীন সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার খুব কাছাকাছি ছিল।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক বিচারে এটিই বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও খাঁটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত, যা বাংলা ভাষার বিবর্তনে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষার সাবলীলতা এবং ব্যবহারের দিক থেকে এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম খাঁটি নিদর্শন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের অমর সৃষ্টি হলো এই কাব্যগ্রন্থটি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মাবতী</strong> মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>এটি আরাকান রাজসভার রোসাঙ্গ রাজদরবারের অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে রচিত হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এটি একটি কালজয়ী আখ্যানকাব্য হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই আলাওলের নাম শুনলেই মাথায় রাখবেন তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মফুলে বসে থাকা তরুনীর হাতি গেলা ও উদিগীরণ করা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি আসলে কবি কঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'চণ্ডীমঙ্গল'-এর একটি অতিপ্রাকৃত ও অলৌকিক দৃশ্য। এই দৃশ্যটির পেছনের কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>শ্রীমন্ত সওদাগর যখন সমুদ্রপথে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি সাগরে একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পান।</li>
<li>সেখানে তিনি দেখেন, একটি বিশাল পদ্মফুলের ওপর এক অপূর্ব সুন্দরী তরুণী বসে আছেন।</li>
<li>তরুণীটি একটি আস্ত হাতি গিলে ফেলছেন এবং কিছুক্ষণ পর আবার তা মুখ দিয়ে বের করে দিচ্ছেন (উদিগীরণ করছেন)।</li>
<li>এই অলৌকিক দৃশ্যটিই সাহিত্যে 'কমলে কামিনী' নামে পরিচিত, যা দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রকাশের একটি মাধ্যম।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীলপদ্ম</strong>। কর্মধারয় সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি বিশেষ্য পদের সাথে বিশেষণ পদের মিলন ঘটে।</li>
<li>এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ (যা পদ্মের গুণ বোঝাচ্ছে) এবং 'পদ্ম' হলো বিশেষ্য।</li>
<li>যখন আমরা বলি 'নীল যে পদ্ম', তখন এটি একটি বিশেষ্যকে তার গুণের মাধ্যমে বিশেষায়িত করে, যা কর্মধারয় সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করে এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, সেটিই কর্মধারয় সমাস। তাই <strong>নীলপদ্ম</strong> শব্দটি এই নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</p>
<p>‘পদ্ধতি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>পদ্ + হতি</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি পূর্বপদের শেষে <strong>দ্</strong> থাকে এবং পরপদের শুরুতে <strong>হ</strong> থাকে, তবে সন্ধির সময় <strong>দ্</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>দ্ধ</strong>-তে পরিণত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক সূত্রের মতো বিষয়টি এমন:
$$দ্ + হ = দ্ধ$$</li>
<li>এই নিয়মেই <strong>পদ্ + হতি</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>পদ্ধতি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে <strong>দ্</strong> এবং <strong>হ</strong> মিলে যুক্তবর্ণ <strong>দ্ধ</strong> তৈরি করেছে, যা শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</p>
<p>পদ্ধতি শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>পদ্ + হতি</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি পূর্বপদের শেষে <strong>দ্</strong> থাকে এবং পরপদের শুরুতে <strong>হ</strong> থাকে, তবে সন্ধির সময় <strong>দ্</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>দ্ধ</strong> এবং <strong>হ</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>ধ</strong>-এ রূপ নেয়।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি এমন: $দ্ + হ = দ্ধ$।</li>
<li>এই নিয়ম মেনেই <strong>পদ্ + হতি</strong> যুক্ত হয়ে <strong>পদ্ধতি</strong> শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে <strong>দ্</strong> এবং <strong>হ</strong> মিলে যুক্তবর্ণ তৈরি করে শব্দের গঠন সম্পন্ন করেছে। তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মূল শব্দ দুটি আলাদা করলে আমরা <strong>পদ্</strong> এবং <strong>হতি</strong> পাই।</p>
<p>‘পদ্ধতি’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পদ্ + হতি</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি পূর্বপদের শেষে <strong>দ্</strong> থাকে এবং পরপদের শুরুতে <strong>হ</strong> থাকে, তবে সন্ধির সময় <strong>দ্</strong> এবং <strong>হ</strong> মিলে <strong>দ্ধ</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: $$দ্ + হ = দ্ধ$$</li>
<li>এই নিয়মেই <strong>পদ্</strong> এর সাথে <strong>হতি</strong> যুক্ত হয়ে <strong>পদ্ধতি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দের মাঝে <strong>‘দ্ধ’</strong> আছে, তখন সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম অংশে <strong>দ্</strong> এবং দ্বিতীয় অংশে <strong>হ</strong> দিয়ে শুরু হওয়া শব্দটিকে আলাদা করলেই সঠিক উত্তরটি পেয়ে যাবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'Deputation' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো কাউকে বিশেষ কোনো দায়িত্ব বা কাজের জন্য সাময়িকভাবে অন্য কোনো দপ্তরে বা স্থানে নিয়োগ দেওয়া।</li>
<li>প্রশাসনিক পরিভাষায় এই বিশেষ নিয়োগ বা দায়িত্ব অর্পণকেই বাংলায় <strong>প্রেষণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন একজন কর্মী তার মূল কর্মস্থল থেকে সাময়িকভাবে অন্য কোথাও দায়িত্ব পালন করতে যান, সেই প্রক্রিয়াটিই হলো প্রেষণ।</li>
</ul>
৯৮৩৭
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর'- এখানে টাপুর টুপুর কোন ধরনের শব্দ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিাত্মক শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক আওয়াজ যখন শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তাকেই ধ্বনিাত্মক শব্দ বলে।</li>
<li>বৃষ্টি পড়ার সময় যে মৃদু শব্দ হয়, তাকে আমরা অনুকরণ করে বলি 'টাপুর টুপুর'।</li>
<li>যেহেতু 'টাপুর টুপুর' শব্দটা বৃষ্টির পড়ার আওয়াজকে নির্দেশ করছে, তাই এটি একটি ধ্বনিাত্মক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম শব্দের অনুকরণে তৈরি শব্দই হলো ধ্বনিাত্মক শব্দ।</p>
৯৮৩৮
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন ধরনের শব্দ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধনাত্মক শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>মানুষ বা বস্তুর স্বাভাবিক ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>ধনাত্মক শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>বৃষ্টি পড়ার সময় যে মৃদু ঝনঝন বা ছন্দময় শব্দের সৃষ্টি হয়, তা বোঝাতেই এখানে 'টাপুর টুপুর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এটি বৃষ্টির শব্দের একটি কাল্পনিক বা অনুকরণমূলক রূপ, তাই এটি ধনাত্মক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর শব্দের অনুকরণে তৈরি শব্দ দেখলেই চোখ বন্ধ করে সেটিকে ধনাত্মক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
৯৮৩৯
‘নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা না থাকলেও নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা আছে’ কোনটির?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> নিজে কোনো স্বাধীন শব্দ নয়, তাই এর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই।</li>
<li>কিন্তু যখনই এটি কোনো শব্দের শুরুতে বসে, তখন সেই শব্দের অর্থের আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে দেয় বা নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>যেমন: 'হার' একটি শব্দ, এর আগে 'প্র' উপসর্গ যোগ করলে হয় 'প্রহার' (মার দেওয়া), আবার 'আ' যোগ করলে হয় 'আহার' (খাওয়া)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপসর্গ নিজে অর্থহীন হলেও নতুন শব্দ তৈরির কারিগর হিসেবে দারুণ কার্যকর!</p>
৯৮৪০
"নিজস্ব কোন অর্থবাচকতা না থাকলেও, নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা আছে" --কোনটির?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> নিজে কোনো শব্দ নয়, বরং এটি শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>এর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, কিন্তু এটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়, তখন সেই শব্দের অর্থের পরিবর্তন বা নতুন কোনো অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>যেমন: 'হার' একটি শব্দ, এর আগে 'প্র' উপসর্গ যোগ করলে হয় 'প্রহার' (মার দেওয়া), আবার 'আ' যোগ করলে হয় 'আহার' (খাওয়া)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপসর্গ হলো শব্দের কারিগর—নিজে অর্থহীন হলেও নতুন শব্দ তৈরিতে এর জুড়ি নেই!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।