<p>‘নেতা’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>নৈ + তা</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি ব্যাকরণিক নিয়ম মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘নী’ ধাতুর সাথে ‘তৃচ্’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘নেতৃ’ শব্দ গঠিত হয়।</li>
<li>বাংলায় যখন আমরা ‘নেতা’ শব্দটি বিশ্লেষণ করি, তখন এর মূল প্রকৃতি হিসেবে <strong>নৈ</strong>-কে ধরা হয়।</li>
<li>এখানে ‘নৈ’ হলো মূল ধাতু বা প্রকৃতি এবং ‘তা’ হলো কৃৎ প্রত্যয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘নেতা’ শব্দটি গঠিত হওয়ার সময় ধাতুর আদি স্বরের পরিবর্তনের মাধ্যমে <strong>নৈ + তা</strong> রূপটি তৈরি হয়। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না!</p>
<p>‘নায়ক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো <strong>নৈ + অক</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের অয়াযাদি সন্ধি বা প্রত্যয়জাত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এখানে 'নৈ' হলো প্রকৃতি এবং 'অক' হলো প্রত্যয়।</li>
<li>সন্ধি বা প্রত্যয়ের নিয়ম অনুযায়ী, 'ঐ' কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে 'ঐ' কারটি 'আয়'-এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $নৈ + অক = ন + ঐ + অক = ন + আয় + অক = নায়ক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'না' বা 'আয়' ধ্বনি থাকলে প্রকৃতিতে সাধারণত 'নৈ' ব্যবহার করতে হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>নৈ + অক</strong>।</p>
<p>‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>নিস্ফল আবেদন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘অরণ্য’ মানে হলো বন বা জঙ্গল, যেখানে মানুষ থাকে না।</li>
<li>এখন জনমানবহীন জঙ্গলে গিয়ে যদি কেউ চিৎকার করে বা সাহায্য চায়, তবে তার কথা শোনার মতো কেউ নেই।</li>
<li>অর্থাৎ, এমন জায়গায় সাহায্য চাওয়া যেখানে কোনো সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, সেটিই হলো নিস্ফল বা বৃথা আবেদন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে কোনো প্রতিকার পাওয়ার আশা নেই, সেখানে কোনো কিছু দাবি করা বা কান্নাকাটি করাই হলো অরণ্যে রোদন।</p>
<p>‘নিষ্পত্তি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + পত্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম কাজ করেছে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি 'প' বা 'ফ' থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় 'ষ' বা 'স'-এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>নিঃ</strong> এর সাথে <strong>পত্তি</strong> যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>ষ</strong> বর্ণটি তৈরি করেছে।</li>
<li>ফলে সন্ধিটি দাঁড়ায়: $নিঃ + পত্তি = নিষ্পত্তি$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলেই এমন সব শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করা একদম পানির মতো সহজ হয়ে যায়!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ওষধি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গাছপালা সংক্রান্ত এই শব্দটির বানান সবসময় <strong>ওষধি</strong> হয়।</p>
<ul>
<li>যেসব গাছ একবার ফল দিয়েই মারা যায়, তাদেরই এককথায় বলা হয় <strong>ওষধি</strong>।</li>
<li>অনেকে ভুল করে 'ঔষধি' লিখে ফেলেন, কিন্তু মনে রাখবেন—গাছ বা উদ্ভিদ বোঝাতে সবসময় <strong>ও</strong>-কারযুক্ত 'ওষধি' শব্দটিই সঠিক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফল হওয়ার পর যে গাছ তার জীবনচক্র শেষ করে ফেলে, তাকেই আমরা <strong>ওষধি</strong> হিসেবে চিনি।</p>
<p>‘নিষ্কর’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + কর</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিসর্গের (ঃ) পরে যদি <strong>ক</strong>, <strong>খ</strong>, <strong>প</strong> বা <strong>ফ</strong> থাকে, তবে বিসর্গটি সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে অথবা অনেক ক্ষেত্রে বিসর্গের জায়গায় <strong>স</strong> বা <strong>ষ</strong> যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে ‘নিঃ’ এর সাথে ‘কর’ যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গটি বজায় থেকে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী <strong>নিঃ + কর = নিষ্কর</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন শব্দ দেখলে সরাসরি <strong>নিঃ + কর</strong> অপশনটি বেছে নেবেন।</p>
<p>‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>নিষ্ফল আবেদন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>অরণ্য মানে হলো বন বা জঙ্গল, যেখানে মানুষ সচরাচর থাকে না।</li>
<li>এখন জনমানবহীন জঙ্গলে দাঁড়িয়ে কেউ যদি চিৎকার করে বা কাঁদে, তবে তা শোনার মতো কেউ নেই।</li>
<li>অর্থাৎ, যেখানে কোনো কথা বা আবেদনের কোনো গুরুত্ব নেই বা যার কোনো ফল পাওয়া যায় না, তাকেই আমরা বলি ‘অরণ্যে রোদন’।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে আবেদনের কোনো কার্যকর ফলাফল নেই, সেটিই হলো নিষ্ফল আবেদন।</p>
<p>কচুবনের কালাচাঁদ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অপদার্থ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কচুবন সাধারণত জঙ্গল বা অপ্রয়োজনীয় জায়গা হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>এই পরিবেশে যে 'কালাচাঁদ' বা ব্যক্তিটি থাকে, তাকে সামাজিকভাবে কোনো কাজের বা গুণের অধিকারী মনে করা হয় না।</li>
<li>তাই কোনো ব্যক্তি যখন একেবারেই অকর্মণ্য বা অযোগ্য হয়ে পড়ে, তখন তাকে ব্যঙ্গ করে 'কচুবনের কালাচাঁদ' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষেধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘বিধি’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর নিয়ম বা অনুমতি দেওয়া। এর ঠিক উল্টো অবস্থা বা বিপরীত ধারণাটি হলো কোনো কিছু করতে মানা করা বা বারণ করা, যাকে আমরা ‘নিষেধ’ বলে থাকি।</p>
<ul>
<li><strong>বিধি:</strong> নিয়ম বা অনুমতি।</li>
<li><strong>নিষেধ:</strong> মানা করা বা বারণ করা।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘বিধি’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ‘নিষেধ’ সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৯৯১১
অবজ্ঞা ও অবমাননা শব্দ দুটি 'অব' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হীনতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'অব' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে ছোট বা নিচু করে বোঝায়, তখনই সেটি <strong>হীনতা</strong> অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>'অবজ্ঞা' মানে হলো কাউকে তুচ্ছ বা ছোট মনে করা, আর 'অবমাননা' মানে হলো কারো সম্মান কমিয়ে দেওয়া বা অসম্মান করা।</li>
<li>যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই কোনো কিছুর মান বা গুরুত্ব কমিয়ে ফেলার বিষয়টি কাজ করছে, তাই এখানে 'অব' উপসর্গটি <strong>হীনতা</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষেধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>বিধি</strong> মানে হলো কোনো কাজ করার নিয়ম বা অনুমতি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>নিষেধ</strong> মানে হলো কোনো কাজ করতে মানা করা বা বারণ করা।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থের দিক থেকে 'বিধি' শব্দের সরাসরি বিপরীত ভাব প্রকাশ করে 'নিষেধ'। তাই এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘মুখচোরা’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে মানুষের সামনে কথা বলতে বা মিশতে লজ্জা পায়। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>সামাজিকভাবে খুব বেশি মিশুক না হওয়া।</li>
<li>অপরিচিতদের সামনে কথা বলার সময় জড়তা অনুভব করা।</li>
<li>স্বভাবগতভাবে লাজুক প্রকৃতির হওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে ‘মুখচোরা’ শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ হলো <strong>লাজুক</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।